শনিবার, ২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১১:২৫ এম
আইকিউএয়ারের মানদণ্ড অনুযায়ী, স্কোর শূন্য থেকে ৫০-এর মধ্যে থাকলে বায়ুর মান ‘অনেক ভালো’ বলে বিবেচিত হয়।
৫১ থেকে ১০০ হলে ‘মাঝারি বা সহনীয়’ ধরা হয় বায়ুর মান। আর ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত হয়। অন্যদিকে ১৫১ থেকে ২০০ পর্যন্ত ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত হয়। স্কোর ২০১ থেকে ৩০০ হলে ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ বলে বিবেচনা করা হয়। এ ছাড়া স্কোর ৩০১-এর বেশি হলে তা ‘দুর্যোগপূর্ণ’ বলে বিবেচিত হয়।
বাংলাদেশে একিউআই নির্ধারণ করা হয় দূষণের ৫টি বৈশিষ্ট্যের ওপর ভিত্তি করে। সেগুলো হলো, বস্তুকণা (পিএম১০ ও পিএম২.৫), এনও২, সিও, এসও২ ও ওজোন (ও৩)।
২০১৯ সালের মার্চ মাসে পরিবেশ অধিদপ্তর ও বিশ্বব্যাংকের একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ঢাকার বায়ুদূষণের তিনটি প্রধান উৎস হলো, ইটভাটা, যানবাহনের ধোঁয়া ও নির্মাণ সাইটের ধুলা।
ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশনের (ডব্লিউএইচও) তথ্য অনুযায়ী, বায়ুদূষণের ফলে স্ট্রোক, হৃদরোগ, ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ, ফুসফুসের ক্যান্সার এবং তীব্র শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণের কারণে মৃত্যুহার বেড়ে গেছে। এর ফলে বিশ্বব্যাপী প্রতিবছর আনুমানিক ৭০ লাখ মানুষ মারা যায়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পেজেশকিয়ানের বক্তব্যে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান আলোচনার বিষয়টিও উঠে এসেছে। তিনি জানান, নির্দিষ্ট বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনার মধ্যেই পরিদর্শন ও সংশ্লিষ্ট শর্তগুলোতে সমঝোতা করা যেতে পারে। একই সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সর্বশেষ প্রস্তাব গ্রহণ করলে তেহরান এ নিয়ে করা অঙ্গীকারগুলো মেনে চলবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
লেবাননের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা এনএনএ-র তথ্য অনুযায়ী, দক্ষিণ লেবাননের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে আবারও হামলা চালিয়েছে ইসরাইলি বাহিনী। এই হামলাগুলোর মধ্যে কিছু এলাকায় ফসফরাস গোলার ব্যবহার করা হয়েছে। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) নাবাতিয়েহ ও টায়ার জেলার বিভিন্ন স্থানে এই হামলা সংঘটিত হয়েছে বলে এনএনএ জানিয়েছে।
প্রতিবেদন অনুসারে, নাবাতিয়েহ জেলার জাওতার আল-শারকিয়াহ, মেফাদুন এবং নাবাতিয়েহ আল-ফাওকার উপকণ্ঠে গোলাবর্ষণ করে ইসরাইলি বাহিনী। সংস্থাটি জানায়, নাবাতিয়েহ আল-ফাওকা ও জাওতার আল-শারকিয়াহ এলাকায় ফসফরাস গোলার ব্যবহারের তথ্যও রয়েছে।
এছাড়া, টায়ার জেলার ওয়াদি জিবকিন, হারিস ও হাদাথা এলাকার উপকণ্ঠেও গোলাবর্ষণ করা হয়। সাম্প্রতিক দিনগুলোতে লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে নাবাতিয়েহ, টায়ার, বিন্ত জবেইল ও মারজায়ুন জেলার বিভিন্ন স্থানে ইসরাইলি হামলা অব্যাহত রয়েছে।
এদিকে, লেবাননের সেনাবাহিনীর বিশেষজ্ঞ দল মারজায়ুন ও বিন্ত জবেইল জেলার মাজদাল সেলম ও আল-গানদুরিয়াহ এলাকায় ইসরাইলি বাহিনীর ফেলে যাওয়া দুটি অবিস্ফোরিত বোমা উদ্ধার করেছে। পরবর্তীতে সেগুলো নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়।
লেবাননে চলমান সংঘাতে হতাহতের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ১৭ সেপ্টেম্বরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২ মার্চ থেকে ইসরাইলি হামলায় ৪ হাজার ৩৮৬ জন নিহত এবং ১২ হাজার ৪০৭ জন আহত হয়েছেন। এই হিসাব ১৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রযোজ্য।
বাস্তুচ্যুতির পরিস্থিতিও অত্যন্ত গুরুতর। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা আইওএমের ৯ সেপ্টেম্বরের তথ্য অনুযায়ী, লেবাননে ৩ লাখ ৩৩ হাজারের বেশি মানুষ তখনও অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত ছিলেন। এপ্রিলের মাঝামাঝি সময়ে এই সংখ্যা ১২ লাখেরও বেশি ছিল।
জুন মাসে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় লেবানন ও ইসরাইলের মধ্যে একটি কাঠামোগত চুক্তি সম্পাদিত হয়। এই চুক্তির আওতায় দক্ষিণ লেবাননে লেবাননের সেনাবাহিনীর মোতায়েন, ইসরাইলি বাহিনীর ধীরে ধীরে প্রত্যাহার এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তবে চুক্তির বাস্তবায়ন নিয়ে এখনও অচলাবস্থা বিদ্যমান।
জাতিসংঘের লেবাননবিষয়ক শান্তিরক্ষা মিশন ইউনিফিলও দক্ষিণাঞ্চলের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। মিশনটির প্রধান সম্প্রতি বলেছেন, বছরের শেষের দিকে ইউনিফিলের নির্ধারিত প্রত্যাহারের আগে দক্ষিণাঞ্চলের নিরাপত্তা ও মানবিক কার্যক্রম লেবাননের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে কার্যকরভাবে হস্তান্তর করা জরুরি।
এদিকে, দক্ষিণ লেবাননে নতুন করে গোলাবর্ষণ এবং ফসফরাস গোলার ব্যবহার চুক্তির ভবিষ্যৎ বাস্তবায়ন নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি করছে। লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন এর আগে অভিযোগ করেছেন যে, ইসরাইল কাঠামোগত চুক্তির বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করছে না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অভিনেতা ও কবি রিফাত চৌধুরীকে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার কথা উল্লেখ করেছিলেন চিত্রনায়ক জায়েদ খান। তবে রিফাত চৌধুরী সরাসরি এই দাবি অস্বীকার করেছেন। তার বক্তব্য হলো, চিকিৎসার জন্য জায়েদ খান তাকে কোনো আর্থিক সহায়তা প্রদান করেননি।
জায়েদের সহায়তার খবর গণমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার পর রিফাত ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, তাকে সহায়তা করা হয়েছে বলে যে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে, সেটি সত্য নয়। একই সঙ্গে তিনি প্রশ্ন তোলেন, কীভাবে বা কার মাধ্যমে এমন খবর ছড়িয়েছে।
এর আগে জায়েদ খান রিফাত চৌধুরীর পাশে দাঁড়ানোর কথা জানিয়েছিলেন। তার বক্তব্য ছিল, বিপদের সময় একজন শিল্পীর পাশে আরেকজন শিল্পীর থাকা স্বাভাবিক। তিনি জানান, নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী রিফাতের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছেন। পাশাপাশি তিনি অন্যান্য শিল্পীদেরও সহযোগিতার আহ্বান জানান।
দুই শিল্পীর বক্তব্যের মধ্যে ভিন্নতা দেখা দেওয়ায় শোবিজ অঙ্গনে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে সহায়তার দাবি নিয়ে পরস্পরবিরোধী বক্তব্য আসায় নানা প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।
এদিকে, রিফাত চৌধুরী বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নতুন ভবনের মেডিসিন ইউনিট-৩-এ চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় ভুগছেন। অসুস্থতার পাশাপাশি চিকিৎসার খরচ বহন করা তার জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে।
এর আগে অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রিফাতের অসুস্থতার কথা জানিয়ে তার পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান। পরে অভিনয় শিল্পীদের সংগঠন ‘অভিনয় শিল্পী সংঘ’ও হাসপাতালে গিয়ে তার খোঁজখবর নেয় এবং আর্থিক সহায়তা প্রদান করে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মহেশখালীর ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ বৃদ্ধি পেয়েছে। শনিবার সকালে দুটি টার্মিনাল থেকে সর্বোচ্চ ১০৫০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহের তথ্য পাওয়া যায়, যা সাম্প্রতিক সময়ে সর্বোচ্চ পরিমাণ। এর আগে এক মাসেরও বেশি সময় ধরে সরবরাহ এক হাজার মিলিয়ন ঘনফুটে স্থির ছিল।
বৃহস্পতিবার বিকেলে বৈরি আবহাওয়ার কারণে এলএনজিবাহী কার্গো থেকে খালাস প্রক্রিয়া বিঘ্নিত হওয়ায় সামিটের টার্মিনাল বন্ধ করে দিতে হয়। তবে শুক্রবার সকালে এলএনজি খালাস শুরু হলে গ্যাস সরবরাহ বৃদ্ধি পেতে থাকে। পেট্রোবাংলার একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা শনিবার ইনকিলাবকে জানান, এলএনজিবাহী কার্গো আসার শিডিউল ঠিক থাকায় গ্যাস সরবরাহ বৃদ্ধি করা সম্ভব হয়েছে। বর্তমানে মার্কিন কোম্পানির এক্সিলারেট টার্মিনাল থেকে ৫০০ এবং দেশীয় সামিট পাওয়ার লিমিটেডের টার্মিনাল থেকে ৫৫০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ হচ্ছে। দুটি টার্মিনালের সক্ষমতা ১০৫০ থেকে ১১০০ মিলিয়ন ঘনফুট।
দুটি টার্মিনালকে পূর্ণ ক্ষমতায় সচল রাখতে মাসে দশটি এলএনজিবাহী কার্গো আমদানি করতে হয়। ইরান যুদ্ধের কারণে গত কয়েক মাসে পর্যাপ্ত এলএনজি আমদানি করা সম্ভব হয়নি। হরমুজ প্রণালী নিয়ে জটিলতার কারণে নির্ধারিত সময়ে জাহাজ আসতে পারেনি। এর ফলস্বরূপ গ্যাস সংকট সৃষ্টি হয়েছে। তবে চলতি মাসে নয়টি জাহাজ আসার শিডিউল দেওয়া হয়েছে, এর মধ্যে আটটি জাহাজ ইতোমধ্যে এসেছে। ২৮ সেপ্টেম্বর আরো একটি জাহাজ আসার কথা রয়েছে।
দেশে দৈনিক গ্যাসের চাহিদা ৩৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট হলেও ২৬৫০ থেকে ২৭০০ মিলিয়ন ঘনফুট সরবরাহ করে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া হচ্ছিল দীর্ঘদিন ধরে। বুধবারও সরবরাহ করা হয়েছে ২৬০০ মিলিয়ন ঘনফুট। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সরবরাহ কমে দাঁড়িয়েছে ২২০০ মিলিয়ন ঘনফুটে। দেশে সরবরাহ করা গ্যাসের ৩৫ থেকে ৪০ শতাংশ আসে আমদানি করা এলএনজি থেকে। এলএনজি রূপান্তর করে পাইপলাইনে সরবরাহের জন্য কক্সবাজারের মহেশখালীতে সমুদ্রে ভাসমান দুটি টার্মিনাল রয়েছে। এর একটি মার্কিন কোম্পানি এক্সিলারেটের এবং অপরটি দেশীয় কোম্পানি সামিটের। দুইটি টার্মিনাল মিলিয়ে সর্বোচ্চ ১১০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করতে সক্ষম। এলএনজি সরবরাহ বিঘ্নিত হলে দেশে গ্যাসের সংকট দেখা দেয়। এদিকে গ্যাস সরবরাহ বেড়ে যাওয়ায় শিল্প কারখানায় গ্যাসের চাপ বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে উৎপাদনে গতি এসেছে। গ্যাসচালিত বিদ্যুতকেন্দ্রে উৎপাদন বেড়েছে এবং লোডশেডিং কমেছে। আবাসিক গ্রাহকদের মধ্যে স্বস্তি বিরাজ করছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ