ঢাকা রবিবার, ০১ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৬ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ০১ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৬ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

গারো পাহাড়ে ৫০ হাজার তীর্থযাত্রীর মোমবাতি জ্বালিয়ে আলোর মিছিল


গারো পাহাড়ে ৫০ হাজার তীর্থযাত্রীর মোমবাতি জ্বালিয়ে আলোর মিছিল

শেরপুরের নালিতাবাড়ী অঞ্চলের বারোমারী গারো পাহাড়ের সাধুলিওর খ্রিস্টধর্মপল্লীতে আলোর মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে অংশগ্রহণকারী প্রায় ৫০ হাজার তীর্থযাত্রী দুই হাতে দুটি করে মোমবাতি জ্বালিয়ে মিছিলে যোগ দেন। এই মিছিলটি প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে চলতে থাকে এবং চার থেকে পাঁচ কিলোমিটার এলাকা প্রদক্ষিণ করে।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে এই মিছিলের আয়োজন করা হয়।

তীর্থোৎসব কর্তৃপক্ষের সূত্রে জানা যায়, এবারের তীর্থোৎসবের প্রতিপাদ্য ছিল ‘মানবতার জননী ফাতেমা রাণী মা মারিয়া’, যা বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার দুই দিনব্যাপী ২৯তম বার্ষিক ফাতেমা রাণীর তীর্থোৎসবের অংশ হিসেবে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

আরও পড়ুন: জীবনের কঠিন পরিস্থিতিতে যে ৩টি দোয়া পড়বেন

তীর্থোৎসবের সমন্বয়কারী রেভারেন্ড ফাদার তরুণ বনোয়ারী জানান, ১৯৯৮ সালে বারোমারী সাধুলিওর খ্রিস্টধর্মপল্লীতে পর্তুগালের ফাতেমা নগরের অনুকরণে এই তীর্থস্থানটি সাজানো হয়। এটি রোমান ক্যাথলিক খ্রিস্টভক্তদের জন্য অন্যতম বৃহৎ ধর্মীয় উৎসব। প্রতিবছর হাজার হাজার খ্রিস্টভক্ত এখানে সমবেত হয়ে ভিন্ন ভিন্ন মূলসুরের ওপর বার্ষিক তীর্থোৎসব পালন করেন।

ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের সাথে উপাসনার জন্য এখানে নির্মাণ করা হয়েছে ৪৮ ফুট উঁচু দেশের সবচেয়ে বড় মা মারিয়ার মূর্তি। অক্টোবর মাসের শেষ বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার এই বার্ষিক তীর্থোৎসব পালিত হয়ে থাকে।

এ উৎসবে পাপ স্বীকার, মহাখ্রিস্টযাগ, মোমবাতি জ্বালিয়ে আলোক শোভাযাত্রা, সাক্রামেন্টের আরাধনা, নিরাময়, নিশিজাগরণ ও জীবন্ত ক্রুশের পথসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

এ উৎসবে শেরপুরের জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন, পুলিশ সুপার মো. জহিরুল ইসলামসহ স্থানীয় ঊর্ধ্বতন প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: সৌদি আরব বাংলাদেশি হজযাত্রীদের ১০ কোটি ২৩ লাখ টাকা ফেরত দিলো

তীর্থযাত্রীদের নিরাপত্তার জন্য একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটসহ পুলিশ, স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি), এপিবিএন, বিজিবি, আনসার, ফায়ার সার্ভিস, গ্রাম পুলিশ ও স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যরা দায়িত্ব পালন করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

টাঙ্গাইলে মা"দকবিরোধী পৃথক অ"ভিযানে ৪ মা"দক কা"রবারি গ্রে"ফতার ও কারাদণ্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ একদিল হোসেন

বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:২৯ পি.এম


টাঙ্গাইলে মা"দকবিরোধী পৃথক অ"ভিযানে ৪ মা"দক কা"রবারি গ্রে"ফতার ও কারাদণ্ড

 ২৯ অক্টোবর ২০২৬ ইং বৃহস্পতিবার, মা"দকদ্রব্য নি"য়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, জেলা কার্যালয়, টাঙ্গাইলের উদ্যোগে সদর ও কালিহাতি উপজেলায় পৃথক মা"দকবি"রোধী অ"ভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এই অ"ভিযানে ই"য়াবা ট্যাবলেট, চোলাই ম"দ ও ট্যা"পেন্টাডল ট্যা"বলেটসহ চারজন মা"দক কারবারিকে গ্রে"ফতার করা হয়। পরে ভ্রা"ম্যমাণ আ"দালতের মাধ্যমে তাদের বিভিন্ন মেয়াদে কা"রাদণ্ড ও অ"র্থদণ্ড প্রদান করা হয়।

আজ বুধবার (২৯ অক্টোবর ২০২৬ খ্রি.) টাঙ্গাইল সদর থানাধীন কান্দাপাড়া রবিদাসপাড়া, কান্দাপাড়া মাজার গেইট এলাকা এবং কালিহাতি থানাধীন ছাতিহাটি, রোয়াইল ও সল্লা বাজার এলাকায় এই অ"ভিযান পরিচালনা করা হয়। অ"ভিযানকালে আ"সামিদের নিকট থেকে অ"বৈধ মা"দকদ্রব্য জ"ব্দ করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে— ই"য়াবা ট্যাবলেট: ১ পিস, চোলাই মদ: ১ লিটার ২৫০ মিলিলিটার, ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট: ১ পিস।

গ্রে"ফতারকৃত আ"সামিদের ভ্রা"ম্যমাণ আদালতে দ"ণ্ডপ্রাপ্ত আ"সামিরা হলেন—

১. মো. শাহ আলম মন্ডল (৪৯), পিতা: মৃ"ত শাজাহান মন্ডল, সাং: এলেঙ্গা রাজাবাড়ি, থানা: কালিহাতি, জেলা: টাঙ্গাইল।

২. মো. ফেরদৌস (২০), পিতা: মৃ"ত ছবেদ, সাং: মেছের মার্কেট, থানা ও জেলা: টাঙ্গাইল।

৩. মো. বানিজ (৪৫), পিতা: মৃ"ত রহিম, সাং: ছাতিহাতি, থানা: কালিহাতি, জেলা: টাঙ্গাইল।

৪. আ. খালেক (৫৭), পিতা: মৃ"ত সয়াল শেখ, সাং: সল্লা, থানা: কালিহাতি, জেলা: টাঙ্গাইল।

মা"দকদ্রব্য নি"য়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, জেলা কার্যালয়, টাঙ্গাইলের পরিদর্শক মো. সাইফুর রহমান এবং উপপরিদর্শক তপু খান ও মোহাম্মদ রাশিদুল ইসলাম আসামিদের বি"রুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আ"ইনে প্রসিকিউশন দাখিল করেন।

পরবর্তীতে টাঙ্গাইল জেলার বিজ্ঞ সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. রাকিব হাসান এবং কালিহাতি উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফারজানা আক্তার ভ্রাম্যমাণ আ"দালত পরিচালনা করে অ"পরাধের মাত্রা অনুযায়ী সাজা প্রদান করেন। ১নং আ"সামিকে ২০ দিন, ২নং আ"সামিকে ৩ মাস, এবং ৩ ও ৪নং আসামিকে ২ মাস করে বি"নাশ্রম কা"রাদণ্ড প্রদান করা হয়।

পাশাপাশি প্রত্যেক আ"সামিকে ৫০ টা"কা করে অ"র্থ"দ"ণ্ড প্রদান করা হয়েছে। মা"দকবি"রোধী এ ধরনের অ"ভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন মা"দকদ্রব্য নি"য়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, জেলা কার্যালয়, টাঙ্গাইল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নরসিংদীতে আধিপত্য নিয়ে টেঁটাযুদ্ধে ১২ জন আহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:৩০ পি.এম


নরসিংদীতে আধিপত্য নিয়ে টেঁটাযুদ্ধে ১২ জন আহত

নরসিংদীর মেঘনাবেষ্টিত চরাঞ্চল চরদিঘলদীতে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘটিত টেঁটাযুদ্ধে অন্তত ১২ জন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে চারজনকে আটক করেছে।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকালে ইউনিয়নের জিতরামপুর ও টিডিরচর এলাকায় শহীদ মেম্বার ও চাঁন মিয়া গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরে দুপুরে চরাঞ্চলে অভিযান চালিয়ে পুলিশ চারজনকে আটক করে। সন্ধ্যায় মাধবদী থানার ওসি কামাল হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে জিতরামপুর ও টিডিরচর গ্রামে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে চাঁন মিয়া ও শহীদ মেম্বার গ্রুপের মধ্যে দ্বন্দ্ব চলছে। গত দুই মাসে দুই পক্ষের বিরোধে এলাকায় চার-পাঁচবার সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

বৃহস্পতিবার ভোরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। টিডিরচর এলাকায় দুই পক্ষের সমর্থকেরা টেঁটাসহ দেশি অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হন। এতে দুই পক্ষের অন্তত ১২ জন টেঁটাবিদ্ধ ও ধারালো অস্ত্রের আঘাতে আহত হন।

এ বিষয়ে চাঁন মিয়া বলেন, "আমাদের ওপর টেঁটা ও ককটেল নিয়ে প্রতিপক্ষ হামলা চালিয়েছে। এতে আমাদের কয়েকজন আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। শহীদ মেম্বার তার দোসরদের সঙ্গে আঁতাত করে বারবার আমাদের ওপর হামলা চালিয়ে এলাকার শান্তি নষ্ট করছেন।"

অন্যদিকে, শহীদ মেম্বার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, "ভোররাতে চাঁন মিয়ার লোকজন আমাদের ওপর আগে হামলা চালায়। আমরা ঘুমন্ত অবস্থায় থাকাকালে এ হামলার ঘটনা ঘটে। এতে নারীসহ কয়েকজন আহত হয়ে নারায়ণগঞ্জ ও ঢাকার হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।"

মাধবদী থানার ওসি কামাল হোসেন জানান, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করেই এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সাতজন এবং জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে পাঁচজন চিকিৎসা নিয়েছেন। ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে চারজনকে আটক করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের মামলা রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দিনাজপুরে আদিবাসীদের জীবনমান উন্নয়নে গণশুনানি অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:৩১ পি.এম


দিনাজপুরে আদিবাসীদের জীবনমান উন্নয়নে গণশুনানি অনুষ্ঠিত

দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে আদিবাসী জনগণের জীবনমান উন্নয়ন, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি এবং ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রমের বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে। মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরী অথরিটির উদ্যোগে আয়োজিত এই গণশুনানিতে স্থানীয় আদিবাসী জনগণের ৭০ জন সদস্য, ক্ষুদ্রঋণগ্রহীতা, বিভিন্ন এনজিও এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকাল নবাবগঞ্জ উপজেলার গোলাপগঞ্জ ইউনিয়নের রাজবাড়ি গ্রামে এই গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়।

গণশুনানিতে আদিবাসী জনগণের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, ক্ষুদ্র ব্যবসায় বিনিয়োগের সুযোগ বৃদ্ধি এবং সহজ শর্তে ঋণ পাওয়ার বিষয়ে আলোচনা করা হয়। পাশাপাশি ক্ষুদ্রঋণ গ্রহণের ক্ষেত্রে বিভিন্ন সমস্যা, কিস্তি পরিশোধের চাপ, ঋণের যথাযথ ব্যবহার এবং সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম নিয়েও অংশগ্রহণকারীরা তাদের মতামত তুলে ধরেন।

আদিবাসী সদস্যরা জানান, আদিবাসী জনগণের অনেক পরিবার এখনও দারিদ্র্য, কর্মসংস্থানের সংকট ও পর্যাপ্ত পুঁজির অভাবে পিছিয়ে রয়েছে। তাদের জন্য ক্ষুদ্রঋণ ও আর্থিক সেবা সহজলভ্য করা গেলে কৃষি, পশুপালন, ক্ষুদ্র ব্যবসা ও অন্যান্য আয়বর্ধক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে পরিবারগুলোর আর্থিক সক্ষমতা বাড়ানো সম্ভব। গণশুনানিতে অংশগ্রহণকারীরা ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রমকে আরও স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও জনবান্ধব করার ওপর গুরুত্ব দেন। একই সঙ্গে ঋণগ্রহীতাদের সঙ্গে ভালো আচরণ, ঋণের শর্তাবলি সহজভাবে জানানো এবং তাদের অভিযোগ দ্রুত নিষ্পত্তির দাবি জানানো হয়।

গ্রাম বিকাশ কেন্দ্রের পরিচালক অসীম রাউত জানান, মাঠপর্যায়ে ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রমের বাস্তব চিত্র জানতে এবং উপকারভোগীদের সরাসরি মতামত গ্রহণ করতেই এ ধরনের গণশুনানির আয়োজন করা হয়েছে। গণশুনানিতে পাওয়া মতামত ও অভিযোগগুলো পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরীর এক্সিকিউটিভ ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড: মোঃ হেলাল উদ্দিন জানান, এ ধরনের গণশুনানি আদিবাসী জনগণের সমস্যা সরাসরি তুলে ধরার পাশাপাশি তাদের আর্থিক ও সামাজিক উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। নিয়মিত তদারকি, স্বচ্ছ ঋণব্যবস্থা এবং আয়বর্ধক কর্মকাণ্ডে বিনিয়োগের সুযোগ বাড়ানো গেলে নবাবগঞ্জের আদিবাসী পরিবারগুলোর জীবনমান আরও উন্নত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন উপ-পরিচালক মো: আরিফুজ্জামান এবং স্বাগত বক্তব্য দেন পরিচালক মুহাম্মদ শহিদুল ইসলাম। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন যুগ্ম পরিচালক মোঃ ফরিদুল হক, জনাব উপ-পরিচালক জনাব লায়লা জাবীন, সৈয়দ আশিক ইমতিয়াজ, সহকারী পরিচালক মেনহাজুল আবেদীন এবং গ্রাম বিকাশ কেন্দ্রের পরিচালক অসীম রাউত সহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে প্রমাণিত, জামায়াতের জান্নাতের টিকিট কাজে দেবে না

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:৩২ পি.এম


ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে প্রমাণিত, জামায়াতের জান্নাতের টিকিট কাজে দেবে না

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে জামায়াতের জান্নাতের টিকিট আর কোথাও কার্যকর হবে না বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান।

তিনি বুধবার (২৮ অক্টোবর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে জামায়াতে ইসলামীর সমালোচনা করেন।

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমীনকে অভিনন্দন জানিয়ে রাশেদ খান ফেসবুক পোস্টে লেখেন, "ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে প্রমাণিত হলো জামায়াতের জান্নাতের টিকিট আর কোথাও কাজে দেবে না। অভিনন্দন এমপি মির্জা ফয়সল আমীন....!"

তিনি উল্লেখ করেন, জনগণ বুঝে গেছে যে, জামায়াতের মধ্যে ধর্মীয় লেবাসে অসংখ্য গাজী নজরুল ইসলাম রয়েছে। প্রতিনিয়ত যে দলের অসংখ্য নেতার পরকীয়ার সংবাদ গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়, যে দল রোজা ও পূজাকে মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ মনে করে, যে দল মনে করে আগে ছিল হিন্দু মানে নৌকা, এবার হবে হিন্দু মানে দাঁড়িপাল্লা, যে দলের আইনজীবী শহীদ আবরার ফাহাদের খুনিদের আইনজীবী হয়, যে দল সকালবেলা ভারতের বিরুদ্ধে বলে রাতেরবেলা ভারতীয় গোয়েন্দা কর্মকর্তার সঙ্গে বৈঠক করে, যে দল তার নিজ দলের নেতাকর্মীদের জান্নাতের পথ দেখাতে হিমশিম খাচ্ছে, তারা কিভাবে জনগণকে হেদায়েতের পথ দেখাবে?

রাশেদ খান আরো লেখেন, ইসলাম নিয়ে জামায়াতের এসব ভণ্ডামি দেখে, বলা যায় একপ্রকার অতিষ্ঠ হয়ে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব মুফতি জনাব আব্দুল মালেক জামায়াত সম্পর্কে মন্তব্য করেছেন যে, "যারা জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করবে, তারা পথভ্রষ্ট।" সুতরাং পথভ্রষ্ট জামায়াতের দেখানো জান্নাতের পথে হেঁটে মানুষ আর দাজ্জালের জান্নাতে যেতে আগ্রহী হবে না।

তিনি বলেন, "মুফতি জনাব আব্দুল মালেকের বিরুদ্ধে ওয়াজের মাঠে আমির হামজা আর তারেক মনোয়ারের মতো চাপাবাজদের নামিয়ে হয়তো নিজ দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি করা যাবে, কিন্তু জনগণের কাছে জামায়াতকে আর ইসলামিক দল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা যাবে না। যারা বিদেশিদের সঙ্গে বৈঠক করে বলবে যে, কোথায় বলেছি ক্ষমতায় গেলে শরিয়া আইন কায়েম করব? সেই দলকে তো আর ইসলামিক দল বলা যায় না।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৭
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৩
মাগরিব ০৫:২০
ইশা ০৬:৩২
সূর্যোদয় : ০৬:০৪ সূর্যাস্ত : ০৫:২০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%