শনিবার, ২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১০:৪৭ এম
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ হরমুজ প্রণালি ও বাব আল-মান্দেবকে খোলা রাখার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি এসব জলপথকে ‘বিশ্ব অর্থনীতির ধমনী’ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে বক্তব্য রাখার সময় শাহবাজ শরিফ উল্লেখ করেন যে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনা শুরু করার ক্ষেত্রে পাকিস্তান একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
তিনি জানান, মধ্যস্থতার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে পাকিস্তান দুই দেশের প্রতিনিধিদের একই টেবিলে বসানোর উদ্যোগ নিয়েছে এবং সংঘাত কমানোর জন্য বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
শান্তির জন্য কাজ করা মানবজাতির অন্যতম মহৎ দায়িত্ব, এ কথা উল্লেখ করে শাহবাজ শরিফ পবিত্র কোরআনের একটি আয়াত উদ্ধৃত করেন। তিনি পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা কায়েদে আজম মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর জাতিসংঘ সনদের প্রতি সমর্থনের কথাও তুলে ধরেন।
শাহবাজ শরিফ বলেন, পাকিস্তান জাতিসংঘ সনদের প্রতি আস্থাশীল এবং বিশ্ব শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য কাজ করে যাচ্ছে। তিনি দারিদ্র্য মোকাবিলায় জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের নেতৃত্ব ও প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন।
ফেব্রুয়ারিতে উপসাগরীয় অঞ্চল ও বৃহত্তর মধ্যপ্রাচ্যে ভয়াবহ যুদ্ধ শুরু হয়, যার ফলে প্রাণহানি ও অর্থনৈতিক ক্ষতির পাশাপাশি হরমুজ প্রণালি ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক নৌপথগুলোও চাপের মুখে পড়ে।
ফিলিস্তিন প্রসঙ্গে শাহবাজ শরিফ পশ্চিম তীরে ইসরাইলি বসতি নির্মাণের বিরোধিতা করেন। তিনি গাজায় ইসরাইলি হামলা অব্যাহত থাকার বিষয়টি উল্লেখ করেন এবং আল-কুদস আল-শরিফকে রাজধানী করে একটি স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানান।
কাশ্মীর প্রসঙ্গেও কথা বলেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী। তিনি কাশ্মীরকে পাকিস্তানের ‘জুগুলার ভেইন’ বা অস্তিত্বের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে উল্লেখ করেন এবং কাশ্মীরিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার নিয়ে দেওয়া প্রতিশ্রুতি পূরণের আহ্বান জানান।
এছাড়া, তিনি ভারতকে ভবিষ্যতে আর কোনো ‘ভুল’ না করার বিষয়ে সতর্ক করেন। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে পাকিস্তানের প্রতিনিধিত্ব করে চতুর্থবারের মতো বক্তব্য দেওয়ার বিষয়টিকে সম্মানের বলে উল্লেখ করেন শাহবাজ শরিফ। তিনি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের নবনির্বাচিত সভাপতি খলিলুর রহমানকে অভিনন্দন জানিয়ে পাকিস্তানের পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
তথ্যসূত্র: সামা টিভি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তেজাবি স্বর্ণের মূল্য বেড়ে যাওয়ায় দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম ভরিতে ১ হাজার ৬৯১ টাকা বাড়িয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এতে ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩৪ হাজার ৬২১ টাকা।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের সভায় সর্বসম্মতিক্রমে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়। সেদিন সকাল ১০টা থেকেই নতুন দাম কার্যকর হয়েছে। আজ শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) নির্ধারিত ওই দামেই বিক্রি হবে স্বর্ণ।
নতুন দাম অনুযায়ী, প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের হলমার্ক করা স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩৪ হাজার ৬২১ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২৪ হাজার ৬৫ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরির দাম ১ লাখ ৯২ হাজার ৩৯৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের প্রতি ভরির দাম ১ লাখ ৫৭ হাজার ১৭২ টাকা।
বাজুস জানিয়েছে, তেজাবি স্বর্ণ বা পিওর গোল্ডের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে স্বর্ণের নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানিয়েছে, অলংকারের ডিজাইন অনুযায়ী, মজুরি প্রযোজ্য হবে। তবে স্বর্ণ ও রুপার অলংকারের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট যুক্ত থাকায় গ্রাহকের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না।
বাজুস আরও জানিয়েছে, পুরোনো অলংকার এক্সচেঞ্জের ক্ষেত্রে মজুরি ও পাথরের মূল্য বাদ দিয়ে ১২ শতাংশ এবং পুরোনো অলংকার পারচেজের ক্ষেত্রে ১৮ শতাংশ বাদ দিতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ম্যানচেস্টার সিটির বিরুদ্ধে প্রিমিয়ার লিগের আর্থিক নিয়ম ভাঙার ১০০টিরও বেশি অভিযোগ উত্থাপন করা হয়েছে। এই অভিযোগগুলি ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে দায়ের করা হয়। একটি স্বাধীন কমিশনের শুনানি ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে শেষ হবে। বর্তমানে খবর পাওয়া যাচ্ছে যে, অধিকাংশ অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। মামলাটি আপিল পর্যায়ে প্রবেশ করছে।
ম্যানচেস্টার সিটির বিরুদ্ধে ২০০৯ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত টানা নয় বছর ধরে আর্থিক ন্যায্যতার নিয়ম লঙ্ঘনের অভিযোগ রয়েছে। এছাড়াও, প্রিমিয়ার লিগের তদন্তে সহযোগিতা না করার অভিযোগও তাদের বিরুদ্ধে রয়েছে।
২০২৩ সালে প্রিমিয়ার লিগ যখন সিটিকে অভিযুক্ত করে, তখন তাদের বিবৃতিতে ১১৫টি অভিযোগের উল্লেখ করা হয়েছিল। তবে ধারণা করা হয়, আসল সংখ্যা ১৩০টি।
এই সময়ের মধ্যে ম্যানচেস্টার সিটি তিনবার প্রিমিয়ার লিগ শিরোপা জিতেছে। যদিও ক্লাবটি সব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।
প্রিমিয়ার লিগের আর্থিক ন্যায্যতার নিয়ম প্রণয়ন করা হয়েছে, যাতে ক্লাবগুলো নিজেদের আয়ের মধ্যে খরচ করে। আয় বাড়িয়ে দেখিয়ে বা খরচ লুকিয়ে এই নিয়মগুলো এড়ানো সম্ভব। এর ফলে একটি ক্লাব বেশি টাকা খরচ করে খেলোয়াড় কেনা বা বেতন দিতে পারে।
প্রিমিয়ার লিগের দাবি, সিটি নয় মৌসুম ধরে সঠিক আর্থিক তথ্য না দিয়ে নিয়ম ভেঙেছে।
অভিযোগগুলোর মধ্যে একটি হলো, সিটি চার বছর ধরে তাদের এক কোচকে দেওয়া অর্থের পুরো তথ্য প্রকাশ করেনি। ধারণা করা হয়, একটি গোপন চুক্তি ছিল, যার মাধ্যমে ওই কোচকে আনুষ্ঠানিক হিসাবের চেয়ে বেশি টাকা দেওয়া হতো।
প্রিমিয়ার লিগ আরও জানিয়েছে, সিটি পাঁচ বছর ধরে উয়েফার আর্থিক ন্যায্যতার নিয়মও মানেনি।
এই অভিযোগগুলো প্রথম প্রকাশ পায় ২০১৮ সালে জার্মানির ডার স্পিগেল পত্রিকার কিছু প্রতিবেদনে। এসব প্রতিবেদন তৈরি হয়েছিল পর্তুগিজ হ্যাকার রুই পিন্টোর সংগ্রহ করা ইমেইলের ভিত্তিতে। এই ইমেইলগুলো ফুটবল লিকস ওয়েবসাইটেও প্রকাশিত হয়।
এই খবরের পর ২০১৯ সালে উয়েফা সিটির বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করে। একই সঙ্গে প্রিমিয়ার লিগও তদন্ত শুরু করে।
২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে উয়েফার আর্থিক ন্যায্যতার নিয়ম ভাঙার দায়ে সিটিকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। তাদের দুই বছরের ইউরোপিয়ান নিষেধাজ্ঞা এবং ৩০ মিলিয়ন ইউরো জরিমানা করা হয়। তবে পাঁচ মাস পর কোর্ট অব আরবিট্রেশন ফর স্পোর্ট (ক্যাস) নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয় এবং জরিমানা কমিয়ে ১০ মিলিয়ন ইউরো করে।
ক্যাস জানায়, সিটি ‘উয়েফার তদন্ত প্রক্রিয়াকে স্পষ্টভাবে অবহেলা করেছে’। তবে তারা সিটিকে ‘স্পনসরশিপ হিসেবে দেখিয়ে গোপন মূলধন লুকানোর’ অভিযোগ থেকে মুক্তি দেয়। রায়ে বলা হয়, বেশিরভাগ অভিযোগ ‘হয় প্রমাণিত হয়নি, নয়তো সময়সীমা পার হয়ে গেছে’। কারণ উয়েফার নিয়মে মামলা করার জন্য পাঁচ বছরের সময়সীমা রয়েছে।
সিটি বলেছিল, ক্যাসের এই রায় ‘ক্লাবের অবস্থান এবং তারা যে প্রমাণ দিয়েছিল, তার সত্যতার প্রমাণ’।
তবে প্রিমিয়ার লিগের ক্ষেত্রে অভিযোগ তদন্তের কোনো সময়সীমা নেই। এই কারণে তারা ২০০৯ সাল পর্যন্ত পিছিয়ে গিয়ে অভিযোগ এনেছে।
২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে যখন প্রিমিয়ার লিগ সিটির বিরুদ্ধে অভিযোগ আনে, তখন ক্লাবটি জানায়, তারা এই ঘটনায় ‘বিস্মিত’। তারা আরও জানায়, তাদের অবস্থানের পক্ষে ‘অকাট্য প্রমাণের একটি পূর্ণাঙ্গ সংগ্রহ’ রয়েছে।
প্রিমিয়ার লিগের বিরুদ্ধে সিটির এই মামলার শুনানি ২০২৪ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর থেকে ৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে।
লন্ডনের ইন্টারন্যাশনাল ডিসপিউট রেজোলিউশন সেন্টারে তিন সদস্যের একটি স্বাধীন কমিশনের সামনে ১২ সপ্তাহ ধরে এই শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।
শুনানি শেষ হওয়ার পর রায় আসতে কয়েক মাস সময় লাগবে বলে পূর্বাভাস করা হয়েছে। কারণ অভিযোগের সংখ্যা অনেক এবং পর্যালোচনার জন্য তথ্যের পরিমাণও অনেক বেশি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি দেশে ফিরেছেন ব্যক্তিগত সফর শেষে।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ১টার দিকে, চিফ হুইপের স্ত্রী এবং পুত্রসহ মালয়েশিয়ান এয়ারলাইন্সের এমএইচ-১৩৬ ফ্লাইটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাদের অবতরণ ঘটে।
এটি উল্লেখযোগ্য যে, চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি গত ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে ব্যক্তিগত সফরের জন্য মালয়েশিয়ার উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করেছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঘটনাবহুল এ বিশ্বে প্রতিদিন ঘটে নানান ঘটনা। উদ্ভাবন-উন্মোচন ঘটে অনেক কিছুর। জন্মের পাশাপাশি মৃত্যুও হয় অনেকের। রোজকার এসব ঘটনার মধ্যে বিশেষ কিছু ঘটনা স্থায়ীভাবে দাগ কাটে মানুষের মনে। কিছু উঠে যায় ইতিহাসের পাতায়।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) এক নজরে দেখে নেওয়া যাক তেমনই কিছু ঘটনা।
ঘটনাবলি
১৫৮০- স্যার ফ্রান্সিস ড্রেক তার সমুদ্রপথে বিশ্বভ্রমণ সমাপ্ত করে মাতৃভূমি ইংল্যান্ড ফেরেন।
১৭৭৭- ব্রিটিশ বাহিনী ফিলাডেলফিয়া ও পেনসিলভানিয়া দখল করে নেয়।
১৮৪১- ব্রুনাইর সুলতান সারাওয়াকা দ্বীপ ব্রিটেনের কাছে ছেড়ে দেন।
১৮৮৭- এমিল বার্লিনার নামে একজন জার্মান অভিবাসী যুক্তরাষ্ট্রে প্রথম কথা বলা যন্ত্র (গ্রামোফোন) পেটেন্ট করেন।
১৯০৭- নিউজিল্যান্ড ব্রিটেনের কাছ থেকে স্বাধীনতা অর্জন করে।
১৯৩২- মহাত্মা গান্ধী এবং বি আর আম্বেদকর পুনা চুক্তিতে সম্মত হন।
১৯৫০- জাতিসংঘ বাহিনী উত্তর কোরিয়ার কাছ থেকে সিউ পুনর্দখল করে।
১৯৫০- ইন্দোনেশিয়া জাতিসংঘের অন্তর্ভুক্ত হয়।
১৯৫৯- জাপানের হনসুতে দুদিনব্যাপী টাইফুনে সাড়ে চার হাজার লোকের প্রাণহানি ঘটে।
১৯৬০- সিকাগোতে প্রথম টেলিভিশন বিতর্ক হয়েছিল দুজন প্রেসিডেন্ট প্রার্থীর মধ্যে। তারা হলেন- রিচার্ড এম নিঙ্ন ও জন এফ কেনেডি।
১৯৬০- ফিদেল ক্যাস্ত্রো ইউএসআর-এর প্রতি কিউবার সমর্থন জানান।
১৯৬২- উত্তর ইয়েমেনের রাজতন্ত্রী ব্যবস্থাকে অকার্যকর ঘোষণা করা হয়।
১৯৬৮- সুইজারল্যান্ড জাতিসংঘে যোগদান করে।
১৯৭৩- কনকর্ড বিমান রেকর্ড সময়ে কোথাও না থেমে আটলান্টিক মহাসাগর পাড়ি দেয়।
জন্ম
১৭৭৪- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একজন রোল মডেল পরিবেশবিদ জনি আপেলসিড।
১৮২০- উনিশ শতকের বিশিষ্ট বাঙালি শিক্ষাবিদ, সমাজসংস্কারক ও গদ্যকার ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।
১৮৭৬- ভারতীয় মুসলিম রাজনীতিবিদ ও কবি গোলাম ভিক নৈরাগ।
১৮৮৮- ব্রিটেনের সমকালীন বিখ্যাত কবি ও সাহিত্যিক টি এস এলিয়ট।
১৮৮৯- জার্মান দার্শনিক মার্টিন হাইডেগার।
১৯২৩- ভারতীয় চলচ্চিত্র অভিনেতা ও পরিচালক দেব আনন্দ।
১৯৩২- ভারতীয় রাজনীতিবিদ ও ১৪তম প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং।
১৯৩৬- দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদবিরোধী নেত্রী ও জাতীয় কংগ্রেসের নারী শাখার প্রধান উইনি ম্যান্ডেলা।
১৯৪৩- অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটার ও সাবেক অধিনায়ক ইয়ান চ্যাপেল।
১৯৮১- মার্কিন টেনিস খেলোয়াড় সেরেনা উইলিয়ামস।
মৃত্যু
১৯৫৯- আততায়ীর হাতে আহত হয়ে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী সলোমন বন্দরনায়েক মৃত্যুবরণ করেন।
১৯৮২- চিত্রশিল্পী নীরদ মজুদার।
১৯৮৯- খ্যাতিমান বাঙালি কণ্ঠশিল্পী, সংগীত পরিচালক এবং প্রযোজক হেমন্ত মুখোপাধ্যায়। তিনি হিন্দি সংগীত জগতে হেমন্ত কুমার নামে প্রসিদ্ধ।
১৯৯০- ইতালির খ্যাতনামা ঔপন্যাসিক আলবার্টো মোরাভিয়া।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ