প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
দৃষ্টিহীনদের পাশে আলো হয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মহালছড়ি জোন।
পৃথিবীর আলো নতুন করে দেখতে শুরু করেছে খাগড়াছড়ি জেলার মহালছড়ি উপজেলার ৮৪ জন পাহাড়ি-বাঙালি নারী ও পুরুষ।
দৃষ্টিশক্তি ফিরে পাওয়ার পর উপকারভোগীরা দোয়া ও প্রশংসায় ভাসাচ্ছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্যদের।
উল্লেখ্য, এর আগে দীঘিনালা সেনা জোনের সহযোগিতায় ৬৭ জন সফল অপারেশনের পর বাড়ি ফিরেছিলেন। বর্তমানে তারা সুষ্ঠুভাবে পৃথিবীর আলো উপভোগ করছেন।
২০২৬ সালের ৭ মে থেকে ১২ মে পর্যন্ত ২৪ পদাতিক ডিভিশনের তত্ত্বাবধানে খাগড়াছড়ি রিজিয়নের আওতাধীন মহালছড়ি সেনা জোনের উদ্যোগে সুবিধাবঞ্চিত এক হাজার পাহাড়ি-বাঙালি নারী ও পুরুষকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
১২৭ জনের চোখের ছানি অপারেশনের জন্য তালিকাভুক্ত করা হয় এবং শতাধিক ব্যক্তিকে বিনামূল্যে চশমা দেওয়া হয়।
পরবর্তী ধাপে, চোখের অপারেশনের আগ্রহী ৮৪ জন পাহাড়ি-বাঙালি নারী ও পুরুষকে অপারেশনসহ উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম লায়ন্স চক্ষু হাসপাতালে পাঠানো হয়।
এ ক্ষেত্রে মহালছড়ি সেনা জোন রোগীদের আসা-যাওয়া এবং খাওয়ার যাবতীয় খরচ বহন করেছে।
চোখের আলো ফিরে পেয়ে তারা সেনাবাহিনীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। অনেকেই আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েছেন।
খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার অনেক এলাকা দুর্গম হওয়ায় সেখানে চিকিৎসকদের জন্য চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে।
সেনাবাহিনীই দুর্গম এলাকায় একমাত্র ভরসা।
মহালছড়ি জোনের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ক্যাপ্টেন বোরহান উদ্দিন বায়েজিদ বলছেন, মানবিকতা ও দায়িত্ববোধ থেকেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
চিকিৎসা শেষে রোগী ও তাদের স্বজনদের হাসিমুখ দেখতে পেয়ে আমরা সফল হন।
মহালছড়ি সেনা জোন শুধু চিকিৎসাসেবার কাজ করেনি, বরং ৮৪ জন মানুষের জীবনে নতুন আশা ও সম্ভাবনা ফিরিয়ে দিয়েছে।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর এ ধরনের জনহিতকর কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়ে দিয়েছেন মহালছড়ি জোন কমান্ডার লে. কর্নেল মো. আল-জাবির আসিফ।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন