০৩:৩৬ পি.এম
চট্টগ্রামে জাতীয় দলের ক্রিকেটার নাঈম হাসানকে মারধর ও থানায় নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দেন সিএমপি কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী। তিনি বলেন, এই ঘটনায় জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।
শনিবার ১৩ জুন বেলা ১২টার দিকে নগরীর বহদ্দারহাট ফরিদার পাড়া এলাকায় নাঈমের বাসায় গিয়ে দুঃখ প্রকাশ করেন সিএমপি কমিশনার। এ সময়, তিনি নাঈম এবং তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং ঘটনার বিস্তারিত শোনেন।
পরে সাংবাদিকদের তিনি জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িত দুজন পুলিশ সদস্যকে ইতোমধ্যে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। তারা হলেন এসআই শফিকুল ইসলাম এবং কনস্টেবল রাসেল। এছাড়া, তিনি জানান, শুধুমাত্র বরখাস্ত নয়, তাদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের দশম স্থলবাহিনী সংলাপ ঢাকা সেনানিবাসে সফলভাবে সম্পন্ন
কমিশনার বলেন, পুলিশ সবসময় পেশাদারভাবে কাজ করতে চায়। কিন্তু, যদি কেউ অপেশাদার আচরণ করে, তার বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো পরিস্থিতিতেই দোষীদের ছাড় দেওয়া হবে না।
ঘটনার তদন্তে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখার কাজ চলছে এবং তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অভিযানে থাকা সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বিরুদ্ধেই বিভাগীয় মামলা হবে বলেও জানা যায়।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে কমিশনার বলেন, ঘটনার সময় পুলিশের এক সোর্স নিজেকে ডিবি পরিচয় দিয়ে মারধর করেছে, এই অভিযোগ পাওয়া গেছে। তাকে ইতোমধ্যে আটক করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, প্রাথমিকভাবে একটি অবৈধ কর্মকাণ্ডের সংক্রান্ত তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। তবে, সেখানে গিয়ে যেভাবে আচরণ করা হয়েছে, তা কোনোভাবেই পেশাদার ছিল না।
আরও পড়ুন: গণতন্ত্রের শর্ত ও রাজনৈতিক সংকটের গুরুত্ব: তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিয়ে বিতর্ক
গত শুক্রবার রাতে ঢাকা থেকে ফেরার পথে লালখানবাজার এলাকায় নাঈমকে বহনকারী সিএনজি থামানো হয়। অভিযোগ রয়েছে, নাঈমকে গলা চেপে ধরে গাড়িতে তোলার চেষ্টা করা হয় এবং পরে লাঠি ও পাইপ দিয়ে মারধর করা হয়। স্থানীয়রা তার পরিচয় নিশ্চিত করলেও নির্যাতন বন্ধ হয়নি এবং পরে তাকে খুলশী থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।
বর্তমানে নাঈম হাসান প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বাসায় রয়েছেন। keluarga menampilkan একটি করে জানিয়েছেন, তিনি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন