মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৬:১৮ পি.এম
রংপুরের পীরগঞ্জে ধর্ম অবমাননার অভিযোগের প্রেক্ষাপটে তিনটি হিন্দু পরিবারের বাড়িঘরে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় পৃথক দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ এই মামলাগুলোর মধ্যে দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে। একজনকে ধর্ম অবমাননার অভিযোগে করা মামলায় এবং অন্যজনকে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) বিকেলে পীরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজমুল হক গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, গ্রেপ্তারকৃত দুজনকে আদালতে পাঠানো হয়েছে এবং বর্তমানে এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
পুলিশ ও মামলাসংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, গতকাল সোমবার উপজেলার চক করিম (তেলিপাড়া) এলাকায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ধর্ম অবমাননার অভিযোগকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এর ফলে তিনটি হিন্দু পরিবারের বাড়িঘরে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ ও আতঙ্ক দেখা দেয়।
হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগে বিশু চন্দ্র মহন্ত বাদী হয়ে পীরগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় আটজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতপরিচয় আরো ৬০ থেকে ৭০ জনকে আসামি করা হয়েছে। এই মামলায় শফিকুল ইসলাম আরিফকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তিনি গুজিপাড়া এলাকার আব্দুল কাদেরের ছেলে।
অন্যদিকে, ধর্ম অবমাননার অভিযোগে আমিনুল দফাদার নামে একজন বাদী হয়ে থানায় পৃথক একটি মামলা করেন। মামলায় সৌরভ চন্দ্র মোহন্তকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। মামলা দায়েরের পর সোমবার রাতেই তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তবে ধর্ম অবমাননার অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত চলছে।
হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত দীনেশ চন্দ্র মহন্ত জানান, সোমবার সন্ধ্যায় একদল লোক তাদের বাড়িতে হামলা চালায়। এ সময় বাড়ি থেকে তিনটি ছাগল ও ঘরের আসবাবপত্র লুট করে নিয়ে যাওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি। এই ঘটনায় পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন রংপুর জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক, জেলা পরিষদের প্রশাসক সাইফুল ইসলাম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আব্দুল্লাহ আল বাকিউল বারী এবং স্থানীয় বিএনপির নেতারা।
জেলা পরিষদের প্রশাসক সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘ধর্মের নামে কোনো ধরনের সহিংসতা, হামলা, ভাঙচুর কিংবা লুটপাট কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। ধর্ম অবমাননার অভিযোগ থাকলে তা আইন অনুযায়ী তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। কোনো অভিযোগের বিচার নিজের হাতে তুলে নেওয়ার অধিকার কারও নেই। একইভাবে, নিরপরাধ কেউ যেন হয়রানির শিকার না হন।’
রংপুর জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক বলেন, ‘ধর্ম অবমাননার অভিযোগের বিষয়টি যেমন গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে, তেমনি এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাড়িঘরে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কেউ আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার সুযোগ নেই। তদন্তে যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যাবে, তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নওগাঁর মহাদেবপুরে শান্তি বিঘ্নিত ও অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির অভিযোগে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের চার নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাতের দিকে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে তাদের আটক করা হয়।
গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন— উত্তরগ্রাম ইউনিয়নের চকগোড়া (সরদারপাড়া) এলাকার রোকনুজ্জামান ওরফে সোহাগ (২৫), মো. পিয়ারুল ইসলাম মুসা (১৯), মো. মাহমুদ রায়হান (৩০) এবং একই ইউনিয়নের চকগোড়া (পূর্বপাড়া) গ্রামের মো. সোহেল হোসেন (২১)। উল্লেখ্য, রোকনুজ্জামান সোহাগ স্থানীয় একটি ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছিলেন এবং বাকিরা সংগঠনটির সক্রিয় কর্মী হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
পুলিশের সূত্রে জানা গেছে, জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় এলাকায় শান্তি ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) নওগাঁর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম জানান, সমাজে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে এবং যেকোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি প্রতিরোধে অপরাধীদের বিরুদ্ধে এই অভিযান পরিচালিত হয়েছে।
মহাদেবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওমর ফারুক জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আগে থেকে থাকা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুষ্টিয়ায় জুলাই গণ-অভ্যুত্থান চলাকালে ছাত্র-জনতার ওপর হামলা ও ছয়জনকে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় আগামী বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) ঘোষণা করা হবে।
মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এই রায়ের তারিখ নির্ধারণ করেন। মামলাটির অন্যতম প্রধান আসামি আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ।
এই মামলায় হানিফের পাশাপাশি আরও তিনজনকে আসামি করা হয়েছে। তারা হলেন কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সদর উদ্দিন খান, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আজগর আলী এবং শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান আতা। বিচার চলাকালীন শুরু থেকেই এই চারজন আসামি পলাতক রয়েছেন।
প্রসিকিউশনের অভিযোগ অনুযায়ী, আন্দোলন দমনে আসামিরা ছাত্র-জনতার ওপর সশস্ত্র হামলার নির্দেশ প্রদান ও ষড়যন্ত্রে সরাসরি যুক্ত ছিলেন, যার ফলে ছয়জনের প্রাণহানি ঘটে। ট্রাইব্যুনালে এই আসামিদের বিরুদ্ধে মোট তিনটি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আনা হয়েছে।
মামলার বিচারিক কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় ২০২৫ সালের ৫ অক্টোবর প্রসিকিউশন আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করে, যা পরদিন ট্রাইব্যুনাল আমলে নেন। একই বছরের ২ নভেম্বর আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয়। চলতি বছরের ২৩ এপ্রিল মামলার তদন্ত কর্মকর্তাকে জেরার মধ্য দিয়ে মোট ১৯ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়।
এর আগে গত ১০ জুন উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে মামলাটি প্রথমবারের মতো রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখা হয়েছিল। পরবর্তীতে রাষ্ট্রপক্ষ অতিরিক্ত সাক্ষী ও নথিপত্র উপস্থাপন করলে ট্রাইব্যুনালে পুনরায় শুনানি ও যুক্তিতর্ক অনুষ্ঠিত হয়। সর্বশেষ গত ৭ অক্টোবর চূড়ান্ত যুক্তিতর্ক শেষে ট্রাইব্যুনাল মামলাটি পুনরায় রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখেন।
এই মামলায় প্রসিকিউশন চার আসামিরই সর্বোচ্চ সাজা দাবি করেছে। অন্যদিকে আসামিরা পলাতক থাকায় আইনি বাধ্যবাধকতা মেনে তাদের পক্ষে রাষ্ট্রীয় খরচে নিযুক্ত আইনজীবী আমির হোসেন মামলা পরিচালনা করেন এবং আদালতে আইনি যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ সরকারের যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত ‘ইয়্থু ভলেন্টিয়ার অ্যাওয়ার্ড-২০২৬’ পুরস্কার প্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত থেকে পুরষ্কার নেওয়া কুষ্টিয়ার ভেড়ামারার নারী উদ্যোক্তা পারভীন নাহার কনিকাকে সংবর্ধনা প্রদান করেন কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক মোঃ তৌহিদ বিন-হাসান।
এই সংবর্ধনা রবিবার (২৭ অক্টোবর) দুপুরে কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ মিজানুর রহমান, কুষ্টিয়া যুব উন্নয়নের দপ্তরের উপ-পরিচালক মোঃ আব্দুল জব্বারসহ বিভিন্ন কর্মকর্তাগণ এবং কনিকার মামা সাংবাদিক আতিক হাসান।
জাতীয় পর্যায়ে তাঁর অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি ‘ইয়ুথ ভলান্টিয়ার অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’ অর্জন করেন। এই সম্মাননা কনিকার কাজের স্বীকৃতির পাশাপাশি নারী উদ্যোক্তা ও তরুণ সমাজের সম্ভাবনাকে নতুনভাবে সামনে নিয়ে এসেছে।
কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে এই সংবর্ধনা প্রদানকে প্রশাসনিক স্বীকৃতি হিসেবে এবং ভবিষ্যতে আরও ভালো কাজ করার অনুপ্রেরণা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, পারভীন নাহার কনিকার মতো সফল উদ্যোক্তাদের যথাযথ মূল্যায়ন ও উৎসাহ প্রদান করা হলে সমাজে নারীর ক্ষমতায়ন, আত্মকর্মসংস্থান এবং তরুণদের ইতিবাচক উদ্যোগ আরও গতিশীল হবে।
প্রতিকূলতাকে অতিক্রম করে সাফল্যের পথে এগিয়ে যাওয়া কনিকার এই অর্জন ভেড়ামারাসহ কুষ্টিয়ার মানুষের জন্য গর্বের বিষয়। স্থানীয় সচেতন মহল আশা করে যে, তাঁর সাফল্যের ধারাবাহিকতা আগামী দিনে আরও অনেক নারীকে আত্মবিশ্বাসী হয়ে নিজেদের সম্ভাবনা বিকাশে উৎসাহিত করবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর উত্তরায় রাজউকের প্লট কিনে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে এক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ৬ কোটি ২৩ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে মুন্সী মঞ্জুর-ই-এলাহী ওরফে মঞ্জুরুল আলম (৬৭) নামের এক আসামির জামিন আবেদন আদালত নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাকির হোসেনের আদালত এ আদেশ প্রদান করেন। বাদী পক্ষের আইনজীবী আব্দুল্লাহ আল মামুন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, বাদী প্রশান্তি এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী মো. নাছিরের সঙ্গে আসামিদের পূর্বপরিচয়ের মাধ্যমে ঢাকায় জমি কেনাবেচার যৌথ ব্যবসা চলছিল। মৌখিক চুক্তি অনুযায়ী, জমি বিক্রির পর লভ্যাংশের ৫০ শতাংশ বাদী এবং বাকি ৫০ শতাংশ আসামিদের পাওয়ার কথা ছিল। এই প্রেক্ষাপটে আসামিরা বাদীকে জানান, উত্তরায় রাজউকের একটি আকর্ষণীয় ৫ কাঠার প্লট রয়েছে, যা ৫ থেকে ৬ কোটি টাকায় কিনে পরবর্তীতে ৯ থেকে ১০ কোটি টাকায় বিক্রি করা সম্ভব। আসামিদের প্ররোচনায় বাদী ২০২৩ সালের ১ আগস্ট উত্তরায় ওই প্লট পরিদর্শন করে বিনিয়োগে সম্মত হন।
পরবর্তীতে জমি বায়না ও রেজিস্ট্রির কথা বলে বিভিন্ন দফায় পে-অর্ডার ও নগদে বাদীর কাছ থেকে মোট ৬ কোটি ২৩ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয় চক্রটি।
অন্যদিকে, সিটি ব্যাংক ও আইএফআইসি ব্যাংকের বিভিন্ন পে-অর্ডারের মাধ্যমে আসামি রাফিন এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী মো. রবিউল আলম এবং ৩ নম্বর আসামি মুন্সী মঞ্জুর-ই-এলাহীর অনুকূলে কয়েক কোটি টাকা প্রদান করা হয়। পাশাপাশি রফিকুল ইসলাম, মো. আনিছুর রহমান মিঞা হাসচিব, হাসনা হেনা ও আসিফ হাসান তুলিপসহ চক্রের অন্যান্য সদস্যরাও বাদীর কাছ থেকে দফায় দফায় নগদ টাকা গ্রহণ করেন।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, অর্থ গ্রহণের পর থেকেই জমি বুঝিয়ে না দিয়ে আসামিরা কালক্ষেপণ শুরু করেন। একপর্যায়ে বাদীর ফোন বন্ধ করে তারা উত্তরার ১৬ নম্বর সেক্টরের অফিস তালাবদ্ধ করে পালিয়ে যায়। সর্বশেষ ২০২৪ সালের ১ ডিসেম্বর পাওনা টাকা ফেরত চাইলে আসামিরা তা দিতে অস্বীকৃতি জানায়।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ২০২৪ সালের ২৯ ডিসেম্বর আদালতে সিআর মামলাটি দায়ের করেন। ওইদিন আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে সিআইডিকে তদন্তের নির্দেশ দেন। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী সিআইডি ঘটনার সত্যতা পেয়ে চলতি বছরের ৩০ জুন আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়।
এদিকে, মঞ্জুরুল আলমের বিচার চেয়ে সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত আদালত প্রাঙ্গণে মানববন্ধন করেন ভুক্তভোগীরা। মানববন্ধনে বক্তারা সংঘবদ্ধ এই প্রতারক চক্রের অন্য সদস্যদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও আত্মসাত করা টাকা উদ্ধারে প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ