আমিনুল ইসলাম রিয়াদ সন্দ্বীপ চট্টগ্রাম প্রতিনিধি
বৃহস্পতিবার, ৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:৫৪ পি.এম
ডুবোচরে প্রায় ৩০০ যাত্রীসহ ফেরি আটকে ছিল ৯ ঘণ্টা ফেরিতে আটকে থাকা যাত্রীদের জন্য প্রয়োজনীয় খাদ্য ও সুপেয় পানি পৌঁছে দেন স্থানীয় বিভিন্ন দলের নেতাকর্মীরা।
চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ চ্যানেলের ডুবোচরে আটকে থাকা ‘ফেরি কপোতাক্ষ’ ভোর ৪টার দিকে সীতাকুণ্ডের বাঁশবাড়িয়ার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে, যা প্রায় ৯ ঘণ্টা পর ফেরিঘাটে পৌঁছায়। অতিরিক্ত জোয়ারের কারণে ফেরিতে থাকা বাস নামাতে আরো প্রায় চার ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়।
দীর্ঘ এ সময় অপেক্ষা ও নির্ঘুম রাত কাটানোর ফলে ফেরিতে প্রায় ৩০০ যাত্রী চরম দুর্ভোগের সম্মুখীন হন।
গতকাল বুধবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে সন্দ্বীপের গুপ্তচরা থেকে সীতাকুণ্ডের বাঁশবাড়িয়া যাওয়ার পথে ফেরিটি ডুবোচরে আটকে পড়ে, যা দিবাগত রাত ২টা ৪৫ মিনিটে পুনরায় যাত্রা শুরু করে। রাত সাড়ে ৪টার দিকে বাঁশবাড়িয়া ফেরিঘাটে পৌঁছালেও অতিরিক্ত জোয়ারের কারণে বাস ও ব্যক্তিগত গাড়ি ফেরি থেকে নামানো সম্ভব হয়নি, চালকরা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এসব যানবাহনে শতাধিক যাত্রী ছিলেন।
এ সময় ফেরীতে প্রায় ৩০০ জন যাত্রীসহ পণ্যবাহী ট্রাক ও ব্যক্তিগত কিছু গাড়ি ছিল।
যাত্রীদের অভিযোগ, ফেরি থেকে যানবাহন ও যাত্রী ওঠানামার সুবিধার্থে হাই ওয়াটার ঘাটের অবকাঠামো নির্মাণ করা হলেও তা এখনও চালু হয়নি। ফলে জোয়ারের সময় ফেরি ঘাটে পৌঁছালেও যাত্রী ও যানবাহন নামানো সম্ভব হচ্ছে না। পরে আজ বৃহস্পতিবার ভোরে ফেরি বাঁশবাড়িয়া ঘাটে পৌঁছালে কিছু যাত্রী লাল বোটে নামেন।
গতকাল সন্ধ্যায় ফেরিটি ডুবোচরে আটকে পড়ার পর যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ও উৎকণ্ঠা দেখা দেয়। এ সময় বিশেষ নিরাপত্তার জন্য সীতাকুণ্ড থানার এসআই নজরুলের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল বাঁশবাড়িয়া ঘাটে উপস্থিত ছিল।
এদিকে ফেরিতে প্রয়োজনীয় খাদ্য ও সুপেয় পানির সংকটের খবর ছড়িয়ে পড়লে রাত ৯টার পর যাত্রীদের জন্য শুকনো খাবার পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়। গভীর রাতে চট্টগ্রাম-৩ (সন্দ্বীপ) আসনের সংসদ সদস্য মোস্তফা কামাল পাশার পৃষ্ঠপোষকতায় বিএনপির নেতাকর্মীরা প্রায় ৫০০ মানুষের জন্য রান্না করা খাবার ও সুপেয় পানি ফেরিতে নিয়ে যান।
এর আগে সন্দ্বীপ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আমজাদ হোসেন ফেরিতে গিয়ে আটকে থাকা যাত্রীদের খোঁজখবর নেন।
এদিকে ফেরিতে থাকা স্বজনদের নিয়ে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায় রাত কাটান তাদের পরিবারের সদস্যরা। সন্দ্বীপের একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দিদারুল আলম বলেন, ‘আমার মেয়েকে ফেরিতে পাঠিয়ে সারা রাত উৎকণ্ঠার মধ্যে কাটিয়েছি।’
বিআইডাব্লিউটিএ-এর উপপরিচালক (পোর্ট অফিসার) নয়ন শীল জানান, সকাল সাড়ে ৮টার দিকে ভাটা শুরু হলে যাত্রী ও যানবাহনগুলো ফেরি থেকে নামতে পারবে বলে আশা করা হচ্ছে।
তিনি আরো বলেন, ‘পর্যাপ্ত ড্রেজিংয়ের বিষয়ে আমরা কথা বলব। পল্টুনের ব্যবস্থা করা হলে হাই ওয়াটার ঘাট চালু করা সম্ভব হবে। তখন অতিরিক্ত জোয়ারের সময়ও ফেরি থেকে যাত্রী ও যানবাহন নামাতে এ ধরনের সমস্যা হবে না।’
এর আগে ২০২৫ সালের ১৪ অক্টোবর একই স্থানে নাব্যতার কারণে ফেরিটি আটকে গিয়েছিল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কলমাকান্দা উপজেলার রংছাতি ইউনিয়নের পাঁচগাঁও বাজারে আজ ভোরে একটি ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে, যেখানে অন্তত ৬টি কাপড়ের দোকান সম্পূর্ণরূপে ভস্মীভূত হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এতে আনুমানিক ২০ লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
ফায়ার সার্ভিস এবং স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোর ৪টা ৫৫ মিনিটে মো. কামাল হোসেনসহ অন্যান্য ব্যবসায়ীদের টিন শেড কাপড়ের দোকানগুলোতে হঠাৎ করে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। কাপড়ের মতো দাহ্য পদার্থ থাকার কারণে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে কলমাকান্দা ফায়ার স্টেশনের দু’টি ইউনিট ১৩ কিলোমিটার দুর্গম পথ পাড়ি দিয়ে ভোর ৫টা ২৫ মিনিটে ঘটনাস্থলে পৌঁছায়।
কলমাকান্দা ফায়ার স্টেশনের সাব-অফিসার মো. আশরাফুল ইসলামের নেতৃত্বে ১২ জন ফায়ার ফাইটারের একটি দল আধা ঘণ্টার চেষ্টায় সকাল ৬টার দিকে আগুন সম্পূর্ণরূপে নির্বাপণ করতে সক্ষম হয়।
তিনি আরও জানান, প্রাথমিক ধারণা অনুযায়ী বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটেছে। দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের ফলে বাজারের অন্যান্য দোকানপাট রক্ষা করা সম্ভব হয়েছে এবং সেখান থেকে অন্তত ১০ লাখ টাকার মালামাল উদ্ধার করা সম্ভব হয়। এই ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাজারে বোতলজাত সয়াবিন তেলের নতুন মূল্য কার্যকর হয়েছে। বর্তমানে প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল ক্রয়ের জন্য ভোক্তাদের ২০৪ টাকা পরিশোধ করতে হবে।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে ভোজ্যতেল ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক শেষে বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) নতুন এই মূল্য নির্ধারণের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
এই নতুন সিদ্ধান্তের ফলে প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেলের জন্য ক্রেতাদের ৫ টাকা বেশি দিতে হচ্ছে, পূর্বে যা ছিল ১৯৯ টাকা। তবে সয়াবিনের মূল্য বৃদ্ধি পেলেও পাম অয়েলের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে; এটি আগের মূল্যে রাখা হয়েছে।
আন্তর্জাতিক বাজার, আমদানির খরচ এবং দেশীয় বাজারের পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে বুধবার সয়াবিন তেলের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, বাংলাদেশে সয়াবিন তেলের চাহিদার অধিকাংশই আমদানির ওপর নির্ভরশীল। বিশ্ববাজারে সয়াবিন ও কাঁচামালের দাম বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে আমদানি খরচ বেড়ে গেছে, যার কারণে স্থানীয় বাজারে এই মূল্য সমন্বয় করা প্রয়োজন হয়েছে। ভোজ্যতেল একটি গুরুত্বপূর্ণ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য হওয়ায় সয়াবিন তেলের নতুন দাম কার্যকর হওয়ার ফলে সাধারণ ভোক্তাদের ওপর সরাসরি প্রভাব পড়ছে। বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের মানুষের দৈনন্দিন খাদ্য ব্যয় বৃদ্ধি পেতে পারে।
এর আগে চলতি বছরের ২৬ এপ্রিল দেশের বাজারে সয়াবিন তেলের দাম বৃদ্ধি করা হয়েছিল। তখন প্রতি লিটারে ৪ টাকা বাড়িয়ে ১৯৫ টাকা থেকে বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম ১৯৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শুভ জন্মাষ্টমী উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন এবং পুরোহিত ও সেবাইতদের মধ্যে সম্মানি বিতরণ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।
আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি উপস্থিত ছিলেন।
ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় ও হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে দেশের হিন্দু সম্প্রদায়ের শীর্ষস্থানীয় প্রতিনিধি, ধর্মীয় গুরু, বিশিষ্ট নাগরিক এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা পুরোহিত ও সেবাইতগণ অংশগ্রহণ করেন।
উল্লেখযোগ্য যে, জন্মাষ্টমীর অনুষ্ঠানে যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশ সচিবালয়ে তার দপ্তর থেকে পায়ে হেঁটে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে পৌঁছান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তখনও তামিম ইকবালের নেতৃত্বে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) বর্তমান পরিচালনা পর্ষদ গঠন করা হয়নি। অ্যাডহক কমিটির প্রধান হিসেবে বোর্ডে আসার পর দ্বিতীয় বোর্ড সভায় ঘরোয়া ক্রিকেটে পুরুষ ও নারী ক্রিকেটারদের বেতন এবং ম্যাচ ফি বৃদ্ধি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তিনি।
পাঁচ মাসের ব্যবধানে আবারও বোর্ডকে পুরুষ ক্রিকেটারদের আর্থিক সুবিধা বৃদ্ধির বিষয়টি বিবেচনা করতে হচ্ছে। বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) পরবর্তী আসর আয়োজন না করার ক্ষতিপূরণ হিসেবে, বোর্ডের আয়োজনে অনুষ্ঠিত সকল টুর্নামেন্টের ম্যাচ ফি বৃদ্ধির প্রস্তাব করেছেন ক্রিকেটাররা। এই পরিমাণ প্রতি ক্রিকেটারের জন্য ৩০ লাখ টাকা।
বিসিবির আয়োজনে বর্তমানে চারটি টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়—জাতীয় ক্রিকেট লিগ (এনসিএল) এবং বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগের (বিসিএল) চার দিনের সংস্করণ দুটি প্রথম শ্রেণির টুর্নামেন্ট।
এছাড়া রয়েছে বিসিএল ওয়ানডে এবং এনসিএল টি-টোয়েন্টি। এই চারটি টুর্নামেন্টের জন্য খেলোয়াড়রা প্রত্যেকের জন্য বাড়তি ৩০ লাখ টাকা ম্যাচ ফি দাবি করেছেন। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, এই বাড়তি অর্থ এক মৌসুমের জন্য নয়, বরং ভবিষ্যতেও কার্যকর রাখার প্রস্তাব তাদের। সর্বশেষ প্রথম শ্রেণির দুটি টুর্নামেন্টে ২৫ হাজার টাকা ম্যাচ ফি বৃদ্ধি করা হয়েছিল।
অর্থাৎ ৭৫ হাজার টাকা থেকে সেটি বৃদ্ধি করে এক লাখ টাকা করা হয়েছিল। এবার খেলোয়াড়দের দাবি, অঙ্কটি আরও বড় আকারে সমন্বয় করা হোক। একই সঙ্গে নতুন নামে মাঠে নামার অপেক্ষায় থাকা ফ্র্যাঞ্চাইজির আদলে বিসিএলের দুটি টুর্নামেন্টে পরবর্তী আসর থেকে দুটি করে দল বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই খেলোয়াড়সংখ্যাও বাড়বে।
তবে, সর্বাধিক সংখ্যক ক্রিকেটারকে কিভাবে আর্থিকভাবে উপকৃত করা যায়, সেটি বোর্ডের সঙ্গে বৈঠকে তুলে ধরেছিলেন ক্রিকেটাররা।
দ্বিতীয় দফার বৈঠক শেষে গত পরশু সংবাদমাধ্যমের সামনে এসে ক্রিকেটারদের সংস্থা কোয়াবের সভাপতি মোহাম্মদ মিঠুন সেই বিষয়টি উল্লেখ করেছিলেন, ‘ভবিষ্যতে আমরা কিভাবে ১৫০ থেকে ২০০ খেলোয়াড়কে উপকৃত করতে পারি, সেটিই আমাদের লক্ষ্য। যেমন—টুর্নামেন্টগুলোর ম্যাচ ফি বাড়িয়ে একটি সম্মানজনক পর্যায়ে নিয়ে আসা, যাতে একজন খেলোয়াড় সারা বছর সচ্ছলভাবে চলতে পারেন। বোর্ড আমাদের সব বিষয়ে ইতিবাচক সাড়া দিয়েছে। খুব শিগগির বিসিবির সভায় এই প্রস্তাব পাস হওয়ার কথা আছে।’
ক্রিকেটারদের এই দাবি কার্যকর করতে হলে বোর্ডকে ভবিষ্যতে বড় অঙ্কের অর্থ গুনতে হবে। তবে বিসিবি পুরো বিষয়টিকে ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেছে। উল্টো টুর্নামেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান সিরাজউদ্দিন মোহাম্মদ আলমগীরের বক্তব্যে পরিষ্কার, এমন ভাবনা তাঁদের আগে থেকেই ছিল। তিনি বলেন, ‘একটি সত্যি কথা বলি, ওরা যদি আমাদের কাছে দাবিদাওয়া নিয়ে না-ও আসত, তবু আমরা ওদের সুযোগ-সুবিধা বাড়াতাম। এটা আমাদের চিন্তায়ই ছিল। কারণ আমরা চাই, বছরে এসব টুর্নামেন্ট খেলেই যাতে ক্রিকেটাররা ২০ থেকে ২৫ লাখ টাকা আয় করতে পারে। আমাদের এই বোর্ড ক্রিকেটের অবকাঠামো আর ক্রিকেটারদের উন্নতিতেই সর্বোচ্চ শ্রম দিচ্ছে।’
বোর্ডের ওপর আর্থিক চাপ বাড়ার বিষয়টিও সিরাজউদ্দিন আলমগীর উড়িয়ে দিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, ‘আরেকটি ব্যাপার হচ্ছে, আমরা তো ওদের কথা চিন্তা করেই তিনটি পুরনো টুর্নামেন্টকে একটি কাঠামোর মধ্যে নিয়ে আসছি। সেই কাঠামো যদি বাস্তবায়ন হয়ে যায়, তাহলে এটা কোনো ব্যাপারই না। ধরুন, আমরা যদি তিনটি টুর্নামেন্ট থেকে ১৫ কোটি টাকা আয় করি, সে ক্ষেত্রে ক্রিকেটারদের পাঁচ কোটি দিতে তো সমস্যা নেই।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ