মাসফিকুল হাসান, বেরোবি প্রতিনিধি
১১:২৬ এম
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) প্রথম বিতর্ক সংগঠন বেগম রোকেয়া ইউনিভার্সিটি ডিবেট অ্যাসোসিয়েশন-ব্রুডা এর ১৩তম এক্সিকিউটিভ কমিটি (২০২৫–২৬) ঘোষণা করা হয়েছে। গত ৩ জুলাই নতুন এ কমিটির নাম আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়।
ঘোষিত কমিটিতে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী সামিয়া হক ইরা, সাধারণ সম্পাদক(বিতর্ক) হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষার্থী মোঃ ওবায়দুর রহমান শিশির ও সাধারণ সম্পাদক (প্রসাশন) হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মোঃ শাহিনুর রহমান। এছাড়া সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী আইরিন আক্তার লাবণ্য এবং অর্থ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষার্থী নাফিউর হাসান।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর থেকেই বেগম রোকেয়া ইউনিভার্সিটি ডিবেট অ্যাসোসিয়েশন (ব্রুডা) ক্যাম্পাসে বিতর্ক চর্চার প্রসার, যৌক্তিক চিন্তাভাবনার বিকাশ এবং নেতৃত্ব তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। দীর্ঘ সময় ধরে সংগঠনটি বিভিন্ন আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় বিতর্ক প্রতিযোগিতা, প্রশিক্ষণ কর্মশালা, ডিবেট স্কুলিং এবং বুদ্ধিবৃত্তিক কার্যক্রমের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে যুক্তি, বিশ্লেষণী চিন্তা ও নেতৃত্বের গুণাবলি বিকাশে কাজ করে যাচ্ছে।
সংগঠনটির দীর্ঘদিনের নীতির অংশ হিসেবে নেতৃত্ব নির্বাচনের ক্ষেত্রে সবসময় যোগ্যতা, দক্ষতা এবং সংগঠনের প্রতি অবদানকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে সংগঠনটির কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে বিতর্ক চর্চার ক্ষেত্র আরও বিস্তৃত হবে বলে আশা করা যায়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
লেখক এবং গবেষক অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হকের অসমাপ্ত কাজ এবং স্মৃতি ধরে রাখতে প্রয়োজনীয় সব কিছুই করা হবে, জানিয়েছেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী।
সোমবার (৬ জুলাই) সকালে বাংলা একাডেমিতে অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হকের মরদেহে শেষবারের মতো শ্রদ্ধা জানাতে এসে তিনি এই কথা বলেন।
অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হকের চলে যাওয়াকে অপূরণীয় ক্ষতি হিসেবে উল্লেখ করে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী বলেন, তিনি দেশকে ভালোবেসে বহু কাজ করেছেন। এই বুদ্ধিজীবী শিক্ষা এবং সংস্কৃতি খাতে অসামান্য অবদান রেখেছেন।
নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হকের অসমাপ্ত কাজ এবং স্মৃতি ধারণের জন্য প্রয়োজনীয় যা কিছু করা দরকার তা সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় করবে। তার দাফন করা হবে মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে।
এর আগে, সকাল ১০টায় বাংলা একাডেমির সভাপতি বিশিষ্ট চিন্তাবিদ, শিক্ষাবিদ এবং লেখক আবুল কাসেমের মরদেহ নিয়ে আসা হয় বাংলা একাডেমিতে। এখানে তার ২য় নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
এছাড়াও, বেলা ১১টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার, বেলা ১২টায় অপরাজেয় বাংলা, এবং বাদ যোহর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের শেষ জানাজা শেষে মিরপুরের বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে তাকে সমাহিত করা হবে।
হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে রোববার (৫ জুলাই) দুপুরে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেছেন অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক।
১৯৪০ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলায় তিনি জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৬৫ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক (সম্মান) এবং ১৯৬৬ সালে একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। এরপর দীর্ঘ সময় তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে অধ্যাপনা করেছেন। পরবর্তীতে বাংলা একাডেমির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। বাংলা ভাষার সব স্তরের ব্যবহার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক।
গুণী এই অধ্যাপকের ‘সুন্দরম’ এবং ‘লোকায়ত’ নামে দুটি সাময়িকপত্রের সম্পাদনা ছাড়াও, তার অনেক গুরুত্বপূর্ণ বই রয়েছে। ‘একুশে ফেব্রুয়ারি আন্দোলন’, ‘সাহিত্য চিন্তা’, ‘রাজনীতি দর্শন’, ‘সংস্কৃতির সহজ কথা’সহ তার লেখা অন্তত ২০টিরও বেশি বই প্রকাশিত হয়েছে। এছাড়াও, সম্পাদনার ক্ষেত্রে ‘ইতিহাসের আলোকে বাংলাদেশের সংস্কৃতি’, ‘স্বদেশচিন্তা’ সহ একাধিক গ্রন্থও প্রকাশিত হয়েছে।
এছাড়াও, অসামান্য অবদানের জন্য ১৯৮১ সালে তিনি বাংলা একাডেমি পুরস্কারে ভূষিত হন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সাতক্ষীরা, ৬ জুলাই, ২০২৬ : সাতক্ষীরা শহরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে প্রায় ২৬০ কেজি জেলি পুশ করা চিংড়ি মাছ জব্দ করা হয়েছে। গতকাল রোববার রাতে শহরের সংগীতা মোড় থেকে এ মাছগুলো জব্দ করা হয়। এরপর জনসম্মুখে গাড়ির চাকায় পিষ্ট করে মাছগুলো ধ্বংস করা হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে নেতৃত্ব দিয়েছেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. শাহেদ হোসেন। তিনি জানান, সাতক্ষীরা শহরের সঙ্গীতা মোড় এলাকায় ঢাকাগামী পরিবহন যোগে বিপুল পরিমাণ মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর জেলি পুশ করা চিংড়ি মাছ রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সেখানে অভিযান চালানো হয়। এসময় সেখান থেকে ২৬০ কেজি চিংড়ি মাছ জব্দ করা হয়। চিংড়ি মাছগুলো পরে জনসম্মুখে গাড়ির চাকায় পিষ্ট করে ধ্বংস করা হয়।
তিনি আরো জানান, খাদ্যে ভেজাল ও জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর কার্যক্রম প্রতিরোধে নিয়মিত অভিযান চালানো হচ্ছে। জেলি বা অন্যান্য ক্ষতিকর পদার্থ পুশ করে মাছের ওজন বৃদ্ধি করা সম্পূর্ণ অবৈধ এবং জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ। খাদ্যে ভেজাল ও প্রতারণার সঙ্গে জড়িত অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে তিনি আরো জানিয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিশ্বকাপের শেষ ১৬-তে নরওয়ের কাছে ২-১ গোলের পরপরই জাতীয় দলের অবসরের ইঙ্গিত দিয়েছেন ব্রাজিলের সর্বোচ্চ গোলদাতা নেইমার জুনিয়র এবং ফুলব্যাক দানিলো। তাদের সঙ্গে ব্রাজিলের আরও কয়েকজন নামী তারকা আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের বিদায়ের ধারে পৌঁছে গেছেন।
এবারও হেক্সার স্বপ্ন পূরণ হলো না ব্রাজিলের। রোববার (৫ জুলাই) নিউজার্সি স্টেডিয়ামে নরওয়ের আর্লিং হলান্ডের জোড়া গোলে ব্রাজিলিয়ানদের স্বপ্নভঙ্গ হয়েছে। ৩৪ বছর বয়সী নেইমার পেলের সমান চারটি বিশ্বকাপে অংশ নেয়ার রেকর্ড স্পর্শ করেছেন এবং ৯ গোল নিয়ে বিশ্বআসরটিতে ব্রাজিলের হয়ে সর্বোচ্চ গোলদাতাদের মধ্যে সেরা তিনের তালিকায় উঠে এসেছেন। কিন্তু দেশের জার্সিতে সর্বোচ্চ গোলদাতার রেকর্ড অনেক আগেই দখলে নিয়ে থাকলেও কাঙ্ক্ষিত বিশ্বকাপ এনে দিতে পারেননি।
নেইমারের প্রথম বিশ্বকাপ ছিল ২০১৪ সালে দেশের মাটিতে। কোয়ার্টার ফাইনালে কলম্বিয়ার বিপক্ষে গুরুতর চোট পাওয়ায় তিনি সেমিফাইনালে জার্মানির কাছে ব্রাজিলের ঐতিহাসিক ৭-১ গোলের পরাজয়ের ম্যাচে খেলতে পারেননি। এরপর ২০১৮ সালে রাশিয়া বিশ্বকাপে ইনজুরি কাটিয়ে খেলতে হয়েছিল।
২০২২ বিশ্বকাপে ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে তিনি অতিরিক্ত সময়ে গোল করে ব্রাজিলকে জয়ের খুব কাছাকাছি নিয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু শেষ মুহূর্তে প্রতিপক্ষ সমতা ফেরায়, আর টাইব্রেকারে বিদায় নিতে হয় তিতের দলকে। সেই সময় নেইমার বলেছিলেন, সেটিই হতে পারে তার বিশ্বকাপের 'লাস্ট ড্যান্স'।
অন্যদিকে, দানিলো টানা তিনটি বিশ্বকাপে ব্রাজিলের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ২০২৬ বিশ্বকাপে শুরুতে একাদশে ছিলেন না; তবে ওয়েসলির চোটের পর আবারও নিয়মিত একাদশে ফেরেন।
বয়সের কারণে আরও কিছু অভিজ্ঞ ফুটবলারের ২০৩০ বিশ্বকাপে ব্রাজিলের হয়ে খেলার সম্ভাবনা খুবই কম। উল্লেখ্য, ২০২২ সালের আসরে ৩৯ বছর বয়সে দানি আলভেস ছিলেন ব্রাজিলের ইতিহাসে বিশ্বকাপে ডাক পাওয়া সবচেয়ে বয়স্ক ফুটবলার।
যারা ক্যারিয়ারের সম্ভাব্য শেষ বিশ্বকাপ খেলেছেন:
অ্যালিসন বেকার (বিশ্বকাপ: ২০১৮, ২০২২, ২০২৬): এই প্রজন্মের অন্যতম সেরা গোলরক্ষক可能ত ক্যারিয়ারের শেষ বিশ্বকাপ ম্যাচটি খেলেছেন। আগামী বিশ্বকাপ আসতে আসতে তার বয়স হবে ৩৭ বছর। তার চেয়ে বেশি বয়সে চলতি বিশ্বকাপে খেলেছেন মানুয়েল ন্যুয়ের, গুইলর্মে ওচোয়ারা। তবে ব্রাজিলিয়ানদের ক্যারিয়ার সাধারণত এতো দীর্ঘ হয় না। সুতরাং বলা যায়, আর কখনও বিশ্বকাপে দেখা যাবে না লিভারপুলের এই কিংবদন্তিকে।
ওয়েভারটন (বিশ্বকাপ: ২০২২, ২০২৬): চলতি বিশ্বকাপে তিনি ব্রাজিলের তৃতীয় গোলরক্ষক ছিলেন। আগামী বিশ্বকাপ আসতে আসতে তার বয়স হবে ৪২ বছর। সেই সময় পর্যন্ত খেলা চালিয়ে যাওয়া বেশ কঠিন।
মার্কুনিয়োস (বিশ্বকাপ: ২০১৮, ২০২২, ২০২৬): পিএসজির হয়ে টানা দুটি মৌসুম কাটিয়ে বিশ্বকাপ খেলতে আসেন। কিন্তু ক্লাবের সাফল্য জাতীয় দলের জার্সিতে আর দেখাতে পারেননি। আগামী বিশ্বকাপে তার বয়স দাঁড়াবে ৩৬ বছর। অর্থাৎ পিএসজির অধিনায়ককে আগামী বিশ্বকাপে দেখার সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ।
দানিলো (বিশ্বকাপ: ২০১৮, ২০২২, ২০২৬): ব্রাজিলের হয়ে তিনটি বিশ্বকাপ খেলা ফুলব্যাক সম্ভবত জাতীয় দলের জার্সিতে নিজের শেষ ম্যাচটিও খেলেছেন। আগামী বিশ্বকাপ আসতে আসতে তার বয়স দাঁড়াবে ৩৮ বছর।
অ্যালেক্স সান্দ্রো (বিশ্বকাপ: ২০২২, ২০২৬): আগামী বিশ্বকাপে ৩৯ বছর বয়সে সান্দ্রোর অংশগ্রহণের সম্ভাবনা প্রায় শূন্যের কোটায়।
ক্যাসেমিরো (বিশ্বকাপ: ২০১৮, ২০২২, ২০২৬): চলতি বিশ্বকাপে নামের প্রতি সুবিচার করতে পারেননি। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের জার্সিতে দুর্দান্ত মৌসুম কাটানো এই ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডারের কাছে কোচ কার্লো আনচেলত্তির অনেক প্রত্যাশা ছিল, কিন্তু তা পূরণ হয়নি। মাঠে তার শ্লথ গতি ভুগিয়েছে ব্রাজিলকে, তাই আগামী বিশ্বকাপে তার খেলার সম্ভাবনা প্রায় নেই।
ফ্যাবিনিয়ো: ক্যাসেমিরোর মতো লিভারপুলের এই সাবেক মিডফিল্ডারও সম্ভবত এটি ছিল তার শেষ বিশ্বকাপ। আগামী বিশ্বকাপ আসতে আসতে তার বয়স দাঁড়াবে ৩৬ বছর।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব সাংবাদিক আতিকুর রহমান রুমনকে সদস্য করে প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কমিটি পুনর্গঠন করা হয়েছে।
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় নতুন করে প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কমিটি পুনর্গঠন করেছে। এ-সংক্রান্ত অভিযোগ নিষ্পত্তি, প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড প্রদান এবং নীতিমালা পর্যালোচনার উদ্দেশ্যে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
রোববার, মন্ত্রণালয়ের প্রেস-২ শাখা থেকে এক অফিস আদেশ জারি করা হয়, যেখানে এ তথ্য জানানো হয়।
অফিস আদেশে বলা হয়েছে, প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন নীতিমালা-২০২৫-এর উপ-অনুচ্ছেদ ৪.১ অনুযায়ী ১১ সদস্যের এ কমিটি গঠন করা হয়েছে।
কমিটির সভাপতি হিসেবে তথ্য অধিদপ্তর-এর প্রধান তথ্য অফিসারকে নিযুক্ত করা হয়েছে। সদস্য-সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন তথ্য অধিদপ্তরের সিনিয়র উপ-প্রধান তথ্য অফিসার (প্রটোকল)।
কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জনকূটনীতি অনুবিভাগের মহাপরিচালক, চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপসচিব (প্রেস-২), স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিবালয় নিরাপত্তা শাখার উপসচিব, সাংবাদিক কাদের গনি চৌধুরী, খুরশীদ আলম, মো. শফিকুল ইসলাম (শফিক আহমেদ) এবং উম্মে মারুফা।
অফিস আদেশ অনুযায়ী, এই নতুন গঠিত কমিটি প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড ইস্যুর বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
এছাড়া, কার্ডসংক্রান্ত সব আপত্তি ও অভিযোগের শুনানি এবং নিষ্পত্তি করবে। পাশাপাশি, প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন নীতিমালায় প্রয়োজনীয় সংযোজন, সংশোধন ও পরিমার্জনের বিষয়ে সুপারিশও করবে।
এ বিষয়ে মন্ত্রণালয় জানায়, নতুন কমিটি গঠনের ফলে পূর্বে গঠিত কমিটি বাতিল বলে গণ্য হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ