ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ইবলিশ আল্লাহর ইবাদতকারী ও জ্ঞানী ছিল, কিন্তু শয়তান হলো কেন?


ইবলিশ আল্লাহর ইবাদতকারী ও জ্ঞানী ছিল, কিন্তু শয়তান হলো কেন?

ইবলিশ আল্লাহর অস্তিত্ব ও ক্ষমতা সম্পর্কে জানত। আল্লাহর সঙ্গে তার কথোপকথনের কথাও কোরআনে বর্ণিত হয়েছে। কিন্তু আল্লাহর একটি নির্দেশ অমান্য করে অহংকারের কারণে সে অভিশপ্ত শয়তানে পরিণত হয়। কোরআনের বর্ণনা অনুযায়ী, তার পতনের মূল কারণ ছিল আল্লাহর আদেশ অমান্য করা ও অহংকার।

 
আল্লাহ তাআলা আদম (আ.)-কে সৃষ্টি করার পর ফেরেশতাদের তাঁকে সিজদা করার নির্দেশ দেন। তখন সবাই সিজদা করলেও ইবলিশ সিজদা করতে অস্বীকৃতি জানায়। কোরআনে বলা হয়েছে, “সে অস্বীকার করল এবং অহংকার করল; আর সে কাফিরদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে গেল।” —সূরা আল-বাকারা: ৩৪।
 
ইবলিশ কেন সিজদা করেনি—এ বিষয়ে আল্লাহ তাকে প্রশ্ন করলে সে নিজের শ্রেষ্ঠত্বের দাবি করে। সে বলে, “আমি তার চেয়ে উত্তম। আপনি আমাকে আগুন থেকে সৃষ্টি করেছেন এবং তাকে মাটি থেকে সৃষ্টি করেছেন।” —সূরা আল-আ‘রাফ: ১২।
 
অর্থাৎ, ইবলিশ আল্লাহর নির্দেশের সামনে নিজের যুক্তিকে প্রাধান্য দিয়েছিল। সে মনে করেছিল, আগুনের তৈরি হওয়ার কারণে সে মাটির তৈরি আদম (আ.)-এর চেয়ে শ্রেষ্ঠ। এই অহংকারই তার পতনের অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
 
তবে কোরআনের বর্ণনায় একটি বিষয় স্পষ্ট—ইবলিশ ফেরেশতা ছিল না; সে ছিল জিনদের অন্তর্ভুক্ত। সূরা আল-কাহফের ৫০ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে, “ইবলিস ছিল জিনদের অন্তর্ভুক্ত। অতঃপর সে তার প্রতিপালকের আদেশ অমান্য করল।”
 
ইবলিশের সঙ্গে আল্লাহর কথোপকথনের বর্ণনাও কোরআনে রয়েছে। সিজদার নির্দেশ অমান্য করার পর সে আল্লাহর কাছে কিয়ামত পর্যন্ত অবকাশ প্রার্থনা করে। আল্লাহ তাকে অবকাশ দেন এবং সে মানুষকে আল্লাহর সরল পথ থেকে বিচ্যুত করার ঘোষণা দেয়। —সূরা আল-আ‘রাফ: ১৪-১৭।
 
অন্যদিকে আদম (আ.) ভুল করার পর নিজের ভুল স্বীকার করে আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেন। তিনি বলেন, “হে আমাদের প্রতিপালক! আমরা নিজেদের ওপর জুলুম করেছি। আপনি যদি আমাদের ক্ষমা না করেন এবং আমাদের প্রতি দয়া না করেন, তাহলে আমরা অবশ্যই ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হব।” —সূরা আল-আ‘রাফ: ২৩।
 
ইবলিশের ঘটনা তাই মানুষের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা বহন করে। জ্ঞান, মর্যাদা কিংবা ইবাদত থাকলেও অহংকার ও আল্লাহর আদেশের অবাধ্যতা মানুষকে বিপথে নিতে পারে। অন্যদিকে নিজের ভুল স্বীকার করে আল্লাহর কাছে ফিরে আসা মানুষের জন্য তওবার পথ খুলে দেয়।
 
কোরআনের এসব বর্ণনায় ইবলিশের পতনের মূল শিক্ষা হলো—আল্লাহর নির্দেশের সামনে নিজের অহংকার, যুক্তি ও শ্রেষ্ঠত্বের দাবি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডেঙ্গুতে আ-ক্রা-ন্ত হয়ে স্কুলছাত্রের মৃ-ত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:৪৮ এম


ডেঙ্গুতে আ-ক্রা-ন্ত হয়ে স্কুলছাত্রের মৃ-ত্যু

ইবলিশ আল্লাহর অস্তিত্ব ও ক্ষমতা সম্পর্কে জানত। আল্লাহর সঙ্গে তার কথোপকথনের কথাও কোরআনে বর্ণিত হয়েছে। কিন্তু আল্লাহর একটি নির্দেশ অমান্য করে অহংকারের কারণে সে অভিশপ্ত শয়তানে পরিণত হয়। কোরআনের বর্ণনা অনুযায়ী, তার পতনের মূল কারণ ছিল আল্লাহর আদেশ অমান্য করা ও অহংকার।

 
আল্লাহ তাআলা আদম (আ.)-কে সৃষ্টি করার পর ফেরেশতাদের তাঁকে সিজদা করার নির্দেশ দেন। তখন সবাই সিজদা করলেও ইবলিশ সিজদা করতে অস্বীকৃতি জানায়। কোরআনে বলা হয়েছে, “সে অস্বীকার করল এবং অহংকার করল; আর সে কাফিরদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে গেল।” —সূরা আল-বাকারা: ৩৪।
 
ইবলিশ কেন সিজদা করেনি—এ বিষয়ে আল্লাহ তাকে প্রশ্ন করলে সে নিজের শ্রেষ্ঠত্বের দাবি করে। সে বলে, “আমি তার চেয়ে উত্তম। আপনি আমাকে আগুন থেকে সৃষ্টি করেছেন এবং তাকে মাটি থেকে সৃষ্টি করেছেন।” —সূরা আল-আ‘রাফ: ১২।
 
অর্থাৎ, ইবলিশ আল্লাহর নির্দেশের সামনে নিজের যুক্তিকে প্রাধান্য দিয়েছিল। সে মনে করেছিল, আগুনের তৈরি হওয়ার কারণে সে মাটির তৈরি আদম (আ.)-এর চেয়ে শ্রেষ্ঠ। এই অহংকারই তার পতনের অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
 
তবে কোরআনের বর্ণনায় একটি বিষয় স্পষ্ট—ইবলিশ ফেরেশতা ছিল না; সে ছিল জিনদের অন্তর্ভুক্ত। সূরা আল-কাহফের ৫০ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে, “ইবলিস ছিল জিনদের অন্তর্ভুক্ত। অতঃপর সে তার প্রতিপালকের আদেশ অমান্য করল।”
 
ইবলিশের সঙ্গে আল্লাহর কথোপকথনের বর্ণনাও কোরআনে রয়েছে। সিজদার নির্দেশ অমান্য করার পর সে আল্লাহর কাছে কিয়ামত পর্যন্ত অবকাশ প্রার্থনা করে। আল্লাহ তাকে অবকাশ দেন এবং সে মানুষকে আল্লাহর সরল পথ থেকে বিচ্যুত করার ঘোষণা দেয়। —সূরা আল-আ‘রাফ: ১৪-১৭।
 
অন্যদিকে আদম (আ.) ভুল করার পর নিজের ভুল স্বীকার করে আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেন। তিনি বলেন, “হে আমাদের প্রতিপালক! আমরা নিজেদের ওপর জুলুম করেছি। আপনি যদি আমাদের ক্ষমা না করেন এবং আমাদের প্রতি দয়া না করেন, তাহলে আমরা অবশ্যই ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হব।” —সূরা আল-আ‘রাফ: ২৩।
 
ইবলিশের ঘটনা তাই মানুষের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা বহন করে। জ্ঞান, মর্যাদা কিংবা ইবাদত থাকলেও অহংকার ও আল্লাহর আদেশের অবাধ্যতা মানুষকে বিপথে নিতে পারে। অন্যদিকে নিজের ভুল স্বীকার করে আল্লাহর কাছে ফিরে আসা মানুষের জন্য তওবার পথ খুলে দেয়।
 
কোরআনের এসব বর্ণনায় ইবলিশের পতনের মূল শিক্ষা হলো—আল্লাহর নির্দেশের সামনে নিজের অহংকার, যুক্তি ও শ্রেষ্ঠত্বের দাবি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নিউগিনি প্রোপার্টিজে হামলায় জামায়াত এমপির জামাতা গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:৫১ এম


নিউগিনি প্রোপার্টিজে হামলায় জামায়াত এমপির জামাতা গ্রেপ্তার

নিউগিনি প্রোপার্টিজে হামলার ঘটনায় কুষ্টিয়া-২ আসনের জামায়াতের এমপি মোহাম্মদ আব্দুল গফুরের জামাতা মিজানুর রহমানকে (৫৯) গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) গুলশান বিভাগ।

ডিবি গুলশান বিভাগের একটি দল সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিকালে পশ্চিম মাটিকাটা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে এমপির বাসা থেকে মিজানুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে।

গ্রেপ্তারের সময় এমপি আব্দুল গফুর বাসাতে উপস্থিত ছিলেন। তার সামনে থেকেই ডিবি পুলিশ মিজানুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যায়।

ডিবি পুলিশ জানিয়েছে, নিউগিনি প্রপার্টিজে হামলার ঘটনায় ক্যান্টনমেন্ট থানায় দায়ের করা মামলায় মিজানুর রহমান এজাহারভুক্ত ৯ নম্বর আসামি হিসেবে চিহ্নিত হয়েছেন।

এই মামলাটি রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ক্যান্টনমেন্ট থানায় করা হয়। তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রবি কর্মী বায়েজিদ কোথায়? সকাল ৭টায় বাসা থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্টাফ রিপোর্টার, বরিশাল:

মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:২৬ এম


রবি কর্মী বায়েজিদ কোথায়? সকাল ৭টায় বাসা থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ

বরিশাল নগরীতে রবি কোম্পানির মার্কেটিং বিভাগে কর্মরত মো. বায়েজিদ সরদার (২৯) নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে তাঁর পরিবার। গত ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সকাল ৭টার দিকে কর্মস্থলের উদ্দেশ্যে বাসা থেকে বের হওয়ার পর থেকে তাঁর আর কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না। একই দিন বিকেল আনুমানিক ৩টার দিকে বাবার সঙ্গে মুঠোফোনে সর্বশেষ কথা হয় তাঁর। এরপর থেকে বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে ব্যবহৃত মুঠোফোন নম্বরটিও।


বায়েজিদ বরিশাল নগরীর ১১ নম্বর ওয়ার্ডের ব্যাপ্টিস্ট মিশন রোড, মানিক মিয়ার গ্যারেজ এলাকার বাসিন্দা। তাঁর বাবা সুলতান সরদার (৬৫এবং মা কাজল বেগম।

পরিবারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রতিদিনের মতো ২৮ সেপ্টেম্বর সকাল ৭টার দিকে কর্মস্থলের উদ্দেশ্যে বাসা থেকে বের হন বায়েজিদ। তাঁর কর্মস্থল সদর রোড এলাকার একটি অফিসে। রবি কোম্পানির মার্কেটিং বিভাগের কর্মী হিসেবে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় পণ্য ও রিচার্জ লোড সরবরাহের কাজেও তাঁর যাতায়াত ছিল।

পরিবারের তথ্যমতে, সম্ভাব্য যাতায়াতের রুটের মধ্যে সদর রোডের হোটেল এরিনা সংলগ্ন অফিস এলাকা থেকে সোনা মিয়ার পোল হয়ে পপুলার এলাকার দিকে যাওয়ার বিষয়টি রয়েছে। তবে নিখোঁজ হওয়ার দিন তিনি ঠিক কোন পথে গিয়েছিলেন এবং সর্বশেষ কোথায় ছিলেন—এ বিষয়ে এখনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

২৮ সেপ্টেম্বর বিকেল আনুমানিক ৩টার দিকে বায়েজিদের সঙ্গে তাঁর বাবা সুলতান সরদারের সর্বশেষ মুঠোফোনে কথা হয়। এরপর পরিবারের সদস্যরা তাঁর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও মুঠোফোন বন্ধ পান।

নির্ধারিত সময়ে বাসায় ফিরে না আসায় প্রথমে কর্মস্থল, বন্ধু-বান্ধব ও পরিচিতজনদের সঙ্গে যোগাযোগ করে পরিবার। পরে আত্মীয়স্বজনের বাড়িসহ সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করা হয়। কিন্তু কোথাও তাঁর সন্ধান না পাওয়ায় বিষয়টি নিয়ে পরিবারের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়।

পরবর্তীতে বায়েজিদের বাবা সুলতান সরদার কোতোয়ালি মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ* করেন। তাঁর সন্ধানে প্রয়োজনীয় অনুসন্ধান ও আইনগত কার্যক্রমের প্রত্যাশা করছে পরিবার।


বায়েজিদের সন্ধানে সদর রোড, হোটেল এরিনা সংলগ্ন এলাকা, সোনা মিয়ার পোল ও পপুলার এলাকার আশপাশে ২৮ সেপ্টেম্বর দিনের বিভিন্ন সময়ে তাঁর চলাচল সম্পর্কে কেউ কোনো তথ্য দেখে বা জেনে থাকলে তা পরিবারকে জানানোর অনুরোধ করা হয়েছে।

বিশেষ করে কোনো ব্যক্তি তাঁকে ওইসব এলাকায় দেখে থাকলে, তাঁর সঙ্গে কথা বলে থাকলে কিংবা তাঁর পরবর্তী গন্তব্য সম্পর্কে কোনো তথ্য জেনে থাকলে দ্রুত তা জানাতে অনুরোধ জানিয়েছে পরিবার।


নিখোঁজ বায়েজিদ সরদারের সন্ধান পেতে পরিবারের পক্ষ থেকে সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে। তাঁর অবস্থান সম্পর্কে সামান্য কোনো তথ্যও পাওয়া গেলে তা পরিবারের কাছে গুরুত্বপূর্ণ বলে জানিয়েছেন স্বজনরা।

কেউ বায়েজিদকে কোথাও দেখে থাকলে, তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ হয়ে থাকলে অথবা তাঁর অবস্থান সম্পর্কে কোনো তথ্য জানা থাকলে *দেরি না করে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হয়েছে।

বায়েজিদের সন্ধান পেলে যোগাযোগ করুন:
📞 ০১৮১১-৯৯৯৯৮৯

এছাড়া তাঁর সন্ধানসংক্রান্ত কোনো তথ্য পাওয়া গেলে *নিকটস্থ থানা বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে অবহিত করার* অনুরোধ করা হয়েছে।


নাম: মো. বায়েজিদ সরদার
বয়স: ২৯ বছর
পিতা:সুলতান সরদার
মাতা: কাজল বেগম
পেশা: রবি কোম্পানির মার্কেটিং বিভাগে কর্মরত
ঠিকানা: ১১ নম্বর ওয়ার্ড, ব্যাপ্টিস্ট মিশন রোড, মানিক মিয়ার গ্যারেজ এলাকা, কোতোয়ালি থানা, বরিশাল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মধ্যরাতেও বিক্ষোভে উত্তপ্ত চুয়েট?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:৩০ এম


মধ্যরাতেও বিক্ষোভে উত্তপ্ত চুয়েট?

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী এবং আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন পক্ষ থেকে চাপ, ভয়-ভীতি প্রদর্শন ও হুমকির অভিযোগ উঠেছে। এই পরিস্থিতির প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা মধ্যরাতে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন। তারা অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে উপাচার্য হিসেবে পুনর্বহালের দাবি জানান।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাধীনতা চত্ত্বর থেকে শুরু হয় বিক্ষোভ মিছিলটি।

এর আগে রাত সাড়ে ১১টা থেকে চুয়েটের বিভিন্ন আবাসিক হল থেকে শিক্ষার্থীরা স্লোগান দিতে দিতে স্বাধীনতা চত্ত্বরে জড়ো হতে থাকেন। পরে মিছিলটি চুয়েটের আবাসিক এলাকার গোলচত্ত্বর প্রদক্ষিণ করে পুনরায় স্বাধীনতা চত্ত্বরে এসে শেষ হয়।

বিক্ষোভ মিছিলে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা ‘প্রত্যাখ্যান, প্রত্যাখ্যান, অনলাইন ভিসি প্রত্যাখ্যান’, ‘মোদের দাবি একটাই, সায়েম স্যারকে ভিসি চাই’ সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন।

যন্ত্রকৌশল বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী সাকিব হাসান বলেন, "অনেকে মনে করতে পারেন আমাদের আন্দোলনে জনবল কমে যাচ্ছে। আজকের মিছিলের উপস্থিতিই তাদের এই মিথ্যা কথার জবাব।"

একই বর্ষের পেট্রোলিয়াম ও মাইনিং ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী আসাদুল্লাহ হিল গালিব বলেন, "আমাদের এই চলমান আন্দোলনে কতিপয় মহল হুমকি, ভয়ভীতি প্রদর্শন করছেন। পরিবারের সদস্যদের ক্ষতি করার চেষ্টা করছেন। আমরা তাদের হুঁশিয়ারি দিয়ে বলতে চাই, হুমকি দিয়ে আমাদের এই আন্দোলন দমানো যাবে না। আমাদের গণতান্ত্রিক দাবি একটাই, কুয়েটের অধ্যাপক ড. শরীফুল আলমকে উপাচার্য পদে নিয়োগের প্রজ্ঞাপন বাতিল চাই। অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে চুয়েটের উপাচার্য পদে পুনর্বহাল চাই।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%