ঢাকা শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

কলাপাড়ায় স্বনির্ভর খাল পুনঃখননে কৃষকের মাঝে ফিরেছে স্বস্তি


কলাপাড়ায় স্বনির্ভর খাল পুনঃখননে কৃষকের মাঝে ফিরেছে স্বস্তি

পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার বালিয়াতলী-মিঠাগঞ্জ দুই ইউনিয়নের মধ্য দিয়ে বয়ে যাওয়া হাড়িপাড়া থেকে বৌদ্ধপাড়া পর্যন্ত স্বনির্ভর খাল পুনঃখননের কাজ সম্পন্ন হওয়ায় কৃষকদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

৪৫ বছর পর যেন নতুন প্রাণ ফিরে পেল খালটি। মৃতপ্রায় খালটিতে আবারও পানির প্রবাহ শুরু হয়েছে। ফলে নতুন করে আশার আলো দেখছেন স্থানীয় কৃষকরা। একই সঙ্গে বালিয়াতলী বাজার এবং আশপাশের বাণিজ্যিক কেন্দ্রগুলোতে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড আরও গতিশীল হবে বলে স্থানীয়রা আশা করছেন।

এদিকে খালের খনন কাজ শেষ হওয়ার পর দুই পাড়ে ফলদ ও বনজ বৃক্ষ রোপণ করে লাল সবুজ রঙের প্লাস্টিকের বেড়া দিয়ে দৃষ্টিনন্দন করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: আমি এখন পীরগঞ্জের বিএনপি নেতাদের একজন':ঠাকুরগাঁওয়ে ইউএনওর বিতর্কিত বক্তব্য

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, খননকৃত খালের মোট দৈর্ঘ্য ১৪৫০ মিটার, খালের উপরিভাগ ২২ মিটার এবং নীচ ১২ মিটার। খাল খননে মোট খরচ হয়েছে ১,১৪,০৫,২৭৯ টাকা।

স্থানীয় জ্যেষ্ঠ বাসিন্দারা জানান, ১৯৮১ সালে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান পটুয়াখালীর কলাপাড়া সফরে এসে এ স্বনির্ভর খালটি খনন করেছিলেন। ৪৫ বছর আগে খনন করা সেই খাল দখল, দূষণ ও পলি জমে ভরাট হয়ে যাওয়ার কারণে শুষ্ক মৌসুমে মিঠা পানির অভাবে দুই ইউনিয়নের প্রায় ৫ হাজার একর জমি অনাবাদি পড়ে থাকতো। লবণ পানিতে শত শত হাঁস-মুরগি ও গবাদি পশু মারা যেত। এতে কৃষকরা কর্মহীন হয়ে পড়তেন। এখন খনন প্রকল্প বাস্তবায়নের ফলে কৃষকদের মুখে হাসি ফুটেছে।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. মোকছেদুল আলম বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান পটুয়াখালীর কলাপাড়া সফরে এসে এ স্বনির্ভর খালটি খনন করেছিলেন। আমরা খালের ১৪৫০ মিটার অংশে পুনঃখননের কাজ সম্পন্ন করেছি। বাকি অংশের খনন কাজ করার জন্য এমপি মহোদয় ডিউ লেটার দিয়েছেন। বরাদ্দ পেলে কাজ শুরু হবে।

মিঠাগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মেজবাহ উদ্দিন খান দুলাল ও ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি মো. মনিবর রহমান খন্দকার বলেন, দীর্ঘদিন ধরে এ খাল পুনঃখননের দাবি করে আসছিল এলাকার মানুষ। কিন্তু গত ১৫ বছরে খাল খননের পরিবর্তে উল্টো দখল হয়েছে।

আরও পড়ুন: সিরাজগঞ্জে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হলো ‘চর উৎসব’

স্থানীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব এবিএম মোশাররফ হোসেন এমপি বলেন, বর্তমান সরকার কৃষিতে বৈপ্লবিক পরিবর্তনের জন্য তাঁর নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করে চলেছে। আমার নির্বাচনী এলাকার কৃষি ব্যবস্থার উন্নয়নে আরও কিছু খাল পুনঃখননের প্রস্তাবনা দেওয়া হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তাড়াইলে আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগ নেতা শাহ আলম ভূঁইয়া গ্রেফতার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৩২ পি.এম


তাড়াইলে আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগ নেতা শাহ আলম ভূঁইয়া গ্রেফতার

কিশোরগঞ্জের তাড়াইলে শাহ আলম ভূঁইয়া নামে একজন ব্যক্তিকে রাজনৈতিক মামলার কারণে গ্রেফতার করেছে তাড়াইল থানার পুলিশ। শুক্রবার (২ অক্টোবর) রাত আনুমানিক ৩টার সময় উপজেলার হাসলা গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করা হয়। শাহ আলম ভূঁইয়া মৃত মজিবুর রহমান (মেঘো)-এর পুত্র।

অভিযান পরিচালনার দায়িত্বে থাকা তাড়াইল থানার এসআই ফোরকান মোল্লা জানান, শাহ আলম ভূঁইয়া বাংলাদেশ আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগের তাড়াইল উপজেলা কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

এদিকে, শাহ আলম ভূঁইয়ার রাজনৈতিক পরিচয় এবং সংশ্লিষ্টতা নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। প্রতিবেদকের কাছে সংরক্ষিত বিভিন্ন সময়ের অনুমোদিত কমিটির নথি পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগের পাশাপাশি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের তাড়াইল উপজেলা শাখার একাধিক কমিটিতে তার নাম উল্লেখ রয়েছে। নথি অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ওলামা দলের আহ্বায়ক কমিটি এবং পরবর্তী পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে তাকে গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল।

নথি অনুযায়ী, আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগ ও ওলামা দলের বিভিন্ন শাখায় তার নাম থাকার বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে। তবে বিভিন্ন কমিটিতে তার দায়িত্বের মেয়াদকাল বা সাংগঠনিক অবস্থান পরিবর্তনের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে তাড়াইল উপজেলা জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের সভাপতি হাফেজ রুহুল আমিন দাবি করেন, গ্রেফতারকৃত শাহ আলম একজন দক্ষ ও নিবেদিত কর্মী এবং তিনি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়েছেন।

অন্যদিকে, তাড়াইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) প্রদীপ মন্ডল জানান, শাহ আলম ভূঁইয়াকে একটি রাজনৈতিক মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়া হাসলা গ্রামের মৎস্যজীবী লীগের ওয়ার্ড কমিটিতে আহ্বায়কের তালিকায় তার নাম পাওয়া গেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বরগুনায় স্বৈরাচার সরকারের সময় ভাঙা বায়তুল রহিম জামে মসজিদ পুনর্গঠন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৩৩ পি.এম


বরগুনায় স্বৈরাচার সরকারের সময় ভাঙা বায়তুল রহিম জামে মসজিদ পুনর্গঠন

বরগুনা সদর উপজেলার খেজুরতলা গ্রামে স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের ক্ষমতার পতনের আগে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া ঐতিহ্যবাহী ‘বায়তুল রহিম জামে মসজিদ’ দীর্ঘ সময় পর পুনর্গঠনের কাজ সম্পন্ন করেছেন স্থানীয় সচেতন মুসল্লিরা। শুক্রবার (২ অক্টোবর) পুনর্নির্মিত এই মসজিদে আনুষ্ঠানিকভাবে বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনা ও ধর্মীয় গাম্ভীর্যের মধ্যে দিয়ে প্রথম জুমার নামাজ আদায় করা হয়।

প্রাপ্ত তথ্য ও ভূমি মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর প্রেরিত প্রতিষ্ঠাতা পরিবার ও জমির পত্বনগ্রহীতা মো: আবদুর রাজ্জাক-এর আবেদনপত্রের নথিপত্র পর্যালোচনা করে জানা যায় যে, বরগুনা সদর থানার খেজুরতলা গ্রামের মরহুম আলহাজ্ব আবদুর রহিম হাওলাদার (মাস্টার)-এর পরিবার ১৯৮৬ সাল থেকে ওই জমিতে বাসস্থানের পাশাপাশি ফলজ ও বনজ বৃক্ষরোপণ, সামাজিক বনায়ন এবং মুসল্লিদের নামাজের সুবিধার্থে টিনশেড ও পাকা মসজিদ স্থাপন করেন। দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করে আসছিলেন এবং অদূরেই মুসল্লিদের ওজু ও গোসলের জন্য একটি ঘাট বাঁধানো পুকুরও তৈরি করা হয়েছিল।

ইতিপূর্বে জমির স্বত্ব ও বন্দোবস্ত সংক্রান্ত আবেদনের প্রেক্ষিতে বরগুনার তৎকালীন জেলা প্রশাসক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) একাধিকবার সরেজমিনে পরিমাপ ও সেলামী নির্ধারণ করে ইতিবাচক প্রতিবেদন জমা দেন। বরগুনা জেলা প্রশাসনের কার্যালয় থেকে একাধিকবার সুপারিশসহ স্পষ্ট মতামত প্রদান করা হয়েছিল যে, উক্ত জমিতে সরকারের কোনো উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের প্রয়োজন নেই এবং আবেদনকারীকে তা স্থায়ী বন্দোবস্ত দেওয়া যেতে পারে।

তবে পরবর্তীতে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিল ও প্রভাব বিস্তারের জন্য ‘নৌ-টার্মিনাল স্থাপন’ বা ‘ড্রেজিং’-এর অজুহাত দেখিয়ে ঐতিহ্যবাহী এই মসজিদ ও সংলগ্ন জমি দখলের চক্রান্ত চালানো হয়। নথির তথ্য অনুযায়ী, প্রস্তাবিত নৌ-টার্মিনালের নির্ধারিত অবস্থান ছিল জমির দক্ষিণ অংশে এবং ড্রেজিং-এর জন্য জায়গা চিহ্নিত ছিল উত্তর অংশে, যার সাথে মসজিদ ও আবাসন অংশের কোনো সাংঘর্ষিক অবস্থান ছিল না। তা সত্ত্বেও ক্ষমতার অপব্যবহার করে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মসজিদটি ভেঙে চুরমার করে দেওয়া হয় এবং সেখানে বালু ভরাট করে মুসল্লিদের ইবাদতের পথ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল।

সম্প্রতি রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর এবং স্বৈরাচারী সরকারের পতনের সুযোগে স্থানীয় মুসল্লিরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে হারানো মসজিদটি পুনর্গঠনের উদ্যোগ গ্রহণ করেন। মুসল্লিদের নিজস্ব অর্থায়ন ও শ্রমে কাঠ ও টিন দিয়ে প্রাথমিকভাবে ঐতিহ্যবাহী বায়তুল রহিম জামে মসজিদটি পুনরায় দাঁড় করানো হয়েছে।

আজ দুপুরে পুনর্নির্মিত মসজিদে অনুষ্ঠিত প্রথম জুমার নামাজে স্থানীয় বহু মুসল্লি অংশগ্রহণ করেন। নামাজ শেষে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করা হয়, যেখানে দেশের শান্তি-সমৃদ্ধি এবং বায়তুল রহিম জামে মসজিদের স্থায়ী পাকা ভবন নির্মাণের তাওফিক কামনা করা হয়। একই সাথে এলাকাবাসী বিগত সরকারের আমলের অন্যায় সিদ্ধান্ত বাতিল করে মসজিদের জমি স্থায়ীভাবে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের নামে বরাদ্দ দেওয়ার জন্য বর্তমান প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শ্রমজীবী নারীদের নিরাপত্তা ও কল্যাণকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করছে সরকার: শ্রমমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৪৭ পি.এম


শ্রমজীবী নারীদের নিরাপত্তা ও কল্যাণকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করছে সরকার: শ্রমমন্ত্রী

চট্টগ্রাম, ২ অক্টোবর, ২০২৬ : শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী মন্তব্য করেছেন, বর্তমান সরকার শ্রমজীবী নারীদের নিরাপত্তা, অধিকার রক্ষা এবং সার্বিক কল্যাণকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করে যাচ্ছে।

শুক্রবার সকালে চট্টগ্রাম নগরের কালুরঘাট শিল্প এলাকায় নারী শ্রমিকদের জন্য নির্মিত ‘শ্রমজীবি মহিলা হোস্টেল ও শ্রমকল্যাণ কেন্দ্র’ পরিদর্শনকালে তিনি এই কথা বলেন।

মন্ত্রী জানান, কালুরঘাট শিল্প এলাকার শ্রমজীবী নারীদের জন্য নির্মিত ‘মহিলা হোস্টেল ও শ্রমকল্যাণ কেন্দ্রটি’ দ্রুত চালুর লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সমন্বয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

তিনি উল্লেখ করেন, কালুরঘাট শিল্প এলাকায় অন্তত দুই লাখ শ্রমিক কর্মরত আছেন, যাদের মধ্যে একটি বড় অংশ নারী শ্রমিক। শ্রমজীবী নারীদের নিরাপত্তা, আবাসন, চিকিৎসাসেবা সহ যাবতীয় সংকট নিরসনে এই স্থাপনাটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

এ সময় তিনি নারী শ্রমিকদের জন্য নির্মিত হোস্টেল ও ৫ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল সহ শ্রমকল্যাণ কেন্দ্রটি পরিদর্শন করেন।

শ্রমমন্ত্রী বলেন, এই স্থাপনায় সরকারের কয়েক শত কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছে। তবে নানা কারণে এটি এখনো চালু করা সম্ভব হয়নি। ভবনটির ভবিষ্যৎ কী হবে এবং এটি কীভাবে শ্রমজীবী নারীদের কল্যাণে ব্যবহার করা যায়, সে বিষয়ে আইনগত ও কারিগরি সব দিক পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এ লক্ষ্যে মেয়র, এলাকার সংসদ সদস্য এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে নিয়ে আলোচনা করে একটি সমন্বিত সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর চেষ্টা করা হবে।

এ সময় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আব্দুর রহমান তরফদার, শ্রম কল্যাণ সংস্থার কর্মকর্তারা, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সেনাকল্যাণ সংস্থার প্রতিনিধি, প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা এবং স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সুস্থ ও দায়িত্বশীল প্রজন্ম গড়ে তুলতে খেলাধুলার বিকল্প নেই: চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৪৭ পি.এম


সুস্থ ও দায়িত্বশীল প্রজন্ম গড়ে তুলতে খেলাধুলার বিকল্প নেই: চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি

ঢাকা, ২ অক্টোবর, ২০২৬ ( বাসস) : জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি উল্লেখ করেছেন, সুস্থ দেহ ও সুস্থ মনের জন্য খেলাধুলার গুরুত্ব অপরিসীম। খেলাধুলা তরুণদের মধ্যে শৃঙ্খলা, নেতৃত্ব এবং দেশপ্রেমের বিকাশ ঘটায়। ক্রীড়াচর্চার মাধ্যমে সুস্থ, সচেতন ও দায়িত্বশীল প্রজন্ম গড়ে তোলা সম্ভব, এবং এর কোনো বিকল্প নেই।

আজ শুক্রবার ঢাকার মিরপুরে শহীদ সোহরাওয়ার্দী ইনডোর স্টেডিয়ামে মোহাম্মদপুর তায়কোয়ানডো ক্লাব এবং বাংলাদেশ তায়কোয়ানডো ফেডারেশন কর্তৃক আয়োজিত ‘ক্লাব কাপ ওপেন তায়কোয়ানডো চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন।

চিফ হুইপ আরও বলেন, বাংলাদেশের তরুণ-তরুণীরা খেলাধুলায় অত্যন্ত প্রতিভাবান। ক্রীড়াক্ষেত্রকে এগিয়ে নিতে তরুণদের আরও উৎসাহিত করা এবং তাদের সম্পৃক্ত করা প্রয়োজন। খেলাধুলার মাধ্যমে শারীরিক ও মানসিক বিকাশের পাশাপাশি দায়িত্বশীলতা এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ গড়ে ওঠে।

তিনি বলেন, তরুণদের ইতিবাচক ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করতে খেলাধুলা এবং সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের প্রসার অত্যন্ত জরুরি। এ ধরনের আয়োজন তরুণ খেলোয়াড়দের প্রতিভা বিকাশে এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশের সুনাম বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

চিফ হুইপ অংশগ্রহণকারী খেলোয়াড়দের সাফল্য কামনা করেছেন এবং এ আয়োজনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানান।

টুর্নামেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান শায়রুল কবির খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আনিসুর রহমান এমপি, বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, খেলোয়াড়, ক্রীড়া সংগঠক, আমন্ত্রিত অতিথি এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৫
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৫
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%