প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
শেরপুরের নালিতাবাড়ী অঞ্চলের বারোমারী গারো পাহাড়ের সাধুলিওর খ্রিস্টধর্মপল্লীতে আলোর মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে অংশগ্রহণকারী প্রায় ৫০ হাজার তীর্থযাত্রী দুই হাতে দুটি করে মোমবাতি জ্বালিয়ে মিছিলে যোগ দেন। এই মিছিলটি প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে চলতে থাকে এবং চার থেকে পাঁচ কিলোমিটার এলাকা প্রদক্ষিণ করে।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে এই মিছিলের আয়োজন করা হয়।
তীর্থোৎসব কর্তৃপক্ষের সূত্রে জানা যায়, এবারের তীর্থোৎসবের প্রতিপাদ্য ছিল ‘মানবতার জননী ফাতেমা রাণী মা মারিয়া’, যা বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার দুই দিনব্যাপী ২৯তম বার্ষিক ফাতেমা রাণীর তীর্থোৎসবের অংশ হিসেবে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
তীর্থোৎসবের সমন্বয়কারী রেভারেন্ড ফাদার তরুণ বনোয়ারী জানান, ১৯৯৮ সালে বারোমারী সাধুলিওর খ্রিস্টধর্মপল্লীতে পর্তুগালের ফাতেমা নগরের অনুকরণে এই তীর্থস্থানটি সাজানো হয়। এটি রোমান ক্যাথলিক খ্রিস্টভক্তদের জন্য অন্যতম বৃহৎ ধর্মীয় উৎসব। প্রতিবছর হাজার হাজার খ্রিস্টভক্ত এখানে সমবেত হয়ে ভিন্ন ভিন্ন মূলসুরের ওপর বার্ষিক তীর্থোৎসব পালন করেন।
ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের সাথে উপাসনার জন্য এখানে নির্মাণ করা হয়েছে ৪৮ ফুট উঁচু দেশের সবচেয়ে বড় মা মারিয়ার মূর্তি। অক্টোবর মাসের শেষ বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার এই বার্ষিক তীর্থোৎসব পালিত হয়ে থাকে।
এ উৎসবে পাপ স্বীকার, মহাখ্রিস্টযাগ, মোমবাতি জ্বালিয়ে আলোক শোভাযাত্রা, সাক্রামেন্টের আরাধনা, নিরাময়, নিশিজাগরণ ও জীবন্ত ক্রুশের পথসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
এ উৎসবে শেরপুরের জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন, পুলিশ সুপার মো. জহিরুল ইসলামসহ স্থানীয় ঊর্ধ্বতন প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
তীর্থযাত্রীদের নিরাপত্তার জন্য একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটসহ পুলিশ, স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি), এপিবিএন, বিজিবি, আনসার, ফায়ার সার্ভিস, গ্রাম পুলিশ ও স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যরা দায়িত্ব পালন করেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন