প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে ঝগড়া থামাতে গিয়ে পুলিশের সদস্যরা হামলার শিকার হয়েছেন। এতে আহত পুলিশ সদস্যের সংখ্যা চার।
গত রবিবার (২ আগস্ট) দিবাগত রাত ৩টায় উপজেলার ছয়ফুল্লাকান্দি ইউনিয়নের মাছিমনগর গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে।
আহত পুলিশ সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন বাঞ্ছারামপুর থানার পুলিশ কনস্টেবল মো. ফরহাদ হোসেন, এমদাদুল হক, সাইফুল আলম ও হোসনে মোবারক। এর সঙ্গে রেজন মিয়া নামে এক বৃদ্ধ গুরুতর আহত হয়েছেন। ঘটনার পর চিকিৎসার জন্য আহত পুলিশ সদস্যরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গেছেন।
বাঞ্ছারামপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মোহাম্মদ ইয়াসিন মন্তব্য করেন, ২৯ জুলাই মাছিমনগর গ্রামে হযরত শাহ রাহাত আলীর (রা.) বার্ষিক ওরশ শুরু হয়। উক্ত ওরশে স্থানীয় মনির হোসেন নামে এক ব্যক্তি তার দোকানের জন্য রেজন মিয়ার কাছ থেকে জেনারেটরের বিদ্যুতের সংযোগ ভাড়া নিয়েছিলেন। রবিবার রাতে বিল পরিশোধ নিয়ে মনির ও রাজন মিয়ার মধ্যে কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে।
জেনারেটর চালক রেজন মিয়া বলেন, ওরশে মামুন বাহিনীর ৮/১০ জন মদ খেয়ে পুলিশের উপর হামলা করে। পুলিশ সদস্যদের রক্ষা করতে গেলে আমাকেও বেদম মারধর করা হয়।
বাঞ্ছারামপুর মডেল থানার সূত্র জানায়, পুলিশের ওপর হামলা ও আহত হওয়া ঘটনায় ১৫ জনকে এবং অজ্ঞাত আরো ৫০/৬০ জনকে আসামি করে মামলা করা হয়েছে।
জেলা পুলিশ সুপার শাহ মোহাম্মদ আব্দুর রউফ বলেন, এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। অপরাধীরা পালিয়ে রক্ষা পাবে না। পুলিশ এ বিষয়ে কঠোর পদক্ষেপ নেবে।
ওরশ কমিটির সভাপতি এবং বাঞ্ছারামপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার তারিকুল ইসলাম বলেন, এটি একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা। নেশা করে পুলিশের উপর হামলা, এটি অগ্রহণযোগ্য। পুলিশ তার আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে।
অভিযুক্ত একাধিক ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাদের মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন