ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ঢাকায় সরকারি বাসা নেওয়া চাকরিজীবীদেরকে কড়া হুঁশিয়ারি প্রতিমন্ত্রীর


ঢাকায় সরকারি বাসা নেওয়া চাকরিজীবীদেরকে কড়া হুঁশিয়ারি প্রতিমন্ত্রীর

ঢাকা মহানগরীকে পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য নগরী হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে গঠিত পরিবীক্ষণ টিমগুলোকে কঠোর আইনি পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশনা দিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। একইসাথে, ঢাকায় সরকারি বাসা নিয়ে বসবাসরত চাকরিজীবীদের উদ্দেশে তিনি একটি কঠোর হুঁশিয়ারি বার্তা প্রদান করেছেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, "ঢাকা শহরের পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে কোনো রকম আপস করা হবে না।" তিনি আরও উল্লেখ করেছেন যে, সরকারি বাসস্থানে অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ অথবা এডিস মশার লার্ভা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট ফ্ল্যাটের বরাদ্দ বাতিল করা হবে এবং আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে বড় অঙ্কের জরিমানা আরোপ করা হবে।

সোমবার (২৬ অক্টোবর) বিকেলে তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে আয়োজিত ‘ঢাকা মহানগরীর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম বাস্তবায়ন ও পরিবীক্ষণ’ বিষয়ক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

আরও পড়ুন: ঢাকা-চট্টগ্রামের একাংশে বিদ্যুৎ বিপর্যয়

মীর শাহে আলম বলেন, "ঢাকা শহরকে বাসযোগ্য নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে প্রধানমন্ত্রী প্রথম দিন থেকেই অত্যন্ত সচেষ্ট।" তিনি উল্লেখ করেন যে, বিভিন্ন সরকারি হাসপাতাল ও কোয়ার্টারের অবস্থা তিনি নিজে পরিদর্শন করেছেন। তবে, তিনি দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, বড় বড় সরকারি কোয়ার্টার, বিলাসবহুল অ্যাপার্টমেন্ট ও হাসপাতাল পরিদর্শন করে এডিস মশার লার্ভা ও চরম অবহেলার চিত্র দেখতে পেয়েছেন।

পরিবীক্ষণ কমিটির সদস্যদের উদ্দেশে তিনি বলেন, "আপনারা প্রধানমন্ত্রীর প্রতিনিধি হিসেবে মাঠে কাজ করছেন।" তিনি নির্দেশনা দেন, যেখানে অনিয়ম ও লার্ভা পাওয়া যাবে, সেখানেই তাৎক্ষণিক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ ও কঠোর জরিমানা আদায় করতে হবে। তিনি বলেন, সরকারি কর্মচারীরা যদি নিজেদের কোয়ার্টার পরিষ্কার রাখতে ব্যর্থ হন, তাহলে তাদের সরকারি বাসায় থাকার কোনো যোগ্যতা নেই।

নগরীর সৌন্দর্য ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী জানান, ঢাকার হাতিরঝিল, ধানমন্ডি, বনানী ও গুলশান লেকের পরিচ্ছন্নতা ফিরিয়ে আনতে রাজউক ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন কাজ করছে। এছাড়া, উত্তর সিটি করপোরেশনের ২৯টি এবং দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ২৬টি খাল পুনঃখনন, গাইড ওয়াল নির্মাণ ও নেটিং করার কাজ চলমান রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, "প্লাস্টিক বা লোহার ডাস্টবিন চুরি হয়ে যাওয়ার বিষয়টি মাথায় রেখে ফাইবার বোর্ড দিয়ে নতুন বিন তৈরির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।" এই নতুন বিনগুলো দুই সিটি করপোরেশন পর্যায়ক্রমে স্থাপন করবে।

আরও পড়ুন: শহীদদের রক্তের দায় নিয়ে মাঠে, কোনো ষড়যন্ত্রে পা দেব না: মামুনুল হক

প্রতিমন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, টিমগুলোর সমন্বিত ও কঠোর ভূমিকা থাকলে আগামী এক-দুই মাসের মধ্যে ঢাকার দৃশ্যমান পরিবর্তন আসবে।

এছাড়া, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের আওতাধীন প্রতিটি আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের এলাকাভিত্তিক ২০টি জোনে ২০টি বিশেষ পরিবীক্ষণ কমিটি গঠন করা হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা উত্তরে ১০টি এবং দক্ষিণে ১০টি কমিটি কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এসব জোনাল কমিটির প্রধান হিসেবে নেতৃত্ব দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পরিচালক পর্যায়ের কর্মকর্তারা।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর। এছাড়া, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিবীক্ষণের দায়িত্বে থাকা ২০ কমিটির সদস্যরাও এতে অংশগ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন: নিউ হরাইজন ক্রিসেন্ট স্কুল ব্রিটিশ কাউন্সিলের ফাইনালিস্ট অ্যাওয়ার্ড পেয়েছে

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মমেক হাসপাতালে অনিয়মের প্রতিবাদে ময়মনসিংহ মঞ্চের বিক্ষোভ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৪২ পি.এম


মমেক হাসপাতালে অনিয়মের প্রতিবাদে ময়মনসিংহ মঞ্চের বিক্ষোভ

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালে দীর্ঘদিন ধরে চলা অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা, ওষুধের অভাব, চিকিৎসা পরীক্ষায় ভোগান্তি এবং লিফট ব্যবস্থাপনায় দুর্নীতির অভিযোগ তুলে নাগরিক সংগঠন ময়মনসিংহ মঞ্চ বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করেছে।

সোমবার (২৬ অক্টোবর) বেলা ১১টায় হাসপাতালের প্রধান ফটকের সামনে এই বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। ঘণ্টাব্যাপী এই কর্মসূচিতে বক্তারা হাসপাতালের বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানান।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, "চিকিৎসা মানুষের মৌলিক অধিকার।" অথচ ময়মনসিংহসহ বৃহত্তর অঞ্চলের সাধারণ মানুষের অন্যতম ভরসাস্থল এই হাসপাতালে দীর্ঘদিন ধরে নানা অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার অভিযোগ রয়েছে। বিশেষ করে দরিদ্র ও খেটে খাওয়া মানুষের জন্য প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা উচিত।

বক্তারা অভিযোগ করেন, হাসপাতালের চিকিৎসা নিতে আসা রোগীরা প্রয়োজনীয় ওষুধ পাচ্ছেন না। অনেক ক্ষেত্রে সাধারণ স্যালাইনও বাইরে থেকে কিনতে হচ্ছে। বক্তারা উল্লেখ করেন, গত ২৪ অক্টোবর হাসপাতাল পরিদর্শনকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এক নারী রোগীকে স্যালাইন কেনার জন্য এক হাজার টাকা দিয়েছেন। বক্তাদের প্রশ্ন, "সরকারি হাসপাতালে প্রয়োজনীয় ওষুধ ও চিকিৎসাসামগ্রী না পাওয়ার এমন পরিস্থিতি কেন দীর্ঘদিন ধরে চলবে?"

হাসপাতালের পরীক্ষা-নিরীক্ষার ব্যবস্থা নিয়েও বক্তারা ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তাঁদের অভিযোগ, রোগীদের বিভিন্ন পরীক্ষা করাতে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের দ্বারস্থ হতে হচ্ছে। এক্স-রের মতো সাধারণ পরীক্ষার জন্যও রোগীদের দুই থেকে তিন দিন অপেক্ষা করতে হয়। বছরের পর বছর যন্ত্রপাতি বিকল হয়ে পড়ে থাকলেও সেগুলো মেরামত বা নতুন যন্ত্রপাতি কেনার বিষয়ে কার্যকর উদ্যোগ দৃশ্যমান নয় বলে দাবি করেন তাঁরা।

হাসপাতালে ওষুধ ও চিকিৎসাসামগ্রী পাচারের অভিযোগ প্রসঙ্গে বক্তারা বলেন, এ ধরনের চক্রের বিষয়ে বিভিন্ন সময়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। রোগীরা যখন প্রয়োজনীয় ওষুধ ও চিকিৎসাসামগ্রী থেকে বঞ্চিত হন, তখন এ ধরনের অভিযোগ উদ্বেগ আরও বাড়ায়। বক্তারা হাসপাতালকে পাচারচক্রমুক্ত রাখতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া এবং জড়িতদের চিহ্নিত করে শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানান।

গত সেপ্টেম্বর মাসে হাসপাতালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডের তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশেরও দাবি জানান বক্তারা। তাঁদের ভাষ্য, তদন্ত কমিটি প্রতিবেদন জমা দিলেও তা প্রকাশে বিলম্ব করা হচ্ছে। এ ঘটনায় রোগীদের হতাহত হওয়ার ঘটনা, আতঙ্ক এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদের ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে জনস্বার্থে প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা প্রয়োজন।

এ ছাড়া গণপূর্ত বিভাগের অধীনে পরিচালিত হাসপাতালের লিফট ব্যবস্থাপনায় দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ তুলে বক্তারা বলেন, লিফট ব্যবহার করতে গিয়ে রোগী ও তাঁদের স্বজনদের ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। গত সেপ্টেম্বরের অগ্নিকাণ্ডের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তাঁরা লিফট ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং অভিযোগগুলোর যথাযথ তদন্তের দাবি জানান।

সমাবেশে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালকে জনবান্ধব প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানানো হয়। বক্তারা বলেন, সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা সাধারণ মানুষ যেন প্রয়োজনীয় ওষুধ, পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও মানসম্মত চিকিৎসাসেবা পান, তা নিশ্চিত করতে হবে।

ময়মনসিংহ মঞ্চের মুখ্য সমন্বয়ক ইমতিয়াজ আহমেদের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য দেন সংগঠনের সহ-মুখ্য সমন্বয়ক আবু বক্কর সিদ্দিক রুমেল, সংগঠক আব্দুল হান্নান আল আজাদ, শাহরিয়ার আহমেদ আশিক, সাদ্দাম হোসেন, তানজিল হোসেন মুনিম, সজীব আকন্দ, সুশান্ত শীল, মো. আসাদসহ অন্যান্যরা।

সমাবেশ থেকে হাসপাতালের অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনা দূর করে সাধারণ মানুষের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

থাইল্যান্ডের ফুকেটে ভারী বৃষ্টিতে পানিবন্দি শতাধিক পরিবার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৪৩ পি.এম


থাইল্যান্ডের ফুকেটে ভারী বৃষ্টিতে পানিবন্দি শতাধিক পরিবার

থাইল্যান্ডের দক্ষিণাঞ্চলীয় দ্বীপ প্রদেশ ফুকেটে ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে আকস্মিক বন্যায় পানিবন্দি হয়ে পড়েছে শতাধিক পরিবার।

রোববার (২৫ অক্টোবর) রাতভর বৃষ্টির পর দেশটির তিনটি জেলায় বন্যার পানি ঢুকে পড়ে। কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, এর মধ্যে প্রাদেশিক রাজধানী ফুকেট সিটিও অন্তর্ভুক্ত।

প্রাদেশিক উপগভর্নর রমদন হাইয়াওয়ে জানিয়েছেন, সোমবার সকাল গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে বন্যার পানি কমতে শুরু করে। তবে নিচু এলাকাগুলোর কিছু অংশ তখনো পানির নিচে ছিল। এ অবস্থায় ক্ষতিগ্রস্ত সড়কগুলো এড়িয়ে চলতে কর্তৃপক্ষ ছোট যানবাহনের চালকদের পরামর্শ দিয়েছে।

তিনি আরও জানান, কয়েকটি এলাকায় ভূমিধস ঘটেছে। খাল ও জলপথে মাটি-পাথরসহ ধ্বংসাবশেষ জমে পানিপ্রবাহ বন্ধ হয়ে যাওয়া ঠেকাতে সেগুলো সরানোর কাজ করছেন কর্মকর্তারা।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবি ও ভিডিওতে দেখা গেছে, বন্যার পানি আবাসিক এলাকায় ঢুকে পড়েছে এবং সড়ক তলিয়ে গেছে। এতে বেশ কয়েকটি সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। কোথাও কোথাও বন্যার পানিতে ভেসে আসা কাদা ও পাথরের নিচে আংশিকভাবে চাপা পড়ে যানবাহন।

রমদন জানান, বন্যায় প্রায় ১০০টি পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে সোমবার পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

বুধবার পর্যন্ত ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস

থাইল্যান্ডের আবহাওয়া অধিদপ্তর সতর্ক করেছে, বুধবার পর্যন্ত দেশটির দক্ষিণাঞ্চলে ভারী ও অব্যাহত বৃষ্টিপাত হতে পারে। এতে নতুন করে আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসের ঝুঁকি বাড়তে পারে।

দেশটির দুর্যোগ প্রতিরোধ ও প্রশমন বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি সময় থেকে থাইল্যান্ডের বিভিন্ন অঞ্চলে বন্যা দেখা দিয়েছে। সোমবার পর্যন্ত এসব বন্যায় অন্তত ৮৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।

এর আগে, সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে কয়েক দিনের প্রবল বর্ষণে রাজধানী ব্যাংককেও ব্যাপক জলাবদ্ধতা ও বন্যা দেখা দেয়। সে সময় হাজার হাজার মানুষকে বাড়িঘর ছেড়ে নিরাপদ স্থানে সরে যেতে হয় এবং ব্যাহত হয় স্বাভাবিক জনজীবন।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের নতুন সতর্কবার্তার পর দক্ষিণাঞ্চলের বন্যাপ্রবণ এলাকাগুলোতে আরও বৃষ্টিপাত ও ভূমিধসের আশঙ্কায় সতর্ক অবস্থানে রয়েছে কর্তৃপক্ষ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশ-ভারত মুখোমুখি এশিয়ান হকি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির উদ্বোধনী ম্যাচে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৪৩ পি.এম


বাংলাদেশ-ভারত মুখোমুখি এশিয়ান হকি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির উদ্বোধনী ম্যাচে

এশিয়ান হকি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির উদ্বোধনী ম্যাচে বাংলাদেশ ও ভারত, দুই প্রতিবেশী দেশ মুখোমুখি হতে চলেছে।

মর্যাদাপূর্ণ এই টুর্নামেন্ট, যা এশিয়ার হকির ‘ওয়ার্ল্ড কাপ’ হিসেবে পরিচিত, এর উদ্বোধনী ম্যাচটি শুরু হবে মঙ্গলবার বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৭:৫০ মিনিটে।

গুরুত্বপূর্ণ এই ম্যাচের আগের দিন, ভারতের পাঞ্জাবের জলন্ধরে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী অলিম্পিয়ান সুরজিৎ সিং হকি স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ জাতীয় হকি দল তাদের সবশেষ প্রস্তুতি সেশন সফলভাবে সম্পন্ন করেছে।

বাংলাদেশ দল পুরোপুরি প্রস্তুত, শক্তিশালী ভারতের মুখোমুখি হওয়ার জন্য। কন্ডিশনের সাথে মানিয়ে নিয়ে নিজেদের সেরাটা দিতে তারা কঠোর পরিশ্রম করেছেন লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।

অনুশীলন সেশন শেষে, বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক আশরাফুল ইসলাম এবং টিম ম্যানেজার রাহুল রায় দলের সার্বিক প্রস্তুতি ও পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেন।

আশরাফুল বলেন, "ভারতে আসার পর দুই বেলা অনুশীলন সেশনে সবাই বেশ আত্মবিশ্বাসী ছিল। কোচের পরিকল্পনা অনুযায়ী নিজেদের সেরাটা দিতে পারলে ভারতের বিপক্ষে ভাল ম্যাচ উপহার দেয়া সম্ভব।"

ম্যানেজার রাহুল রায়ও আশরাফুলের সাথে একমত পোষন করেছেন। তিনি জানান, "এশিয়ান হকি অন্যতম পরাশক্তি ভারতের বিপক্ষে খেলার আগে পুরো দল বেশ ভাল অবস্থায় আছে। আসরের প্রথম ম্যাচেই ভারতের মত দলের বিপক্ষে খেলাটা কঠিন হলেও বাংলাদেশ দল প্রস্তুত।"

সূত্র: বাসস

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুষ্টিয়া জিলা স্কুলে রাজনৈতিক সমাবেশের সিদ্ধান্তে শিক্ষার্থীদের ফুঁসতে মানববন্ধন ও গণস্বাক্ষর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৪৫ পি.এম


কুষ্টিয়া জিলা স্কুলে রাজনৈতিক সমাবেশের সিদ্ধান্তে শিক্ষার্থীদের ফুঁসতে মানববন্ধন ও গণস্বাক্ষর

আগামী ৩১ অক্টোবর ঐতিহ্যবাহী কুষ্টিয়া জিলা স্কুল মাঠে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী তথা ১১ দলীয় জোটের পরিকল্পিত রাজনৈতিক সমাবেশের বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফুঁসে উঠেছেন স্কুলের বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থী এবং স্থানীয় বাসিন্দারা।

শিক্ষাঙ্গনের পবিত্রতা ও পড়াশোনার সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখার দাবিতে এবং সমাবেশের স্থান পরিবর্তনের আহ্বানে আজ সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুর ১২টায় বিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে মানববন্ধন ও গণস্বাক্ষর কর্মসূচি পালন করেছেন তারা।

মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীদের হাতে ছিল বিভিন্ন প্রতিবাদী প্ল্যাকার্ড। এসময় তারা "কুষ্টিয়া জিলা স্কুল সবার, ঐতিহ্য রক্ষার দায়িত্বও সবার" লেখা একটি ব্যানার নিয়ে প্রতিবাদ জানান।

জানা যায়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও ১১ দলীয় জোট তাদের ৭ দফা দাবিতে ঢাকা থেকে খুলনা-যশোর-কুষ্টিয়া অভিমুখে একটি লংমার্চের ঘোষণা দিয়েছে। এই লংমার্চের সমাপনী সমাবেশ আগামী ৩১ অক্টোবর রাত সাড়ে ৮টায় কুষ্টিয়া জিলা স্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। তবে আয়োজকদের এই স্থান নির্বাচনের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও রাজপথে সরব হয়েছেন স্কুলটির প্রাক্তন ও বর্তমান ছাত্ররা।

আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা জানান, বাংলাদেশে সরকারি-বেসরকারি মিলিয়ে লক্ষাধিক স্কুল থাকলেও জিলা স্কুলের সংখ্যা মাত্র ১৫টি। ১৯৬১ সালে প্রতিষ্ঠিত কুষ্টিয়ার শীর্ষস্থানীয় এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গত ৬৩ বছরের ইতিহাসে কখনো কোনো রাজনৈতিক দলের সমাবেশ হয়নি। মাঠটি দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষার্থীদের খেলাধুলা, শরীরচর্চা ও শিক্ষামূলক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।

শিক্ষার্থী ও স্থানীয়রা স্পষ্ট জানিয়েছেন, লংমার্চ বা কোনো দলের রাজনৈতিক মতাদর্শের প্রতি তাদের কোনো বিরোধ নেই, তাদের একমাত্র আপত্তি 'কুষ্টিয়া জিলা স্কুল' মাঠে এর আয়োজন নিয়ে। জেদাজেদির কারণে অনাকাঙ্ক্ষিত বিশৃঙ্খলা ও সংঘাত এড়াতে তারা বিকল্প হিসেবে কুষ্টিয়া সরকারি কলেজ মাঠ, ডিসি কোর্ট চত্বর, কুষ্টিয়া বাইপাস অথবা শহীদ আবরার ফাহাদ স্টেডিয়াম ব্যবহারের প্রস্তাব দিয়েছেন। একইসঙ্গে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান, নেতা আমির হামজাসহ লংমার্চ বাস্তবায়ন কমিটির নেতৃবৃন্দের কাছে এই ঐতিহ্যবাহী স্কুলের আবেগকে সম্মান জানিয়ে সমাবেশ অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার বিনীত অনুরোধ জানিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।

এদিকে এখন পর্যন্ত বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এই সমাবেশের কোনো আনুষ্ঠানিক অনুমতি দেয়নি বলে জানা গেছে। যদিও অভিযোগ উঠেছে, আয়োজকদের পক্ষ থেকে 'ওপর মহল থেকে অনুমতি নিয়ে আসার' কথা বলা হচ্ছে।

এ বিষয়ে কুষ্টিয়া জিলা স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোঃ আমিরুল ইসলাম বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এ ধরনের রাজনৈতিক কর্মসূচি পালন না করাটাই উত্তম। তিনি নিশ্চিত করেন যে, আগামী ৩১ অক্টোবরের সমাবেশের বিষয়ে জামায়াতে ইসলামী বা জোটের পক্ষ থেকে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত আবেদন জমা পড়েনি।

শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের দাবি, রাজনৈতিক মতাদর্শ যার যার ব্যক্তিগত বিষয় হলেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে রাজনীতির ঊর্ধ্বে রাখা উচিত।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২৩
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৩
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%