রিয়াদ মাহমুদ সিকদার,কাউখালী প্রতিনিধি
রবিবার, ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৮:৪২ পি.এম
পিরোজপুরের কাউখালীতে রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা পরিবারের আয়োজনে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার (ডিপিইও) মোল্লা বক্তিয়ার রহমানের অবসরজনিত বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান উপজেলা হলরুমে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
কাউখালী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ওয়াহিদুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য দেন, বিদায়ী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোল্লা বক্তিয়ার রহমান।
বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি কাউখালী উপজেলা শাখার সভাপতি ও কাউখালী মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুব্রত রায়ের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন, উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার রফিকুল ইসলাম, সবুজ কান্তি সিকদার, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক হাবিবুল্লাহ ফকিরসহ বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকাবৃন্দ।
বিদায় সংবর্ধনা শেষে অনুভূতি ব্যক্ত করে বিদায়ী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোল্লা বক্তিয়ার রহমান বলেন,
দীর্ঘ অর্পিত দায়িত্ব পালন শেষে আজ বিদায় নিচ্ছি। পিরোজপুর জেলায় প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে সব শিক্ষকের সহযোগিতায় কাজ করার চেষ্টা করেছি। কাউখালী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা পরিবার আজ যেভাবে আমাকে সম্মানিত ও ভালোবাসায় সিক্ত করল, তা আমার সারাজীবন স্মরণে থাকবে। পিরোজপুরের শিশুদের মানসম্মত ও আলোকিত শিক্ষা নিশ্চিত করতে শিক্ষক সমাজকে ভবিষ্যতেও এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখার আহ্বান জানাচ্ছি।"্
অনুষ্ঠানের সভাপতি কাউখালী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ওয়াহিদুর রহমান তাঁর প্রতিক্রিয়ায় বলেন,
আমাদের সম্মানিত ডিপিইও মোল্লা বক্তিয়ার রহমান স্যার পিরোজপুরের প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থাকে সুসংগঠিত ও আধুনিকায়নে অত্যন্ত দক্ষ ভূমিকা রেখেছেন। প্রশাসনিক কড়াকড়ির পাশাপাশি তিনি শিক্ষকদের সাথে অভিভাবকের মতো সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখেছিলেন। আজকের এই আনুষ্ঠানিকতা মূলত তাঁর কর্মমুখর প্রতিভার প্রতি আমাদের সম্মান ও শুভকামনার এক ক্ষুদ্র প্রয়াস। আমরা তাঁর অবসর জীবনের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করি।
অনুষ্ঠান শেষে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা পরিবার এবং শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দ বিদায়ী অতিথিকে সম্মাননা স্মারক ও বিদায়ী উপহার সামগ্রী তুলে দেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় সংসদে প্যাকেজিং ও অ্যাক্সেসরিজ শিল্পের সমস্যাগুলি তুলে ধরার আশ্বাস প্রদান করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। রোববার, রাজধানীর ২৯ মিন্টো রোডের সরকারি বাসভবনে বাংলাদেশ প্যাকেজিং অ্যান্ড অ্যাক্সেসরিজ ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিপিএএমইএ) নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ আশ্বাস প্রদান করেন। বৈঠকে শিল্পটির সমস্যা, সম্ভাবনা, রপ্তানি সম্প্রসারণ এবং গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, "তৈরি পোশাকসহ দেশের বিভিন্ন রপ্তানিমুখী শিল্পের সঙ্গে প্যাকেজিং ও অ্যাক্সেসরিজ খাতের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে।" তিনি উল্লেখ করেন, দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখা এবং রপ্তানি বাড়াতে এ খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
তিনি আরও বলেন, বিরোধীদলীয় নেতা শিল্পসংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে এ খাতের সমস্যা ও সম্ভাবনার বিষয়ে বিস্তারিত শুনেছেন। তিনি জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় নেতার দায়িত্বের অংশ হিসেবে এসব সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় ভূমিকা রাখার আশ্বাস দিয়েছেন।
বিপিএএমইএর প্রেসিডেন্ট শাহরিয়ার আহমেদ জানান, প্রায় এক ঘণ্টার বৈঠকে বিরোধীদলীয় নেতা এ খাতের সমস্যা ও সম্ভাবনার কথা মনোযোগ দিয়ে শুনেছেন। তিনি সমস্যাগুলো নিয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে কথা বলা এবং জাতীয় সংসদে বিষয়গুলো তুলে ধরার আশ্বাস দিয়েছেন।
তিনি বলেন, "আমরা আমাদের সেক্টরের সমস্যাগুলো তুলে ধরেছি। একই সঙ্গে এ খাতের সম্ভাবনার কথাও জানিয়েছি। বিরোধীদলীয় নেতা অত্যন্ত গুরুত্বসহকারে আমাদের কথা শুনেছেন।"
শাহরিয়ার আহমেদ জানান, ডা. শফিকুর রহমান এ খাতের সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে একটি লিখিত প্রতিবেদন দিতে অ্যাসোসিয়েশন নেতাদের অনুরোধ করেছেন। প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে সংসদসহ সংশ্লিষ্ট জায়গায় বিষয়গুলো তুলে ধরার জন্য ওই প্রতিবেদন কাজে লাগানো হবে।
তিনি উল্লেখ করেন, প্যাকেজিং শুধু তৈরি পোশাকশিল্পের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। টেরিটাওয়েল, ওষুধ, চামড়াসহ বিভিন্ন শিল্পের পণ্য উৎপাদন ও রপ্তানির সঙ্গে এ খাত সরাসরি সম্পৃক্ত। বৈশ্বিক বাজারে শুধু পেপার প্যাকেজিংয়ের বাজার প্রায় ৭০০ বিলিয়ন ডলারের। অথচ এ বাজারে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ খুবই সামান্য। প্যাকেজিং, অ্যাক্সেসরিজ ও সংশ্লিষ্ট পণ্যের বৈশ্বিক বাজারে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ বাড়ানোর বড় সুযোগ রয়েছে।
বিপিএএমইএর প্রেসিডেন্ট জানান, আগামী ৬ থেকে ৯ জানুয়ারি রাজধানীর বসুন্ধরা আন্তর্জাতিক কনভেনশন সিটিতে আয়োজিত আন্তর্জাতিক ট্রেড ফেয়ারে অংশ নিতে বিরোধীদলীয় নেতাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। পাশাপাশি দেশের বিশ্বমানের প্যাকেজিং ও অ্যাক্সেসরিজ কারখানা পরিদর্শনের জন্যও তাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। সময়-সুযোগ অনুযায়ী এসব কার্যক্রমে অংশ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।
বৈঠকে শিল্প খাতের গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট নিয়েও আলোচনা হয়। এ সংকটের কারণে শিল্প ও ব্যবসা-বাণিজ্যে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে উল্লেখ করে দ্রুত সমাধানের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
শাহরিয়ার আহমেদ বলেন, "মাত্র ছয় মাস হলো সরকার গঠিত হয়েছে। বর্তমান সরকারকে আমরা সময় দিতে চাই, সর্বোচ্চ সহযোগিতাও করতে চাই। বিরোধী দলও বলেছে, তারা সরকারকে সহযোগিতা করছে।"
ছিনতাই, চাঁদাবাজি ও রাহাজানিসহ অস্থিতিশীল পরিস্থিতি ব্যবসার জন্য হুমকি উল্লেখ করে তিনি বলেন, "আমরা শুধু ব্যবসা নিয়ে থাকতে চাই, দেশের অর্থনীতি নিয়ে থাকতে চাই, কর্মসংস্থান নিয়ে থাকতে চাই। রাজনীতির যে ব্যাপার আছে, রাজনীতিবিদ যাঁরা আছেন, তাঁদেরই রাজনীতিটা করা উচিত।"
ব্রিফিংয়ে দেশের সাম্প্রতিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন মিয়া গোলাম পরওয়ার। তিনি সম্প্রতি মিরপুরের একটি চিকিৎসাকেন্দ্রে হামলা ও ভাঙচুর এবং রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে হামলা, গুলিবর্ষণ ও ভাঙচুরের ঘটনা উল্লেখ করে বলেন, এসব ঘটনা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির ইঙ্গিত দেয়।
তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি অব্যাহত থাকলে শিল্প, ব্যবসা-বাণিজ্যসহ কোনো খাতই নিরাপদ থাকবে না। সরকারের দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।
মব সৃষ্টি, পেশিশক্তির ব্যবহার ও সহিংসতার মাধ্যমে পুরোনো পরিস্থিতি ফিরিয়ে আনার যেকোনো অপচেষ্টা জনগণ প্রতিহত করবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
সাম্প্রতিক সময়ে জুলাই আন্দোলনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ওপর হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায়ও নিন্দা জানান মিয়া গোলাম পরওয়ার। তিনি বলেন, দেশের পরিবর্তনের সঙ্গে জুলাইয়ের আন্দোলনে অংশ নেওয়া সবাই কোনো না কোনোভাবে সম্পৃক্ত। তাদের ওপর হামলা ও অপমানজনক আচরণ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
বৈঠকে বিপিএএমইএর প্রেসিডেন্ট শাহরিয়ার আহমেদ ছাড়াও সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। জামায়াতে ইসলামীর পক্ষে সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারসহ কেন্দ্রীয় ও মহানগরীর বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা বৈঠকে অংশ নেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফ্লোরিডার সেন্ট পিট বিচের বাসিন্দা অটাম কেলসো বর্তমানে ফ্লোরিডার ফায়ার রেসকিউ বিভাগে একজন সক্রিয় ফায়ার ফাইটার ও প্যারামেডিক হিসেবে কর্মরত আছেন। পাঁচ বছর ধরে সুনামের সঙ্গে তিনি ফায়ার ফাইটার হিসেবে কাজ করে আসছেন।
সম্প্রতি, তিনি গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নাম লেখাতে সক্ষম হয়েছেন। অটামের নাম বিশ্ব রেকর্ডের পাতায় উঠে এসেছে তার উচ্চতার কারণে, যা তাকে ফায়ার ফাইটার হওয়ার পথে বাধা দেয়নি।
গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের ওয়েবসাইটে উল্লেখ করা হয়েছে, অটামের উচ্চতা মাত্র ৪ ফুট ১০ ইঞ্চি (প্রায় ১৪৭ সেন্টিমিটার)। বয়স যখন ২০-এর কোঠায়, তখন তিনি করপোরেট দুনিয়ায় তার কর্মজীবন শুরু করেন। কিন্তু একসময় তিনি উপলব্ধি করেন, ডেস্কের পেছনে বসে কাজ করা তার জন্য উপযুক্ত নয়।
অটাম সমাজে অবদান রাখতে চেয়েছিলেন, এই চিন্তা থেকেই তিনি ফায়ার ফাইটার হিসেবে নতুন পেশার দিকে নজর দেন। তবে, উচ্চতার কারণে কিছুটা দ্বিধায় ছিলেন। এ সময় তার বন্ধুদের উৎসাহ তাকে নতুন পেশায় প্রবেশ করতে সাহায্য করে।
অটাম কখনোই তার উচ্চতাকে কাজের পথে বাধা হতে দেননি। তিনি বলেন, "আমি সব সময় আমার কাজ নিখুঁতভাবে শেষ করি।" তার সহকর্মীরা তাকে "স্পাইডার মাংকি" বলে ডাকেন, কারণ তিনি প্রয়োজন হলে যেকোনো স্থানে লাফিয়ে উঠে কাজ করতে পারেন।
অটাম আরও জানান, সহকর্মীদের উৎসাহের জন্যই তিনি গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করেন এবং নিয়ম অনুযায়ী মাপজোখের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে সবচেয়ে কম উচ্চতার নারী ফায়ার ফাইটারের স্বীকৃতি লাভ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রিমিয়ার লিগের আর্থিক নিয়ম ভঙ্গের অভিযোগে ১১৪টি ক্ষেত্রে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার খবর প্রকাশিত হওয়ার পরপরই ম্যানচেস্টার সিটির চেয়ারম্যান খালদুন আল মুবারক সমর্থকদের উদ্দেশ্যে একটি খোলা চিঠি প্রকাশ করেছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, ক্লাব এখনও নির্দোষ প্রমাণে আত্মবিশ্বাসী রয়েছে।
শনিবারের চিঠিতে আল মুবারক লিখেছেন, “শুক্রবারের সংবাদ প্রকাশের পর অনেকেই পরিবার, বন্ধু ও সহকর্মীদের প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন। আমিও দিয়েছি। আমি আমার পরিবারকে বলেছি—প্রিমিয়ার লিগের প্রক্রিয়া এখনো অনেক দূর যেতে হবে। আমাদের আত্মবিশ্বাস ও উদ্দেশ্য শুরু থেকেই যেমন ছিল, তেমনই আছে।”
সিটি ক্লাব সবসময় অভিযোগ অস্বীকার করে এসেছে এবং ধারণা করা হচ্ছে যে, তারা স্বাধীন প্যানেলের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করবে। দোষী সাব্যস্ত হলে এটি ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম বড় রায় হিসেবে বিবেচিত হবে, যা আর্থিক নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিযোগিতার সততা নিয়ে বড় প্রশ্ন তুলবে।
আল মুবারক জানিয়েছেন, গোপনীয়তার কারণে তিনি সীমিত মন্তব্য করতে পারছেন। তিনি বলেন, “এই চিঠিও একাধিক আইনি যাচাইয়ের মধ্য দিয়ে গেছে। শুক্রবারের বিবৃতি এবং ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারির বিবৃতি মনোযোগ দিয়ে পড়ুন। প্রতিটি শব্দ গুরুত্বপূর্ণ।”
২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারির বিবৃতিতে সিটি জানিয়েছিল, অভিযোগে তারা বিস্মিত, বিশেষ করে প্রিমিয়ার লিগকে দেওয়া বিপুল পরিমাণ তথ্যের পরও। ক্লাব বলেছিল, স্বাধীন কমিশনের পর্যালোচনা তারা স্বাগত জানায়, কারণ তাদের অবস্থান সমর্থনে “অখণ্ড প্রমাণ” রয়েছে। শুক্রবারও সিটি সেই অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছে।
প্রিমিয়ার লিগ এ বিষয়ে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। এক মুখপাত্র বলেছেন, “এটি গোপনীয় প্রক্রিয়া, আমরা কোনো মন্তব্য করছি না।”
সমর্থকদের ধৈর্য ধরতে আহ্বান জানিয়ে আল মুবারক বলেন, “অনেকে দ্রুত সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন, চারপাশে অনেক শব্দ হচ্ছে। কিন্তু কিছুই বদলায়নি। আমরা আগেও চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেছি এবং জয়ী হয়েছি। অনেকেই আমাদের গতি থামাতে চায়, আমরা তাদের সে সুযোগ দেব না।”
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় হেলথ ট্রাভেল প্রতিষ্ঠান মেডিএইডার এবং সৌদি আরবের শীর্ষস্থানীয় হেলথকেয়ার প্রতিষ্ঠান সেইজ হেলথের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হয়েছে রিয়াদের এক্সপো এক্সিবিশন সেন্টারে।
চুক্তি স্বাক্ষরের সময় উপস্থিত ছিলেন সেইজ হেলথের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড: মোহাম্মেদ এ আলদার এবং মেডিএইডারের প্রধান নির্বাহী শাব্বির আহমদ তামীম। উভয় প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশের হেলথকেয়ার সেক্টরের উন্নয়নে একত্রে কাজ করার বিষয়ে আশাবাদ প্রকাশ করেছে।
দীর্ঘ সময় ধরে মেডিএইডার এবং সেইজ হেলথ বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের ফ্রন্ট লাইনে রোগীদের চিকিৎসা যাত্রাকে সহজতর করার জন্য একসাথে কাজ করে আসছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ