০৩:৪২ পি.এম
প্রযুক্তি উদ্যোক্তা ইলন মাস্ক, যিনি স্পেসএক্স, টেসলা এবং এক্স (সাবেক টুইটার)-এর নেতৃত্ব দিচ্ছেন, তিনি বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নেয়ার হিসেবে পরিচিত। ট্রিলিয়ন ডলার হল এক হাজার বিলিয়ন ডলার। ১ সংখ্যার পরে ১২টি শূন্য সংযুক্ত করলে একটি ট্রিলিয়ন হয়। বাংলায় একে বলা যেতে পারে এক লাখ কোটি।
মাস্ক বেশ কিছু সময় ধরে বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত ছিলেন, অথবা অন্তত সেই অবস্থানের নিকটবর্তী অবস্থানে ছিলেন। ফোর্বস-এর তথ্যানুযায়ী, ২০২৫ সালের অক্টোবর মাসে তিনি প্রথম ব্যক্তি হিসেবে অর্ধ-ট্রিলিয়ন ডলার (৫০০ বিলিয়ন) নিট সম্পদ অর্জন করেন।
এক মাস পর, টেসলার শেয়ারহোল্ডাররা তার জন্য একটি রেকর্ড গড়া পারিশ্রমিক প্যাকেজ অনুমোদন দেন, যার সম্ভাব্য মূল্য এক ট্রিলিয়ন ডলার হতে পারে বলে ধারণা করা হয়।
আরও পড়ুন: ছাত্রদল নেতা শাকিল ইসলামের হত্যা: গুরুদাসপুরের ওসি প্রত্যাহার, এমপি ছেলেকে ত্যাজ্য ঘোষণা
কিন্তু ২০২৬ সালের জুনে, যখন তার রকেট নির্মাতা এবং স্যাটেলাইট সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্স পাবলিক হয়, তখন মাস্কের নিট সম্পদ বিলিয়ন থেকে ট্রিলিয়ন পর্যায়ে পৌঁছে যায়।
তবে তিনি শুধু তার বিশাল সম্পদ জন্যই পরিচিত নন। স্পেসএক্স-এর প্রধান হিসেবে, তিনি সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মতামত প্রকাশ করে আসছেন। মহাবিশ্বের ভবিষ্যৎ সম্পর্কিত বিষয়গুলো থেকে শুরু করে সমসাময়িক জ্ঞান বিষয়েও তার মতামত প্রকাশ করেছেন।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে রাজনীতিতে তার সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে ২০২৪ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে জয়ী হতে সহায়তা করার জন্য তার ভূমিকা কিছু বিনিয়োগকারীর অসন্তোষের কারণ হয়েছে।
তার মতামত এবং এক্স কীভাবে জনমত ও আলোচনাকে প্রভাবিত করছে, সেই বিষয়ে সরকারপ্রধান ও আলাদা আলাদা রাজনীতিবিদদের সমালোচনার মুখে পড়েছেন মাস্ক।
আরও পড়ুন: ঘোষণা দিয়েও নিরাপত্তার কারণে ঢাকা-রিয়াদ সরাসরি ফ্লাইট চালু করতে পারল না সৌদি এয়ারলাইন্স
ইলন মাস্কের জন্ম স্থান দক্ষিন আফ্রিকার প্রিটোরিয়া শহরে। ছোটবেলা থেকেই তিনি ব্যবসায়িক দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন। ভাইয়ের সঙ্গে তিনি বাড়ি বাড়ি গিয়ে হাতের তৈরি চকলেট ইস্টার ডিম বিক্রি করতেন এবং ১২ বছর বয়সে নিজের প্রথম কম্পিউটার গেম তৈরি করেছিলেন।
তিনি উল্লেখ করেছেন যে, তার শৈশব ছিল কঠিন, যা বাবামায়ের বিচ্ছেদ, স্কুলে হয়রানি এবং অ্যাসপারগার সিনড্রোমের কারণে সামাজিক সংকেত বুঝতে অসুবিধার কারণে প্রভাবিত হয়।
মাস্ক সুযোগ পাওয়ার পরপরই পড়াশোনার জন্য বাড়ি ছেড়ে যান। প্রথমে কানাডা পরে যুক্তরাষ্ট্র স্থানান্তরিত হন, যেখানে তিনি পেনসেলভেনিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি ও পদার্থবিদ্যায় পড়ালেখা শুরু করেন।
২০১০ সালে ম্যারি ক্লেয়ার ম্যাগাজিনে এক প্রবন্ধে, তার প্রথম স্ত্রী জাস্টিন, যার সাথে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিচিত হন এবং ২০০০ সালে বিয়ে করেন, লিখেছেন, বিপুল অর্থ উপার্জনের আগেই মাস্ক ছিলেন "না-কে কখনও মেনে না নেওয়া একজন মানুষ"।
আরও পড়ুন: সরকারের সমালোচনা করলেই গ্রেপ্তার মানবাধিকারের লঙ্ঘন: আখতার হোসেন
"প্রতিযোগিতা এবং আধিপত্য বিস্তারের ইচ্ছা, যা তাকে ব্যবসায় সফল করেছে, ঘরে ফেরার পরও তা থেমে যেত না," বলেছিলেন জাস্টিন। তিনি আরও বলেছিলেন, বিয়ের নাচের সময় মাস্ক তাকে বলেছিলেন, "এই সম্পর্কে আমিই আলফা।" অর্থাৎ, ইলন মাস্ক নিজেকেই প্রধান বা প্রভাবশালী মনে করেন।
সম্পদ তৈরি করতে গিয়ে, মাস্ক স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে পদার্থবিদ্যার স্নাতকোত্তর প্রোগ্রামে ভর্তি হন কিন্তু দ্রুত তা ত্যাগ করেন এবং ১৯৯০-এর দশকে দুটি প্রযুক্তি স্টার্ট-আপ প্রতিষ্ঠা করেন।
এর মধ্যে একটি ওয়েব সফটওয়্যার কোম্পানি ও একটি অনলাইন ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠান অন্তর্ভুক্ত ছিল, যা পরে পেপ্যালে পরিণত হয় এবং এই কোম্পানিটি ২০০২ সালে ইবে’র কাছে ১.৫ বিলিয়ন ডলারে বিক্রি হয়।
মাস্ক সেই অর্থ বিনিয়োগ করেন স্পেসএক্সে, যা নাসার তুলনায় কম খরচে বিকল্প তৈরি করার লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত। একই সময়ে তিনি টেসলায়ও বিনিয়োগ করেন, যেখানে ২০০৮ সালে তিনি প্রধান নির্বাহী হন।
আরও পড়ুন: চট্টগ্রামের ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’ ডেভিড ইমনকে ৭ দিনের রিমান্ডে পাঠাল আদালত
উল্লেখযোগ্য যে, এই দুটি কোম্পানি তাদের নিজ নিজ শিল্পে বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছে, যদিও মাঝে মাঝে এরা আর্থিক সংকটের মুখোমুখি হয়েছে।
ইলন মাস্কের অন্যান্য ব্যবসায়িক উদ্যোগের মধ্যে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য ২০২২ সালের অক্টোবর মাসে সামাজিক মাধ্যম টুইটার অধিগ্রহণের ঘটনা।
তার দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য হলো এক্স-কে একটি "সবকিছুর অ্যাপ" হিসেবে গড়ে তোলা যা বিভিন্ন ধরনের সেবা এক জায়গায় এনে দেবে। তবে বিভিন্ন অনুমান অনুযায়ী, তিনি যখন কিনেছিলেন তখন কোম্পানিটির মূল্য ছিল ৪৪ বিলিয়ন ডলার, যা বর্তমানে ৯.৪ বিলিয়নে নেমে এসেছে।
কিছু প্রতিষ্ঠান প্ল্যাটফর্মটি ছেড়ে চলে গেছে। বিভিন্ন সংবাদ প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে যে, মাস্কের নেতৃত্বে এক্স-এ ঘৃণামূলক বক্তব্য বেড়েছে, ফলে বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান এর সঙ্গে সংযুক্ত থাকতে চায় না।
আরও পড়ুন: শিক্ষার্থী বিনিময় থেকে মহাকাশ: ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও কানাডার নতুন অংশীদারিত্ব
তিনি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতেও আগ্রহী। চ্যাটজিপিটি-এর মৌলিক কোম্পানিতে প্রাথমিক বিনিয়োগকারী ছিলেন মাস্ক, তবে ২০১৮ সালে তাক থেকে বেরিয়ে এসে ২০২৩ সালে এক্সএআই প্রতিষ্ঠা করেন, যার লক্ষ্য "মহাবিশ্বের প্রকৃত স্বরূপ বোঝা"।
২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে তিনি ওপেনএইআই এবং এর প্রধান স্যাম অল্টম্যানের বিরুদ্ধে মামলা করেন, অভিযোগ করেন যে প্রতিষ্ঠানটি তার অলাভজনক ও ওপেন সোর্স ভিত্তি থেকে সরে গেছে। যদিও ২০২৬ সালের মে মাসে ক্যালিফোর্নিয়ার এক জুরি তার মামলাটি খারিজ করে দেয়।
সাংবাদিক ক্রিস স্টকেল ওয়াকার জানান, "আমি কখনোই পুরোপুরি বিশ্বাস করতে পারি না যে তিনি আগামীকাল কী করতে চান তা জানেন। তিনি মূলত অন্তর্দৃষ্টির ওপর নির্ভর করে এগিয়ে যান।" ২০১৫ সালের একটি জীবনীতে লেখক অ্যাশলি ভ্যান্স তাকে "বিতর্কপ্রবণ সবজান্তা" এবং "প্রচুর অহংবোধসম্পন্ন" হিসেবে বর্ণানা করেছেন।
মাস্ককে গণমাধ্যমে কখনও 'উন্মাদ প্রতিভা', কখনও 'এক্স-এর বড় ট্রোল' হিসেবেও উল্লেখ করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: রাহুলের অভিযোগ, টাটা গোষ্ঠীকে ‘ধ্বংসের’ জন্য মোদি-শাহকে নিশানা
মাস্ক তিনবার বিবাহবিচ্ছেদের শিকার হয়েছেন। এর মধ্যে ব্রিটিশ অভিনেত্রী টালুলাহ রাইলির সঙ্গেও বিচ্ছেদ হয়েছে দু'বার। মাস্ক বেশ খোলামেলা ভাবে নিজের ত্রুটির বিষয়ে আলোচনা করেন।
২০২২ সালে টেড-এ এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, "যদি আমার পাপগুলো তালিকাভুক্ত করেন, তাহলে আমি পৃথিবীর সবচেয়ে খারাপ মানুষ মনে হব। কিন্তু আমি যা ভালো কাজ করেছি সেগুলোর সঙ্গে তুলনা করলে, এগুলোকে অনেক বেশি অর্থবহ মনে হয়।"
মাস্কের নিট সম্পদের পরিমাণ ঊর্ধ্বমুখী। ২০২৫ সালের অক্টোবর মাসে তিনি প্রথম ব্যক্তি হিসেবে অর্ধ-ট্রিলিয়ন ডলারের বেশি নিট সম্পদ অর্জন করেন, যা ফোর্বসের তথ্য অনুযায়ী প্রকাশিত।
তিনি সম্পদের দিক থেকে গুগল-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা ল্যারি পেইজ ও সের্গেই ব্রিন, ওরাকলের ল্যালি এলিসন, অ্যামাজনের জেফ বেজোস এবং ফেসবুকের মার্ক জাকারবার্গের মতো ধনকুবেরদের চেয়ে এগিয়ে রয়েছেন।
স্পেসএক্স পাবলিক কোম্পানি হয়ে যাওয়ার ফলে তার সম্পদ বৃদ্ধির সম্ভাবনা বেড়েছে। ফলস্বরূপ, ব্লুমবার্গ এবং ফোর্বসের হিসাব অনুযায়ী মাস্কের নিট সম্পদ এখন এক ট্রিলিয়ন ডলারের বেশি।
বর্তমানে ব্লুমবার্গের হিসাব অনুযায়ী তার সম্পদের পরিমাণ এক দশমিক ১১ ট্রিলিয়ন। তবে তিনি অধিকাংশ সম্পদের সঙ্গে স্পেসএক্সের শেয়ারকে যুক্ত করেন, ফলে শেয়ারের দাম কমে গেলে তার ট্রিলিয়নেয়ার মর্যাদা পরিবর্তিত হয়ে যেতে পারে।
টেসলা থেকেও তিনি বিপুল অর্থ পেতে সম্ভাবনা রয়েছে, যদি নির্ধারিত লক্ষ্য পূরণ হয়, যার মধ্যে কোম্পানির মূল্য আটগুণ বৃদ্ধি, ১০ লাখ এইআই রোবট বিক্রি এবং এক কোটি ২০ লাখ টেসলা গাড়ি বিক্রি রয়েছে।
২০২৪ সালের পুরো বছর জুড়ে মাস্ক টেসলার কাছ থেকে ৫৬ বিলিয়ন ডলারের একটি পারিশ্রমিক প্যাকেজ নিয়ে আইনি লড়াইয়ে লিপ্ত ছিলেন। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে ডেলাওয়্যারের একজন বিচারক দ্বিতীয়বারের মতো তার এই দাবি প্রত্যাখ্যান করেন, কিন্তু ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে ডেলাওয়্যার সুপ্রিম কোর্ট প্যাকেজটি পুনর্বহাল করে।
মাস্ক ডিজিটাল মুদ্রারও সমর্থক এবং টানেল নির্মাতা দ্য বোরিং কোম্পানিসহ আরও বেশ কয়েকটি ছোট কোম্পানিতে তার সম্পৃক্ততা রয়েছে।
তিনি নিজেকে একজন 'কাজপাগল' ব্যক্তি হিসেবে পরিচয় দিতে গর্ববোধ করে থাকেন এবং প্রায়শই বলেন যে তিনি শুধুমাত্র অর্থ উপার্জনের জন্য ব্যবসা করেন না।
তার বন্ধ এবং টেসলার বিনিয়োগকারী রস গার্বার বলেন, "ইলন কেবল তখনই কোনো বিষয়ে জড়িত হন, যখন তিনি মনে করেন যে সেটি কোনো কারণে... সমাজ বা মানবতার স্বার্থে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।"
মাস্কের রাজনৈতিক মতাদর্শ কি? ২০০২ সালে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক হওয়া মাস্ক দীর্ঘদিন নিজেকে "অর্ধেক ডেমোক্র্যাট, অর্ধেক রিপাবলিকান" ও "রাজনৈতিকভাবে মধ্যপন্থি" হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
তিনি বারাক ওবামা, হিলারি ক্লিনটন এবং অনিচ্ছাসত্ত্বেও জো বাইডেনকে ভোট দেওয়ার কথা বলেছেন। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তিনি রিপাবলিকান ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সমর্থন করেছেন এবং ২০২৪ সালে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে সমর্থন দিয়েছেন।
মাস্ক ডেমোক্র্যাটদের বিভিন্ন নীতি, যেমন অর্থনীতি, অভিবাসন এবং অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সমালোচনা করেন। ডোনাল্ড ট্রাম্প নির্বাচিত হওয়ার পর, তিনি 'ডিপার্টমেন্ট অফ গভর্নমেন্ট ইমার্জেন্সি' পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
এটি সরকারি ব্যয়ে ব্যাপক কাটছাঁট করে, যা নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়। তবে পরে কর ও ব্যয় সংশ্লিষ্ট বিরোধ থেকে ট্রাম্প ও মাস্কের মধ্যে প্রকাশ্য বিরোধ দেখা দেয়।
২০২৫ সালের ২৮শে মে মাস্ক হোয়াইট হাউস ছাড়ার ঘোষণা দেন এবং কিছুদিন পর তাদের সম্পর্কের অবসান ঘটে। যদিও পরে কিছুটা সম্পর্ক পুনরুজ্জীবিত হয়।
সাম্প্রতিক সময়ে মাস্ক যুক্তরাজ্যের রাজনীতিতেও আগ্রহী হয়ে উঠেছেন। তিনি এক্স-কে ব্যবহার করে বিভিন্ন বিষয়ে স্যার কিয়ের স্টারমারের লেবার সরকারের সমালোচনা করেছেন। আবার তিনি ডানপন্থি কিছু নেতার সঙ্গেও নিজেকে সম্পৃক্ত করেছেন।
তার নানা মন্তব্য থেকে সংসদ সদস্যদের মধ্যে সমালোচনার ঝড় উঠে। এদিকে, অতীতে মাস্ক তার ব্যবসাগুলোকে দাতব্য কাজের একটি রূপ হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন কারণ এগুলো জলবায়ু পরিবর্তনের মতো মানবিক সমস্যার সমাধানে কাজ করে।
তবে পরে তিনি জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে তার অবস্থান কিছুটা পরিবর্তন করেন। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে তিনি সতর্কতা প্রকাশ করেছেন এবং বলেছেন, এটি মানবজাতির ভবিষ্যতের জন্য হুমকি হতে পারে।
তিনি বলেছেন, এআই-এর অগ্রগতি এবং জন্মহার হ্রাস একসঙ্গে "মানুষের সংখ্যা কমে যাওয়ার" ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
ইলন মাস্কের ১৪ জন সন্তান রয়েছে। এর মধ্যে প্রথম স্ত্রীর গর্ভে ছয়জন, কানাডিয়ান সংগীতশিল্পী ক্লেয়ার এলিস বুশে বা গ্রাইমসের সঙ্গে তিনজন, নিউরোলিংক নির্বাহী শিভন জিলিসের সঙ্গে চারজন এবং ইনফ্লুয়েন্সার অ্যাশলি সেইন্ট ক্লেয়ারের থেকে একজন সন্তান রয়েছে।
জিলিসের সঙ্গে যমজ সন্তানের জন্ম দেওয়ার পর তিনি লিখেছিলেন, "জনসংখ্যা সংকট মোকাবিলায় আমার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি"।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন