শনিবার, ২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১১:১৭ এম
ঘটনাবহুল এ বিশ্বে প্রতিদিন ঘটে নানান ঘটনা। উদ্ভাবন-উন্মোচন ঘটে অনেক কিছুর। জন্মের পাশাপাশি মৃত্যুও হয় অনেকের। রোজকার এসব ঘটনার মধ্যে বিশেষ কিছু ঘটনা স্থায়ীভাবে দাগ কাটে মানুষের মনে। কিছু উঠে যায় ইতিহাসের পাতায়।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) এক নজরে দেখে নেওয়া যাক তেমনই কিছু ঘটনা।
ঘটনাবলি
১৫৮০- স্যার ফ্রান্সিস ড্রেক তার সমুদ্রপথে বিশ্বভ্রমণ সমাপ্ত করে মাতৃভূমি ইংল্যান্ড ফেরেন।
১৭৭৭- ব্রিটিশ বাহিনী ফিলাডেলফিয়া ও পেনসিলভানিয়া দখল করে নেয়।
১৮৪১- ব্রুনাইর সুলতান সারাওয়াকা দ্বীপ ব্রিটেনের কাছে ছেড়ে দেন।
১৮৮৭- এমিল বার্লিনার নামে একজন জার্মান অভিবাসী যুক্তরাষ্ট্রে প্রথম কথা বলা যন্ত্র (গ্রামোফোন) পেটেন্ট করেন।
১৯০৭- নিউজিল্যান্ড ব্রিটেনের কাছ থেকে স্বাধীনতা অর্জন করে।
১৯৩২- মহাত্মা গান্ধী এবং বি আর আম্বেদকর পুনা চুক্তিতে সম্মত হন।
১৯৫০- জাতিসংঘ বাহিনী উত্তর কোরিয়ার কাছ থেকে সিউ পুনর্দখল করে।
১৯৫০- ইন্দোনেশিয়া জাতিসংঘের অন্তর্ভুক্ত হয়।
১৯৫৯- জাপানের হনসুতে দুদিনব্যাপী টাইফুনে সাড়ে চার হাজার লোকের প্রাণহানি ঘটে।
১৯৬০- সিকাগোতে প্রথম টেলিভিশন বিতর্ক হয়েছিল দুজন প্রেসিডেন্ট প্রার্থীর মধ্যে। তারা হলেন- রিচার্ড এম নিঙ্ন ও জন এফ কেনেডি।
১৯৬০- ফিদেল ক্যাস্ত্রো ইউএসআর-এর প্রতি কিউবার সমর্থন জানান।
১৯৬২- উত্তর ইয়েমেনের রাজতন্ত্রী ব্যবস্থাকে অকার্যকর ঘোষণা করা হয়।
১৯৬৮- সুইজারল্যান্ড জাতিসংঘে যোগদান করে।
১৯৭৩- কনকর্ড বিমান রেকর্ড সময়ে কোথাও না থেমে আটলান্টিক মহাসাগর পাড়ি দেয়।
জন্ম
১৭৭৪- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একজন রোল মডেল পরিবেশবিদ জনি আপেলসিড।
১৮২০- উনিশ শতকের বিশিষ্ট বাঙালি শিক্ষাবিদ, সমাজসংস্কারক ও গদ্যকার ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।
১৮৭৬- ভারতীয় মুসলিম রাজনীতিবিদ ও কবি গোলাম ভিক নৈরাগ।
১৮৮৮- ব্রিটেনের সমকালীন বিখ্যাত কবি ও সাহিত্যিক টি এস এলিয়ট।
১৮৮৯- জার্মান দার্শনিক মার্টিন হাইডেগার।
১৯২৩- ভারতীয় চলচ্চিত্র অভিনেতা ও পরিচালক দেব আনন্দ।
১৯৩২- ভারতীয় রাজনীতিবিদ ও ১৪তম প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং।
১৯৩৬- দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদবিরোধী নেত্রী ও জাতীয় কংগ্রেসের নারী শাখার প্রধান উইনি ম্যান্ডেলা।
১৯৪৩- অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটার ও সাবেক অধিনায়ক ইয়ান চ্যাপেল।
১৯৮১- মার্কিন টেনিস খেলোয়াড় সেরেনা উইলিয়ামস।
মৃত্যু
১৯৫৯- আততায়ীর হাতে আহত হয়ে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী সলোমন বন্দরনায়েক মৃত্যুবরণ করেন।
১৯৮২- চিত্রশিল্পী নীরদ মজুদার।
১৯৮৯- খ্যাতিমান বাঙালি কণ্ঠশিল্পী, সংগীত পরিচালক এবং প্রযোজক হেমন্ত মুখোপাধ্যায়। তিনি হিন্দি সংগীত জগতে হেমন্ত কুমার নামে প্রসিদ্ধ।
১৯৯০- ইতালির খ্যাতনামা ঔপন্যাসিক আলবার্টো মোরাভিয়া।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগদান শেষে দেশের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
নিউইয়র্ক সময় রাত ১১টা ৩৫ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীদের বহনকারী এমিরেটস এয়ারলাইনসের ফ্লাইটটি জন এফ কেনেডি (জেএফকে) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ছাড়ে। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান ও সফরসঙ্গীরা রয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী এ তথ্য জানিয়েছেন।
ফ্লাইটটি ২৬ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায় দুবাই পৌঁছানোর কথা রয়েছে। সেখান থেকে রাত ২টায় ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়ে ২৭ সেপ্টেম্বর সকাল ৮টা ৪০ মিনিটে প্রধানমন্ত্রীর হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
সফরকালে প্রধানমন্ত্রী প্রথমবারের মতো জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সাধারণ বিতর্কে বাংলায় ভাষণ দেন। এতে তিনি বৈশ্বিক শান্তি ও নিরাপত্তা, জলবায়ু পরিবর্তন, টেকসই উন্নয়ন, মানবিক সংকট, অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং রোহিঙ্গা সংকটসহ বিভিন্ন বিষয়ে বাংলাদেশের অবস্থান ও অগ্রাধিকার তুলে ধরেন।
পাঁচ দিনের এই সফরে প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের পাশাপাশি একাধিক রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান, আন্তর্জাতিক সংস্থা এবং অর্থনৈতিক ও উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আইকিউএয়ারের মানদণ্ড অনুযায়ী, স্কোর শূন্য থেকে ৫০-এর মধ্যে থাকলে বায়ুর মান ‘অনেক ভালো’ বলে বিবেচিত হয়।
৫১ থেকে ১০০ হলে ‘মাঝারি বা সহনীয়’ ধরা হয় বায়ুর মান। আর ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত হয়। অন্যদিকে ১৫১ থেকে ২০০ পর্যন্ত ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত হয়। স্কোর ২০১ থেকে ৩০০ হলে ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ বলে বিবেচনা করা হয়। এ ছাড়া স্কোর ৩০১-এর বেশি হলে তা ‘দুর্যোগপূর্ণ’ বলে বিবেচিত হয়।
বাংলাদেশে একিউআই নির্ধারণ করা হয় দূষণের ৫টি বৈশিষ্ট্যের ওপর ভিত্তি করে। সেগুলো হলো, বস্তুকণা (পিএম১০ ও পিএম২.৫), এনও২, সিও, এসও২ ও ওজোন (ও৩)।
২০১৯ সালের মার্চ মাসে পরিবেশ অধিদপ্তর ও বিশ্বব্যাংকের একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ঢাকার বায়ুদূষণের তিনটি প্রধান উৎস হলো, ইটভাটা, যানবাহনের ধোঁয়া ও নির্মাণ সাইটের ধুলা।
ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশনের (ডব্লিউএইচও) তথ্য অনুযায়ী, বায়ুদূষণের ফলে স্ট্রোক, হৃদরোগ, ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ, ফুসফুসের ক্যান্সার এবং তীব্র শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণের কারণে মৃত্যুহার বেড়ে গেছে। এর ফলে বিশ্বব্যাপী প্রতিবছর আনুমানিক ৭০ লাখ মানুষ মারা যায়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পেজেশকিয়ানের বক্তব্যে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান আলোচনার বিষয়টিও উঠে এসেছে। তিনি জানান, নির্দিষ্ট বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনার মধ্যেই পরিদর্শন ও সংশ্লিষ্ট শর্তগুলোতে সমঝোতা করা যেতে পারে। একই সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সর্বশেষ প্রস্তাব গ্রহণ করলে তেহরান এ নিয়ে করা অঙ্গীকারগুলো মেনে চলবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
লেবাননের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা এনএনএ-র তথ্য অনুযায়ী, দক্ষিণ লেবাননের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে আবারও হামলা চালিয়েছে ইসরাইলি বাহিনী। এই হামলাগুলোর মধ্যে কিছু এলাকায় ফসফরাস গোলার ব্যবহার করা হয়েছে। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) নাবাতিয়েহ ও টায়ার জেলার বিভিন্ন স্থানে এই হামলা সংঘটিত হয়েছে বলে এনএনএ জানিয়েছে।
প্রতিবেদন অনুসারে, নাবাতিয়েহ জেলার জাওতার আল-শারকিয়াহ, মেফাদুন এবং নাবাতিয়েহ আল-ফাওকার উপকণ্ঠে গোলাবর্ষণ করে ইসরাইলি বাহিনী। সংস্থাটি জানায়, নাবাতিয়েহ আল-ফাওকা ও জাওতার আল-শারকিয়াহ এলাকায় ফসফরাস গোলার ব্যবহারের তথ্যও রয়েছে।
এছাড়া, টায়ার জেলার ওয়াদি জিবকিন, হারিস ও হাদাথা এলাকার উপকণ্ঠেও গোলাবর্ষণ করা হয়। সাম্প্রতিক দিনগুলোতে লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে নাবাতিয়েহ, টায়ার, বিন্ত জবেইল ও মারজায়ুন জেলার বিভিন্ন স্থানে ইসরাইলি হামলা অব্যাহত রয়েছে।
এদিকে, লেবাননের সেনাবাহিনীর বিশেষজ্ঞ দল মারজায়ুন ও বিন্ত জবেইল জেলার মাজদাল সেলম ও আল-গানদুরিয়াহ এলাকায় ইসরাইলি বাহিনীর ফেলে যাওয়া দুটি অবিস্ফোরিত বোমা উদ্ধার করেছে। পরবর্তীতে সেগুলো নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়।
লেবাননে চলমান সংঘাতে হতাহতের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ১৭ সেপ্টেম্বরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২ মার্চ থেকে ইসরাইলি হামলায় ৪ হাজার ৩৮৬ জন নিহত এবং ১২ হাজার ৪০৭ জন আহত হয়েছেন। এই হিসাব ১৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রযোজ্য।
বাস্তুচ্যুতির পরিস্থিতিও অত্যন্ত গুরুতর। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা আইওএমের ৯ সেপ্টেম্বরের তথ্য অনুযায়ী, লেবাননে ৩ লাখ ৩৩ হাজারের বেশি মানুষ তখনও অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত ছিলেন। এপ্রিলের মাঝামাঝি সময়ে এই সংখ্যা ১২ লাখেরও বেশি ছিল।
জুন মাসে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় লেবানন ও ইসরাইলের মধ্যে একটি কাঠামোগত চুক্তি সম্পাদিত হয়। এই চুক্তির আওতায় দক্ষিণ লেবাননে লেবাননের সেনাবাহিনীর মোতায়েন, ইসরাইলি বাহিনীর ধীরে ধীরে প্রত্যাহার এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তবে চুক্তির বাস্তবায়ন নিয়ে এখনও অচলাবস্থা বিদ্যমান।
জাতিসংঘের লেবাননবিষয়ক শান্তিরক্ষা মিশন ইউনিফিলও দক্ষিণাঞ্চলের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। মিশনটির প্রধান সম্প্রতি বলেছেন, বছরের শেষের দিকে ইউনিফিলের নির্ধারিত প্রত্যাহারের আগে দক্ষিণাঞ্চলের নিরাপত্তা ও মানবিক কার্যক্রম লেবাননের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে কার্যকরভাবে হস্তান্তর করা জরুরি।
এদিকে, দক্ষিণ লেবাননে নতুন করে গোলাবর্ষণ এবং ফসফরাস গোলার ব্যবহার চুক্তির ভবিষ্যৎ বাস্তবায়ন নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি করছে। লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন এর আগে অভিযোগ করেছেন যে, ইসরাইল কাঠামোগত চুক্তির বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করছে না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ