সাব্বির হাসনাত, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
১০:০৬ পি.এম
রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগের গীতাঞ্জলি স্টুডিওকে পরিদর্শন করেন রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক তাহ্মিনা আখতার। এছাড়া মাননীয় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আবদুস সোবাহান এবং মাননীয় ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মো. জাহাঙ্গীর হোসেনও এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
পরিদর্শনকালে সংগীত বিভাগের পক্ষ থেকে মাননীয় উপাচার্য, মাননীয় উপ-উপাচার্য এবং মাননীয় ট্রেজারার মহোদয়কে বিভাগের চেয়ারম্যান জনাব দেবশ্রী দোলন ফুলেল শুভেচ্ছা জানান।
এছাড়া সংগীত বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. মো. রওশন আলম, প্রভাষক মোঃ বুলবুল আহমেদ, মোঃ বাবুল হোসাইন, তুষার মাহমুদ, সানিতা তাবাসসুম, হুরুন্নাহার ইতি এবং বিভাগের কর্মকর্তাবৃন্দও পরিদর্শনে উপস্থিত ছিলেন।
পরিদর্শনের এক পর্যায়ে সংগীত বিভাগের শিক্ষকগণ মাননীয় উপাচার্য, মাননীয় উপ-উপাচার্য এবং মাননীয় ট্রেজারার মহোদয়ের সম্মানে সংগীত পরিবেশন করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বর্ষা মৌসুমে নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসন এবং দ্রুত পানি নিষ্কাশন নিশ্চিত করতে চলমান ড্রেন পরিষ্কার কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের (রাসিক) প্রশাসক মোঃ মাহফুজুর রহমান রিটন।
সোমবার সকালে নগরভবনের সামনের ড্রেনে জমে থাকা কাদামাটি ও ময়লা-আবর্জনা অপসারণ কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শন করেন তিনি। এ সময় রাসিকের পরিচ্ছন্ন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে কথা বলে জলাবদ্ধতা প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম আরও জোরদারের নির্দেশনা দেন।
পরিদর্শনকালে প্রশাসক নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ড্রেনে যত্রতত্র বর্জ্য ও আবর্জনা না ফেললে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা সচল থাকবে এবং জলাবদ্ধতার ঝুঁকি অনেকাংশে কমে আসবে।
রাসিকের তথ্য অনুযায়ী, চলমান ড্রেন পরিষ্কার কার্যক্রমের ফলে আগের তুলনায় বৃষ্টির পানি দ্রুত নিষ্কাশিত হচ্ছে। পরিচ্ছন্ন বিভাগের কর্মীদের ধারাবাহিক প্রচেষ্টায় নগরীর বিভিন্ন এলাকায় ড্রেন থেকে কাদামাটি ও বর্জ্য অপসারণের কাজ অব্যাহত রয়েছে।
এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তারা জলাবদ্ধতা নিরসনে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করায় রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রতি সন্তোষ প্রকাশ করেন।
পরিদর্শনকালে রাসিকের পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা (মনিটরিং-মশক) জুবায়ের হোসেন মুন, পরিচ্ছন্ন বিভাগের সুপারভাইজার এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (মাভাবিপ্রবি) নতুন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অধ্যাপক মো. আনিছুর রহমান। তিনি মঙ্গলবার (২৮ জুলাই ২০২৬) বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এসে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান করেন। যোগদান শেষে তিনি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবস্থিত মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
অধ্যাপক মো. আনিছুর রহমান দীর্ঘ তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে উচ্চশিক্ষা, গবেষণা, পাঠ্যক্রম উন্নয়ন এবং উন্মুক্ত ও দূরশিক্ষা ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে আসছেন। তিনি বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাউবি) সামাজিক বিজ্ঞান, মানবিক ও ভাষা স্কুলের দর্শন বিভাগের অধ্যাপক এবং দর্শন ডিসিপ্লিনের কারিকুলাম কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। এছাড়া তিনি বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দর্শন বিষয়ে স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। তাঁর স্নাতকোত্তর গবেষণার বিষয় ছিল "Environmental Ethics: A Creative Synthesis"। ১৯৯৪ সালে বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদানের পর থেকে তিনি অধ্যাপক, সহযোগী অধ্যাপক, সহকারী অধ্যাপক ও প্রভাষকসহ বিভিন্ন একাডেমিক পদে দায়িত্ব পালন করেন।
উন্মুক্ত ও দূরশিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে তাঁর রয়েছে দীর্ঘ অভিজ্ঞতা। তিনি বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিলের সদস্য, বোর্ড অব গভর্নরসের সদস্য, বিভিন্ন পাঠ্যক্রম ও একাডেমিক নীতিমালা প্রণয়ন কমিটির সদস্য এবং সামাজিক বিজ্ঞান ও মানবিক অনুষদের জার্নালের সম্পাদকমন্ডলীর সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া পাঠ্যক্রম উন্নয়ন, শিক্ষা উপকরণ প্রস্তুত, টিউটর প্রশিক্ষণ, সেমিনার আয়োজন ও একাডেমিক প্রশাসনে তাঁর উল্লেখযোগ্য অবদান রয়েছে।
দেশ-বিদেশে উন্মুক্ত ও দূরশিক্ষা, শিক্ষা উপকরণ উন্নয়ন, শিক্ষামাধ্যম নির্মাণ, সৃজনশীল শিক্ষণ-পদ্ধতি এবং একাডেমিক ব্যবস্থাপনা বিষয়ে তিনি একাধিক প্রশিক্ষণ ও কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেছেন। অস্ট্রেলিয়া, কানাডা ও যুক্তরাজ্যের বিশেষজ্ঞদের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতেও তিনি অংশগ্রহণ করেন।
শিক্ষা, গবেষণা, প্রশাসনিক দক্ষতা ও দূরদর্শী নেতৃত্বের সমন্বয়ে অধ্যাপক মো. আনিছুর রহমানের নেতৃত্বে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা, গবেষণা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার আশা প্রকাশ করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আগামী ৫ জুলাই (বুধবার) সারাদেশের সঙ্গে রাজশাহীতেও যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হবে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬। দিবসটি উপলক্ষে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।
জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, কর্মসূচির অংশ হিসেবে সকাল ৯টায় রাজশাহী মহানগরীর সিএন্ডবি মোড়ে অবস্থিত জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে জুলাই শহিদদের স্মরণে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হবে। এরপর বেলা ১১টায় জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে জুলাই শহিদ পরিবারের সদস্য ও জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা এবং দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।
এ ছাড়া সুবিধাজনক সময়ে রাজশাহী সিটি করপোরেশন ও জেলার সব পৌরসভায় আলোকচিত্র ও প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করা হবে। মহানগরীর সিএন্ডবি মোড়ে অবস্থিত জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে বিশেষ আলোকসজ্জার ব্যবস্থাও করা হবে।
দিবসটি উপলক্ষে জেলার সব মসজিদে জুলাই শহিদদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত, জুলাই যোদ্ধাদের সুস্বাস্থ্য এবং দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতি কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হবে। একই সঙ্গে অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করা হবে।
এদিকে সরকারি হাসপাতাল, কারাগার, সরকারি শিশু পরিবার, শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্র, প্রতিবন্ধী কল্যাণ কেন্দ্র, ডে-কেয়ার ও শিশু বিকাশ কেন্দ্র এবং ভবঘুরে প্রতিষ্ঠানসমূহে প্রীতিভোজের আয়োজন করা হবে।
পাশাপাশি মহানগরীর প্রধান প্রধান সড়ক, সড়কদ্বীপ ও গুরুত্বপূর্ণ স্থান জাতীয় পতাকা, ব্যানার, ফেস্টুন ও রঙিন নিশান দিয়ে সজ্জিত করা হবে। জেলার সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে রচনা, আবৃত্তি ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার পাশাপাশি জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে আলোচনা সভার আয়োজন করা হবে।
জেলা প্রশাসন দিবসটির সব কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সব দপ্তর ও প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বর্তমান বৈঠকে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৬’-এর খসড়াকে নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে মন্ত্রিসভার পক্ষ থেকে। এই আইনের আওতায় গুম করার অপরাধে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।
গুমের ফলে যদি মৃত্যু ঘটে, মরদেহ পাওয়া যায়, অথবা পাঁচ বছর অতিবাহিত হলেও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে জীবিত বা মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা সম্ভব না হলে, তখন মৃত্যুদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং সর্বাধিক এক কোটি টাকা অর্থদণ্ড আরোপ করা হবে।সোমবার (৩ আগস্ট) বিকেল বেলা বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে এই ১৫ তম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সভাপতিত্ব করেন। বৈঠক শেষে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
মানবাধিকার, মানবিক মর্যাদা, ব্যক্তি-স্বাধীনতা এবং আইন শাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এই নতুন আইনটি প্রণয়ন করা হচ্ছে। এটি গুম প্রতিরোধ, দায়ী ব্যক্তিদের বিচার, গুম হওয়া ব্যক্তির সন্ধান এবং ভুক্তভোগী ও তাদের পরিবারের অধিকার, ক্ষতিপূরণ এবং পুনর্বাসন নিশ্চিত করার জন্য একটি সমন্বিত আইনগত কাঠামো তৈরি করবে।
সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড।
‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৬’-এর আওতায় গুম করার অপরাধের জন্য সাধারণভাবে সর্বোচ্চ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডের বিধান অবশ্যই রাখা হয়েছে। তবে গুমের কারণে মৃত্যুর ঘটনা ঘটলে, মরদেহ যদি পাওয়া যায় অথবা পাঁচ বছর অতিক্রান্ত হয়ে যায় এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে জীবিত বা মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা সম্ভব না হয়, সেক্ষেত্রে মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড করার বিধান তৈরি করা হয়েছে। পাশাপাশি সর্বোচ্চ এক কোটি টাকা অর্থদণ্ড আরোপের বিধানও এতে যুক্ত হয়েছে।
১২০ দিনে তদন্ত এবং ১২০ দিনে বিচার।
আইনটিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, তদন্ত এবং বিচারকাজ দ্রুততার সঙ্গে শেষ করার জন্য গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। এই আইনে প্রতিষ্ঠা করা হবে যে, সর্বোচ্চ ১২০ দিনের মধ্যে তদন্ত এবং পরবর্তী ১২০ দিনের মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করা হবে। গুম হওয়া ব্যক্তিকে উদ্ধারের জন্য আদালতের মাধ্যমে তল্লাশি পরোয়ানা জারি, অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার এবং ডিজিটাল সাক্ষ্যের গ্রহণযোগ্যতার বিষয়টিও এই আইনে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
পরিবারের অধিকার ও ক্ষতিপূরণ।
গুমের শিকার ব্যক্তির পরিবারের অধিকার রক্ষার জন্য আইনটিতে যুগান্তকারী কিছু পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ভুক্তভোগীদের তদন্তের অগ্রগতি, ঘটনার প্রকৃত তথ্য এবং গুম হওয়া ব্যক্তির অবস্থান বা পরিণতি জানার অধিকারকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। তাদের জন্য সরকারী আইনগত সহায়তা, চিকিৎসা এবং পুনর্বাসনের জন্য ক্ষতিপূরণ তহবিল গঠন করা হবে। যদি দণ্ডিত ব্যক্তির সম্পত্তি থেকে ক্ষতিপূরণ আদায় করা সম্ভব না হয় তবে রাষ্ট্র কর্তৃক ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা করা হবে।
গুম সনদ এবং সম্পত্তি বণ্টন।
আইনের আওতায় গুম হওয়া ব্যক্তির স্ত্রী ও নির্ভরশীল পরিবারের সদস্যদের ভরণপোষণ এবং প্রয়োজনীয় ব্যয় নির্বাহের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সম্পত্তি ব্যবহারের অনুমতি দেয়া হতে পারে। হলফ করে যদি পাঁচ বছর অতিক্রান্তের পরেও কোনো তথ্য পাওয়া না যায়, তাহলে উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পত্তি বণ্টনের জন্য ‘গুম সনদ’ প্রদান করা হবে।
এছাড়া, নতুন এই আইনে সাক্ষী, অভিযোগকারী, তথ্য প্রকাশকারী এবং ভুক্তভোগীর গোপনীয়তা ও নিরাপত্তা রক্ষার বিধান রাখা হয়েছে। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় তথ্যভান্ডার সংরক্ষণ এবং গুম সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক সহযোগিতার বিষয়গুলোও এতে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ