সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৪:৪৬ পি.এম
জলবায়ু পরিবর্তন এবং মারাত্মক উদ্ভিদ রোগের আক্রমণের কারণে বিশ্বজুড়ে কলা চাষ বর্তমানে এক ভয়াবহ সংকটের সম্মুখীন হয়েছে। তবে গবেষকরা জানিয়েছেন, ক্যাভেন্ডিশ জাতের কলা বর্তমানে অস্তিত্বের জন্য লড়াই করলেও সংকট কাটিয়ে ফলটিকে টিকিয়ে রাখার জন্য নতুন আশার দিগন্ত উন্মোচন করেছে।
বিশ্বের জনপ্রিয় ফলগুলোর মধ্যে টমেটোর পরেই কলার অবস্থান রয়েছে। প্রতি বছর বিশ্বজুড়ে প্রায় ১৩ কোটি ৯০ লাখ টন কলা উৎপাদিত হয়।
কলার এক হাজারের বেশি জাত বিদ্যমান, কিন্তু বিশ্বের বেশিরভাগ মানুষের ফলের পাত্রে মূলত ক্যাভেন্ডিশ জাতের কলাই দেখা যায়। ১৯৫০-এর দশক থেকে পানামা রোগের কারণে ‘গ্রোস মিশেল’ জাতের কলা হারিয়ে যায়। এরপর বাজারে এই ‘ক্যাভেন্ডিশ’ জাতটি দখল করে নেয়। এই সময় বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদিত এই কলা মূলত প্রজননে অক্ষম ক্লোন হওয়ায় সব গাছের জিন একই এবং রোগ সংক্রমণের ঝুঁকিও সমান।
বর্তমানে ক্যাভেন্ডিশ জাতটি ট্রপিক্যাল রেস ৪ বা টিআর৪ নামক রোগের হুমকির সম্মুখীন হয়েছে। নরউইচের আর্লহ্যাম ইনস্টিটিউটের ফসলের জিনোমবিজ্ঞান বিশেষজ্ঞ ড. হোসে দে ভেগা জানান, এই রোগ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া থেকে ছড়িয়ে অস্ট্রেলিয়া, আফ্রিকা, মধ্যপ্রাচ্য এবং লাতিন আমেরিকায় পৌঁছেছে।
তিনি আরও বলেন, সবচেয়ে উদ্বেগজনক খবরটি আসে ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, বিশ্বের শীর্ষ কলা রপ্তানিকারক দেশ ইকুয়েডর থেকে।
ড. ভেগার মতে, এই রোগ বিশ্বজুড়ে কলার সরবরাহকে ঝুঁকির মুখে ঠেলে দিচ্ছে, যা গ্রীষ্মমণ্ডলীয় অঞ্চলের লাখো মানুষের খাদ্যনিরাপত্তা ও জীবিকার জন্য একটি বড় হুমকি। গুয়াতেমালা থেকে মালাবি পর্যন্ত চাষিরা এই প্রভাবে বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা করছেন। তবে এই বিপর্যয় ঠেকাতে গবেষকরা নতুন সাফল্যের দাবি করেছেন।
শীর্ষস্থানীয় কলা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান চিকুইটা এবং ফসল উন্নয়নবিষয়ক সংস্থা কি-জিনের যৌথ গবেষণা উদ্যোগ ‘ইয়েলোওয়ে’ জানিয়েছে, তারা প্রজননক্ষম ক্যাভেন্ডিশ কলার একটি জাত উদ্ভাবন করেছে। এর মাধ্যমে সংকরায়ণের সাহায্যে রোগ প্রতিরোধী এবং বাণিজ্যিকভাবে লাভজনক নতুন জাতের কলা তৈরির পথ প্রশস্ত হয়েছে।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলায় সাজেকের সার্বিক পরিস্থিতি, স্থানীয় জনগণের বিভিন্ন সমস্যা ও জননিরাপত্তা নিয়ে হেডম্যান ও কারবারিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) সকাল ১১টায় বাঘাইছড়ি উপজেলা পরিষদের মিনি সম্মেলন কক্ষে এ সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। সভার সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আমেনা মারজান।
সভায় উপস্থিত ছিলেন বাঘাইছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাসির উদ্দিন মজুমদার, সাজেক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তোফাজ্জল হোসেন, রাঙ্গামাটি থেকে আগত ১০৬ নং কামিলাছড়ি মৌজার হেডম্যান ভবতোষ দেওয়ান, ৩ নং লংগদু মৌজার হেডম্যান কল্যাণ মিত্র চাকমা এবং বিলাইছড়ি উপজেলার ১২৪ নং নাড়াইছড়ি মৌজার হেডম্যান শান্তি বিজয় চাকমাসহ বিভিন্ন এলাকার হেডম্যান ও কারবারিরা। এছাড়া সভায় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় সাংবাদিকরাও উপস্থিত ছিলেন।
সভায় সাজেকের বর্তমান পরিস্থিতি, স্থানীয় জনগণের বিভিন্ন সমস্যা এবং জননিরাপত্তা-সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। একই সঙ্গে এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং স্থানীয় পর্যায়ে বিদ্যমান সমস্যাগুলো সমাধানে সংশ্লিষ্ট সবার মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ ও সমন্বয় জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
সভার বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আমেনা মারজান মন্তব্য করেন, "সভায় বাঘাইছড়ির হেডম্যান ও কারবারিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেছি। সরকারি সুবিধাভোগী হেডম্যান ও কারবারি কেউ কি এই আন্দোলন আছেন কিনা।" তিনি আরও জানান, হেডম্যান কারবারিরা জানিয়েছেন, "যারা আন্দোলন করছেন তারা কেউ সরকারি সুবিধাভোগী বা কারবারি নন।"
এছাড়াও অনেক বিষয়ের উপর আলোচনা হয়েছে। বিস্তারিত পরে জানানো হবে।
তিনি আরও জানান, স্থানীয়দের সঙ্গে সভা হবে। আশা করছি ভালো কিছু হবে। উক্ত সভায় রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়ি এমপি, ডিসি এসপিগণ অংশ গ্রহণ করবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বলিউড অভিনেতা টাইগার শ্রফের ওপর হামলার ঘটনার তদন্তে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। টাইগার ছাড়াও অমিতাভ বচ্চন, আমির খান, অক্ষয় কুমার ও সালমান খানের মতো তারকাদেরও নিশানা করার পরিকল্পনা ছিল বলে জানা যাচ্ছে। মুম্বাই পুলিশের অপরাধদমন শাখার তদন্তে এমন তথ্য উঠে এসেছে যে, হামলাকারীরা তাদের বাড়ির আশপাশে নজরদারি চালিয়েছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামলাকারীদের মূল লক্ষ্য ছিলেন আমির খান। আমিরের ব্যক্তিগত জীবন এবং অভিনেত্রী গৌরী স্প্র্যাটের সঙ্গে তার সম্পর্ককে কেন্দ্র করে লরেন্স বিষ্ণোই গোষ্ঠীর পক্ষ থেকে আগেই হুমকি দেওয়া হয়েছিল। আমিরের তৃতীয় বিয়ে এবং নতুন সম্পর্কের প্রসঙ্গ টেনে তার বিরুদ্ধে আপত্তিকর মন্তব্য করা হয়েছে।
গোষ্ঠীটির দাবি, আমিরের মতো ব্যক্তিরা ‘লাভ জিহাদ’-এর প্রচার করছেন, যা তাদের সংস্কৃতির পরিপন্থী। এ ধরনের কর্মকাণ্ডের জবাব দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়েছিল। এর আগে জুলাই মাসেও আমিরকে হুমকি দেওয়া হয়েছিল।
কেন বদলে গেল হামলার পরিকল্পনা?
তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, আমির খানের পরিবর্তে টাইগার শ্রফকে নিশানা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, আমির সাধারণত জনসমক্ষে কম আসেন, অন্যদিকে টাইগারকে বিভিন্ন সময়ে প্রকাশ্যে দেখা যায়। ফলে হামলাকারীরা মনে করেছিল, টাইগারকে লক্ষ্য করা তুলনামূলক সহজ।
এনডিটিভির প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, টাইসন বিষ্ণোই ও আরজু বিষ্ণোইয়ের নামে পরিচালিত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের একটি অ্যাকাউন্ট থেকে আমিরকে উদ্দেশ্য করে হুমকিমূলক পোস্ট দেওয়া হয়েছিল।
ওই পোস্টে লেখা ছিল, ‘আমরা, আরজু বিষ্ণোই এবং টাইসন বিষ্ণোই (লরেন্স বিষ্ণইগোষ্ঠী), আমির খানের মতো ব্যক্তিদের মাধ্যমে আমাদের দেশে আমাদের সংস্কৃতির বিরুদ্ধে ‘লাভ জিহাদ’-এর নামে এই কাজের প্রচার হতে দেখছি। আমরা এসব বরদাস্ত করব না এবং খুব শিগগিরই এর উপযুক্ত জবাব দেব। এই কাজ আমাদের সনাতন ধর্ম এবং দেশের বিরুদ্ধে। আমাদের ভাই-বোন এবং দেশবাসীকে কথা দিচ্ছি, যারা এই ঘৃণ্য কাজের প্রচার করবে, তাদের নিজেদের মতো করে উপযুক্ত জবাব দেব। তারকাখ্যাতির আড়ালে যারা এই কাজের প্রচার করছে, তাদের দম বন্ধ করে দেব।’
এখনো পুলিশের কাছে বয়ান দেননি টাইগার
এদিকে, হামলার ঘটনায় টাইগার শ্রফ এখনও মানসিক ধাক্কা কাটিয়ে উঠতে পারেননি। এ কারণে তিনি এখন পর্যন্ত পুলিশের কাছে নিজের বয়ানও নথিভুক্ত করেননি।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, টাইগারের বক্তব্য রেকর্ড করতে মুম্বাই পুলিশের অপরাধদমন শাখার একটি দল তার বাড়িতে গিয়েছিল। সে সময় পুলিশ কর্মকর্তাদের তিনি বলেন, ‘আমি গোটা ঘটনায় প্রচণ্ড ধাক্কা খেয়েছি। এই মুহূর্তে কিছু বলার মতো অবস্থায় নেই। কে আমার ওপর এমন প্রাণঘাতী হামলা করতে চাইবে, আর কেনই বা করবে?’
তিনি আরও বলেন, ‘কারো সঙ্গে আমার কোনো শত্রুতা নেই। তা হলে আমার ওপর হামলা চালানো হলো কেন?’
এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত টাইগারের গাড়িচালক ফেরদৌস বালোচ এবং ভ্লগার উমেশ চৌহানের বয়ান নথিভুক্ত করেছে পুলিশ। হামলার নেপথ্যে কারা জড়িত এবং কেন এই অভিনেতাকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছিল, তা জানতে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে পুলিশ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হাইকোর্ট চট্টগ্রাম, বগুড়া, বরিশাল, ময়মনসিংহ ও সিলেট শহরে পুকুরের সংখ্যা সংক্রান্ত একটি তালিকা হলফনামা আকারে তিন মাসের মধ্যে আদালতে দাখিল করার নির্দেশ দিয়েছে। একইসঙ্গে, ৫ শহরে অবৈধভাবে পুকুর ভরাট ও দখল বন্ধ করতে ৫ জেলা প্রশাসককে মনিটরিং টিম গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সোমবার, বিচারপতি শিকদার মাহমুদুর রাজী এবং বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের হাইকোর্ট বেঞ্চে একটি রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি শেষে এই আদেশ প্রদান করা হয়।
জলাধার সংরক্ষণ আইন ও পরিবেশ সংরক্ষণ আইনের বিভিন্ন বিধান অনুসারে, জলাশয় হিসেবে স্বীকৃত পুকুরের দখল ও ভরাট বন্ধে প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হলে, হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের (এইচআরপিবি) পক্ষ থেকে রবিবার একটি রিট পিটিশন দায়ের করা হয়।
এইচআরপিবির পক্ষে সিনিয়র অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ শুনানি করেন। পরে, মনজিল মোরসেদ এক লিখিত বক্তব্যে জানান, আদালত চার সপ্তাহের রুল জারি করে বগুড়া, সিলেট, ময়মনসিংহ, বরিশাল ও চট্টগ্রাম শহরে রেকর্ডকৃত পুকুরগুলো রক্ষায় প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না এবং পুকুরগুলো কার্যকরভাবে সংরক্ষণের নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না, সেই বিষয়ে বিবাদীদের জবাব দিতে বলেছেন।
আদালত অপর এক অন্তর্বর্তীকালীন আদেশে ৫ জেলার জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারদের ১৫ দিনের মধ্যে সাত সদস্যবিশিষ্ট মনিটরিং কমিটি গঠন করতে নির্দেশ দিয়েছে। এই কমিটিতে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারদের প্রতিনিধি, পরিবেশ অধিদপ্তরের প্রতিনিধি অন্তর্ভুক্ত থাকবে এবং যাতে রেকর্ডকৃত পুকুর দখল বা ভরাট করা না যায়, সে জন্য মনিটরিং কমিটিকে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।
একইসঙ্গে, চার সপ্তাহের মধ্যে তাদের অগ্রগতি প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গাজীপুরের কালিয়াকৈরের সফিপুরে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আনসার-ভিডিপি) একাডেমি পরিদর্শন করেছেন রাষ্ট্রদূতরা, যারা চারটি দেশের প্রতিনিধিত্ব করছেন।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে মালদ্বীপ, কসোভো, মরক্কো ও সিঙ্গাপুরের রাষ্ট্রদূতরা একাডেমিতে উপস্থিত হয়ে বাহিনীর প্রশিক্ষণ কার্যক্রম, কারিগরি দক্ষতা এবং হস্তশিল্পের বিভিন্ন পণ্য পরিদর্শন করেন। এই সময় দেশীয় পণ্যের বিদেশে বাজার সম্প্রসারণের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
রাষ্ট্রদূতরা পরিদর্শনের সময় একাডেমির প্রশিক্ষণ কার্যক্রম ও অবকাঠামোর পাশাপাশি হস্তশিল্প, কুটিরশিল্প, গার্মেন্টস, নির্মাণ এবং বিভিন্ন কারিগরি বিভাগের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন। তারা আনসার সদস্যদের দ্বারা তৈরি বিভিন্ন পণ্যের মান ও উৎপাদন প্রক্রিয়া দেখে আগ্রহ প্রকাশ করেন। এ সময় তারা কিছু হস্তশিল্পের পণ্য ক্রয় করেন এবং নিজ নিজ দেশে এসব পণ্য ব্যবহারের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ রাষ্ট্রদূতদের স্বাগত জানান। পরে তার সভাপতিত্বে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ বিভিন্ন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। সভায় একাডেমির উৎপাদিত পণ্যের বাজার সম্প্রসারণ এবং বিদেশে এসব পণ্য নিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করা হয়।
পরিদর্শনে অংশগ্রহণকারী চার রাষ্ট্রদূত হলেন মালদ্বীপের শিউনীন রশীদ, কসোভোর লুলজিম প্ল্লানা, মরক্কোর লাল্লা বৌথাইনা এল কেরদৌদি এল কৌলালি এবং সিঙ্গাপুরের ফিলিপ ওং। এ সময় আনসার-ভিডিপির বিভিন্ন পর্যায়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সদস্য এবং দেশি-বিদেশি সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ