০২:১৮ পি.এম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানিয়েছেন, ‘নিত্যপ্রয়োজনীয় ৬০ পণ্যের ওপর থেকে কর প্রত্যাহার করা হয়েছে। এর ফলে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি না পায় সে লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
একইসাথে তিনি উল্লেখ করেছেন, সিগারেটের মতো ক্ষতিকর পণ্যের ওপর কর বৃদ্ধি করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী এ বাজেটের বিরোধিতা করা ব্যক্তিদের উদ্দেশ্যে বলেন, জনগণকে বোধগম্যভাবে তা বিবেচনা করতে হবে যে, কি সমস্যা দেশের মধ্যে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করতে করতে পারে।
শুক্রবার (১৩ জুন) সকালে কক্সবাজারের পিএমখালী ইউনিয়নের পাতালী খাল পুনঃখনন প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ বক্তব্য প্রদান করেন।
আরও পড়ুন: কবি ও সাংবাদিক রথো রাফি মারা গেলেন
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপির রাজনীতি মানুষের জন্য। নির্বাচনের সময় দেওয়া প্রতিশ্রুতির ভিত্তিতে ভোটের কালির দাগ শুকানোর পূর্বেই উন্নয়ন কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। পাতলী খাল পুনঃখননের ফলে প্রায় ৪০ হাজার মানুষ উপকৃত হবে। পাশাপাশি ১ হাজার 200 হেক্টর জমিতে সেচ সুবিধা নিশ্চিত হবে যা বছরে ১ হাজার 200 মেট্রিক টনেরও বেশি খাদ্যশস্য উৎপাদন বৃদ্ধি করবে। এছাড়া ৮ হাজারেরও বেশি কৃষক সরাসরি সেচ সুবিধা লাভ করবেন।
তারেক রহমান আরও বলেন, ‘দেশের মালিক রাজনৈতিক দল নয়, দেশের মালিক জনগণ। জনগণের বন্ধুত্ব ও শত্রুতার হিসাব নির্ধারণের সময় এসেছে। অতীতে নানা ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে জনগণের ভাগ্য পরিবর্তনের সুযোগ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। সরকার এখন সেই পরিস্থিতির উন্নতি সাধনে কাজ করছে।’
তিনি বলেন, ‘আগামী পাঁচ বছরে সারা দেশে প্রায় ২০ হাজার কিলোমিটার খাল পুনঃখননের পরিকল্পনা করা হয়েছে। এর ফলে কৃষি উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে এবং লাখো কৃষক উপকৃত হবে।’
সরকারের কৃষকদের জন্য নতুন উদ্যোগের কথা তুলে ধরে তারেক রহমান জানান, ‘কৃষি কার্ড চালু হতে যাচ্ছে। এ কার্ডের মাধ্যমে একজন কৃষক ২ হাজার ৫০০ টাকার সহায়তা পাবেন বীজ, সার ও কীটনাশক কেনার জন্য। আগামী এক বছরের মধ্যে প্রতিটি উপজেলায় ৮ থেকে ১০ হাজার কৃষককে এই কার্ড প্রদান করা হবে।’
আরও পড়ুন: নাগরিক সমাজের আহ্বান, সাইবার সুরক্ষা আইন সংশোধনে পরামর্শ ও সংস্কার প্রয়োজন
নারীশিক্ষার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া নারীদের উচ্চ মাধ্যমিক পর্যন্ত অবৈতনিক শিক্ষার ব্যবস্থা করেছিলেন। বর্তমান সরকার সেটিকে ডিগ্রি বা স্নাতক পর্যায় পর্যন্ত সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে। এছাড়া মেধাবী শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তির আওতায় আনার পরিকল্পনাও রয়েছে।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মানুষের দোরগোড়ায় চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দিতে সরকার কাজ করছে। হৃদরোগের রিং পরাতে যেখানে এক লাখ টাকার বেশি খরচ হতো, সেখানে জুলাই মাস থেকে সে ব্যয় প্রায় অর্ধেকে নেমে আসবে। কিডনি ডায়ালিসিসের খরচও উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো হবে।’
সভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, জেলা বিএনপির সভাপতি শাহজাহান চৌধুরী এমপি, লুৎফুর রহমান এমপিসহ আরও অনেক বক্তৃতা করেন।
আরও পড়ুন: মানুষের হৃদয় ষড়যন্ত্রে জয় করা সম্ভব নয়: প্রতিমন্ত্রী টুকু
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন