শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৯:২৬ এম
সৌদি আরবের রিয়াদে কিং খালেদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে গত ১০ অক্টোবর হামলার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত সৌদি এয়ারলাইনসের যাত্রীদের মধ্যে যারা এখনো তাদের লাগেজ পায়নি, তাদের জন্য অনলাইনে হারানো লাগেজের অভিযোগ দাখিলের জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে বাংলাদেশ দূতাবাসের পক্ষ থেকে।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট যাত্রীরা সৌদি এয়ারলাইন্সের নির্ধারিত অনলাইন প্ল্যাটফর্মে প্রবেশ করে হারানো লাগেজের অভিযোগ দাখিল করতে পারবেন।
যাত্রীদের জন্য নির্দেশনা রয়েছে যে, তারা https://mybag.aero/baggage/#/pax/saudia/en-gb/main-menu লিংকে প্রবেশ করে ‘লস্ট ব্যাগেজ ক্লেম’ বা হারানো লাগেজের অভিযোগ জমা দিতে হবে।
বাংলাদেশ দূতাবাস জানায়, দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত অন্যান্য এয়ারলাইন্সের যাত্রীদের লাগেজ সংক্রান্ত তথ্য পাওয়া গেলে তা যথাসময়ে জানানো হবে।
এদিকে, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স দাম্মাম ও রিয়াদগামী সব ফ্লাইট স্থগিত করেছে। দাম্মামের কিং ফাহাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলার ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে আগামী ২৩, ২৪ ও ২৫ অক্টোবর ঢাকা–দাম্মাম রুটের ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।
সেই সাথে চলমান হামলার পরিস্থিতি বিবেচনায় ঢাকা–রিয়াদ রুটের সব ফ্লাইট আগামী ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী এয়ারলাইন্সটি।
বৃহস্পতিবার রাতে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের পক্ষ থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ২১ অক্টোবর রাতে সৌদি আরবের দাম্মাম শহরের কিং ফাহাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলার ঘটনার পর যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য দাম্মামগামী ফ্লাইটগুলো স্থগিত করা হয়েছে। একই কারণে রিয়াদগামী ফ্লাইটও ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, স্থগিত ফ্লাইটগুলোর বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত ও সংশোধিত সময়সূচি যথাসময়ে জানানো হবে। তবে, ঢাকা থেকে সৌদি আরবের জেদ্দা ও মদিনাগামী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট পূর্বনির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী চলবে।
জরুরি প্রয়োজনে দাম্মাম ও রিয়াদগামী যাত্রীরা আসন খালি থাকা সাপেক্ষে জেদ্দা ও মদিনা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ব্যবহার করে সৌদি আরবে যেতে পারবেন। একইভাবে এসব বিমানবন্দর দিয়ে দেশে ফিরতেও পারবেন তারা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) আজ (২৩ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত হচ্ছে অষ্টমবারের মতো ‘সুপার সেল কার বাজারের’ আয়োজন। টানা সাত সপ্তাহের সাফল্যের পর, এটি এখন অষ্টম সপ্তাহে প্রবেশ করছে, যেখানে গাড়ি কেনা-বেচার এই বিশেষ আয়োজন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
ক্রেতারা এখানে তাদের পছন্দের গাড়িটি কেনার সুযোগ পাচ্ছেন। একইসঙ্গে, তারা নিজের ব্যবহৃত গাড়িটিও উপযুক্ত দামে বিক্রি করতে পারবেন।
গত ৪ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই গাড়ি কেনা-বেচার আসর নিয়মিতভাবে প্রতি শুক্রবার অনুষ্ঠিত হবে। ক্রেতারা এখানে কোনো ঝক্কিঝামেলা ছাড়াই তাদের পছন্দের বাইক কিংবা গাড়ি কিনতে সক্ষম হচ্ছেন।
এছাড়া, প্রয়োজনে তারা নিজের ব্যবহৃত বাইক বা চার চাকার গাড়িও বিক্রি করতে পারবেন। ‘সুপার সেল কার বাজার’ উদ্বোধনী দিনেই অনেকের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। অনেক ক্রেতা মনে করছেন, এই শহরের ব্যস্ততার মাঝে এমন আয়োজন সত্যিই স্বস্তিদায়ক। তাই ক্রেতাদের নিয়মিত স্বস্তি দিতে আজ শুক্রবার সকাল ১০টায় পূর্বঘোষণা অনুযায়ী ‘সুপার সেল কার বাজার’ শুরু হবে।
নতুন, পুরাতন ও রিকন্ডিশন্ড গাড়ি, মোটরবাইক এবং ইউটিলিটি ভেহিকেলের বিশাল সমাহার থাকবে এই কার বাজারে।
উদ্যোক্তারা জানিয়েছেন, বাংলাদেশের অটোমোবাইল বাজারে ক্রমবর্ধমান চাহিদার সঙ্গে তাল মিলিয়ে একটি নিয়মিত ও আধুনিক মার্কেটপ্লেসের প্রয়োজনীয়তা তৈরি হয়েছে। ‘সুপার সেল কার বাজার’ সেই চাহিদা পূরণে একটি সময়োপযোগী উদ্যোগ হিসেবে কাজ করছে। এর মাধ্যমে ক্রেতারা এক জায়গায় বিভিন্ন ব্র্যান্ড ও মডেলের যানবাহন সম্পর্কে জানার এবং তুলনা করার সুযোগ পাচ্ছেন। পাশাপাশি বিক্রেতারাও সরাসরি সম্ভাব্য ক্রেতাদের কাছে পৌঁছাতে পারছেন।
‘সুপার সেল কার বাজার’ আয়োজন করছে উইজার্ড শোবিজ এবং ভেন্যু পার্টনার হিসেবে রয়েছে আইসিসিবি। এই আয়োজনে বিভিন্ন ব্র্যান্ড, ডিলারশিপ, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও অটোমোবাইল-সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করছে। পাশাপাশি ব্যক্তি মালিকানাধীন নতুন, রিকন্ডিশন্ড ও ব্যবহৃত গাড়ি এবং মোটরসাইকেল বিশেষ ছাড়ে কেনাবেচার সুযোগও রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের সফলতম কোচ লিওনেল স্কালোনির সঙ্গে চুক্তি নবায়নের আলোচনা বর্তমানে চূড়ান্ত পর্যায়ে অবস্থান করছে। সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, যদি সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী চলে, তাহলে ২০৩০ সালের বিশ্বকাপ পর্যন্ত সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের ডাগআউটে এই মাস্টারমাইন্ডকে দেখা যাবে।
আর্জেন্টিনার জনপ্রিয় ক্রীড়াবিষয়ক সংবাদমাধ্যম ‘টিওয়াইসি স্পোর্টস’ জানিয়েছে, আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এএফএ) এবং স্কালোনির মধ্যে আলোচনা খুবই ইতিবাচকভাবে এগোচ্ছে।
আগামী নভেম্বরে ফিফা আন্তর্জাতিক বিরতির সময় চুক্তি নবায়নের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক সমঝোতা চূড়ান্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ঠিক ওই বিরতিতে আর্জেন্টিনা ঘরের মাঠে দুটি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলবে; যেখানে তারা বুয়েনস এইরেসের ঐতিহাসিক লা বোম্বোনেরা স্টেডিয়ামে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী উরুগুয়ের মুখোমুখি হবে এবং কোর্দোবায় কোস্টারিকার বিরুদ্ধে লড়াই করবে।
প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, নতুন চুক্তির প্রাথমিক মেয়াদ হতে পারে দুই বছর (২০২৮ সাল পর্যন্ত)। এরপর ২০২৮ সালের কোপা আমেরিকার পারফরম্যান্স এবং দুই পক্ষের সমঝোতার ভিত্তিতে চুক্তিটি আরও দুই বছর, অর্থাৎ ২০৩০ বিশ্বকাপ পর্যন্ত বাড়ানোর স্বয়ংক্রিয় সুযোগ রাখা হবে।
২০১৮ সালের রাশিয়া বিশ্বকাপের পর হোর্হে সাম্পাওলির বিদায়ের প্রেক্ষাপটে অন্তর্বর্তীকালীন কোচ হিসেবে তুলনামূলক কম পরিচিত লিওনেল স্কালোনি ডাগআউটের দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন। এরপর থেকে তার নেতৃত্বে আলবিসেলেস্তেরা রূপকথার জন্ম দিয়েছে। কাতার বিশ্বকাপ জয়ের পাশাপাশি তার অধীনে ২০২১ ও ২০২৪ সালের কোপা আমেরিকা এবং ফিনালিসিমার শিরোপা জিতেছে আর্জেন্টিনা। এছাড়া ২০২৬ বিশ্বকাপেও দলটি রানার্সআপ হয়েছে। এই অভাবনীয় সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে এএফএ স্কালোনির পুরো কোচিং স্টাফকে বহাল রাখার পরিকল্পনা করছে।
তবে কোচিং স্টাফের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ও সহকারী কোচ ওয়াল্টার স্যামুয়েলের অবস্থান নিয়ে কিছুটা অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। তাকে দায়িত্ব চালিয়ে যাওয়ার জন্য জোর চেষ্টা চলছে। স্যামুয়েলকে নিজের ‘বন্ধু ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সহযোগী’ হিসেবে উল্লেখ করে স্কালোনি বলেছেন, তার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তকে সবসময় সম্মান জানাবেন তিনি।
নতুন এই চুক্তি চূড়ান্ত হলে ২০২৮ সালের কোপা আমেরিকার পর আর্জেন্টিনার প্রধান কোচ হিসেবে স্কালোনির বর্ণাঢ্য কোচিং ক্যারিয়ার এক দশকে (১০ বছর) পৌঁছাবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের ওপেনার অভিষেক শর্মা ব্যাট হাতে মাঠে নামলেই যেন নতুন রেকর্ড গড়ার অভ্যাস তৈরি করে ফেলেছেন। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে অনুষ্ঠিত টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচে ইনিংসের প্রথম বলেই ছক্কা হাঁকিয়ে তিনি এককভাবে নতুন একটি বিশ্বরেকর্ড নিজের নামে করেছেন।
ক্রাইস্টচার্চে কিউইদের দেওয়া ২২৬ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে অভিষেক ম্যাচের শুরুতেই ঝোড়ো সূচনার বার্তা দেন। নিউজিল্যান্ডের পেসার ম্যাট হেনরির প্রথম বলটিকে কভার অঞ্চলের ওপর দিয়ে বাউন্ডারির বাইরে পাঠান তিনি। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ইনিংসের একদম প্রথম বলেই এটি তার সপ্তম ছক্কা। এই মাধ্যমে আফগানিস্তানের শফিকুল্লাহ শিনওয়ারিকে ছাড়িয়ে এককভাবে শীর্ষস্থানে উঠে এলেন ভারতীয় ওপেনার। শফিকুল্লাহর ঝুলিতে রয়েছে ৬টি এবং ভারতের সূর্যকুমার যাদবের রয়েছে ৫টি এমন ছক্কা।
তবে রেকর্ড গড়ার পর ইনিংসটিকে আর খুব বেশি বড় করতে পারেননি অভিষেক। ১২ বলে ২৯ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলে মাইকেল ব্রেসওয়েলের বলে ক্যাচ দিয়ে প্যাভিলিয়নে ফিরে যান তিনি। তার এই ক্যামিও ইনিংসে দুটি চার ও তিনটি ছক্কার মার ছিল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফর আগামী ২৬ থেকে ২৯ অক্টোবর। আসন্ন এই সফরের পূর্বে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. দাউদ আলীকে দেশে ফিরিয়ে এনেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। তাঁকে প্রধানমন্ত্রীর সফরে অংশগ্রহণ না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, রাষ্ট্রদূত দাউদ আলীর পরিবর্তে মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নজরুল ইসলাম টোকিওতে অবস্থান করে প্রধানমন্ত্রীর সফরের প্রস্তুতি ও ব্যবস্থাপনা তদারক করবেন। সফরের দায়িত্ব পালনের জন্য তিনি গত বুধবার ঢাকা থেকে টোকিওর উদ্দেশে রওনা হন। প্রধানমন্ত্রীর সফর শেষ না হওয়া পর্যন্ত তিনি সেখানে অবস্থান করবেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, সম্প্রতি জাপানে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত দাউদ আলীকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে হাজির হতে বলা হয়। এরপর তিনি টোকিও থেকে ঢাকায় ফিরে আসেন। বর্তমানে তিনি ঢাকায় অবস্থান করছেন এবং প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হচ্ছেন না।
উচ্চ পর্যায়ের কোনো কূটনৈতিক সফরের আগে সংশ্লিষ্ট দেশে কর্মরত রাষ্ট্রদূতকে এভাবে সফরে অংশ না নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া একটি ব্যতিক্রমী ঘটনা বলে মনে করছেন কূটনীতিকরা।
টোকিওতে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি কর্মসূচিগুলো এভাবে সাজানো হয়েছে, যাতে রাষ্ট্রদূতের অংশগ্রহণের প্রয়োজন না হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। তবে এই সিদ্ধান্তের বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো ব্যাখ্যা প্রদান করা হয়নি।
জাপান বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান উন্নয়ন সহযোগী হওয়ায় প্রধানমন্ত্রীর সফরের ঠিক আগে রাষ্ট্রদূতকে ঢাকায় ফিরিয়ে আনার ঘটনা নানা আলোচনা সৃষ্টি করেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার পর্যন্ত টোকিওতে বাংলাদেশ দূতাবাসের ওয়েবসাইটে মো. দাউদ আলীকেই জাপানে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
পেশাদার কূটনীতিক দাউদ আলী বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের পররাষ্ট্র ক্যাডারের ১৫তম ব্যাচের কর্মকর্তা। ১৯৯৫ সালের নভেম্বরে তিনি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে যোগদান করেন। প্রায় তিন দশকের কূটনৈতিক কর্মজীবনে তিনি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। চলতি বছরের ২৬ ডিসেম্বর তাঁর অবসরোত্তর ছুটিতে যাওয়ার কথা রয়েছে।
জাপানে রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার পূর্বে তিনি রুমানিয়ায় বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ছিলেন। একই সঙ্গে মলদোভা, উত্তর মেসিডোনিয়া ও বুলগেরিয়ায় বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করেন। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ২০২০ সালের মার্চে তাঁকে রুমানিয়ায় রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। এর আগে চীনের কুনমিংয়ে বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন দাউদ আলী।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ