০৮:৫৮ পি.এম
২০২৬ সালের অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা এবং ঔষধের মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি বাতিলের প্রস্তাব মন্ত্রিসভা অনুমোদন করেছে। জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদের পরামর্শ ছাড়াই নীতিমালা প্রণয়ন করার কারণে সরকার এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
সোমবার (৩ আগস্ট) বিকালে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানা যায়, সরকার নিরাপদ, কার্যকর, মানসম্মত এবং সাশ্রয়ী মূল্যের ঔষধ জনগণের জন্য নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ‘অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা, ২০২৬’ এবং ‘ঔষধের মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি, ২০২৬’ বাতিলের কারণ হলো, ঔষধ ও কসমেটিকস আইন, ২০২৩ অনুযায়ী অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা প্রণয়নের আগে জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদের পরামর্শ নেওয়ার বিধান রয়েছে, যা প্রতিপালন করা হয়নি।
আরও পড়ুন: কক্সবাজারের টুপটুপ রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে নিহত মুক্তার দাফন সম্পন্ন
২০২৬ সালের জানুয়ারিতে প্রকাশিত অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা ও ঔষধের মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদের পরামর্শ ব্যতীত প্রণীত হওয়ায় এর বৈধতা উচ্চ আদালতে চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে এবং বিষয়টি বর্তমানে বিচারাধীন বলেও জানিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
এদিকে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরো জানানো হয়, ইতোমধ্যে গত ২৯ জুন ঔষধ ও কসমেটিকস আইন, ২০২৩ এর বিধান অনুযায়ী জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ গঠিত হয়েছে। এ উপদেষ্টা পরিষদে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে অন্তর্ভুক্তির প্রস্তাব মন্ত্রিসভা অনুমোদন করেছে।
২০২৬ সালের অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা ও ঔষধের মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি বাতিল হওয়ার পরও, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ১৯৯৪ সালের আদেশে প্রণীত অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা এবং সেসব ঔষধের সরকারি মূল্য নির্ধারণ ব্যবস্থা আগের মতোই বহাল থাকবে।
অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ করার সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা উল্লেখ করে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, ঔষধের মূল্য এমনভাবে নির্ধারণ করা হবে যেন জনগণের উপর বাড়তি চাপ তৈরি না হয় এবং বাজারে সুস্থ প্রতিযোগিতা বজায় থাকে।
আরও পড়ুন: দেশে ধারাবাহিকভাবে বেড়েই চলেছে দরিদ্র মানুষের সংখ্যা
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন