ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

কথা বলতে পারছেন না অমি, প্রয়োজন হতে পারে অস্ত্রোপচার


কথা বলতে পারছেন না অমি, প্রয়োজন হতে পারে অস্ত্রোপচার

‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’ নির্মাতা কাজল আরেফিন অমি হঠাৎ গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। শুটিং চলাকালীন গলায় অপ্রত্যাশিত তীব্র অস্বস্তিবোধ হলে তাকে হাসপাতালে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হয়।

মঙ্গলবার (৯ জুন) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে শারীরিক অসুস্থতার কথা নিজেই জানান নির্মাতা অমি। বর্তমানে তিনি ৭ দিনের সম্পূর্ণ বিশ্রামে রয়েছেন। চিকিৎসকেরা একদমই কথা না বলার পরামর্শ দিয়েছেন।

পোস্টে অমি আরও জানিয়েছেন, দাঁতের সমস্যার কারণে গত কয়েকদিন ধরে তিনি অসুস্থ ছিলেন। কিন্তু তিনি তা নিয়ে 'ব্যাচেলর পয়েন্ট' নাটকের শুটিংও করেছিলেন। শুটিং স্পটে হঠাৎ করেই তিনি কথা বলতে পারবেন না। দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছালে চিকিৎসকরা নির্মাতার গলায় একটি সিস্ট খুঁজে পান। যদি ৭ দিন বিশ্রামে থাকার পর কোনো উন্নতি না হয়, তবে অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হতে পারে অমির।

আরও পড়ুন: ভারতের পথে যুব মহিলা লীগ নেত্রী সুলতানা বেগম আটক

পোস্টের শেষে দ্রুত সুস্থ হয়ে কাজে ফেরার ইচ্ছা প্রকাশ করেন কাজল আরেফিন অমি। দ্রুত সুস্থ হতে সবার কাছে দোয়া চান নির্মাতা।

সময়ের পাঠকের জন্য নির্মাতা কাজল আরেফিন অমির ফেসবুক পোস্ট তুলে ধরা হলো-

দাঁতের সমস্যার কারণে গত কয়েকদিন ধরে আমি অসুস্থ। আমার চিকিৎসা চলছে এবং আমি সুস্থ হওয়ার চেষ্টা করছি। কিন্তু আমি ঠিকমত বিশ্রাম নিতে পারিনি এবং 'ব্যাচেলর পয়েন্ট'-এর জন্য আবার শুটিং শুরু করে দিয়েছি।

কিন্তু আজ শুটিং চলাকালীন অপ্রত্যাশিত কিছু একটা ঘটলো। হঠাৎ আমার গলায় তীব্র অস্বস্তি অনুভব করি। আমার গলার স্বর ক্ষীণ হয়ে আসলো এবং আমি ঠিকমতো কথা বলতে পারছিলাম না। যেই মুহূর্তটা আনন্দের হওয়ার কথা ছিল, সেই মুহূর্তে হঠাৎ আমার খুব ভয় লাগতে শুরু করলো। আমি কথা বলার চেষ্টা করলাম, কিন্তু পারলাম না।

আরও পড়ুন: সৌদি আরবে তেলক্ষেত্রে ড্রোন হামলা প্রতিহত, দুই বিদেশির মৃত্যু

আমাদের শুটিং গুটিয়ে ফেলতে হলো এবং আমি হাসপাতালে গেলাম। ডাক্তাররা আমার গলায় একটি সিস্ট খুঁজে পেয়েছেন এবং আমাকে ৭ দিনের জন্য সম্পূর্ণ বিশ্রামের পরামর্শ দিয়েছেন — একদমই কথা বলা যাবে না। যদি অবস্থার উন্নতি না হয়, তাহলে অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হতে পারে।

আমি ঠিক বুঝতে পারছি না কী হচ্ছে? এটা বেশ বেদনাদায়ক। আমি একজন কর্মঠ মানুষ। প্রতি মাসে আমরা আপনাদের জন্য ৮টি পর্ব প্রকাশ করি। আমি আশা করি আমি এটা চালিয়ে যেতে পারবো। আমি শুধু আপনাদের দোয়া প্রয়োজন। আমি সুস্থ হওয়ার চেষ্টা করছি। দয়া করে আমাকে আপনাদের সবার দোয়ায় রাখবেন। ধন্যবাদ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইসলামী ব্যাংক মানেই ইসলাম নয়, আগের সব হরিলুটের তদন্ত হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১০ই জুন, ২০২৬ ইং

০১:৪৮ এম


ইসলামী ব্যাংক মানেই ইসলাম নয়, আগের সব হরিলুটের তদন্ত হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি এবং জামায়াতে ইসলামী, মানে বিবেচ্য ‘ইসলাম’ নয় এই বক্তব্য দিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন যে, ধর্মের দোহাই দিয়ে কিছুতেই মুক্তি পাওয়ার সুযোগ নেই। বাংলাদেশ ব্যাংক আগের সময়ে যে হরিলুট, রাজনৈতিক নিয়োগ ও ঋণ জালিয়াতির ঘটনা ঘটেছিল, সেসবের সুষ্ঠু তদন্ত করবে।

মঙ্গলবার (৯ জুন) বিকালে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় (বাজেট) অধিবেশনে ৬৮ বিধিতে এক সাধারণ আলোচনার ওপর বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি এই কথাগুলি বলেন।

স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে এই অধিবেশন হয়।

সংসদে, ‘দেশের অর্থনীতি, ব্যাংকিং খাতের স্থিতিশীলতা এবং কোটি কোটি গ্রাহকের স্বার্থ রক্ষার লক্ষ্যে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশের শেয়ারগুলো বৈধ ও প্রকৃত মালিকদের কাছে প্রত্যর্পণ এবং ব্যাংকের ব্যবস্থাপনায় অন্যায় হস্তক্ষেপ বন্ধ’ করতে এ আলোচনার প্রস্তাব দেন বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।

এই প্রস্তাবের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিরোধী দলের উপর তীব্র সমালোচনা করেন।

ব্যাংকটির সাবেক নিয়ন্ত্রকদের (জামায়াতে ইসলামী সংশ্লিষ্ট) দিকে ইঙ্গিত করে তিনি কবি কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদারের কবিতা উদ্ধৃত করে বলেন, ‘কী যাতনা বিষে, বুঝিবে সে কিসে, কভু আশীবিষে দংশেনি যারে...।’

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, একবার যে ব্যাংক আজান দিয়ে, তাকবির দিয়ে দখল করা হয়েছিল, সেই ব্যাংকটি যখন বেদখল হয়ে যাবে, তখন কী যাতনা, তা আমরা বুঝতে পারি।

এখন পর্দার আড়ালে থেকে গ্রাহক সাজিয়ে রাস্তায় আন্দোলন করানোর চেষ্টা হচ্ছে। ইসলামের নাম নিয়ে হস্তক্ষেপ না করার আহ্বান জানানো হচ্ছে। মাননীয় স্পিকার, ইসলামী ব্যাংক ইসলাম নয়। জামায়াতে ইসলামীও ইসলাম নয়। তাই ইসলাম নাম দিয়ে অযথা স্পর্শ করা ঠিক নয়।

ব্যাংকটির পল্লী উন্নয়ন প্রকল্পের (আরডিএস) তীব্র সমালোচনা করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এটি নারী গ্রাহক নির্ভর প্রকল্প। ভোটের আগে নারীদের ১০ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়েছে এবং বলা হয়েছে— কোরআনের দলে ভোট না দিলে জান্নাতে যেতে পারবে না, ভোট দিলে জান্নাত মিলবে এবং আরও ১০ হাজার টাকা পাওয়া যাবে। এই আরডিএস প্রকল্পের অধীনে মোট ২২ হাজার কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে, যেখানে ৫ আগস্ট (২০২৪) পরবর্তী সময়ে নির্বাচনের বৈতরণী পার হওয়ার জন্য ১১ হাজার কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে, যার কোনো হদিস নেই।

ইসলামী ব্যাংকে গণহারে চাকরিচ্যুতি ও রাজনৈতিক নিয়োগের বিভিন্ন পরিসংখ্যান তুলে ধরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ব্যাংকটি দখল করার পর কোনো আইন-কানুন না মেনে অন্যায়ভাবে ৯ হাজার কর্মীকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। বিপরীতে সম্পূর্ণ রাজনৈতিক বিবেচনায় ৬ হাজার নতুন নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ১৩ হাজার জনকে নিয়মবহির্ভূতভাবে দুই-তিনটি করে প্রমোশন দেওয়া হয়েছে। এসমস্ত অনিয়ম ইসলামের নাম ব্যবহার করেই করা হয়েছে। অন্যায়ভাবে চাকরিচ্যুতদের চাকরি ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

ব্যাংকটির নবনিযুক্ত চেয়ারম্যানের পক্ষে অবস্থান নিয়ে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, নতুন চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে এখনো কোনো অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি। ‘প্রিজাম্পশন অব ইনোসেন্স’ নীতি অনুসারে তিনি সুবিধা পাবেন। যদি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আসে, তবে নিশ্চয়ই তদন্ত হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংক কোম্পানি আইনের ৪৫, ৪৬, ৪৭ ও ৫৭ ধারার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমানতকারীদের স্বার্থ রক্ষায় পর্ষদ বাতিল করার অথবা নতুন চেয়ারম্যান নিয়োগ দেওয়ার পূর্ণ এখতিয়ার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রয়েছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এখন বলা হচ্ছে আপনারা ব্যাংকের মালিক নয়। জামায়াতে ইসলাম ব্যাংকের মালিক নয়। আবার বলে ইসলামের ওপরে হাত দেবেন না। ইসলামী ব্যাংক ইসলাম নয়। আমাদের মির্জা ফখরুল ইসলামও ইসলাম নয়। জামায়াতে ইসলামীও ইসলাম নয়। সুতরাং সবকিছুতেই ইসলামের উপর হাত দেবেন না দোহাই দেওয়াটা কিন্তু ঠিক নয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চমেক হাসপাতালে অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১০ই জুন, ২০২৬ ইং

০১:৫৮ এম


চমেক হাসপাতালে অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এলাকার কথিত অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করতে নির্দেশ দিয়েছেন চট্টগ্রামের চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এজিএম মনিরুল হাসান সরকার।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনগুলি আমলে নিয়ে তিনি এ সংক্রান্ত প্রশাসনিক আদেশ জারি করেন। একই আদেশে অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে ছয় দফা নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

আদেশ অনুযায়ী, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের উত্তর বিভাগের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনারকে ঘটনাটি সরেজমিন তদন্ত করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তদন্ত শেষে সাত কার্যদিবসের মধ্যে অগ্রগতি প্রতিবেদন আদালতে জমা দেওয়ার নির্দেশও রয়েছে।

আদালতের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. গিয়াস উদ্দীন চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন এবং আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে যে, হাসপাতালের বাইরে থেকে এসে বৈধ অ্যাম্বুলেন্স অথবা রোগীর স্বজনদের নিজস্ব গাড়িতে রোগী বা লাশ পরিবহনে বাধা দেওয়া হচ্ছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টরা চালকদের হুমকি, মারধর ও হেনস্তা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

এসব অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, প্রতারণা, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও বেআইনি বাধা দেওয়ার অভিযোগে মামলা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পাঁচলাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও পুলিশকে সমন্বয়ের মাধ্যমে এমন একটি পরিবেশ নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাতে রোগী এবং স্বজনেরা নিজেদের পছন্দমতো অ্যাম্বুলেন্স, ফ্রিজিং ভ্যান, অথবা অন্য কোনো যানবাহন ব্যবহার করতে পারে। কোনো বৈধ গাড়ির প্রবেশে বাধা দেওয়ার সুযোগ নেই বলেও নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে।

আদালতের ছয়টি নির্দেশনা রয়েছে:

হাসপাতাল চত্বরে বাইরের বৈধ অ্যাম্বুলেন্স এবং স্বজনদের গাড়ি প্রবেশে কোনো বাধা দিতে হবে না।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নেত্রকোনায় ছেলের শাবলের আঘাতে প্রাণ গেল মায়ের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১০ই জুন, ২০২৬ ইং

০২:১২ এম


নেত্রকোনায় ছেলের শাবলের আঘাতে প্রাণ গেল মায়ের

নেত্রকোনার চল্লিশা এলাকায় মিনতি (৬০) নামে একজন নারী নিহত হয়েছেন। এই নারীর মৃত্যু হয়েছে তাঁর ছেলের শাবলের আঘাতে। পরে পুলিশ ছেলেকে, যার নাম শ্যামল (২৫), আটক করেছে।

মঙ্গলবার দুপুরে সদর উপজেলার চল্লিশা এলাকায় এই খুনের ঘটনা ঘটে। পুলিশ সদর সার্কেল স্বজল কান্তি সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে যে, মা মিনতি চল্লিশা বাজারে কাজ করে একমাত্র ছেলেকে নিয়ে জীবন যাপন করতেন।

মিনতির নিজের বাড়ি নদীতে বিলীন হয়ে যাওয়ার কারণে তিনি একটি পরিত্যক্ত স্কুলের পেছনে ছাপড়া ঘর করে বসবাস করতেন এবং সেখানে ছেলেকে ভিক্ষা করে খাওয়াতেন। সকলের দাবি, ছেলে শ্যামল মাদকাসক্ত।

দুপুরে মা খাবার দিলে সেই খাবার খাওয়ার সময় শ্যামল মায়ের মাথায় শাবল দিয়ে আঘাত করে। এ কারণে ঘটনাস্থলেই মিনতির মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে এবং ছেলেকে আটক করে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সদর সার্কেল স্বজল কান্তি সরকার জানান, এই ছেলে প্রচুর খেতো। কিন্তু আজ খাবার দিতে না পারায় এই বৃদ্ধা মাকে শাবল দিয়ে আঘাত করেছে। অনেকেই বলছেন, সে মানসিক ভারসাম্যহীন। ওই নারী বাজারের দোকানে কাজ করে খাবার নিতেন এবং অন্যদিকে ভিক্ষা করে ছেলেকে খাওয়াতেন। লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে এবং এব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সেনাবাহিনীর সহায়তায় দৃষ্টি ফিরে আবেগাপ্লুত উপকারভোগীরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১০ই জুন, ২০২৬ ইং

০২:১৭ এম


সেনাবাহিনীর সহায়তায় দৃষ্টি ফিরে আবেগাপ্লুত উপকারভোগীরা

দৃষ্টিহীনদের পাশে আলো হয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মহালছড়ি জোন।

পৃথিবীর আলো নতুন করে দেখতে শুরু করেছে খাগড়াছড়ি জেলার মহালছড়ি উপজেলার ৮৪ জন পাহাড়ি-বাঙালি নারী ও পুরুষ।

দৃষ্টিশক্তি ফিরে পাওয়ার পর উপকারভোগীরা দোয়া ও প্রশংসায় ভাসাচ্ছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্যদের।

উল্লেখ্য, এর আগে দীঘিনালা সেনা জোনের সহযোগিতায় ৬৭ জন সফল অপারেশনের পর বাড়ি ফিরেছিলেন। বর্তমানে তারা সুষ্ঠুভাবে পৃথিবীর আলো উপভোগ করছেন।

২০২৬ সালের ৭ মে থেকে ১২ মে পর্যন্ত ২৪ পদাতিক ডিভিশনের তত্ত্বাবধানে খাগড়াছড়ি রিজিয়নের আওতাধীন মহালছড়ি সেনা জোনের উদ্যোগে সুবিধাবঞ্চিত এক হাজার পাহাড়ি-বাঙালি নারী ও পুরুষকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

১২৭ জনের চোখের ছানি অপারেশনের জন্য তালিকাভুক্ত করা হয় এবং শতাধিক ব্যক্তিকে বিনামূল্যে চশমা দেওয়া হয়।

পরবর্তী ধাপে, চোখের অপারেশনের আগ্রহী ৮৪ জন পাহাড়ি-বাঙালি নারী ও পুরুষকে অপারেশনসহ উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম লায়ন্স চক্ষু হাসপাতালে পাঠানো হয়।

এ ক্ষেত্রে মহালছড়ি সেনা জোন রোগীদের আসা-যাওয়া এবং খাওয়ার যাবতীয় খরচ বহন করেছে।

চোখের আলো ফিরে পেয়ে তারা সেনাবাহিনীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। অনেকেই আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েছেন।

খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার অনেক এলাকা দুর্গম হওয়ায় সেখানে চিকিৎসকদের জন্য চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে।

সেনাবাহিনীই দুর্গম এলাকায় একমাত্র ভরসা।

মহালছড়ি জোনের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ক্যাপ্টেন বোরহান উদ্দিন বায়েজিদ বলছেন, মানবিকতা ও দায়িত্ববোধ থেকেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

চিকিৎসা শেষে রোগী ও তাদের স্বজনদের হাসিমুখ দেখতে পেয়ে আমরা সফল হন।

মহালছড়ি সেনা জোন শুধু চিকিৎসাসেবার কাজ করেনি, বরং ৮৪ জন মানুষের জীবনে নতুন আশা ও সম্ভাবনা ফিরিয়ে দিয়েছে।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর এ ধরনের জনহিতকর কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়ে দিয়েছেন মহালছড়ি জোন কমান্ডার লে. কর্নেল মো. আল-জাবির আসিফ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%