০১:০৭ পি.এম
ঢাকা-১ আসনের দোহার ও নবাবগঞ্জ উপজেলায় সাধারণ মানুষের মাঝে ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের কারণে চরম ভোগান্তি সৃষ্টি হয়েছে। বিদ্যুৎ সরবরাহের এই সংকটের ফলে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের দৈনন্দিন জীবন নেতিবাচকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে, বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা।
স্থানীয়রা আক্ষেপ করে বলছেন, দিনের বিভিন্ন সময় বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে। দীর্ঘ সময় পর যখন বিদ্যুৎ ফিরে আসে, তখন অনেক ক্ষেত্রেই আবার দ্রুত উধাও হয়ে যাচ্ছে। এই সমস্যা সবচেয়ে বেশি শিক্ষার্থীদের জন্য বিপর্যয় সৃষ্টি করছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন শিক্ষার্থী মন্তব্য করেছেন, “বিদ্যুতের কারণে ঠিকমতো পড়াশোনা করতে পারতেছি না। পড়তে বসার সময়ই বিদ্যুৎ চলে যায়। এভাবে পড়াশোনা করা খুব কঠিন হয়ে পড়েছে।”
আরও পড়ুন: নওগাঁয়ে ঘরে মাটির নিচে ২৪৫ কেজির কষ্টিপাথরের শিবলিঙ্গ উদ্ধার, আটক ১
শুধু লোডশেডিং নয়, বিদ্যুৎ বিল নিয়েও গ্রাহকদের মধ্যে অসন্তোষ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ওই শিক্ষার্থী জানান, অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল আসার অভিযোগ রয়েছে। এমনকি কিছু মাসে দুইবার বিদ্যুৎ বিল লেখার ঘটনা ঘটেছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
এর আগে, ২৮ জুন ২০২৬ তারিখে দোহারে লোডশেডিং ও অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের অভিযোগে গ্রাহকেরা পল্লী বিদ্যুৎ কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেছিলেন।
কিন্তু মানববন্ধন শেষে বিদ্যুৎ সমস্যার স্থায়ী সমাধান হয়নি বলেই অভিযোগ করছে স্থানীয়রা। এ সম্পর্কে দোহার বিদ্যুৎ অফিসের কর্মকর্তা ইউসুফ জানান, “বরাদ্দ কম, চাহিদা বেশি। সেজন্য লোডশেডিং দিতে হয়।” কিন্তু এই সমস্যা আর কতদিন চলতে থাকবে, সে বিষয়ে তিনি সঠিকভাবে কিছু জানাতে পারেননি।
স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত বিদ্যুৎ সরবরাহের ঘাটতি দূর করা উচিত এবং অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল ও মাসে একাধিকবার বিল লেখার অভিযোগের তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। তাদের প্রত্যাশা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিয়ে দোহার-নবাবগঞ্জের বিদ্যুৎ পরিস্থিতিকে স্বাভাবিক করবে।
আরও পড়ুন: দিনাজপুর বোর্ডের ১ কোটি ২৬ লাখ টাকার দুর্নীতির তদন্তের নির্দেশ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন