ঢাকা শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

শেরপুরে ড্রামে নারীর লাশ পরিচয় শনাক্ত করেছে পিবিআই


শেরপুরে ড্রামে নারীর লাশ পরিচয় শনাক্ত করেছে পিবিআই

 

শেরপুরের শ্রীবরদীতে খালের ভেতর ড্রামবন্দী অবস্থায় উদ্ধার হওয়া এক নারীর পরিচয় শনাক্ত করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। নিহত নারীর নাম ঝিনুক (২৮)। তিনি গাজীপুরের টঙ্গী এলাকার শাকিলের মেয়ে।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে শ্রীবরদী উপজেলার কুড়িকাহনীয়া ইউনিয়নের কুড়িকাহনীয়া বাজারসংলগ্ন সেতুর নিচে কুটেমনি খাল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

আরও পড়ুন: ৩নং বড়দল দক্ষিণ ইউনিয়নবাসীর আমৃত্যু সেবক হয়ে কাজ করতে চান,চেয়ারম্যান প্রার্থী মোঃ নাসির মিয়া

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সকালে সেতু দিয়ে চলাচলের সময় কয়েকজন পথচারী খালের মধ্যে একটি ড্রাম দেখতে পান। ড্রামের মুখ খোলা থাকায় তারা ভেতরে মানুষের শরীরের অংশ দেখতে পেয়ে কাছে যান। পরে এক নারীর মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে শ্রীবরদী থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।

পরে মরদেহের পরিচয় শনাক্তের কাজ শুরু করে পিবিআই। প্রযুক্তির সহায়তায় বায়োমেট্রিক পদ্ধতি ব্যবহার করে নিহত নারীর পরিচয় নিশ্চিত করা হয়।

ফেসবুকে ‘পিস্তলের’ ভিডিও দিলেন এনসিপি নেতা, মুহূর্তেই ভাইরাল

মরদেহের মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, ওই নারীকে হত্যার পর মরদেহ ড্রামে ভরে সেতুর নিচে ফেলে রাখা হয়েছে।

আরও পড়ুন: ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করলেন আলফাডাঙ্গা এনসিপির যুগ্ম সদস্যসচিব মিলন মোল্লা

শেরপুর ও জামালপুর জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার পংকজ দত্ত বলেন, প্রাথমিকভাবে এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলেই মনে হচ্ছে। পিবিআই বায়োমেট্রিক ডিভাইসের সাহায্যে নিহতের পরিচয় শনাক্ত করেছে। তার ঠিকানা গাজীপুরের টঙ্গী এলাকায় হলেও সেখানে গিয়ে স্বজনদের পাওয়া যায়নি। তবে তারা দীর্ঘদিন ধরে ওই ঠিকানায় থাকেন না। দ্রুতই নিহতের পরিবারের সন্ধান মিলবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এ ঘটনায় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা এবং জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে পুলিশ ও পিবিআই তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশিদের জন্য ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করার আশ্বাস ভারতীয় হাইকমিশনারের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৪৫ পি.এম


বাংলাদেশিদের জন্য ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করার আশ্বাস ভারতীয় হাইকমিশনারের

ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বাংলাদেশিদের জন্য ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করার বিষয়ে আশ্বাস প্রদান করেছেন।

তিনি উল্লেখ করেন, "চিকিৎসার জন্য ভারতে যেতে ইচ্ছুক রোগীরা যেন সহজে ভিসা পান, সে উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।"

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টায় রাজধানীর বারিধারায় ভারতীয় হাইকমিশনের সম্মেলনকক্ষে ‘ইন্ডিয়ান মিডিয়া করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ’র (ইমক্যাব) প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এই কথা বলেন।

সংগঠনটির সভাপতি শাহীন চৌধুরীর নেতৃত্বে সাধারণ সম্পাদক মাসুম বিল্লাহসহ নির্বাহী কমিটির ১০ সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

এসময় ইমক্যাবের প্রতিনিধিরা ভারতীয় ভিসা পেতে বাংলাদেশিদের বিভিন্ন সমস্যার বিষয়টি তুলে ধরেন। দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, "ভিসা পেতে ভোগান্তির বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে চিকিৎসার জন্য ভারতে যেতে ইচ্ছুক রোগীদের ভিসা পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।"

তিনি আরও জানান, "অনলাইনে ভিসার আবেদন জমা দেওয়ার পর সরাসরি আবেদন জমা দেওয়ার জন্য নির্ধারিত স্লট পেতে কেন দেরি হচ্ছে, তা বোঝার চেষ্টা করছে ভারতীয় হাইকমিশন। শিগগিরই এ সমস্যার সমাধান হবে বলে তিনি আশা করছেন।"

তিনি বলেন, "বাংলাদেশ-ভারতের লোকদের মধ্যে যাতায়াত যত বাড়বে, পারস্পরিক বন্ধুত্ব ও সম্পর্কও তত গভীর হবে।"

এসময় ইমক্যাবের বাসুদেব ধর, কুদ্দুস আফ্রাদ, মীর আফরোজ জামান, আবু আলী, আমিনুল হক ভূঁইয়া, নির্মল চক্রবর্তী, জাকির হোসেন ও মনির হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

এ ছাড়াও ভারতীয় হাইকমিশনের প্রথম সচিব গোকুল ভিকে উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গোলাম আযমের অবদানকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করবে জাতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৪৬ পি.এম


গোলাম আযমের অবদানকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করবে জাতি

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমির অধ্যাপক গোলাম আযমের দ্বাদশ শাহাদাতবার্ষিকী শুক্রবার পালিত হবে। এই উপলক্ষে বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান একটি বিবৃতি প্রদান করেছেন।

বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে তিনি উল্লেখ করেন, “উপমহাদেশের উজ্জ্বল নক্ষত্র, ইসলামী আন্দোলনের নিবেদিতপ্রাণ এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমির অধ্যাপক গোলাম আযমের দ্বাদশ শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে মহান রবের কাছে তার মাগফিরাত কামনা করছি ও তাকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি।”

বিবৃতিতে তিনি আরও বলেন, বিশ্বনন্দিত ইসলামী চিন্তাবিদ, অসংখ্য বইয়ের লেখক, ইসলামী আন্দোলনের প্রাণপুরুষ ও জামায়াতের সাবেক আমির অধ্যাপক গোলাম আযমকে বাংলার এ জমিনে পাঠিয়ে মহান আল্লাহ দ্বীনের দাওয়াতকে প্রসারিত করার দায়িত্ব পালন করিয়েছেন। তিনি শত প্রতিকূলতা, বাধা-বিপত্তি ও জুলুমের শিকার হয়েও মাথানত না করে দাঈ হিসেবে জীবনকাল অতিক্রান্ত করেছেন। মহান আল্লাহ তাআলার কাছে ফরিয়াদ করছি—তিনি যেন তার সমস্ত ভালো প্রচেষ্টা কবুল করেন এবং ভুলত্রুটি ক্ষমা করে জান্নাতের উচ্চ মাকাম দান করেন। আমিন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, তার জীবনকালটি ছিল শিক্ষার ও বর্তমান সময়ের জন্য গবেষণার। তিনি রাজনৈতিক জীবনে মানুষের অধিকার আদায়ে ছিলেন সোচ্চার, অন্যায়ের বিরুদ্ধে ছিলেন আপসহীন আর বাতিলের জন্য ছিলেন চ্যালেঞ্জস্বরূপ। নিজের বর্ণাঢ্য শিক্ষাজীবন, রাজনৈতিক জীবন ও পেশাগত জীবনে তিনি সেই স্বাক্ষর রেখে গেছেন এবং অনুসরণীয় হয়ে রয়েছেন। ইসলামী মূল্যবোধসম্পন্ন এবং ইনসাফভিত্তিক সমাজ ও দেশ গঠনে তার অবদানকে জাতি শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করবে।

তিনি বলেন, নাগরিকদের অধিকার রক্ষায় তিনি ছাত্রজীবনে ভাষা আন্দোলনে যোগ দেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) জেনারেল সেক্রেটারি (জিএস) নির্বাচিত হয়ে শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ে দায়িত্ব পালন করেন। পরে তিনি তমদ্দুন মজলিসে যোগ দিয়ে সামাজিক ও রাজনৈতিক কাজে জড়িয়ে পড়েন। পূর্ব পাকিস্তান ও বর্তমান বাংলাদেশের মানুষের জীবনের মানোন্নয়নে নিজেকে বিলিয়ে দিয়ে ফ্যাসিস্ট স্বৈরশাসক ও তাদের দোসরদের শত অত্যাচার-নির্যাতন ও অপবাদ সহ্য করেছেন ইসলামী আন্দোলনের এ মজলুম দাঈ।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফর্মুলা”র রূপকার অধ্যাপক গোলাম আযম। বাংলাদেশে সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য তিনি ১৯৮৩ সালে সর্বপ্রথম এ ফর্মুলা উপস্থাপন করেন। ১৯৯৬ সালে তার পূর্ববর্তী প্রস্তাবমতে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার সংবিধানে ‘তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফর্মুলা’ সংযোজন করে। তার প্রণীত এই ফর্মুলা শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তানসহ পৃথিবীর অনেক দেশ গ্রহণ করেছে।

তিনি বলেন, অধ্যাপক গোলাম আযমের দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলায় জামায়াতে ইসলামী সমৃদ্ধ হয়েছে; উপমহাদেশে, বিশেষ করে বাংলাদেশে ইসলামী আন্দোলনের উর্বর ক্ষেত্র প্রস্তুত হয়েছে। তিনি ১৯৫৪ সালের এপ্রিলে জামায়াতে ইসলামীতে সহযোগী (মুত্তাফিক) হিসেবে যোগ দেন। ১৯৫৫ সালের জুন মাসে তিনি রাজশাহী বিভাগীয় জামায়াতের সেক্রেটারি নিযুক্ত হন। এর এক বছর পর তাকে পূর্ব পাকিস্তান জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি এবং রাজশাহী বিভাগীয় জামায়াতের আমিরের দায়িত্ব অর্পণ করা হয়। ১৯৬২ সাল পর্যন্ত তিনি এ দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৬৯–৭১ সেশনে তিনি জামায়াতে ইসলামী পূর্ব পাকিস্তানের আমির নির্বাচিত হন। সর্বশেষ ২০০০ সালের ডিসেম্বরে মজলিসে শূরার কাছে বিশেষ আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে জামায়াতের আমিরের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি লাভ করেন তিনি।

বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, অধ্যাপক গোলাম আযমের দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে কারাভোগের সময়কাল ও জুলুমের শিকার হওয়ার ইতিহাস বেশ দীর্ঘ। ৯২ বছরের জীবনে তিনি পাঁচবার কারাভোগ করেছেন—ভাষা আন্দোলনের সময় দুইবার, ১৯৬৪ সালে একবার, ১৯৯২ সালে একবার এবং সর্বশেষ ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ শাসনের সময় ২০১২ সালের ১১ জানুয়ারি তিনি গ্রেপ্তার হন। প্রিজন সেলে থাকা অবস্থায় ২০১৪ সালের ২৩ অক্টোবর নশ্বর পৃথিবী ছেড়ে অনন্ত সুন্দর জীবনে চলে গেছেন এ দাঈ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নাসিরনগরে দুই বছর ধরে নিখোঁজ মাওলানা আজিজুল হক, সন্ধান চায় পরিবার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ শরীফ উদ্দিন: ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৪৭ পি.এম


নাসিরনগরে দুই বছর ধরে নিখোঁজ মাওলানা আজিজুল হক, সন্ধান চায় পরিবার

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলায় প্রায় দুই বছর ধরে নিখোঁজ রয়েছেন মাওলানা আজিজুল হক ওরফে জানু মিয়া (৬০)। পরিবারের দাবি, ২০২৪ সালের পবিত্র ঈদুল ফিতরের চার দিন পর কাউকে কিছু না জানিয়ে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর থেকে তাঁর আর কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।

নিখোঁজ আজিজুল হক নাসিরনগর উপজেলার বাসিন্দা। তাঁর বাবার নাম মৃত আব্দুল মান্নান মনা মিয়া। তিনি হরিপুর ইউনিয়ন তাবলীগের আমির এনামুল হক রানার বড় ভাই বলে পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে।

পরিবারের সদস্যরা জানান, বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর আত্মীয়স্বজন ও পরিচিতজনদের কাছে খোঁজ নিয়েও তাঁর সন্ধান পাওয়া যায়নি। দীর্ঘ সময় পার হয়ে গেলেও তাঁর কোনো খোঁজ না মেলায় উদ্বেগে দিন কাটাচ্ছে পরিবার।

পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কোনো সহৃদয় ব্যক্তি মাওলানা আজিজুল হক জানু মিয়ার সন্ধান পেলে নিচের মোবাইল নম্বরে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হচ্ছে।

যোগাযোগ: ০১৩২৮-০৩৪০৩৩

নিখোঁজ ব্যক্তিকে খুঁজে পেতে তাঁর ছবি ও এ সংবাদটি বেশি বেশি শেয়ার করার জন্য সবার প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে পরিবার। তাঁর সন্ধান পেলে পরিবারকে জানিয়ে সহযোগিতা করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে শিশু চুরির সন্দেহে পিটিয়ে হত্যা, গ্রেফতার ১

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:২০ পি.এম


সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে শিশু চুরির সন্দেহে পিটিয়ে হত্যা, গ্রেফতার ১

রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শিশু চুরির সন্দেহে অজ্ঞাত পরিচয় এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। পুলিশ সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে একজনকে গ্রেফতার করেছে এই ঘটনার প্রেক্ষিতে।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনে এই ঘটনাটি ঘটে।

শেরেবাংলা নগর থানা পুলিশ জানায়, শিশু ওয়ার্ড থেকে বাচ্চা চুরির সন্দেহে অজ্ঞাত ওই ব্যক্তিকে ২-৩ জন মিলে মারাত্মকভাবে পিটিয়ে আহত করে। পরে তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় জরুরি বিভাগের সামনে ফেলে রেখে চলে যায় তারা।

জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল পাওয়ার পর শেরেবাংলা নগর থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। এরপর হাসপাতালের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে তারা মো. মোস্তাফিজুর রহমান ওরফে অয়ন নামের একজনকে গ্রেফতার করে। তার গ্রামের বাড়ি চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার উত্তর রাজাপুরে অবস্থিত। বর্তমানে তিনি ঢাকার কাফরুল থানার সেনপাড়া পর্বত এলাকার একটি বাসায় বসবাস করছেন।

পুলিশ আরও জানায়, নিহত ব্যক্তির পরিচয় এখনো জানা যায়নি। লাশটি উদ্ধার করা হয়েছে এবং ঘটনায় জড়িত অজ্ঞাতনামা অন্য ব্যক্তিদের গ্রেফতারের জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৫
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৫
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%