ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

দীঘিনালায় আওয়ামী লীগ-যুবলীগের তিন নেতা গ্রেপ্তার


দীঘিনালায় আওয়ামী লীগ-যুবলীগের তিন নেতা গ্রেপ্তার

খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলায় একটি মামলার তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২৩ জুন) রাতে উপজেলার বাবুছড়া, মেরুং ও বোয়ালখালী এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দীঘিনালা থানার এসআই (নিঃ) মোস্তাক আহামদের নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্স অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় দীঘিনালা থানার মামলা নং-০১, তারিখ ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৫-এর এজাহারভুক্ত তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক দিপায়ন বড়ুয়া (৪০), বাবুছড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক লিটন সেন (৪৫) এবং মেরুং উত্তর ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি আবুল কালাম (৫০)।

আরও পড়ুন: চট্টগ্রামের ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’ ডেভিড ইমনকে ৭ দিনের রিমান্ডে পাঠাল আদালত

পুলিশ জানায়, তাদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ১৪৩, ৩৪১, ৩২৩, ৩২৫, ৩০৭, ৩৭৯, ৫০৬ ও ১১৪ ধারায় দায়ের হওয়া একটি মামলায় জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। অভিযানের সময় তাদের নিজ নিজ এলাকা থেকে আটক করা হয়।

দীঘিনালা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকবাল বাহার চৌধুরী বলেন,
মামলার তদন্ত ও আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে তিনজনকে আটক করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে আদালতে সোপর্দ করা হবে।

তিনি আরও বলেন,
পুলিশ আইন অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছে। কোনো ব্যক্তি বা সংগঠনের পরিচয় নয়, অভিযোগ ও মামলার ভিত্তিতেই আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গ্রেপ্তারকৃত তিনজনকে বিধি মোতাবেক আদালতে পাঠানো হবে।

আরও পড়ুন: বগুড়ায় পুলিশ পরিচয়ে ১০২ ভরি স্বর্ণ ছিনতাই, ৪ জন গ্রেপ্তার

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৬ বছরের শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে রেস্টুরেন্টে অগ্নিসংযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৪শে জুন, ২০২৬ ইং

০৫:৩৪ পি.এম


৬ বছরের শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে রেস্টুরেন্টে অগ্নিসংযোগ

গাইবান্ধায় ব্যবসার আড়ালে অসামাজিক কার্যক্রম পরিচালনা করার অভিযোগে এবং ছয় বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টার জন্য বিক্ষুব্ধ জনতা একটি রেস্তোরাঁয় আগুন লাগিয়েছে। এ ঘটনার পর পুলিশ ওই রেস্তোরাঁর ম্যানেজারকে আটক করেছে।

এই ঘটনা ঘটে বুধবার (২৪ জুন) দুপুরে সদর উপজেলার খোলাহাটী ইউনিয়নের ভেড়ামারা ব্রিজ সংলগ্ন ঘাঘট নদীর পাড়ে অবস্থিত ‘জাফলং চাইনিজ ফास्टফুড’ নামক রেস্তোরাঁয়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আটক ম্যানেজারের নাম আমির হোসেন (৫০), যিনি সদর উপজেলার দারিয়াপুর বাজারের মো. জয়নাল মিয়ার ছেলে। অন্যদিকে, ভুক্তভোগী শিশুটির পরিচয় পাওয়া যায় যে তিনি স্থানীয় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী। শিশুটির বাড়ি রেস্তোরাঁটির পার্শ্ববর্তী বাইরবন এলাকায়।

স্থানীয়রা জানান, আজ দুপুরে শিশুটিকে ম্যানেজার আমির হোসেন কৌশলে রেস্তোরাঁর ভেতরে ডেকে নেন। সেখানে তার ওপর ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়। বিষয়টি জানা মাত্র আশপাশের লোকজন ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন এবং তারা রেস্তোরাঁটি ঘিরে ফেলেন, এসময় অভিযুক্ত আমিরকে ভেতরে অবরুদ্ধ করে রাখেন।

খবর পেয়ে গাইবান্ধা সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে দ্রুত পৌঁছে এক ঘণ্টার বেশি সময় চেষ্টা করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ সময় অভিযুক্তকে আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। পুলিশ তাকে নিয়ে চলে যাওয়ার পর উত্তেজিত জনতা রেস্তোরাঁটিতে ভাঙচুর চালায় এবং আগুন ধরিয়ে দেয়।

গাইবান্ধার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শেখ মুত্তাজুল ইসলাম জানিয়েছেন, ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে ওই ব্যক্তিকে স্থানীয় জনতার সহায়তায় আটক করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ‘এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নকলায় এসবিসি প্রকল্পের মতবিনিময় সভা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নকলা (শেরপুর) প্রতিনিধি

বুধবার, ২৪শে জুন, ২০২৬ ইং

০৫:৩৫ পি.এম


নকলায় এসবিসি প্রকল্পের মতবিনিময় সভা

শেরপুরের নকলায় মা, শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের কল্যাণে জনসম্পৃক্ততায় সামাজিক ও আচরণ পরিবর্তন (এসবিসি) প্রকল্পের উপজেলা পর্যায়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। স্বাবলম্বী উন্নয়ন সমিতির আয়োজনে ও ইউনিসেফ বাংলাদেশ-এর সহযোগিতায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলম।

সভায় উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা রোমান হাসান, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নাসরিন জাহান, আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. রাফায়েত হোসেন সৌরভ, সহকারী পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা কানিজ ফাতেমা (শাওন), স্বাবলম্বী উন্নয়ন সমিতির উপজেলা সমন্বয়কারী নার্গিস আক্তারসহ স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মীগন, জনপ্রতিনিধি ও ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব উপস্থিত ছিলেন।

উপজেলা সমন্বয়কারী নার্গিস আক্তার প্রকল্পের উদ্দেশ্য, প্রকল্পে সম্পৃক্ত দপ্তর ও অংশীজন এবং এর মূলকার্যক্রম সমূহ উপস্থাপন করেন। তিনি বলেন, ‘প্রকল্পের উদ্দেশ্য হলো গর্ভবতীদের গর্ভকালীন অন্ততপক্ষে ৪টি সেবা ও প্রসূতিদের প্রসব পরবর্তী স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণে উদ্বুদ্ধ করা। জনগণকে প্রাতিষ্ঠানিক ডেলিভারিতে উৎসাহিত করা। গর্ভবতী নারী, প্রসূতি মা ও শিশুদের পুষ্টি বিষয়ে জনসচেতনতা তৈরি করা এবং স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভাস তৈরীতে ইতিবাচক আচরণ চর্চায় উদ্বুদ্ধ করা। নবজাতক শিশুর ৫টি অত্যাবশ্যকীয় সেবা সম্পর্কে জনগনকে উদ্বুদ্ধ করা এবং এই আচরণ চর্চায় সাহায্য করা। ১ দিন থেকে ১৫ মাস বয়সী শিশুদের ইপিআই টিকা নিশ্চিতকরণে অভিভাবক ও পরিচর্যাকারীদের উদ্বুদ্ধ করা। শিশুর জন্মের পর ছয়মাস বয়স পর্যন্ত শিশুকে শুধুমাত্র বুকের দুধ খাওয়ানোর ব্যাপারে পরিবারের সদস্যদের সচেতন করা এবং মায়ের জন্য সহযোগী পরিবেশ তৈরী করা। কিশোর-কিশোরীদের স্বাস্থ্য অধিকার, বয়ঃসন্ধিকালীন পরিচর্যা সম্পর্কে সচেতন ও প্রাতিষ্ঠানিক স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণে উদ্বুদ্ধ করা। মা, শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণে জনপ্রতিনিধি, সামাজিক নেতা, ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব ও প্রভাব বিস্তারকারী ব্যক্তি এবং সিজি কমিটির সদস্যদেরকে সক্রিয় করা। প্রশিক্ষণের মধ্য দিয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মীদের দক্ষতা উন্নয়নে সহায়তা করা। জনসম্পৃক্ততা বাড়ানোর মধ্য দিয়ে স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র থেকে সেবার মান বৃদ্ধি করা ও কমিউনিটি একাউন্টেবিলিটি সিস্টেম তৈরি করা।

এছাড়া প্রকল্পটির অংশীজন হলেন, জেলা-উপজেলা প্রশাসন, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ, পরিবার পরিকল্পনা বিভাগ, সমাজসেবা বিভাগ, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর, স্থানীয় সরকার, এনজিও, কমিউনিটি লিডার, শিক্ষক, ধর্মীয় নেতা ও গণ্যমান্য ব্যক্তি, গর্ভবতী, প্রসূতি, অভিভাবক, পরিচর্যাকারী ও কিশোর-কিশোরী। এদের সাথে সমন্বয় করে প্রকল্পের কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে বলে নার্গিস আক্তার জানান।

জানাগেছে, এই প্রকল্পের কর্মকর্তাদের মূলকার্যক্রম হলো, মা-দলের ইস্যুভিত্তিক উঠানবৈঠক, কিশোর দল ও কিশোরী দলের ইস্যুভিত্তিক উঠানবৈঠক, পুরুষদের নিয়ে ইস্যুভিত্তিক টি-স্টল সভা, গার্লস গাইড ও বয়েজ স্কাউট সদস্যদের ওরিয়েন্টেশন, জনপ্রতিনিধি ও ধর্মীয় নেতাদের ওরিয়েন্টেশন, সিজি কমিটির সদস্যর সদস্যদের ওরিয়েন্টেশন, কমিউনিটি ডায়ালগ ও অ্যাকশন প্ল্যান, স্থানীয় প্ল্যাটফর্ম ও নেটওয়ার্ক সদস্যদের ওরিয়েন্টেশন, ওয়ার্ডভিত্তিক লোকসঙ্গীতের আয়োজন, স্বাস্থ্য ও প.প. কর্মীদের প্রশিক্ষণ, মতবিনিময় ও ভিজিট করা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পরিচয় লুকাতে পরা হুডিই ধরিয়ে দিল কেতনের খুনিকে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২৪শে জুন, ২০২৬ ইং

০৫:৩৬ পি.এম


পরিচয় লুকাতে পরা হুডিই ধরিয়ে দিল কেতনের খুনিকে

ভারতের পুনের ব্যবসায়ী কেতন আগরওয়ালের মৃত্যু নিয়ে প্রশ্ন ওঠা নতুন কিছু নয়। এই মৃত্যু যে সিনেমা নয়, তা স্পষ্ট। বাগদত্তা সিয়া গোয়াল এবং তার প্রেমিক চেতন বাবুলাল চৌধুরীর নিখুঁত পরিকল্পনা কেতনের মৃত্যুর পেছনে।

গত ফেব্রুয়ারিতে কেতন আগরওয়াল এবং সিয়া গোয়ালের বাগদান হয়। জমকালো বিয়ের প্রস্তুতি চলছিল। বিয়ের জন্য জয়পুরে ১৭ কোটি টাকায় রাজপ্রাসাদ ভাড়া নেওয়া হয়েছিল, অতিথিদের আনা-নেওয়ার জন্য দুটি বিমানও ভাড়া হয়েছিল। তবে সিয়া গোয়ালের মন ছিল অন্যদিকে। তার মনিয়ার ২২ বছর বয়সী প্রেমিক চেতন চৌধুরীর ওপর।

বিয়ের পরিকল্পনা এগোলেই সিয়া এবং চেতন মিলে কেতনকে সরিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করেন। সিয়া প্রথমে মনে করেছিলেন দেশের বাইরে কোনো নিরিবিলি স্থানে কেতনকে হত্যা করবেন। কিন্তু সে বিষয়টি একা সম্ভব হয়নি। কেতনের ট্র্যাকিংয়ের প্রতি আগ্রহকে কাজে লাগানো হয়। ৩১ মে কেতন এবং সিয়া পুনের লোহাগড় দুর্গে ট্র্যাকিংয়ের জন্য যান। কিন্তু সেবার সিয়ার পরিকল্পনা সফল হয়নি।

৬ জুন তাদের ইন্দোনেশিয়ার বালিতে যাওয়ার কথা ছিল প্রি-ওয়েডিং ফটোশ্যুটের জন্য। কিন্তু সিয়া সেখানে যেতে চাননি। এদিকে, বিমানবন্দরে যাওয়ার পথে মুম্বাইয়ের একটি রেস্টুরেন্টে নাস্তা করতে গিয়ে সিয়া কেতনের ব্যাগ থেকে পাসপোর্টটি চুরি করে ফেলে। মুম্বাই এয়ারপোর্টে গিয়ে কেতন দেখেন তার পাসপোর্ট নেই, ফলে বালি যাওয়া বাতিল হয়।

১৪ জুন আবার তারা লোহাগড় দুর্গে যান। সেখানে সিয়া কেতনকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়ার চেষ্টা করেন, কিন্তু কেতনের অভিজ্ঞতার জন্য তা সফল হয়নি। ১৯ জুন সিয়ার জন্মদিনের আগে তারা ১৮ জুন লোহাগড় দুর্গে ফের যান। এবার চেতনকে ডেকে এনে তারা কেতনকে ভারি বস্তু দিয়ে আঘাত করে, এরপর ৪০০ ফুট গভীর খাদে ফেলে দেন।

সার্বিক হত্যা পরিকল্পনার পেছনে সিয়া তার ইনস্টাগ্রামে কেতনের প্রতি প্রেমের অভিনয় চালিয়ে যান। তাদের ইনস্টাগ্রাম পোস্টগুলো দেখে কেউ বোঝতেও পারবেন না তার মন কেমন। সিয়ার পোস্টে কেতনের জন্য ভালোবাসার প্রকাশ ছিল। কিন্তু অবশেষে হত্যার ঘটনাটি পুলিশের কাছে ধরা পড়ে।

লোহাগড় দুর্গে কেতনের মৃত্যু দুর্ঘটনা হিসেবে ভাবা হয়েছিল। তবে পুলিশ ও কেতনের পরিবার এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে থাকে। একটি সিসিটিভি ফুটেজ পুলিশের সন্দেহকে নিশ্চিত করে। সেখানে হুডি পরা এক যুবক তাদের অনুসরণ করে। ৩৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসের তীব্র গরমে হুডি পরে থাকার কারণ খুঁজতে পুলিশ দুর্ঘটনার মূল পেছনের তথ্য জানতে পারে।

সাঁতার ও মোবাইল কল রেকর্ড খুঁজলে পুলিশের সন্দেহ আরও বৃদ্ধি পায়। তাদের মধ্যে ২ হাজার ৪টি টেলিফোন কল হয়েছে। ২২ বছর বয়সী চেতন শুকনো ফলের ব্যবসায়ী। পুলিশ ঘটনাটির ৫ দিন পরে ২৩ জুন সিয়া এবং চেতনকে গ্রেপ্তার করে। আদালত তাদের ৭ দিন রিমান্ডে পাঠিয়েছে।

কেতন আগরওয়ালের বাবা বিশাল আগরওয়াল একটি প্রতিষ্ঠিত শিল্পপতি। কেতন ছিলেন সাকসেস গ্রুপের পরিচালক। কেতনকে হারিয়ে বিশাল আগরওয়াল দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছেন। তার প্রশ্ন একটাই, বিয়েতে না চাইলে বললে তো হতো, কেন কেতনকে হত্যা?

এই প্রশ্ন এখন ভারতের মানুষের মুখে মুখে। কেতন আগরওয়ালের মৃত্যু বাগদত্তা ও তার প্রেমিকের পরিকল্পনায় মানুষের বিশ্বাসকে চূর্ণবিচূর্ণ করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কটকে ছড়াল স্কুলছাত্রকে পেটানোর ভিডিও

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নোয়াখালী প্রতিনিধি

বুধবার, ২৪শে জুন, ২০২৬ ইং

০৫:৩৭ পি.এম


কটকে ছড়াল স্কুলছাত্রকে পেটানোর ভিডিও

নোয়াখালীর সেনবাগে এক স্কুলছাত্রকে মারধরের ভিডিও ধারণ করে টিকটকে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় কিশোর গ্যাং সদস্যদের বিরুদ্ধে।

বুধবার (২৪ জুন) বিকেলে ভিডিওটি স্থানীয়দের নজরে আসে। এর আগে, গত সোমবার ২২ জুন সন্ধ্যায় উপজেলার অর্জুনতলা ইউনিয়নের গোরকাটা এলাকার কাশেম খালাসি বাড়ি সংলগ্ন একটি কালভার্টের ওপর এ ঘটনা ঘটে।

মারধরের শিকার মাশরাফি ইব্রাহীম (১৬) অর্জুনতলা ইউনিয়নের উত্তর গোরকাটা এলাকার সৌদি প্রবাসী নুরুল আজমের ছেলে। তিনি স্থানীয় বাতাকান্দি আদর্শ স্কুল অ্যান্ড কলেজের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী।

ভুক্তভোগী মাশরাফির অভিযোগ করে বলেন, সোমবার সন্ধ্যায় সেনবাগ বাজার থেকে প্রাইভেট পড়ে বাড়ি ফেরার পথে কাদরা ইউনিয়নের ইমনের নেতৃত্বে একদল কিশোর গ্যাং সদস্য তার সাইকেলের গতিরোধ করে। পরে তারা তার কাছে সিগারেট ও টাকা দাবি করে। একপর্যায়ে একই বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী রাহির সঙ্গে তার বিরোধ রয়েছে দাবি করে তাকে বেধড়ক চড়-থাপ্পড় শুরু করেন। এ সময় হামলাকারীরা ঘটনার ভিডিও ধারণ করে। যা পরে টিকটকে ছড়িয়ে দেওয়া হয়। পরে বিষয়টি রাহিকে জানালে তিনি জানান, মারধরের ঘটনায় তার কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই এবং এ বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না।

 সেনবাগ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো.হযরত আলী মিলন বলেন, ভিডিওটি এখনো পুলিশের নজরে আসেনি। ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকেও কোনো লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়নি। তবে অভিযোগের বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%