ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

পুলিশের ওপর দলবেঁধে হামলা, আহত ৫ সদস্য


পুলিশের ওপর দলবেঁধে হামলা, আহত ৫ সদস্য

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে ঝগড়া থামাতে গিয়ে পুলিশের সদস্যরা হামলার শিকার হয়েছেন। এতে আহত পুলিশ সদস্যের সংখ্যা চার।

গত রবিবার (২ আগস্ট) দিবাগত রাত ৩টায় উপজেলার ছয়ফুল্লাকান্দি ইউনিয়নের মাছিমনগর গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে।

আহত পুলিশ সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন বাঞ্ছারামপুর থানার পুলিশ কনস্টেবল মো. ফরহাদ হোসেন, এমদাদুল হক, সাইফুল আলম ও হোসনে মোবারক। এর সঙ্গে রেজন মিয়া নামে এক বৃদ্ধ গুরুতর আহত হয়েছেন। ঘটনার পর চিকিৎসার জন্য আহত পুলিশ সদস্যরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গেছেন।

আরও পড়ুন: ঈশ্বরদীতে আমির হামজার তাফসির মাহফিল সম্পন্ন, রাজনৈতিক উত্তেজনা উপেক্ষা

বাঞ্ছারামপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মোহাম্মদ ইয়াসিন মন্তব্য করেন, ২৯ জুলাই মাছিমনগর গ্রামে হযরত শাহ রাহাত আলীর (রা.) বার্ষিক ওরশ শুরু হয়। উক্ত ওরশে স্থানীয় মনির হোসেন নামে এক ব্যক্তি তার দোকানের জন্য রেজন মিয়ার কাছ থেকে জেনারেটরের বিদ্যুতের সংযোগ ভাড়া নিয়েছিলেন। রবিবার রাতে বিল পরিশোধ নিয়ে মনির ও রাজন মিয়ার মধ্যে কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে।

জেনারেটর চালক রেজন মিয়া বলেন, ওরশে মামুন বাহিনীর ৮/১০ জন মদ খেয়ে পুলিশের উপর হামলা করে। পুলিশ সদস্যদের রক্ষা করতে গেলে আমাকেও বেদম মারধর করা হয়।

বাঞ্ছারামপুর মডেল থানার সূত্র জানায়, পুলিশের ওপর হামলা ও আহত হওয়া ঘটনায় ১৫ জনকে এবং অজ্ঞাত আরো ৫০/৬০ জনকে আসামি করে মামলা করা হয়েছে।

জেলা পুলিশ সুপার শাহ মোহাম্মদ আব্দুর রউফ বলেন, এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। অপরাধীরা পালিয়ে রক্ষা পাবে না। পুলিশ এ বিষয়ে কঠোর পদক্ষেপ নেবে।

আরও পড়ুন: লালপুরে মাদকবিরোধী অভিযানে ৯০ পিস ইয়াবাসহ স্বামী-স্ত্রী গ্রেপ্তার

ওরশ কমিটির সভাপতি এবং বাঞ্ছারামপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার তারিকুল ইসলাম বলেন, এটি একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা। নেশা করে পুলিশের উপর হামলা, এটি অগ্রহণযোগ্য। পুলিশ তার আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে।

অভিযুক্ত একাধিক ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাদের মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পদ্মা ব্যারাজ শুধুমাত্র অবকাঠামো নয়, এটি সমন্বিত পানি ব্যবস্থাপনার একটি অংশ: অর্থ উপদেষ্টা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:৫৯ পি.এম


পদ্মা ব্যারাজ শুধুমাত্র অবকাঠামো নয়, এটি সমন্বিত পানি ব্যবস্থাপনার একটি অংশ: অর্থ উপদেষ্টা

বাংলাদেশের পদ্মা ব্যারাজের উন্নয়ন পরিকল্পনা দেশের প্রযুক্তি এবং জনগণের বাস্তব চাহিদার ভিত্তিতে তৈরি হয়েছে, বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।

তিনি জানিয়েছেন, পদ্মা ব্যারাজকে শুধুমাত্র একটি অবকাঠামোগত উন্নয়ন প্রকল্প হিসেবে না দেখে, বরং এটি পরিবেশ, জনগণ এবং নদীকে সমন্বয় করে গড়ে ওঠা একটি সমন্বিত পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনার অংশ হিসেবে ভাবা উচিত।

সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘পদ্মা ব্যারাজ: সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় এসব কথা বলেন তিনি। এই নীতিসংক্রান্ত সংলাপের আয়োজন করে ইনস্টিটিউট ফর গ্লোবাল কো-অপারেশন ফাউন্ডেশন (আইজিসিএফ)।

ড. তিতুমীর দেশের পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনার ইতিহাস এবং রাজনৈতিক সদিচ্ছার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে বলেন, ১৯৭৭ সালে গঙ্গা চুক্তির মাধ্যমে নদী ও পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনায় প্রথম বাস্তবসম্মত ও যুগান্তকারী উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছিল। তবে পরে দীর্ঘদিন এ খাতে স্থবিরতা সৃষ্টি হয়েছিল। তিনি যোগ করেন, ২০২৬ সালে বর্তমান সরকার জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী নতুন একটি যাত্রার সূচনা করেছে।

তিনি বলেন, স্থানীয় জনগণের দাবি ও পরিবেশগত বাস্তবতা বিচার করে প্রধানমন্ত্রী সরাসরি নির্দেশনায় প্রকল্পের নকশায় কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হয়েছে।

ড. তিতুমীর বাংলাদেশের ভূগোল হিসেবে ভাটির দেশের বাস্তবতা তুলে ধরে বলেন, উজানের নদীগুলোতে বর্তমানে প্রায় ৯৪২টি পানি নিয়ন্ত্রণ অবকাঠামো বিদ্যমান। এ সময়ে বাংলাদেশকে ভাটির দেশের ন্যায্য হিস্যা ও আন্তর্জাতিক অধিকার আদায়ের জন্য সুনির্দিষ্ট তথ্যসহ এগোতে হবে। তিনি জানান, আন্তর্জাতিক আইনের আলোকে ন্যায়বিচার ও ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই সরকারের নীতি-কৌশল নির্ধারণ করা হবে।

তিনি আরো বলেন, একটি গণতান্ত্রিক সরকার হিসেবে নাগরিক সমাজ এবং বিশেষজ্ঞদের গঠনমূলক সমালোচনাকে সরকার সবসময় ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করে।

গোলটেবিল আলোচনায় জানানো হয়, পদ্মা ব্যারাজ বাস্তবায়িত হলে প্রায় ২,৯০০ মিলিয়ন ঘনমিটার পানি সংরক্ষণ করা সম্ভব হবে, যা শুষ্ক মৌসুমে পানির সংকট কমাতে সহায়তা করবে। একইসঙ্গে প্রকল্পটি থেকে প্রায় ১১৩ মেগাওয়াট পরিবেশবান্ধব জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের সুযোগ সৃষ্টি হবে। এছাড়া ব্যারাজকে কেন্দ্র করে সাতটি আধুনিক ও পরিবেশবান্ধব টাউনশিপ গড়ে তোলার পরিকল্পনাও রয়েছে।

দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের পরিবেশগত সংকটের কথা উল্লেখ করে ড. তিতুমীর বলেন, সাতক্ষীরা, খুলনা ও বাগেরহাটে লবণাক্ততা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে গেছে এবং সুপেয় পানির প্রবল সংকট দেখা দিয়েছে।

তিনি বলেন, মিঠা পানির প্রবাহ বাড়িয়ে সুন্দরবনের ভারসাম্যপূর্ণ বাস্তুতন্ত্র, বনাঞ্চল এবং জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সরকারের অগ্রাধিকার রয়েছে। এছাড়া গড়াই, মাথাভাঙা, মধুমতি, চন্দনা ও ইছামতী নদী ব্যবস্থার পুনরুজ্জীবনের মাধ্যমে যশোরের ভবদহসহ বিভিন্ন অঞ্চলের জলাবদ্ধতা নিরসনের পরিকল্পনাও রয়েছে।

কৃষি ও অর্থনীতিতে প্রকল্পটির সম্ভাব্য প্রভাব সম্পর্কে তিনি বলেন, পদ্মা ব্যারাজের মাধ্যমে বৃহত্তর কুষ্টিয়া, ফরিদপুর, যশোর, খুলনা, বরিশাল, পাবনা ও রাজশাহী অঞ্চলের প্রায় ৪৬ লাখ ৯০ হাজার হেক্টর জমিতে সেচ সুবিধার সম্ভাবনা রয়েছে। এতে দেশের খাদ্য নিরাপত্তা আরো শক্তিশালী হবে। প্রকল্পের জাতীয় মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) অবদানও প্রায় শূন্য দশমিক ৫ থেকে ১ শতাংশ হতে পারে।

এ প্রকল্পটি ২০৩৩ সালে সম্পূর্ণ শেষ হওয়ার কথা, তবে ২০২৯ সালের মধ্যে প্রথম ধাপের কাজের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. বুলবুল সিদ্দিকীর সঞ্চালনায় গোলটেবিল আলোচনায় প্রকল্পের কারিগরি, পরিবেশগত এবং টেকসই উন্নয়নের বিভিন্ন দিক নিয়ে অংশগ্রহণকারীরা মতামত প্রদান করেন। এতে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, গবেষক, পানি বিশেষজ্ঞ এবং জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকরা বক্তব্য রাখেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বরিশালে বোমা বিস্ফোরণ, প্রান বাঁচতে নদীতে ঝাঁপ; একই পরিবারের শিশু সহ আহত -৩ জন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ সানি

সোমবার, ৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:০৩ পি.এম


বরিশালে বোমা বিস্ফোরণ, প্রান বাঁচতে নদীতে ঝাঁপ; একই পরিবারের শিশু সহ আহত -৩ জন

বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার ভরপাশা ইউনিয়নের দুধলমৌ গ্রামে বাড়ির আঙিনায় রহস্যজনক বোমা বিস্ফোরণে একই পরিবারের তিনজন গুরুতর আহত হয়েছেন। বিস্ফোরণের পর শরীরে আগুন ধরে গেলে প্রাণ বাঁচাতে তারা পাশের পায়রা নদীতে ঝাঁপ দেন।

সোমবার (৩ আগস্ট) সকাল ৬ টার দিকে ভরপাশা ইউনিয়ন পরিষদের পেছনে মৃত শাহা আলম হাওলাদারের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন শাহা আলম হাওলাদারের স্ত্রী হনুফা বেগম (৬০), ছোট মেয়ে ইতি আক্তার (১৯) এবং মেজো মেয়ের ছেলে ফাহিম (১৪)।

স্বজন ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বাড়ির পরিত্যক্ত লাকড়ি রাখার ঘরের এক কোণে বস্তাভরা বালির স্তূপের উপর রাখা একটি বোমা হঠাৎ বিস্ফোরিত হয়। এ সময় বাড়ির উঠানে হাঁটাহাঁটি করছিলেন হনুফা বেগম, তার মেয়ে ও নাতি। বিস্ফোরণের সঙ্গে সঙ্গে আগুনে তাদের শরীরের বিভিন্ন অংশ ঝলসে যায়। প্রাণ বাঁচাতে তারা বাড়ির পাশের তুলাতলা নদীতে ঝাঁপ দেন।

শাহ আলম হাওলাদারের ছেলে জামাল বলেন, ঘরের পাশে থাকা বালুর বস্তার মধ্যে একটি বোমা বিস্ফোরণ হয়। ঘটনাস্থলে আমার মা সহ বোন ভাগিনার শরীরে আগুন ধরে যায়। ঘরের সামনে থাকা তুলাতলা নদীতে তারা ঝাঁপিয়ে পড়ে। ততক্ষণে তাদের শরীরের সব কাপড় পুড়ে যায়। গুরুতর অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেয়া হয়েছে। তবে বোমা কোথা থেকে আসলো এ বিষয়ে আমাদের কিছুই জানা নেই।

স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে প্রথমে বাকেরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে আহতদের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।

বাকেরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. তারিকুল জানান, আহতদের শরীরের বিভিন্ন স্থানে দগ্ধের ক্ষত রয়েছে। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে।

বাকেরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আদিল হোসেন বলেন, দুধলমৌ গ্রামে বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় তিনজন আহত হয়েছেন। তারা বর্তমানে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। কে বা কারা এবং কী উদ্দেশ্যে বোমাটি সেখানে রেখে গেছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বরিশাল জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. আলাউল হাসান ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে বলেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। ঢাকার বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটকে খবর দেওয়া হয়েছে। বিশেষজ্ঞ দল ঘটনাস্থল পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে এটি কী ধরনের বিস্ফোরক ছিল এবং কীভাবে বিস্ফোরণ ঘটেছে, সে বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য জানাতে পারবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগের গীতাঞ্জলি স্টুডিও পরিদর্শন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সাব্বির হাসনাত, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

সোমবার, ৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:০৬ পি.এম


রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগের গীতাঞ্জলি স্টুডিও পরিদর্শন

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগের গীতাঞ্জলি স্টুডিওকে পরিদর্শন করেন রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক তাহ্‌মিনা আখতার। এছাড়া মাননীয় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আবদুস সোবাহান এবং মাননীয় ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মো. জাহাঙ্গীর হোসেনও এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

পরিদর্শনকালে সংগীত বিভাগের পক্ষ থেকে মাননীয় উপাচার্য, মাননীয় উপ-উপাচার্য এবং মাননীয় ট্রেজারার মহোদয়কে বিভাগের চেয়ারম্যান জনাব দেবশ্রী দোলন ফুলেল শুভেচ্ছা জানান।

এছাড়া সংগীত বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. মো. রওশন আলম, প্রভাষক মোঃ বুলবুল আহমেদ, মোঃ বাবুল হোসাইন, তুষার মাহমুদ, সানিতা তাবাসসুম, হুরুন্নাহার ইতি এবং বিভাগের কর্মকর্তাবৃন্দও পরিদর্শনে উপস্থিত ছিলেন।

পরিদর্শনের এক পর্যায়ে সংগীত বিভাগের শিক্ষকগণ মাননীয় উপাচার্য, মাননীয় উপ-উপাচার্য এবং মাননীয় ট্রেজারার মহোদয়ের সম্মানে সংগীত পরিবেশন করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জলাবদ্ধতা নিরসনে ড্রেন পরিষ্কার কার্যক্রম পরিদর্শনে রাসিক প্রশাসক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মাসুদ রানা রাব্বানী, রাজশাহী

সোমবার, ৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:০৮ পি.এম


জলাবদ্ধতা নিরসনে ড্রেন পরিষ্কার কার্যক্রম পরিদর্শনে রাসিক প্রশাসক

বর্ষা মৌসুমে নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসন এবং দ্রুত পানি নিষ্কাশন নিশ্চিত করতে চলমান ড্রেন পরিষ্কার কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের (রাসিক) প্রশাসক মোঃ মাহফুজুর রহমান রিটন।
সোমবার সকালে নগরভবনের সামনের ড্রেনে জমে থাকা কাদামাটি ও ময়লা-আবর্জনা অপসারণ কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শন করেন তিনি। এ সময় রাসিকের পরিচ্ছন্ন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে কথা বলে জলাবদ্ধতা প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম আরও জোরদারের নির্দেশনা দেন।
পরিদর্শনকালে প্রশাসক নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ড্রেনে যত্রতত্র বর্জ্য ও আবর্জনা না ফেললে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা সচল থাকবে এবং জলাবদ্ধতার ঝুঁকি অনেকাংশে কমে আসবে।
রাসিকের তথ্য অনুযায়ী, চলমান ড্রেন পরিষ্কার কার্যক্রমের ফলে আগের তুলনায় বৃষ্টির পানি দ্রুত নিষ্কাশিত হচ্ছে। পরিচ্ছন্ন বিভাগের কর্মীদের ধারাবাহিক প্রচেষ্টায় নগরীর বিভিন্ন এলাকায় ড্রেন থেকে কাদামাটি ও বর্জ্য অপসারণের কাজ অব্যাহত রয়েছে।
এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তারা জলাবদ্ধতা নিরসনে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করায় রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রতি সন্তোষ প্রকাশ করেন।
পরিদর্শনকালে রাসিকের পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা (মনিটরিং-মশক) জুবায়ের হোসেন মুন, পরিচ্ছন্ন বিভাগের সুপারভাইজার এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%