বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৭:০৮ পি.এম
দেশের বিভিন্ন সমস্যা নিয়েও প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য ছিল। তিনি বলেছেন, ‘দেশে এত সমস্যা এখনও বিরাজমান দেখে আমি বিস্মিত হই। কারণ ১৭ বছরে এসব সমস্যার সমাধান হওয়ার কথা ছিল। যদি সে সময় এগুলো সমাধান করা যেত, তাহলে অনেক কিছুই ঠিক হয়ে যেতে পারত।’
তিনি আরও যোগ করেন, ‘আগে এত উন্নয়নের গল্প শুনতাম, সেগুলো তো আসলে কোথায়? এখন সমস্ত চাপ আমাদের সরকারের ওপর এসেছে। জনগণের প্রত্যাশা বিশাল। আমরা চেষ্টা করছি, সেই অবস্থান থেকে উত্তরণ ঘটিয়ে ঘুরে দাঁড়াতে।’
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দুপুরে সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জনপ্রশাসন সভাকক্ষে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর প্রতিনিধি সভায় প্রধানমন্ত্রী এই কথা বলেন।
সভায় উপস্থিত ছিলেন, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, প্রধানমন্ত্রী বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য আন্না মিনজ, সংস্কৃতিকর্মী সঞ্জীব দ্রংসহ ১৭ জেলার ১৮টি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা।
সভায় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর নেতারা তাদের জন্য পৃথক ভূমি কমিশন গঠন, সমতলের আদিবাসী অনগ্রসর জনগণের জন্য জাতীয় কনভেনশন, ‘ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী’ শব্দের পরিবর্তে জাতিভিত্তিক পরিচয়ের দাবি, সাংবিধানিক স্বীকৃতি, আইনগতভাবে ভূমির মালিকানা প্রতিষ্ঠা, কেন্দ্রীয় কালচারাল সেন্টার প্রতিষ্ঠা, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য ঋণসুবিধা এবং রিজার্ভ ফরেস্টের নামে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের বসতি থেকে উচ্ছেদ বন্ধের দাবিও জানান।
এ সময়ে প্রধানমন্ত্রী মনোযোগ দিয়ে বক্তব্য শুনলেন এবং সভায় সুখী, সমৃদ্ধ ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার করেন।
তিনি বলেন, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী দেশের অবিচ্ছেদ্য অংশ। তার সরকার একটি বৈষম্যহীন দেশ গড়তে কাজ করছে। সবার জন্য প্রত্যাশিত বাংলাদেশ নির্মাণে তিনি সবাইকে নিয়ে এগিয়ে যেতে চান। কাউকে আলাদা মনে করেন না।
তিনি জানাচ্ছেন, ‘আমাদের ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে হচ্ছে। দেশের সব প্রতিষ্ঠান ও অর্থনীতি ফ্যাসিস্ট সরকার ধ্বংস করে দিয়েছে। প্রতি বছর ১৬ বিলিয়ন ডলার পাচার হত। অর্থপাচার না হলে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যেত। আমাদের সরকার যে সমস্যাগুলো নিরসনযোগ্য সেগুলো আগে সমাধান করছে।’
তারেক রহমান বলেন, ‘এখনকার যুদ্ধটা অনেক বড়। এখানে টিকে থাকতে হলে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে, এগিয়ে আসতে হবে। আমাদের দেখতে হবে, আমরা আরও ভালো অবস্থানে কীভাবে থাকতে পারি।’
দেশের সমস্যা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর মন্তব্য ছিল, ‘দেশে এত সমস্যা এখনও বিরাজমান দেখে আমি বিস্মিত হই। ১৭ বছরে এসবের সমাধান হওয়ার কথা ছিল। সে সময় এগুলো সমাধান হলে অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যেত।’
তিনি বলেন, ‘আগে এত উন্নয়নের গল্প শুনতাম, সেগুলো আসলে কোথায়? এখন সব চাপ আমাদের সরকারের ওপর। জনগণের প্রত্যাশা অনেক। আমরা চেষ্টা করছি, সেই অবস্থা থেকে উত্তরণ ঘটিয়ে ঘুরে দাঁড়াতে।’
দেশের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে ফ্যাসিস্ট সরকার ধ্বংস করে দিয়েছে। এই অবস্থা থেকে উত্তরণে সরকারের নেয়া উদ্যোগগুলোর কথাও প্রধানমন্ত্রী তুলে ধরেন।
তারেক রহমান বলেন, ‘ওরা একটি প্রজন্মকে ধ্বংস করে দিয়ে গেছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের যাত্রা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান শুরু করেছিলেন। তার সময় ৩১ শয্যার হাসপাতাল প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। এরপর যখন আমাদের সরকার ক্ষমতায় এসেছে, তখনই এর উন্নয়ন হয়েছে। বেগম খালেদা জিয়া ক্ষমতায় আসার পর সেটি ৫০ শয্যায় উন্নীত করা হয়। এখন আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, এটিকে ১০১ শয্যায় উন্নীত করার।’
তিনি অভিযোগ করেন, ‘আগের সরকার ইউনিয়নভিত্তিক কমিউনিটি স্বাস্থ্যকেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করেছিল। কিন্তু সেগুলোর কোন কার্যক্রম নেই।’
২০২৬-২৭ অর্থবছরে স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ বাড়ানো, জরুরি চিকিৎসা সামগ্রীর ওপর কর হ্রাসের বিষয়েও প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য ছিল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বর্তমান সরকার গণভোটে জনগণের দেয়া রায় বাস্তবায়ন না করে জনগণের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে বলে অভিযোগ করেছেন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দুপুরে রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার বাবনপুর গ্রামে শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত ও দোয়া মাহফিল শেষে তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন। পরে তিনি ও দলের নেতাকর্মীরা শহীদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাদের খোঁজখবর নেন।
নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর আমাদের দাবি ছিল তিনটি- বিচার, সংস্কার এবং নির্বাচন। আমরা দেখেছি নির্বাচন হয়েছে। কিন্তু বিচার ও সংস্কার বাংলাদেশের জনগণ এখনো পায়নি। আবু সাঈদ হত্যা মামলার যে রায়, তা আমরা পেয়েছি। কিন্তু সেই রায় এখনো কার্যকর হয়নি।’
তিনি বলেন, ‘গণভোটে ৭০ শতাংশ মানুষ হ্যাঁ-এর পক্ষে রায় দিয়েছে। কিন্তু বর্তমান সরকার সেই রায়ের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে। তারা গণভোটের রায় কার্যকর করছে না। তারা বলছে, জুলাই সনদ মুখে মুখে কার্যকর করবে। এটা তাদের কেবলই মৌখিক প্রতারণা। তারা বলেছিল সংবিধান সংস্কার কমিশন করবে, সেটি তারা করেনি।’
জুলাই হত্যা মামলার রায় কার্যকরের দাবি জানিয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘অনেকগুলো মামলার রায় হয়েছে। এখন বাংলাদেশের মানুষ সেই রায়গুলোর বাস্তবায়ন দেখতে চায়। শহীদ আবু সাঈদের হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনাকে সরকার যেন দ্রুত দেশে ফিরিয়ে এনে আদালতের দেয়া রায় কার্যকর করে। অন্যান্য মামলার বিচারকাজও দ্রুত শেষ করে রায় কার্যকর করা উচিত। এতে আন্দোলনে নিহতদের পরিবার ও ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিরা ন্যায়বিচার পাবেন।’
সরকার ও বিরোধী দল একসঙ্গে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করছে- মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রীর এমন বক্তব্যের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘সরকার যদি সত্যিকার অর্থে সংস্কার করতে চায়, তাহলে আমরা এই প্রশ্নে সর্বাত্মকভাবে সহযোগিতা করছি। সংস্কার, বিচার, ফ্যাসিবাদের বিলুপ্তি, বাংলাদেশের স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি ইত্যাদি প্রশ্নে আমরা সরকার ও বিরোধী দল হিসেবে দেখি না। দেশের জনগণের পক্ষে, রাষ্ট্রের পক্ষে এক কাতারে দাঁড়ানো উচিত।’
তিনি আরও বলেন, ‘কিন্তু আমরা সরকারের কোনো আচরণে সেরকম কোনো আলামত দেখতে পাচ্ছি না। ফলে গণভোটের রায়ের আলোকে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করতে হবে। তাদের নোট অব ডিসেন্টের আলোকে বাস্তবায়ন করলে সেখানে আমাদের কোনো সহযোগিতা তো থাকবেই না, কোনো অংশগ্রহণও থাকবে না।’
এ সময় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্যসচিব আখতার হোসেন, যুগ্ম আহ্বায়ক ড. আতিক মুজাহিদ, মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী, মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলমসহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনার কাছে ২-১ গোলে হেরে গিয়ে আবারও শিরোপার স্বপ্নভঙ্গ হয়েছে ইংল্যান্ডের। টুর্নামেন্টজুড়ে দলে নেতৃত্ব দেওয়া অধিনায়ক হ্যারি কেইনের সামনে এখন বড় প্রশ্ন, ২০২৬ সালের পরের বিশ্বকাপে কি দেখা যাবে তাকে?
ইংল্যান্ডের হয়ে ২০১৮ বিশ্বকাপে ক্যারিয়ার শুরু করার পর কেইন আস্থা ও বিশ্বাসের প্রতীক হয়ে উঠেছেন। সেই আসরে তার ছয়টি গোল ছিল, যা তাকে গোল্ডেন বুট এনে দেয় এবং ২৮ বছরের বিরতির পর ইংল্যান্ডকে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে নিয়ে যেতে সাহায্য করে। ২০২২ বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের পথ কোয়ার্টার-ফাইনাল পর্যন্তই থেমে যায়, আর এবার ২০২৬ বিশ্বকাপেও তাদের যাত্রা শেষ হলো সেমিফাইনালে।
ক্লাব ফুটবলে, তিনি দীর্ঘদিন ধরে টটেনহ্যামের পরিধানে ছিলেন, কিন্তু বড় কোনো শিরোপা তার হাতেনাতে আসেনি। এরপর বায়ার্ন মিউনিখে যোগ দেওয়ার মাধ্যমে তিনি প্রথমবারের মতো ট্রফি জয়ের স্বাদ পান। তবে ইংল্যান্ডের হয়ে এখনও বড় কোনো আন্তর্জাতিক শিরোপা অধরাই রয়ে গেছে।
ইউরো টুর্নামেন্টগুলোতেও কেইন একই মাত্রিক অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হয়েছেন। ২০২০ ও ২০২৪ ইউরোতে তিনি দুবার ফাইনালে উঠেছিলেন, কিন্তু ইতালি ও স্পেনের বিপক্ষে হেরে শিরোপা হাতছাড়া করে ইংল্যান্ড।
পরবর্তী বিশ্বকাপে কেইনের বয়স হবে ৩৬ বছর, তাই জাতীয় দলের হয়ে আরেকটি বিশ্বকাপে খেলার সম্ভাবনা সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে ইংলিশ অধিনায়ক সরাসরি কোনো সিদ্ধান্ত দেননি। কেইন বলেন, “এখনই আমি কিছু বলতে চাই না। তখন আমি কেমন খেলছি, শারীরিক অবস্থা কেমন থাকবে এসবের ওপর নির্ভর করবে বিশ্বকাপে খেলা।”
তবে বয়সকে বড় বাধা হিসেবে দেখছেন না তিনি। তার কথা অনুযায়ী, লিওনেল মেসির উদাহরণ টেনে, কেইন বলেন, “এই গ্রীষ্মে আমার বয়স ৩৩ হবে। মেসি ৩৯ বছর বয়সেও খেলছে এবং ভালো পারফর্ম করছে। দেখা যাক আমার ক্ষেত্রে কী হয়। আমি এখনই কোনো সীমারেখা টানতে চাই না।”
আর্জেন্টিনার বিপক্ষে সেমিফাইনালের হারটি নিয়ে হতাশা প্রকাশও করেছেন কেইন। তার মতে, ম্যাচের বেশিরভাগ সময় তারা নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখলেও শেষ পর্যন্ত জয় ধরে রাখতে পারেনি ইংল্যান্ড।
কেইন বলেন, “মনে হচ্ছে আগের টুর্নামেন্টগুলোর পুনরাবৃত্তিই হলো। ৬০ মিনিট পর্যন্ত ম্যাচ আমাদের নিয়ন্ত্রণে ছিল, কিন্তু এরপর পরিস্থিতি বদলে যায়।”
এক গোলের লিড ধরে রাখতে না পারার আক্ষেপ রয়েছে ইংল্যান্ড অধিনায়কের। তিনি বলেন, “এগিয়ে যাওয়ার পর স্বাভাবিকভাবেই লক্ষ্য থাকে ব্যবধান ধরে রাখা। কিন্তু ২০ মিনিটের মধ্যেই তারা ঘুরে দাঁড়িয়েছে। ম্যাচটা আমাদের হাতেই ছিল, কিন্তু আমরা ধরে রাখতে পারিনি।”
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের সম্ভাবনা আগামী ২০ জুলাই (সোমবার) রয়েছে। শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন সম্প্রতি একাধিক অনুষ্ঠানে এই তারিখের কথা জানান। কিন্তু, আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি এখনো নির্দিষ্ট কোনো দিনক্ষণের বিষয়ে চূড়ান্ত কিছু জানায়নি। তবে, সরকারের নির্ধারিত লক্ষ্য অনুযায়ী ফল প্রকাশের চূড়ান্ত প্রস্তুতি চলছে বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে।
রেওয়াজ অনুযায়ী, লিখিত পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে এসএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশ করা হয়ে থাকে। সেই হিসাবে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা আগামী ২০ জুলাইয়ের দিকেই নজর রাখছেন।
আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের মতে, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুসারে ফলাফল প্রস্তুতের কাজ দ্রুততার সঙ্গে এগিয়ে চলছে।
বোর্ডের একাধিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক থাকা শর্তে গণমাধ্যমে উল্লেখ করেন, ‘ফলাফল চূড়ান্ত করার কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। শিক্ষামন্ত্রীর ঘোষিত ২০ জুলাইয়ের বিষয়টি মাথায় রেখেই সকল কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। আশা করি, দিনটি অথবা তার কাছাকাছি সময়েই আমরা প্রস্তুত করা ফল প্রকাশ করতে সক্ষম হব।’
কিন্তু, ফলাফল চূড়ান্ত প্রকাশের প্রক্রিয়াটি প্রধানমন্ত্রীর সম্মতি এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করে। তাই ২০ জুলাই চূড়ান্ত দিন হবে কি না, তা আগামী দু-এক দিনের মধ্যে পরিষ্কার হবে।
চলতি বছরের ২১ এপ্রিল থেকে অনুষ্ঠিত এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় ২০ মে। অন্যদিকে, দাখিল ও ভোকেশনাল পরীক্ষার শেষ হয় ২৪ মে।
এ বছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ শিক্ষার্থী ফরম পূরণ করে। এর মধ্যে সাধারণ ৯টি শিক্ষা বোর্ডে এসএসসিতে ১৪ লাখ ১৮ হাজার ৩৯৮ জন, মাদরাসা বোর্ডে দাখিলে ৩ লাখ ৪ হাজার ২৮৬ জন এবং কারিগরি বোর্ডের অধীনে ১ লাখ ৩৪ হাজার ৬৬০ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে।
ফলাফল প্রস্তুতির অগ্রগতি নিয়ে জানতে চাইলে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান গণমাধ্যমকে জানান, ‘সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী পরীক্ষার ফল প্রস্তুতের কাজ দ্রুতগতিতে সঠিকভাবে চলছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই নির্ভুল ফলাফল প্রকাশে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’
সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে, আগামী সপ্তাহের শুরুতেই লাখ লাখ শিক্ষার্থীর দীর্ঘ প্রতীক্ষা শেষ হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় শহিদুল মুন্সী (৪৮) নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে ৪ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা করার অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়টি নিয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে ওই শিশুর নানি বাদী হয়ে কলাপাড়া থানায় দুই জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেছেন। এ ঘটনায় পুলিশ ধর্ষণ চেষ্টার সহায়তাকারী আলা মৃধা (৪৫) কে গ্রেফতার করেছে। এই ঘটনার অবতারণা বুধবার দুপুরের দিকে লালুয়া ইউনিয়নের ছোনখোলা গ্রামে ঘটে।
বৃহস্পতিবার সরেজমিনে গিয়ে পুলিশ ও ওই শিশুর পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, শিশুটির মা জীবিকার প্রয়োজনে ঢাকায় গার্মেন্টেসে চাকরি করেন এবং শিশুটি উপজেলার লালুয়া ইউনিয়নের ছোনখোলা গ্রামের তার নানির বাড়িতে থাকে। বুধবার দুপুরে শিশুটি ঘরের বাহিরে খেলাধুলা করতে বের হলে আলা মৃধা তাকে ডেকে প্রতিবেশী শহিদুলের বাড়িতে নিয়ে যায়। ঘরে কেউ না থাকার সুযোগে শহিদুল তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করে এবং বাহির থেকে আলা মৃধা পাহারা দেয়। এসময় শিশুটি ডাকচিৎকার করলে স্থানীয় লোকজন ওই ঘরে প্রবেশ করে তাকে উদ্ধার করে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে শালিস ব্যবস্থার মাধ্যমে মিমাংসার চেষ্টা করা হয় এবং শহিদুলকে পালিয়ে যেতে আলা মৃধা সহায়তা করে।
কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো নজরুল ইসলাম বলেন, ধর্ষণের চেষ্টা সংক্রান্ত সহায়তার জন্য গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। অপর আসামীকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ