০২:০৫ পি.এম
নওগাঁয়ে পুরাতন মোবাইল ও ইলেকট্রনিক্স পণ্য ব্যবসায়ী শফিকুল ইসলাম হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পুলিশ দুটি ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে। এ সময় নিহত শফিকুলের ব্যবহৃত দুইটি মোবাইল এবং একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়।
শনিবার (১৩ জুন) দুপুরে সদর থানায় অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম এ তথ্য জানান।
পুলিশ সুপার বলেন, শুক্রবার (১২ জুন) সদর উপজেলার বারমাসি বিলের কচুরিপানার নিচ থেকে শফিকুলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এরপর তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে হত্যাকাণ্ডে জড়িত জয়নুলকে শহরের একটি এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরবর্তীতে মান্দা উপজেলা থেকে আশরাফুলকেও গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের পর জয়নুল এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে তার জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন।
আরও পড়ুন: রংপুরের কাউনিয়ায় পূজামণ্ডপে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে তরুণের মৃত্যু
তিনি আরও বলেন, গত ৭ জুন জেলায় মান্দা উপজেলা সুতিহাটে শফিকুলকে হত্যার পরিকল্পনায় তিনজন যুক্ত ছিলেন। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ৮ জুন শফিকুলকে ভীমপুর কলেজ মোড়ে আসতে বলা হয় এবং সেখান থেকে দুইটি মোটরসাইকেলে করে বারোমাসি বিলের পার ঘাটি ব্রিজের দিকে চলে যান তারা। সেখানে হঠাৎ করে পেছন থেকে একজন রশি দিয়ে শফিকুলের গলায় টান দেন। টান দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে গ্রেপ্তারকৃত আসামি জয়নুল শফিকুলের হাত এবং আশরাফুল পা চেপে ধরেন।
মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, এরপর শফিকুল নিস্তেজ হয়ে গেলে তার মৃত্যু নিশ্চিত করতে তারা তিনজন পানিতে ডুবিয়ে কচুরিপানা দিয়ে ঢেকে রাখেন। এ সময় শফিকুলের কাছে থাকা ১৫০০ টাকা ও মোটরসাইকেল নিয়ে তারা পালিয়ে যায়।
লোভ এবং ব্যবসায় কিছুটা লাভবান হওয়ায় ঈর্ষান্বিত হয়ে এ ধরনের একটি হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে বলে তিনি জানান।
সংবাদ সম্মেলনে পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলের প্রতীক থাকবে না, প্রার্থী পক্ষে কাজ করতে হবে
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন