বৃহস্পতিবার, ৫ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:৫২ পি.এম
যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বুধবার ওয়াশিংটনে রাজনৈতিক আলোচনার সৃষ্টি করেছেন। তিনি মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের পরাজয়ের জন্য সরাসরি ইরান যুদ্ধকে দায়ী করেছেন।
অনেকে মনে করছেন, তার এই বক্তব্য ২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছ থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে নেওয়ার একটি প্রচেষ্টা।
ইরান যুদ্ধ সম্পর্কে ভ্যান্সের অবস্থান নিয়ে ওয়াশিংটনে আগেই আলোচনা চলছিল। তিনি প্রকাশ্যে এই যুদ্ধের প্রতি সমর্থন জানালেও, প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে ব্যক্তিগত বৈঠকে এর বিরোধিতা করেছেন বলে জানা গেছে। তবে এতদিন তার এই মতপার্থক্য প্রকাশ্যে আসেনি। বুধবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে দেওয়া প্রায় ৬০০ শব্দের এক বিবৃতিতে ভ্যান্স তার অবস্থান স্পষ্ট করেন।
তিনি লেখেন, ‘আপনি যদি মনে করেন, আগামী ছয় বছরের জন্য সিনেটের নিয়ন্ত্রণ হারানোর বিনিময়ে এই যুদ্ধের মূল্য দেওয়া সার্থক হয়েছে, তাহলে সরাসরি সেটাই বলুন।’ অনেকে তার এই বক্তব্যকে ২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে ট্রাম্পের কাছ থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে নেওয়ার প্রচেষ্টা হিসেবে দেখছেন।
তিনি আরো লেখেন, ‘যুক্তি দিয়ে বোঝান, কেন এই মূল্য দেওয়া যৌক্তিক ছিল। আপনি একমত হোন বা না হোন, অন্তত সেটি হবে সৎ অবস্থান।’ ভ্যান্সের এই বক্তব্যকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করা হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ইতিহাসে এমন নজির খুব কমই দেখা গেছে, যেখানে দায়িত্বে থাকা কোনো ভাইস প্রেসিডেন্ট গুরুত্বপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে সরাসরি প্রেসিডেন্টের অবস্থান থেকে সরে এসেছেন।
তবে এরপর আরো বিস্ময়কর ঘটনা ঘটে। সাধারণত প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নিজের জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টাদের কাছ থেকে নিঃশর্ত আনুগত্য প্রত্যাশা করেন। কিন্তু এবার তিনি ভ্যান্সের বক্তব্যের সঙ্গে অনেকটাই একমত পোষণ করেছেন।
ট্রাম্প বলেন, মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফলাফল ‘বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই’ ইরান যুদ্ধের কারণে নির্ধারিত হয়েছে। তবে তিনি জানান, আবারও এমন পরিস্থিতি তৈরি হলে তিনি ‘একই সিদ্ধান্ত নিতেন’।
ট্রাম্পের এই বক্তব্যকে প্রাথমিকভাবে একটি ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে যে, ভ্যান্স ভবিষ্যতে প্রেসিডেন্ট পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সিদ্ধান্ত নিলে ট্রাম্প তাকে নিজের অবস্থান থেকে ভিন্নমত প্রকাশের যথেষ্ট স্বাধীনতা দিতে পারেন। সাধারণত ঘনিষ্ঠ সহযোগীদের কাছ থেকে কঠোর আনুগত্য প্রত্যাশা করা ট্রাম্পের ক্ষেত্রে বিষয়টি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের জয়ের পর তার অভিশংসনের উদ্যোগ নেওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেননি।
বুধবার (৪ নভেম্বর) তিনি জানান, এ বিষয়ে তার কোনো উদ্বেগ নেই। বরং তিনি সতর্ক করেছেন যে, যদি ডেমোক্র্যাটরা এমন উদ্যোগ নেয়, তাহলে তারা রাজনৈতিকভাবে বিপাকে পড়বে।
মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর প্রথমবারের মতো হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় ট্রাম্পকে অভিশংসনের সম্ভাব্য উদ্যোগ সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, এ নিয়ে তিনি ‘একটুও’ চিন্তিত নন।
ট্রাম্প বলেন, ‘না, না, না – একটুও না।’
তিনি আরও উল্লেখ করেন, ‘আমার মনে হয়, তারা যদি এমনটা করে, তাহলে ডেমোক্রেটিক পার্টি ধ্বংস হয়ে যাবে। কারণ, কোনো কারণ ছাড়াই অভিশংসনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।’
ট্রাম্প কংগ্রেসে ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, যদি তার প্রশাসনের কাজে বাধা সৃষ্টি না করা হয়, তাহলে তাদের সঙ্গে সমঝোতা সম্ভব।
ট্রাম্প বলেন, ‘ডেমোক্র্যাটরা ধ্বংসাত্মক কিছু করতে না চাইলে সম্ভবত তাদের সঙ্গে আমার ভালো সম্পর্ক থাকবে। তবে আমার হাতে ভেটো দেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে।’
ডেমোক্র্যাটরা মধ্যবর্তী নির্বাচনে সিনেট ও প্রতিনিধি পরিষদ, কংগ্রেসের উভয় কক্ষের নিয়ন্ত্রণ পেয়েছে। দেশজুড়ে দলটির একের পর এক নির্বাচনি সাফল্যের মধ্যে ট্রাম্পের এই মন্তব্য এসেছে।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বর্তমান দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং সাম্প্রতিক শ্রমিক আন্দোলন নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন কড়া মন্তব্য করেছেন।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) তিনি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে একটি বিস্তারিত পোস্টে অভিযোগ করেন যে, আওয়ামী লীগ দীর্ঘ সময় ধরে ঘাপটি মেরে থেকে দেশে নতুন করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা চালাচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে তিনি মন্তব্য করেন যে, আগামী তিন মাস (নভেম্বর, ডিসেম্বর ও জানুয়ারি) রাজপথে কড়া পাহারা দেওয়ার কোনো বিকল্প নেই।
রাশেদ খাঁন তার পোস্টে শহীদ ওসমান হাদীর প্রসঙ্গ টেনে জামায়াত ও এনসিপির রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে কঠোর প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি লিখেছেন, “পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে, দীর্ঘ সময় ঘাপটি মেরে থেকে দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার জন্য আওয়ামী লীগ প্রস্তুতি নিয়েছে এবং যেকোনো সামাজিক আন্দোলন গড়ে উঠলেই সেখানে তারা ছোবল দেওয়ার অপচেষ্টা করবে। আওয়ামী ছোবল থেকে দেশ বাঁচাতে শহীদ ওসমান হাদীর পথ কি অনুসরণ করতে পারবে জামায়াত-এনসিপি? আর যদি সেটি না করতে পারে তাহলে ধরেই নিতে হবে প্রয়োজন অনুযায়ী রাজনৈতিক স্বার্থে তারা শহীদ ওসমান হাদীকে বেচা বিক্রি করে। প্রকৃতপক্ষে জামায়াত-এনসিপি শহীদ ওসমান হাদীর আওয়ামী ফ্যাসিবাদবিরোধী চেতনা থেকে যোজন যোজন দূরে।”
শ্রমিক অসন্তোষ এবং মজুরি বোর্ডের সিদ্ধান্ত প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী বলেন, শ্রমিকদের দাবি বাস্তবায়নের জন্য মজুরি বোর্ড ঘোষণা দেওয়া হয়েছে, যেখানে সরকার, মালিক ও শ্রমিক পক্ষ আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেবে; এককভাবে কারো পক্ষে সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়ার সুযোগ নেই।
তবে এই প্রক্রিয়ার মাঝেও উসকানি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করে তিনি জাতীয় নাগরিক পার্টি বা নির্দিষ্ট কোনো রাজনৈতিক নেতার ভূমিকার কঠোর সমালোচনা করেন। তিনি উল্লেখ করেন, “তারপরও নাহিদ ইসলাম আন্দোলনকে উস্কে দিতে শ্রমিকদের আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান করেছেন।
তিনি বলেন, ‘অতীতে আন্দোলনে আওয়ামী লীগ জামায়াত ভূত দেখতো, এখন বিএনপি আওয়ামী লীগ ভূত দেখছে।’ এর মধ্য দিয়ে নাহিদ ইসলাম শ্রমিকবেশে আন্দোলনে আওয়ামী দুর্বৃত্তদের অংশগ্রহণকে সমর্থন জুগিয়েছেন। তিনি কি তাহলে আন্দোলনের নামে আওয়ামী দুর্বৃত্তদের সৃষ্ট সেই অরাজকতা, জ্বালাও-পোড়াও, হামলা ও ভাঙচুরের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার পক্ষে?”
নিজের পূর্বের বক্তব্যের পুনরাবৃত্তি করে রাশেদ খাঁন দাবি করেন, বর্তমানে বিএনপিকে দুটি বিরোধী দলের অপতৎপরতা সামলে দেশ পরিচালনা করতে হচ্ছে। তিনি লেখেন, “বেশকিছুদিন আগে আমি বলেছিলাম, দুইটা বিরোধীদলের (বর্তমান বিরোধীদল ও পতিত স্বৈরাচার) অপতৎপরতা সামলিয়ে বিএনপি সরকারকে দেশ চালাতে হচ্ছে। সেই কথা আজ অক্ষরে অক্ষরে সত্য প্রমাণিত হলো।
রাজপথে যতবারই আওয়ামী দুর্বৃত্তরা অরাজকতা সৃষ্টি করতে আসবে, সেটা শুধু বিএনপিকেই মোকাবিলা করতে হবে, ফ্যাসিবাদ দমনে জামায়াত-এনসিপিকে আর কখনোই পাশে পাওয়া যাবে না। বরং দুঃখজনক হলেও সত্য যে, জামাত-এনসিপি এখন ক্ষমতায় যাওয়ার মোহে পতিত ফ্যাসিস্ট অপশক্তির সাথে তাল মিলিয়ে বিএনপিকে রাষ্ট্র পরিচালনায় অসহযোগিতা করতে থাকবে।
পোস্টের শেষাংশে স্বস্তি প্রকাশ করে তিনি জানান, সাধারণ শ্রমিকরা উসকানিতে পা না দিয়ে নিজ নিজ কর্মস্থলে ফিরতে শুরু করেছেন। তিনি আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করে লেখেন, “আলহামদুলিল্লাহ, নাহিদ ইসলামের আহ্বানে সাড়া না দিয়ে কাজে ফিরতে শুরু করেছে গার্মেন্টস কর্মীরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলামের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।
এই সাক্ষাৎ আজ বৃহস্পতিবার ঢাকা সেনানিবাসে অবস্থিত সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য প্রকাশ করে।
আইএসপিআর জানায়, বৈঠককালে তারা বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় এবং কৌশলগত অংশীদারি নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা করেন। বিশেষ করে দুই দেশের সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে চলমান সামরিক প্রশিক্ষণ সহযোগিতা জোরদার, উচ্চপর্যায়ের পেশাগত অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং সক্ষমতা বৃদ্ধি সংক্রান্ত বিষয়ে বিস্তারিত মতবিনিময় হয়।
প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের দীর্ঘদিনের গৌরবোজ্জ্বল অবদান ও পেশাদারির কথা তুলে ধরেন। যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের অনন্য ভূমিকা, ত্যাগ ও ধারাবাহিক সাফল্যের ভূয়সী প্রশংসা করেন। একই সঙ্গে তিনি বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা বজায় রাখতে দুই দেশের সামরিক সহযোগিতা আরও সুদৃঢ় করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
বৈঠকে উভয় পক্ষই আশা প্রকাশ করেন যে, নিয়মিত প্রশিক্ষণ কর্মসূচি, যৌথ মহড়া ও পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সামরিক এবং কৌশলগত সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও গতিশীল ও সম্প্রসারিত হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
টাঙ্গাইলের মধুপুরে মাদকবিরোধী অভিযানে বিপুল পরিমাণ দেশীয় চোলাইমদ ও মদ তৈরির উপকরণ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (৪ নভেম্বর) সন্ধ্যায় উপজেলার অরণখোলা ইউনিয়নের জলছত্র এলাকায় পৃথক দুটি অভিযান চালিয়ে ১৪৩ লিটার চোলাইমদ ও ৯০ লিটার মদ তৈরির উপকরণ (জাওয়া) উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় পাঁচজনকে আসামি করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মধুপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) একে এম ফজলুল হকের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে থানার এসআই রফিকুল ইসলাম, এসআই আমিনুল ইসলাম, এসআই কামরুল ইসলাম ও এসআই আসাদুজ্জামানসহ পুলিশের একটি দল অংশ নেয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, প্রথম অভিযানে জলছত্র এলাকার শুভ দাসের (২৩) বসতঘরে তল্লাশি চালিয়ে ৮২ লিটার দেশীয় চোলাইমদ এবং একটি নীল রঙের প্লাস্টিকের ড্রামে রাখা ৪০ লিটার মদ তৈরির উপকরণ (জাওয়া) উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় হীরা লাল গৌড় (৪৮), শ্রীকৃষ্ণ গৌড় (২৯) ও শুভ দাসকে আসামি করে মধুপুর থানায় মামলা নম্বর-৬ (তারিখ ৪ নভেম্বর ২০২৬) দায়ের করা হয়েছে।
অপরদিকে, একই এলাকার নয়াপাড়ায় নারায়ণ বর্মনের (৪৯) বসতঘরে অভিযান চালিয়ে ৬১ লিটার চোলাইমদ ও একটি নীল রঙের প্লাস্টিকের ড্রামে রাখা ৫০ লিটার মদ তৈরির উপকরণ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নারায়ণ বর্মন ও হারুন অর রশিদকে (৫০) আসামি করে মধুপুর থানায় মামলা নম্বর-৭ (তারিখ ৪ নভেম্বর ২০২৬) দায়ের করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, পৃথক দুটি মামলাই মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(১) সারণির ২৪(ক)/২৪(গ) ধারায় দায়ের করা হয়েছে।
মধুপুর থানার পুলিশ জানিয়েছে, মাদক নির্মূল ও মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ