শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৯:৩৩ এম
ভারতের ওপেনার অভিষেক শর্মা ব্যাট হাতে মাঠে নামলেই যেন নতুন রেকর্ড গড়ার অভ্যাস তৈরি করে ফেলেছেন। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে অনুষ্ঠিত টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচে ইনিংসের প্রথম বলেই ছক্কা হাঁকিয়ে তিনি এককভাবে নতুন একটি বিশ্বরেকর্ড নিজের নামে করেছেন।
ক্রাইস্টচার্চে কিউইদের দেওয়া ২২৬ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে অভিষেক ম্যাচের শুরুতেই ঝোড়ো সূচনার বার্তা দেন। নিউজিল্যান্ডের পেসার ম্যাট হেনরির প্রথম বলটিকে কভার অঞ্চলের ওপর দিয়ে বাউন্ডারির বাইরে পাঠান তিনি। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ইনিংসের একদম প্রথম বলেই এটি তার সপ্তম ছক্কা। এই মাধ্যমে আফগানিস্তানের শফিকুল্লাহ শিনওয়ারিকে ছাড়িয়ে এককভাবে শীর্ষস্থানে উঠে এলেন ভারতীয় ওপেনার। শফিকুল্লাহর ঝুলিতে রয়েছে ৬টি এবং ভারতের সূর্যকুমার যাদবের রয়েছে ৫টি এমন ছক্কা।
তবে রেকর্ড গড়ার পর ইনিংসটিকে আর খুব বেশি বড় করতে পারেননি অভিষেক। ১২ বলে ২৯ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলে মাইকেল ব্রেসওয়েলের বলে ক্যাচ দিয়ে প্যাভিলিয়নে ফিরে যান তিনি। তার এই ক্যামিও ইনিংসে দুটি চার ও তিনটি ছক্কার মার ছিল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফর আগামী ২৬ থেকে ২৯ অক্টোবর। আসন্ন এই সফরের পূর্বে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. দাউদ আলীকে দেশে ফিরিয়ে এনেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। তাঁকে প্রধানমন্ত্রীর সফরে অংশগ্রহণ না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, রাষ্ট্রদূত দাউদ আলীর পরিবর্তে মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নজরুল ইসলাম টোকিওতে অবস্থান করে প্রধানমন্ত্রীর সফরের প্রস্তুতি ও ব্যবস্থাপনা তদারক করবেন। সফরের দায়িত্ব পালনের জন্য তিনি গত বুধবার ঢাকা থেকে টোকিওর উদ্দেশে রওনা হন। প্রধানমন্ত্রীর সফর শেষ না হওয়া পর্যন্ত তিনি সেখানে অবস্থান করবেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, সম্প্রতি জাপানে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত দাউদ আলীকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে হাজির হতে বলা হয়। এরপর তিনি টোকিও থেকে ঢাকায় ফিরে আসেন। বর্তমানে তিনি ঢাকায় অবস্থান করছেন এবং প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হচ্ছেন না।
উচ্চ পর্যায়ের কোনো কূটনৈতিক সফরের আগে সংশ্লিষ্ট দেশে কর্মরত রাষ্ট্রদূতকে এভাবে সফরে অংশ না নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া একটি ব্যতিক্রমী ঘটনা বলে মনে করছেন কূটনীতিকরা।
টোকিওতে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি কর্মসূচিগুলো এভাবে সাজানো হয়েছে, যাতে রাষ্ট্রদূতের অংশগ্রহণের প্রয়োজন না হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। তবে এই সিদ্ধান্তের বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো ব্যাখ্যা প্রদান করা হয়নি।
জাপান বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান উন্নয়ন সহযোগী হওয়ায় প্রধানমন্ত্রীর সফরের ঠিক আগে রাষ্ট্রদূতকে ঢাকায় ফিরিয়ে আনার ঘটনা নানা আলোচনা সৃষ্টি করেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার পর্যন্ত টোকিওতে বাংলাদেশ দূতাবাসের ওয়েবসাইটে মো. দাউদ আলীকেই জাপানে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
পেশাদার কূটনীতিক দাউদ আলী বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের পররাষ্ট্র ক্যাডারের ১৫তম ব্যাচের কর্মকর্তা। ১৯৯৫ সালের নভেম্বরে তিনি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে যোগদান করেন। প্রায় তিন দশকের কূটনৈতিক কর্মজীবনে তিনি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। চলতি বছরের ২৬ ডিসেম্বর তাঁর অবসরোত্তর ছুটিতে যাওয়ার কথা রয়েছে।
জাপানে রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার পূর্বে তিনি রুমানিয়ায় বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ছিলেন। একই সঙ্গে মলদোভা, উত্তর মেসিডোনিয়া ও বুলগেরিয়ায় বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করেন। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ২০২০ সালের মার্চে তাঁকে রুমানিয়ায় রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। এর আগে চীনের কুনমিংয়ে বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন দাউদ আলী।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আলিস আল ইসলাম, যিনি রহস্য স্পিনার হিসেবে দলে অন্তর্ভুক্ত হয়েছিলেন, আফগানিস্তান ম্যাচে অভিষেক ঘটান। তবে, অভিষেকের সময় তিনি বড় সমস্যায় পড়েছেন। সন্দেহজনক বোলিং অ্যাকশনের জন্য তাকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
এটি ঘটে বুধবার সংযুক্ত আরব আমিরাতের ত্রিদেশীয় সিরিজে শারজায় আফগানিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচে। ম্যাচ কর্মকর্তারা তার বোলিং অ্যাকশন বৈধ কি না, সে বিষয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন।
২৯ বছর বয়সী আলিস ওই ম্যাচে জাতীয় দলে অভিষেক করেন। তিনি ৮.৩ ওভার বল করেন, তবে উইকেট পাননি এবং ৪৭ রান দেন। বাংলাদেশ এই ম্যাচে সাত উইকেটে পরাজিত হয়।
আইসিসির এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, আলিসের বোলিং অ্যাকশনের স্বাধীন মূল্যায়ন করা হবে। এটি আইসিসি অনুমোদিত পরীক্ষাকেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে। আইসিসির অবৈধ বোলিং অ্যাকশন বিধি অনুযায়ী এই পরীক্ষা সম্পন্ন হবে।
আলিস এর আগে দুইবার সন্দেহজনক বোলিং অ্যাকশনের জন্য রিপোর্টেড হয়েছেন। প্রথমবার ২০১৯ সালে, যা ছিল তার বিপিএলে অভিষেক মৌসুম। দ্বিতীয়বার ২০২৫ সালে রিপোর্ট হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সার্বিয়ার আসন্ন সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে রাজধানী বেলগ্রেডে সরকারবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বানে বিশাল জনসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) কেন্দ্রীয় স্লাভিজা স্কয়ারে আয়োজিত এই সমাবেশে স্বাধীন জনসমাগম পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা আর্কাইভ অব পাবলিক গ্যাদারিংসের তথ্য অনুযায়ী, প্রায় দেড় লাখ মানুষ অংশগ্রহণ করেছেন। শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বাধীন ‘স্টুডেন্ট লিস্ট’ আগামী রোববারের নির্বাচনে দীর্ঘদিনের ক্ষমতাসীন সার্বিয়ান প্রগ্রেসিভ পার্টিকে (এসএনএস) পরাজিত করার উদ্দেশ্যে মাঠে নেমেছে।
আন্দোলনের উদ্দেশ্য হচ্ছে, ২০১২ সাল থেকে ক্ষমতায় থাকা দলটির দীর্ঘ শাসনের অবসান ঘটিয়ে দেশের রাজনীতিতে পরিবর্তন আনা। এই নির্বাচনী জোট, যা শিক্ষার্থী, তরুণ সমাজ, শিক্ষাবিদ এবং প্রচলিত রাজনীতির বাইরের বিভিন্ন ব্যক্তিদের নিয়ে গঠিত, দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর জবাবদিহি নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
নির্বাচনী প্রচারণার শেষ পর্যায়ে অনুষ্ঠিত এই সমাবেশে অংশ নিতে বেলগ্রেডের বিভিন্ন স্থান থেকে মিছিল নিয়ে আসেন শিক্ষার্থী ও তাঁদের সমর্থকেরা। ‘ছাত্ররাই জিতছে’ লেখা পতাকা হাতে তাঁরা স্লোগান দেন, বাঁশি বাজান এবং শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে স্লাভিজা স্কয়ারে জড়ো হন। এতে স্কয়ার ও আশপাশের সড়কগুলো জনাকীর্ণ হয়ে পড়ে।
সমাবেশে উপস্থিত ৪৭ বছর বয়সী মারিয়া নেদেলকোভিচ রাডিচ বলেন, তরুণ প্রজন্ম তাঁকে এমন একটি দেশে বসবাসের আশা দেখিয়েছে, যেখানে স্বাভাবিক জীবনযাপন সম্ভব। তিনি উল্লেখ করেন, ছাত্রদের আন্দোলনের কারণে জীবনে প্রথমবারের মতো তিনি বিশ্বাস করতে পারছেন, দেশে সত্যিকারের পরিবর্তন আনা সম্ভব।
সমাবেশে বক্তব্য দেন স্টুডেন্ট লিস্টের ২৫০ জন প্রার্থীর একজন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জুগোস্লাভ গাসিচ। তিনি বলেন, ১৪ বছরের অপমান, বিশৃঙ্খলা ও বিশ্বাসঘাতকতার অবসান ঘটাতে চান তাঁরা। ব্যক্তিগত ও দলীয় স্বার্থের ঊর্ধ্বে মানুষের কল্যাণকে প্রাধান্য দেওয়ার কথাও বলেন তিনি। তাঁর বক্তব্যের পর উপস্থিত জনতা ‘বিজয়, বিজয়’ স্লোগান দেন।
এদিকে, সার্বিয়ার সুশীল সমাজের বিভিন্ন সংগঠন নির্বাচনী প্রচারণায় ভীতি প্রদর্শন, গ্রেপ্তার, হামলা এবং সরকারি ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ তুলেছে। তাদের মতে, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের পরিবেশ নিয়ে গুরুতর উদ্বেগ রয়েছে।
সার্বিয়ার রাজনীতিতে এক দশকেরও বেশি সময় ধরে প্রভাব বিস্তার করে আসছেন আলেকজান্ডার ভুচিচ। তাঁর নেতৃত্বাধীন সার্বিয়ান প্রগ্রেসিভ পার্টি ২০১২ সালে ক্ষমতায় আসে। ছাত্র আন্দোলনের ক্রমবর্ধমান চাপের মুখে গত মাসে আগাম নির্বাচনের ঘোষণা দেওয়া হয়। এবারের নির্বাচনকে ভুচিচের দলের জন্য সাম্প্রতিক বছরগুলোর অন্যতম বড় রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
২০২৪ সালের নভেম্বরে নোভি সাদ শহরের একটি রেলস্টেশনের ছাউনি ধসে ১৬ জন নিহত হওয়ার পর ছাত্র আন্দোলন জোরালো হয়ে ওঠে। ওই দুর্ঘটনার পর দুর্নীতি ও সরকারি অব্যবস্থাপনার অভিযোগে দেশজুড়ে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। শুরুতে দুর্ঘটনার স্বচ্ছ তদন্তের দাবিতে আন্দোলন শুরু হলেও পরে তা আগাম নির্বাচন ও রাজনৈতিক পরিবর্তনের দাবিতে রূপ নেয়।
রোববারের নির্বাচনে ছাত্রদের নেতৃত্বাধীন জোট কতটা সফল হবে, তা এখনো নিশ্চিত নয়। তবে বিশাল সমাবেশের মধ্য দিয়ে স্টুডেন্ট লিস্ট নিজেদের শক্তি প্রদর্শন করেছে। একই সঙ্গে নির্বাচনী পরিবেশ, ভোটের স্বচ্ছতা এবং ফলাফল-পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ রয়ে গেছে। তথ্যসূত্র: দ্য গার্ডিয়ান
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বুধবার রাতে ব্রুনো ফার্নান্ডেজের চেশায়ারের বাড়িতে চুরির ঘটনা ঘটে। ওই সময় চ্যাম্পিয়ন্স লিগে কোমোর বিরুদ্ধে খেলতে ইতালিতে অবস্থান করছিলেন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের অধিনায়ক। তাঁর পরিবারের সদস্যরা তখন বাড়িতে উপস্থিত ছিলেন না। চেশায়ার পুলিশ জানায়, বাড়ি থেকে বেশ কিছু জিনিস চুরি হয়েছে এবং এই ঘটনার তদন্ত চলছে।
স্থানীয় সময় রাত সাড়ে ৮টার দিকে প্রতিবেশী এক ব্যক্তি বাড়ির পেছনের বাগানে তিন অজ্ঞাত ব্যক্তিকে দেখতে পান। সন্দেহজনক গতিবিধির খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালেও, তাদের পালিয়ে যেতে দেখা যায়। পরে পুলিশ নিশ্চিত করে যে, ফার্নান্দেজের বাড়িতে চুরি সংঘটিত হয়েছে। পুলিশ কর্মকর্তা ডেভ জারভিস জানান, তদন্তের প্রাথমিক পর্যায় চলছে এবং জড়িতদের শনাক্ত করতে স্থানীয়দের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগে চোরেরা পাঁচ মিনিটেরও কম সময় বাড়ির ভেতরে ছিল। চুরি যাওয়া জিনিসগুলোর নির্দিষ্ট তালিকা এখনও প্রকাশ করা হয়নি। তবে ফার্নান্দেজের পরিবারের নিরাপদে বাইরে থাকার বিষয়টি বড় স্বস্তির।
ব্রুনোর জন্য রাতটি হতাশার ছিল। কোমোর কাছে ৪-১ গোলে পরাজিত হয়ে টানা সাত ম্যাচে জয়হীন হয়ে পড়েছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। ম্যাচের পর দলের কৌশল নিয়ে প্রকাশ্যে অসন্তোষ জানান ফার্নান্দেজ। তিনি মনে করেন, দলের আরও সাহসী ও আক্রমণাত্মক হওয়া প্রয়োজন।
ফার্নান্দেজের মন্তব্যের জবাব দিয়েছেন কোচ মাইকেল কারিক। তিনি বলেন, "যে কৌশলই নেওয়া হোক, খেলোয়াড়েরা যদি সামনে-পেছনে দৌড়ানো ও প্রয়োজনীয় পরিশ্রম না করেন, তাহলে কোনো কৌশলই কাজে আসবে না।" মাঠের এই টানাপোড়েনের মধ্যে অধিনায়কের বাড়িতে চুরির ঘটনা নতুন করে আলোচনা শুরু করেছে।
এটি চেশায়ারে কোনো তারকা ফুটবলারের বাড়িতে চুরির প্রথম ঘটনা নয়। এর আগে ম্যানচেস্টার সিটির রুবেন দিয়াসের বাড়িতেও চুরির ঘটনা ঘটেছিল। জ্যাক গ্রিলিশ, রাহিম স্টার্লিং ও রিয়াদ মাহরেজও একই এলাকায় চুরির শিকার হয়েছেন।
ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড বর্তমানে ইংলিশ লিগে ১৩তম স্থানে রয়েছে। আগামী রোববার ওল্ড ট্রাফোর্ডে বোর্নমাউথের বিরুদ্ধে মাঠে নামবে তারা—চাপের মুখে থাকা কারিক ও তাঁর দলের জন্য ম্যাচটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ