এস এম সাহান, ফরিদপুর জেলা প্রতিনিধি
০৪:২৪ পি.এম
ফরিদপুরের ভাঙ্গা সরকারি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে জুনিয়র বৃত্তি-২০২৫ এবং এসএসসি-২০২৬ পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ-২০২৬-এ জেলা ও জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনকারী মেধাবী শিক্ষক ও কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে।
এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানটি রোববার (৩০ আগস্ট) বেলা ১১টায় বিদ্যালয়ের প্রাঙ্গণে আয়োজন করা হয়। একই সঙ্গে স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট ও ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং প্রোগ্রাম-২০২৬-এ জাতীয় পর্যায়ে অংশগ্রহণ করে গৌরব অর্জনকারী শিক্ষার্থীদেরও সংবর্ধনা দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য শহিদুল ইসলাম বাবুল উপস্থিত ছিলেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান, ভাঙ্গা থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. আইয়ুব মোল্লা এবং উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মোক্তার হোসেন।
প্রধান অতিথি শহিদুল ইসলাম বাবুল কৃতিত্ব অর্জনকারী মেধাবী শিক্ষক ও কৃতি শিক্ষার্থীদের হাতে ক্রেস্ট তুলে দেন।
শহিদুল ইসলাম বাবুল শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, "ভালোভাবে লেখাপড়া করে ভালো মানুষ হতে হবে এবং দেশ ও জাতির সেবায় নিজেদের নিয়োজিত করতে হবে।" তিনি সরকারি বিদ্যালয়ে পড়াশোনার সুযোগ পাওয়ায় শিক্ষার্থীদের সৌভাগ্যবান উল্লেখ করে এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে নিজেদের যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের কবিতা আবৃত্তি ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
টানা বৃষ্টি আর পাহাড়ি ঢল। সাই সাই করে নামছে উজানের পানি। মুহূর্তে প্লাবিত নিম্নাঞ্চল। ডুবে যাচ্ছে বসতঘর, ফসলসহ জমি আর সড়ক। এ যেনো চোখের সামনে সোনালি স্বপ্ন তছনছ। অসহায় কৃষাণ-কৃষানীদের যেনো কিছুই করার নেই। কোনো পূর্বভাস ছাড়াই এক রাতে পানিবন্দি রাঙামাটির বাঘাইছড়ি, লংগদু ও বিলাইছড়ি উপজেলার বেশ কয়েকটি ইউনিয়ন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সপ্তাহ ধরে কখনো মেঘ কখনো বৃষ্টি। গুঁড়ি গুঁড়ি আর ভারী বৃষ্টি ছিল রাতদিন। তাই গেলো কয়েকদিন ধরে কাপ্তাই হ্রদের পানি মারাত্মকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাই ভয়াবহ রূপ নিয়েছে রাঙামাটি কাপ্তাই হ্রদের সাথে সংযুক্ত কাচালং, মাচালং ও মাইনি নদীর পানি। প্লাবিত হয়েছে নদী তীরবর্তী বসতঘর, ফসলি জমি, গবাদি পশুর খামার। পানির স্রোতে হুমকির মুখে পড়েছে ৬টি উপজেলায় লঞ্চ চলাচল।
অন্যদিকে রাঙামাটি কাপ্তাই হ্রদের পানির চাপ বেড়েছে কর্ণফুলী জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের বাঁধে। তাই গতকাল শনিবার রাত ৮টার দিকে রাঙামাটি কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ১৬টি গেট ৬ ইঞ্চি করে খুলে দেওয়া হয়েছে। কর্ণফুলী নদীতে প্রতি সেকেন্টে পানি ছাড়া হচ্ছে ৯ হাজার কিউসেক। তবুও কমছে না কাপ্তাই হ্রদের পানি। বর্তমানে কাপ্তাই হ্রদের জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রে রুলকার্ভ অনুযায়ী পানি রয়েছে ১০৬. ২২ এমএসএল। যা বিপদসীমার খুব কাছাকাছি। কারণ ১০৯.০০ ফুট পানি ধারণক্ষমতা রয়েছে কর্ণফুলী কাপ্তাই বাঁধের। তাই বাঁধের ভারসাম্য রক্ষা করতে কর্ণফুলীতে পানি ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে।
রাঙামাটির কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মাহমুদ হাসান বলেন, জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ১৬টি জলকপাট ৬ ইঞ্চি করে খোলা হয়েছে, যাতে কাপ্তাই হ্রদ ও কর্ণফুলী নদীর পানির মধ্যে ভারসাম্য বজায় থাকে। এতে উভয় জলাধারই ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকবে না। ফলে পানির প্রবাহ স্বাভাবিক ও সমান থাকবে এবং কোথাও অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হবে না।
তিনি বলেন, জলকপাটের মাধ্যমে প্রতি সেকেন্ডে ৯ হাজার কিউসেক পানি কর্ণফুলী নদীতে ছাড়া হচ্ছে। এছাড়া, জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ৫টি ইউনিটের মাধ্যমে ৩২ হাজার কিউসেক পানি নিষ্কাশন হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট বর্তমানে একটি জাতীয় সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করেছেন প্রবাসী কল্যাণ ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর। তিনি উল্লেখ করেছেন, এই সংকট বর্তমান সরকারের সৃষ্টি নয়।
প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, এই সংকটকে কেন্দ্র করে রাজনীতি করা এবং পরিস্থিতি অস্থিতিশীল না করার জন্য সকলকে আহ্বান জানানো হচ্ছে।
আজ রবিবার দুপুরে পটুয়াখালী রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা (ইপিজেড) প্রকল্প পরিদর্শন শেষে তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন।
তিনি বলেন, 'দেশে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে কিছুটা সংকট রয়েছে। এটি একটি জাতীয় সংকট।'
তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার ছয় মাসের মধ্যে এই সংকট তৈরি করেনি। রাজনৈতিকভাবে ভুল পথে আন্দোলন করে দেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করা কারো জন্যও মঙ্গলজনক নয়।
জুলাই গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী বাংলাদেশে সরকার ও বিরোধী দলের সকলের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করা প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেন প্রতিমন্ত্রী নুর। তিনি বলেন, দেশের বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়া এমন কোনো কর্মসূচি গ্রহণ করা উচিত নয়।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দলমত নির্বিশেষে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন বলেও জানান নুরুল হক নুর। তিনি বলেন, ৫ বছরে সবকিছু পুরোপুরি পরিবর্তন করা সম্ভব না হলেও দেশকে সঠিক গন্তব্যে অনেক দূর এগিয়ে নেওয়া সম্ভব।
প্রতিমন্ত্রী জানান, স্থানীয় পর্যায়ে নেওয়া বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের প্রয়োজনীয়তা যাচাই করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে একটি সেল গঠন করা হয়েছে। যাচাই-বাছাই শেষে প্রয়োজন অনুযায়ী প্রকল্পের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সড়ক দুর্ঘটনায় দুই পক্ষের মধ্যে সমঝোতা হয়েছে, যার ফলে তাসনুভা তিশার জন্য ৩০ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ নির্ধারণ করা হয়েছে।
অভিনেত্রী তাসনুভা তিশা সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন। রবিবার (৩০ আগস্ট) রাত সাড়ে ১২টার দিকে কিশোরগঞ্জের ভৈরবের নাটাল মোড় এলাকায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে তার গাড়িতে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি পিকআপ ভ্যান আঘাত করে।
তবে এই দুর্ঘটনায় তাসনুভা তিশা এবং তার গাড়িতে থাকা অন্য কেউ আহত হননি।
তথ্য অনুযায়ী, তাসনুভা তিশা সিলেটের শ্রীমঙ্গলে নাটকের শুটিং শেষ করে ঢাকায় ফিরছিলেন। ভৈরব মেঘনা সেতু পার হওয়ার পর নাটাল মোড় এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি পিকআপ ভ্যান তার গাড়িকে সজোরে ধাক্কা দেয় এবং পরে ভৈরব ফেরিঘাটের সড়কের দিকে পালিয়ে যায়।
দুর্ঘটনার ফলে তিশার গাড়ির সামনের বাম্পারের কিছু অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
গাড়িটির নম্বর ঢাকা মেট্রো-গ-২০৮১৫১। অপরদিকে, দুর্ঘটনার পর পালিয়ে যাওয়া পিকআপ ভ্যানটির নম্বর ঢাকা মেট্রো-ম-১১২৭৯৩ বলে জানা গেছে।
হাইওয়ে পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। তবে পিকআপ ভ্যানটি তাৎক্ষণিকভাবে আটক করা সম্ভব হয়নি।
পরে স্থানীয় একটি বেকারির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ওই পিকআপ ভ্যানের মালিকপক্ষের প্রতিনিধির সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়।
দুই পক্ষের সমঝোতার ভিত্তিতে তাসনুভা তিশার গাড়ির ক্ষয়ক্ষতির জন্য ৩০ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ প্রদান করা হয়। বিষয়টি লিখিত আপসনামার মাধ্যমে সমাধান করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
দুর্ঘটনার পর তাসনুভা তিশা এবং গাড়িতে থাকা অন্যান্য যাত্রীরা প্রায় এক ঘণ্টা ঘটনাস্থলে অবস্থান করেন। পরে স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় উভয় পক্ষের মধ্যে বিষয়টির মীমাংসা হয়।
ভৈরব হাইওয়ে থানার সহকারী উপপরিদর্শক মেহেদি হাসান বলেন, ‘রাত ১২ টা ৩০ মিনিটের সময় ৯৯৯ কল পাওয়ার আগেই আমরা দুর্ঘটনাস্থানে পৌছায়। পিক-আপটিকে আমরা আটকাতে না পারলেও প্রতিনিধির মাধ্যমে যোগাযোগ করে দুই পক্ষের সমঝোতার মাধ্যমে বিষয়টি সুরহা করা হয়।’
দুর্ঘটনায় বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি না হলেও তাসনুভা তিশার গাড়ির সামনের অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সমঝোতার মাধ্যমে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার পর বিষয়টির নিষ্পত্তি করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরগুনার আমতলী- তালতলী ভায়া ফকিরহাট আঞ্চলিক সড়ক সংস্কারের ছয় মাসের মধ্যেই বেহাল অবস্থায় পড়ে গেছে। সড়কের বিভিন্ন স্থানে সৃষ্টি হয়েছে খানাখন্দ ও বড় বড় গর্ত।
দুই উপজেলার বাসিন্দারা এই সড়কের কারণে দুর্ভোগে পড়েছেন। তারা দ্রুত পুনঃসংস্কারের দাবি জানাচ্ছেন।
স্থানীয়দের মতে, আঞ্চলিক সড়কটি ঢাকা-আমতলী-কুয়াকাটা মহাসড়কের মানিকঝুড়ি বাজার থেকে কচুপাত্রা বাজার পর্যন্ত বিস্তৃত। এটি উপকূলীয় এলাকার মানুষের জন্য প্রধান সড়কপথের যোগাযোগের মাধ্যম।
নতুন করে সড়কটি দ্রুত সংস্কার করা অত্যাবশ্যক হয়ে পড়েছে।
শনিবার (২৯ আগস্ট) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, আমতলীর মানিকঝুড়ি বাজার থেকে তালতলীর কচুপাত্রা বাজার পর্যন্ত সড়কের বিভিন্ন অংশে অসংখ্য ছোট-বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। অনেক জায়গায় গর্তে পানি জমে রয়েছে। এসব গর্তের কারণে যানবাহন ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে।
ফলস্বরূপ, প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সড়কটির নির্মাণের ছয় মাসের মধ্যেই বিভিন্ন স্থানে পাথর খোয়া ও সড়কের পিচ উঠে অসংখ্য খানাখন্দ সৃষ্টি হয়েছে। তারা দাবি করছেন, নির্মাণের সময় নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার এবং কার্যাদেশ অনুযায়ী কাজ না করায় সড়কটি দ্রুত বেহাল হয়ে পড়েছে।
উপজেলা এলজিইডি কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২১-২২ অর্থবছরের অক্টোবর মাসে আমতলীর মানিকঝুড়ি বাজার থেকে তালতলীর কচুপাত্রা বাজার সেতু পর্যন্ত সড়ক সংস্কারের জন্য তিনটি প্যাকেজে দরপত্র আহ্বান করা হয়। বার্ষিক জিওবি মেইনটেন্যান্স প্রকল্পের আওতায় ৮ কোটি ৪৩ লাখ টাকা ব্যয় ধরে ৮ দশমিক ৪ কিলোমিটার সড়কটি সংস্কারের কাজ পান বরগুনার ঠিকাদার মো. ছগির হোসেন।
কাজ শুরু হয় ২০২৪ সালের মাঝামাঝিতে এবং ওই বছরের শেষের দিকে কাজ শেষ হয়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সড়কটির সংস্কারের কাজে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করায় কাজ শেষ হওয়ার কয়েক মাসের মধ্যেই সড়কের বিভিন্ন স্থানে পিচ ও ইট পাথরের খোয়া বের হয়ে অসংখ্য গর্ত ও খানাখন্দ সৃষ্টি হতে থাকে। তারা জানান, মাস খানেক আগে বাস মালিকরা নিজ উদ্যোগে ওই সড়কে সৃষ্টি হওয়া গর্তে ইটের সুরকি ফেলে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করেন।
বাসচালক রুহুল আমিন বলেন, "সড়ক নির্মাণের অল্পদিনের মধ্যেই তা ভাঙতে শুরু করে। এক বছর ধরে ঝুঁকি নিয়ে এ সড়কে চলাচল করছি। এটি এখন আর সড়ক নেই। যেভাবে গর্ত আর খানাখন্দ সৃষ্টি হয়েছে তা দূর থেকে দেখলে মনে হয় ছোটখাটো পুকুর।"
আড়পাঙ্গাশিয়া গ্রামের বাসিন্দা সরোয়ার হাওলাদার বলেন, "সড়ক নির্মাণের সময় নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করা হয়েছে। কার্যাদেশ অনুযায়ী কাজ না করার কারণেই অল্প সময়ের মধ্যে সড়কটি নষ্ট হয়ে গেছে। কাজের মান যাচাই করে অনিয়মের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি।"
তবে সড়ক নির্মাণকারী ঠিকাদার মো. ছগির হোসেন অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেন, "ধারণক্ষমতার চেয়ে বেশি ভারি যানবাহন চলাচল করায় সড়কটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তবে অতিবৃষ্টির কারণে সড়কটির ক্ষতি হয়েছে বেশি।"
আমতলী উপজেলা প্রকৌশলী মো. ইদ্রিস আলী বলেন, "সড়কটি খানাখন্দে ভরে গেছে, তবে বরাদ্দ পাওয়া গেছে। সংস্কারের জন্য শিগগির দরপত্র আহ্বান করা হবে।"
এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মেহেদী হাসান খান জানান, "আমার বরগুনা জেলায় যোগদানের আগেই সড়কটির সংস্কারের কাজ শেষ হয়। বিষয়টি নিয়ে প্রকল্প পরিচালকের সঙ্গে কথা বলেছি। চলতি অর্থবছরেই সড়কটি ফের সংস্কারের কাজ শুরু হবে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ