ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

পুনর্নির্বাচনে লড়বেন ইনফান্তিনো, নিশ্চিত করলো ফিফা


পুনর্নির্বাচনে লড়বেন ইনফান্তিনো, নিশ্চিত করলো ফিফা

বিশ্বকাপ স্বত্ব বিক্রির পরিকল্পনার জেরে ব্যাপক সমালোচনার মধ্যেও ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো মার্চ মাসে পুনর্নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) ফুটবলের বিশ্ব নিয়ন্ত্রক সংস্থার এক বিবৃতিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

২০১৬ সাল থেকে এই পদে থাকা ইনফান্তিনো ব্যক্তিগত বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের কাছে ফিফার বিভিন্ন প্রতিযোগিতার মালিকানার অংশ (স্টেক) বিক্রির পরিকল্পনা বাতিল করার পর চাপের মুখে পড়েছিলেন।

ইনফান্তিনোর সেই লাভজনক পরিকল্পনা বিশ্বজুড়ে তীব্র সমালোচনার জন্ম দেয়। এমনকি ইউরোপীয় ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা উয়েফা বিশ্বকাপসহ ফিফার সব প্রতিযোগিতা বয়কটের হুমকিও দিয়েছিল। ফিফার এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ফিফা সভাপতি গত এপ্রিলেই ঘোষণা করেছিলেন, তিনি ২০২৭ সালে পুনর্নির্বাচনে লড়বেন। পরিস্থিতির কোনো পরিবর্তন হয়নি, তিনি পুনর্নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

আরও পড়ুন: শেষ মুহূর্তের রোমাঞ্চে ব্র্যাককে হারিয়ে সোনারগাঁওয়ের টানা দ্বিতীয় জয়

চলতি বছরের বিশ্বকাপের পর সৃষ্ট কেলেঙ্কারির ঘটনার পর এই প্রথম ফিফা নিশ্চিত করল, তিনি চতুর্থ মেয়াদের জন্য লড়বেন। ফিফার নিয়ম অনুযায়ী, একজন সভাপতি সর্বোচ্চ চারটি মেয়াদে দায়িত্ব পালন করতে পারেন। ইনফান্তিনোর পরিকল্পনা নিয়ে আইনি লড়াইয়ের প্রেক্ষাপটে, ফিফা এই সপ্তাহে উয়েফার বিরুদ্ধে তাদের এবং তাদের নেতৃত্বের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার অপচেষ্টা বা ‘স্মিয়ার ক্যাম্পেইন’-এর অভিযোগ এনেছে।

গত সপ্তাহে উয়েফা যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে আইনি নথিপত্র দাখিল করে ফিফার কাছে প্রমাণ ও নথিপত্র প্রকাশের অনুরোধ জানায় এবং সতর্ক করেন, তারা সুইজারল্যান্ডে ফৌজদারি অভিযোগও দায়ের করতে পারে। পুনরায় সভাপতি নির্বাচিত হতে হলে একজন প্রার্থীকে ফিফার ২১১টি সদস্য অ্যাসোসিয়েশনের মধ্যে অন্তত ১০৬টির সমর্থন পেতে হবে।ইনফান্তিনোর প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে এখন পর্যন্ত কারও নাম ঘোষণা করা হয়নি, তবে কনকাকাফ সভাপতি ভিক্টর মন্ট্যাগলিয়ানিকে একটি জোরালো বিকল্প হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। আগামী ১৮ নভেম্বরের মধ্যে প্রার্থিতা বা মনোনয়ন জমা দিতে হবে।

ইংল্যান্ড, স্কটল্যান্ড, ওয়েলস এবং রিপাবলিক অফ আয়ারল্যান্ডের ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনগুলো প্রকাশ্যে ইনফান্তিনোর প্রতি সমর্থন প্রত্যাহার করে নিয়েছে। ইনফান্তিনো পুনর্নির্বাচিত হলে তবে তিনি ২০৩১ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করবেন।

আরও পড়ুন: কক্সবাজারের টুপটুপ রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে নিহত মুক্তার দাফন সম্পন্ন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাজারের খাদেম হত্যা মামলায় হাইকোর্টে দুইজনের মৃত্যুদণ্ড বহাল, খালাস ৫

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:১৩ পি.এম


মাজারের খাদেম হত্যা মামলায় হাইকোর্টে দুইজনের মৃত্যুদণ্ড বহাল, খালাস ৫

 

রংপুরের কাউনিয়ায় মাজারের খাদেম রহমত আলী হত্যা মামলায় বিচারিক আদালতের রায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাত আসামির মধ্যে দুজনের মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখে পাঁচ আসামিকে খালাস প্রদান করেছে হাইকোর্ট।রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি জাফর আহমেদ ও বিচারপতি সাথিকা হোসেনের হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রায় ঘোষণা করেন।

 

মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকা আসামিরা হলেন- নিষিদ্ধ সংগঠন জেএমবির (জামাত-উল-মুজাহিদীন বাংলাদেশ) রংপুর অঞ্চলের কমান্ডার মো. মাসুদ রানা ওরফে মামুন ওরফে মন্ত্রী এবং জেএমবি সদস্য মো. লিটন মিয়া ওরফে রফিক। খালাস পাওয়া আসামিদের মধ্যে রয়েছেন- ইছাহাক আলী, সাখাওয়াত হোসেন ওরফে রাহুল, সরওয়ার হোসেন সাবু ওরফে মিজান, জেএমবির উত্তরাঞ্চলের কমান্ডার বিজয় ওরফে আলী ওরফে দরজি এবং চান্দু মিয়া। উচ্চ আদালত এই আসামিদের আপিল মঞ্জুর করে রায় প্রদান করেছে।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি শুনানি করেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল আল আমীন সিদ্দিকী।আসামিপক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এস এম শাহজাহান, এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন, আনোয়ার হোসেন, মো. আতিকুল ইসলাম সেলিম।

আইনজীবী আনোয়ার হোসেন সাংবাদিকদের জানান, ‘মূলত মাসুদ রানা ও মো. লিটন মিয়ার স্বীকারোক্তির ওপর ভিত্তি করে হাইকোর্ট রায় দিয়েছেন। রায়ের পর্যবেক্ষণে আদালত উল্লেখ করেছেন, মাসুদ রানা ও লিটন মিয়ার স্বীকারোক্তি একজন আরেক জনেরটাকে সমর্থন করেছে। এমনকি মামলার সাক্ষীদের সাক্ষ্যেও এই দুজনের স্বীকারোক্তিকে সমর্থন করেছে।

 

এই বিবেচনাতেই মাসুদ ও লিটনের মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট।পাঁচ জনের খালাসের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করা হবে কিনা জানতে আইন কর্মকর্তা আল আমীন সিদ্দিকীকে বেশ কয়েকবার ফোন করলেও তিনি ফোন ধরেননি।

এর আগে ২০১৫ সালের ১০ নভেম্বর রাতে কাউনিয়া উপজেলার মধুপুর ইউনিয়নের চৈতার মোড়ে মাজার শরীফের খাদেম রহমত আলীকে (৬০) এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যা করা হয়। পরে রহমত আলীর ছেলে শফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে কাউনিয়া থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কাউনিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মামুন অর রশীদ ২০১৬ সালের ৩ জুলাই জেএমবির রংপুর আঞ্চলিক কমান্ডার মাসুদ রানা ওরফে মামুন ওরফে মন্ত্রীসহ ১৪ সদস্যের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেন।

 

২০১৭ সালের ১৬ অগাস্ট ১২ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। ২০১৮ সালের ১৮ মার্চ দেওয়া রায়ে সাত আসামিকে মৃত্যুদণ্ড এবং ছয়জনকে খালাস দেন বিচারক। পরে মামলার ডেথ সরেফারেন্স হাইকোর্টে পাঠানো হয়। আসামিরা প্রথমে জেল আপিল ও আপিল করেন। এসবের ওপর শুনানির পর গতকাল রায় দেন উচ্চ আদালত।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এবার পাকিস্তানকে গোলবন্যায় ভাসিয়ে বাংলাদেশের বড় জয়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

রবিবার, ৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:১৪ পি.এম


এবার পাকিস্তানকে গোলবন্যায় ভাসিয়ে বাংলাদেশের বড় জয়

বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২০ নারী হকি দল জুনিয়র এশিয়া কাপে প্রথম ম্যাচে চায়নিজ তাইপেকে ৭-০ গোলে পরাজিত করার পর আজ রবিবার দ্বিতীয় ম্যাচে পাকিস্তানকে ৫-১ গোলে পরাজিত করেছে। টানা দুই জয়ে বাংলাদেশের মেয়েরা ৬ পয়েন্ট নিয়ে জুনিয়র এশিয়া কাপের চ্যালেঞ্জার পুলের শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে।

এই ম্যাচটি রবিবার চীনের ইনার মঙ্গোলিয়ার হুলুনবুইর সিটির মরিন দাউর গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত হয়।

বাংলার মেয়েরা শুরু থেকেই পাকিস্তানি রক্ষণভাগে একের পর এক আক্রমণ চালাতে থাকে। এই দাপুটে জয়টি বাংলাদেশের পক্ষে পাঁচটি গোল এসেছে পাঁচজন ভিন্ন খেলোয়াড়ের স্টিক থেকে।

লনিমা নুপুর, নাদিরা এমা, অধিনায়ক সারিকা রিমন, কনা আক্তার এবং আইরিন আক্তার রিয়া দলের হয়ে বল জালে জড়িয়েছেন।

ফুরফুরে মেজাজে থাকা বাংলাদেশ নারী হকি দল তাদের পরবর্তী ম্যাচে আগামী মঙ্গলবার কাজাখস্তানের বিপক্ষে মাঠে নামবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অপরাধীদের বন্ধু মনে করার কারণ নেই, তারা ছোবল মারতে পারে: চিফ প্রসিকিউটর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:১৪ পি.এম


অপরাধীদের বন্ধু মনে করার কারণ নেই, তারা ছোবল মারতে পারে: চিফ প্রসিকিউটর

ঢাকা, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬: অপরাধীকে বন্ধু মনে করার কোনো কারণ নেই, তারা তাদের মতো করেই যেকোনো সময় ছোবল মারতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।

নিজ কার্যালয়ের সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি আজ (রোববার) এ মন্তব্য করেন।

এসময় চিফ প্রসিকিউটর বলেন, গুমের এসব ঘটনাকে আমরা ওয়াইডস্প্রেড ও সিস্টেমেটিক অ্যাটাক বলে আখ্যায়িত করেছি। কারণ প্রত্যেকটি ঘটনার একটির সঙ্গে আরেকটির মিল রয়েছে। এ কারণে ওয়াইডস্প্রেড ও সিস্টেমেটিক হিসেবে চিহ্নিত করে আমরা এটাকে মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে গণ্য করেছি। গুমের শিকার ২৫১ জন বা যারা এখন পর্যন্ত ফেরত আসেননি, তাদের পেছনে একই ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতা প্রায় ঘুরেফিরে পাওয়া যাচ্ছে। এ কারণে এটা ওয়াইডস্প্রেড ও সিস্টেমেটিক ক্রাইম।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, আমরা মনে করি যে অপরাধীকে বন্ধু মনে করার কোনো কারণ নেই। তারা (অপরাধী) তাদের মতো করেই যেকোনো সময় ছোবল মারতে পারেন। এটা লক্ষ্য রেখেই আমরা কাজ করছি। আমরা যেভাবে সচেতন আছি, সরকারকেও একইভাবে সচেতন থাকতে বলবো। এছাড়া আমাদের ভিকটিম পরিবারগুলোকেও সতর্ক থাকতে বলবো। বিশেষ করে এই তদন্ত যাতে কোনোভাবে ব্যাহত না হয়। কোনোভাবে যাতে কোনো ‘স্যাবোটাজ’ করে তদন্ত কার্যক্রমে কোনো ধরনের বাধা কেউ সৃষ্টি করতে না পারে সে বিষয়ে আমরা সতর্ক আছি।

মো. আমিনুল ইসলাম আরও বলেন, আমাদের এখানে যারা নিরাপত্তার কাজ করেন, ট্রাইব্যুনালের নিরাপত্তা বাড়ানোর জন্য তাদের সতর্ক করা হয়েছে। কিছু কিছু আসামির গতিবিধি, তৎপরতা তাদের কাছে সন্দেহজনক লেগেছে। কিছু কিছু গোপন তথ্য আমাদের (প্রসিকিউশন) কাছে আছে যে তারা (কিছু আসামি) যেকোনো স্যাবোটেজ বা নাশকতামূলক ঘটনা ঘটাতে পারেন।

গুম প্রতিরোধ আইন নিয়ে তিনি বলেন, আপনারা জানেন গুম প্রতিরোধ এবং প্রতিকার আইন নামে একটি আইন হতে যাচ্ছে। এটি অত্যন্ত যুগোপযোগী আইন। এর মাধ্যমে সারা বাংলাদেশে হওয়া গুমের বিচার হয়তো অন্য মাত্রার একটি গতি পাবে।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, সবকিছু মিলিয়ে যারা গুমের সঙ্গে জড়িত, তারা অত্যন্ত শক্তিশালী ও দুষ্কৃতকারী। সেটা মাথায় রেখেই আমরা যেমন নিজেরা সতর্ক আছি; গুমের শিকার ব্যক্তির পরিবারের সদস্যদেরও সতর্ক থাকার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদেরও সতর্ক থাকার অনুরোধ করছি এবং সরকারের কাছ থেকে সার্বিক সহযোগিতা কামনা করছি। সর্বোপরি আমরা গুমের তদন্ত আমরা খুব দ্রুততার সঙ্গে শেষ করে বিচারের সম্মুখীন করবো।

গুমের শিকার ব্যক্তিদের স্বজনদের সংগঠন ‘মায়ের ডাক’-এর সমন্বয়ক সানজিদা ইসলাম তুলির নেতৃত্বে আজ চিফ প্রসিকিউটরের কার্যালয়ে যান গুমের শিকার ৫৫টি পরিবারের সদস্যরা। তাদের জবানবন্দি গ্রহণ করবে তদন্ত সংস্থা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুর্নীতিতে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে : অর্থমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:১৫ পি.এম


দুর্নীতিতে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে : অর্থমন্ত্রী

সংসদ ভবন, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন যে, দুর্নীতিতে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে এবং তাদের কোনো ধরনের দায়মুক্তি দেওয়া হবে না।

মন্ত্রী বলেন, যদি কোনো কোম্পানির মালিক বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ থাকে, তাহলে ওই কোম্পানি বন্ধ করে দেওয়া হবে না।

আজ জাতীয় সংসদে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সংসদ সদস্য আবদুল হান্নান মাসউদের (নোয়াখালী-৬) একটি সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি এই কথা বলেন।

তিনি উল্লেখ করেন, করপোরেট প্রতিষ্ঠানের আইনগত সত্তা এবং দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তির ব্যক্তিগত দায়— এই দুই বিষয়কে আলাদাভাবে বিবেচনা করা উচিত।

অর্থমন্ত্রী বলেন, 'অর্থনীতি ও আর্থিক খাত পরিচালনার ক্ষেত্রে কিছু নীতি রয়েছে। করপোরেট প্রতিষ্ঠানের সত্তা কোনো ব্যক্তির সত্তা থেকে পৃথক।'

তিনি আরও বলেন, দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা করে বিচারের আওতায় আনা সম্ভব। তবে কোম্পানির কার্যক্রম আলাদাভাবে বিবেচনা করতে হবে, কারণ একটি কোম্পানি একটি স্বতন্ত্র আইনগত সত্তা।

তিনি বলেন, 'কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ থাকলে তার বিরুদ্ধে মামলা করা যাবে এবং তাকে বিচারের আওতায় আনা যাবে। কিন্তু কোম্পানি একটি আইনগত সত্তা।'

আমির খসরু জানান, কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগের কারণে একটি কোম্পানি বন্ধ করে দিলে এর ব্যাপক অর্থনৈতিক প্রভাব পড়তে পারে।

তিনি বলেন, 'এ ধরনের সিদ্ধান্তের ফলে কর্মচারী, ঋণদাতা, ঋণ পরিশোধ এবং অর্থনীতিতে কোম্পানিটির অবদান ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।'

অর্থমন্ত্রী বলেন, 'কোম্পানির কর্মচারী আছে, দায়-দেনা আছে। তাদের ঋণ পরিশোধ করতে হয় এবং অর্থনীতিতে তাদের অবদান রয়েছে।'

তিনি জোর দিয়ে বলেন, অর্থনৈতিক সিদ্ধান্ত আবেগের ভিত্তিতে নয়, আইন ও প্রতিষ্ঠিত আর্থিক নীতির ভিত্তিতে নিতে হবে।

তিনি বলেন, 'আবেগ দিয়ে অর্থনীতি পরিচালনা করা যায় না; আইন অনুযায়ী তা পরিচালনা করতে হয়।'

অর্থমন্ত্রী বাংলাদেশ ব্যাংক খেলাপি কোম্পানিকে ঋণসংক্রান্ত সুবিধা দিয়ে আইন লঙ্ঘন করছে— এমন অভিযোগও নাকচ করেন।

তিনি বলেন, 'বাংলাদেশ ব্যাংক আইন লঙ্ঘন করে কাউকে ঋণ দিচ্ছে না।'

অর্থমন্ত্রী ব্যাখ্যা করেন, প্রচলিত আইন ও বিধিবিধানে সুযোগ থাকলেই কোনো কোম্পানি ঋণ পুনঃতফসিল বা পুনর্গঠনের সুবিধা পেতে পারে।

তিনি বলেন, 'আইনে ঋণ পুনঃতফসিলের সুযোগ থাকলে যোগ্য কোম্পানিগুলো তা নিতে পারবে। যারা যোগ্য নয়, তারা এই সুবিধা নিতে পারবে না।'

আমির খসরু জানান, দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের সরকার কোনোভাবেই সুরক্ষা দিচ্ছে না।

তিনি বলেন, 'দুর্নীতিতে জড়িতদের ছাড় দেওয়া হচ্ছে না। তাদের বিরুদ্ধে মামলা হচ্ছে এবং মামলাগুলো চলবে। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।'

তিনি আরও বলেন, কোনো ব্যক্তির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কোম্পানি কার্যক্রম চালু রাখলেও ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, কর্মসংস্থান, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড এবং কোম্পানির বকেয়া দায় পরিশোধের স্বার্থে আইনসম্মতভাবে কোনো কোনো ক্ষেত্রে কোম্পানির কার্যক্রম চালু রাখা প্রয়োজন হতে পারে।

একই সঙ্গে দুর্নীতির জন্য দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি জানান।

তিনি বলেন, সরকার এক্ষেত্রে দু’টি বিষয় পৃথকভাবে বিবেচনা করছে—আইনসম্মতভাবে প্রয়োজন হলে কোম্পানিগুলোকে তাদের বৈধ অর্থনৈতিক কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ দেওয়া এবং দুর্নীতির জন্য দায়ী ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা।

অর্থমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক কেবল প্রচলিত আইনের আওতায় থেকেই ঋণ পুনঃতফসিলের সুবিধা দিতে পারে।

তিনি বলেন, 'আইনে যে সুযোগ রয়েছে, যোগ্য কোম্পানিগুলো তা নিতে পারবে। যারা যোগ্য নয়, তারা তা নিতে পারবে না।'

তিনি বলেন, সরকার আর্থিক খাত পরিচালনায় আইন ও প্রাতিষ্ঠানিক নীতি অনুসরণ করবে এবং একই সঙ্গে অনিয়ম ও দুর্নীতির জন্য দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা অব্যাহত রাখবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%