আঃ হামিদ মধুপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি
০৪:৩৪ পি.এম
টাঙ্গাইলের মধুপুরে তৃতীয় শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে স্থানীয় এক প্রতিবেশীর বিচার দাবিতে মানববন্ধন করেছে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী। বুধবার দুপুরে মহিষমারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে কয়েক শত শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয় বাসিন্দারা এই মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন।
মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা দাবি জানান, শিশুদের নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য স্কুল, মাদ্রাসা ও বাড়িতে সহিত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। একইসঙ্গে অভিযুক্ত শাহ আলমের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করা হয়।
ভুক্তভোগী শিশুটির মা সাবিনা বেগম অভিযোগ করে বলেন, বুধবার সকালে তিনি ও তার স্বামী বাড়িতে খাবার খাচ্ছিলেন। এই সময় পাশের ঘরে তার মেয়ে স্কুলের পোশাক পরছিল। এই সুযোগে প্রতিবেশী শাহ আলম ঘরে ঢুকে শিশুটিকে শ্লীলতাহানি ও ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। মেয়ের ডাকচিৎকারে আশপাশের লোক এগিয়ে এলে অভিযুক্ত শাহ আলম পালিয়ে যায়। এই ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।
মানববন্ধনে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন মহিষমারা গ্রামের নজরুল ইসলাম, মেছের আলী, সাবিনা বেগম, রেনু বেগম, সাহিদা বেগম, জাহানারা বেগম, হলুদিয়া গ্রামের মিন্টু মিয়া এবং বিদ্যালয়ের নবনির্বাচিত সভাপতি জয়নাল আবেদীন।
নবনির্বাচিত সভাপতি জয়নাল আবেদীন বলেন, ‘ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর অভিভাবক ঘটনাটি আমাকে জানিয়েছেন। বিষয়টি অত্যন্ত ন্যক্কারজনক। আমি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবী করছি।'
মধুপুর থানার অফিসার ইনচার্জ এ কে এম ফজলুল হক বলেন, এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শেরপুরে আদিবাসী শিশু বিথী দিওয়াকে ধর্ষণের পরে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় দুঃসম্পর্কের মামা কান্তি মারাকের মৃত্যুদণ্ড হাইকোর্টে বহাল রাখা হয়েছে।
বুধবার (১ জুলাই) দুপুরে, বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী এবং বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান নেতৃত্বাধীন নারী ও শিশু নির্যাতন মামলার জন্য গঠিত হাইকোর্টের বিশেষ বেঞ্চ এই রায় প্রদান করেন।
মামলার অভিযোগে এই তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে যে, ২০১৩ সালে বিকেলে খেলতে গেলে কৌশলে শিশুটিকে ঘরে ডেকে নেয় কান্তি মারাক। শিশুটিকে ধর্ষণের পরে ব্যথার তীব্র কষ্টে আত্মচিৎকার করার চেষ্টা করলে কান্তি তার নাক ও মুখ চেপে ধরে শ্বাসরোধে হত্যা করে।
এ ঘটনার ধারাবাহিকতায়, ২০১৯ সালে শেরপুরের আদালত আসামি কান্তিকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ প্রদান করে। সেই রায়ের সাত বছর পর ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানির পর, মৃত্যুদণ্ডকে বহাল রেখে রায় দেন হাইকোর্টের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন সংক্রান্ত বিশেষ বেঞ্চ। তবে এই ঘটনার সাজা কার্যকর হবে না এখন, কারণ আপিল শুনানি এখনও বাকি রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সাতক্ষীরার তালা উপজেলায় একটি যাত্রীবাহী বাসের চাপায় মোটরসাইকেলের আরোহী এক স্কুলশিক্ষার্থী নিহত হয়েছে। এই ঘটনায় মোটরসাইকেলচালক ও নিহত শিক্ষার্থীর বাবা গুরুতর আহত হয়েছেন।
বুধবার (১ জুলাই) সকাল ৯টা নাগাদ বৃষ্টির মধ্যে খুলনা-পাইকগাছা মহাসড়কের তালা সদর ইউনিয়নের শাহপুর বাজারে ব্র্যাক অফিসের সামনে এ দুর্ঘটনাটি ঘটেছে।
নিহত কুশান সরদার, যাকে কুশল নামেও ডাকা হয়, তালা ব্রজেন দে সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। তিনি তালা উপজেলার নলতা গ্রামের বাসিন্দা এবং রথখোলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক কানাই লাল সরদারের ছেলে। চাকরির কারণে কুশানের বাবা-মা বর্তমানে চুকনগরে বসবাস করছেন এবং তারা উভয়েই শিক্ষকতা পেশায় নিয়োজিত আছেন।
স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী আব্দুর সবুর জানান, পাইকগাছা থেকে খুলনাগামী একটি যাত্রীবাহী বাস যখন শাহপুর বাজার এলাকা পৌঁছায়, তখন এটি চুকনগর থেকে তালাগামী একটি মোটরসাইকেলকে চাপা দেয়। এর ফলে মোটরসাইকেলে থাকা কুশল বাসের নিচে চাপা পড়ে ঘটনাস্থলেই নিহত হয়ে যায়। এই সময় তার বাবা কানাই লাল সরদার গুরুতর আহত হন।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহত কানাই লাল সরদারকে উদ্ধার করে তালা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। বর্তমানে তিনি সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
তালা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাখাওয়াত হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, মৃত ব্যক্তির চোখে ও ঠোঁটে সামান্য আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ঘটনার তদন্ত শেষে বিস্তারিত আরও জানা যাবে। মরদেহের ময়নাতদন্তের জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন বলেছেন, নকল এবং প্রশ্নপত্র ফাঁসের পরিবেশ থেকে বের হয়ে ন্যায়সংগত শিক্ষা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে।
এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা উপলক্ষে বুধবার (১ জুলাই) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই বিষয়টি তুলে ধরেন।
শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, শিক্ষার্থীরা যাতে কোনো ভীতি পরিহার করে সুন্দর পরিবেশে পরীক্ষা দিতে পারে, সে জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।
তিনি আরও বক্তব্য রাখেন, এবারের পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী ছাত্রীর সংখ্যা ৬ লাখ ৪৮ হাজারেরও বেশি। এর মধ্যে ছাত্রীদের সংখ্যা অধিক। আমরা ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবক প্রত্যেককে আহ্বান জানাচ্ছি, যাতে সুন্দরভাবে পরীক্ষাটি শেষ করতে পারি। কারণ আগামীর বাংলাদেশ এই শিক্ষার্থীরাই গড়ে তুলবে; তাই তাদের জন্য আমার সর্বোচ্চ শুভকামনা।
এ সময় শিক্ষামন্ত্রী বলেন, প্রশ্নপত্র ফাঁসের ক্ষেত্রে যে সব দুর্বলতা রয়েছে, সে বিষয়কে কেন্দ্র করে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। এ সংক্রান্ত আইনে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নরসিংদীর মাধবদী পৌরসভায় একই দিনে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠেছে। এখানে এক কিশোরী (১৩) এবং এক বাকপ্রতিবন্ধী (২২) তরুণীকে ধর্ষণের বিষয়টি অভিযোগে রয়েছে আওলাদ হোসেন নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে।
বুধবার (১ জুলাই) দুপুরে মাধবদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কামাল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মঙ্গলবার (৩০ জুন) রাতে প্রতিবন্ধী তরুণীর পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেয়েছে পুলিশ। অভিযুক্ত যুবক আওলাদ হোসেন বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।
এদিকে সোমবার (২৯ জুন) দুপুরে নরসিংদী সদর উপজেলার মাধবদী পৌরসভার মহিষাশুড়া ইউনিয়নের বরদেরকান্দি গ্রামে ধর্ষণের এই ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগে বলা হয়েছে। অভিযুক্ত যুবক আওলাদ হোসেন বরদেরকান্দি গ্রামের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা।
অভিযোগ সূত্রে পুলিশ জানায়, সোমবার আওলাদ হোসেন একই গ্রামের এক কিশোরীকে ২০ টাকা দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে নিজের বসতঘরে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করেন। তারপর ওই কিশোরীর মাধ্যমে গ্রামের বাকপ্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণ করেন আওলাদ।
এই ঘটনার পর জানাজানি হলে বাকপ্রতিবন্ধী তরুণীর মা, ১০-১২ জন এলাকাবাসীসহ থানায় আওলাদ হোসেনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেন। কিশোরী এবং তরুণী দুজনকেই নরসিংদী সদর হাসপাতালে পাঠিয়ে ডাক্তারি পরীক্ষা করার পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।
ওসি মোহাম্মদ কামাল হোসেন জানান, পুলিশ এ বিষয়ে তদন্ত শুরু করেছে। কিশোরী ও তরুণীর জবানবন্ধি, ডাক্তারি পরীক্ষা এবং প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। অভিযুক্ত যুবক এখনও পলাতক রয়েছেন এবং তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ