ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

হাম উপসর্গে আরও ৩ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১,৩৯৬


হাম উপসর্গে আরও ৩ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১,৩৯৬

ঢাকা, ৫ নভেম্বর, ২০২৬ : সারা দেশে হাম উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও তিনজনের মৃত্যু ঘটেছে। একই সময়ে, হাম উপসর্গ এবং নিশ্চিত হামে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ৩৯৬ জনে পৌঁছেছে।

আজ বৃহষ্পতিবার (৫ নভেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ৩২৭ জন। ১৫ মার্চ থেকে ৫ নভেম্বর পর্যন্ত মোট হামরোগীর সংখ্যা ২ লাখ ৩৫ হাজার ৪৭৫ জন হয়েছে।

আরও পড়ুন: ৬৭ পুলিশ পরিদর্শক এসএসপি পদে পদোন্নতি পেলেন

গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা ৬৯ জন। ১৫ মার্চ থেকে ৫ নভেম্বর পর্যন্ত নিশ্চিত হামরোগীর মোট সংখ্যা ২৪ হাজার ২১৯ জন।

এছাড়া, গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হাম উপসর্গে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২ লাখ ৯ হাজার ৮৫৪ জন। একই সময়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ২ লাখ ২০১ হাজার ১৫৩ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে এবং ১৫ মার্চ থেকে ৫ নভেম্বর পর্যন্ত হাম উপসর্গে মোট ১ হাজার ১৬৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।

এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে কারও মৃত্যু হয়নি এবং ১৫ মার্চ থেকে ৫ নভেম্বর পর্যন্ত নিশ্চিত হামে ১০৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।

আরও পড়ুন: মাদক নিয়ন্ত্রণে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে: বিদ্যুৎমন্ত্রী

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গার্মেন্টস শিল্প ধ্বংসের জন্য আন্দোলন করছে সরকার: এমপি দিপু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৫ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:১২ পি.এম


গার্মেন্টস শিল্প ধ্বংসের জন্য আন্দোলন করছে সরকার: এমপি দিপু

নারায়ণগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি এবং নারায়ণগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মুস্তাফিজুর রহমান ভূইয়া দিপু মন্তব্য করেছেন, "তিন বছর পর পর মজুরি বোর্ড হয়। এবারও সময়মতো মজুরি বোর্ড হয়েছে। মজুরি বোর্ড যে সিদ্ধান্ত দেয় আমাদের গার্মেন্টস ব্যবসায়ীরা সেটা মেনে নেয়। তাহলে সমস্যা হওয়ার কথা না। আসলে এটা গার্মেন্টস শিল্পকে ধ্বংস করার জন্য এই সমস্যা সৃষ্টি করা হয়েছে।"

এই বক্তব্যটি তিনি বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) দুপুরে নারায়ণগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিতে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় সভাপতির বক্তব্যে প্রদান করেন। সভাটি নারায়ণগঞ্জ জেলার চলমান শ্রমিক অসন্তোষ নিয়ে জাতীয় ও স্থানীয় সকল ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতৃবৃন্দদের নিয়ে আয়োজন করা হয়েছিল।

মুস্তাফিজুর রহমান ভূইয়া দিপু আরও বলেন, "এটা কোনো শ্রমিকের আন্দোলন না। ৩০ হাজার টাকা বেতন কোনো দাবী না। বাংলাদেশের গার্মেন্টস শিল্পকে ধ্বংস করার জন্য সরকারকে বেকায়দায় ফেলার জন্য সকলে মিলে চেষ্টা করছে। কিন্তু এই সরকার গণতান্ত্রিক সরকার; জনগণের ভোটের সরকার। গত ১৭ বছর অনেকেই চেষ্টা করেছেন দেশের গণতন্ত্র গার্মেন্টস শিল্প খাতকে ধ্বংস করার জন্য। বাংলাদেশের মানুষ সচেতন হয়ে গেছে। বাংলাদেশকে দাবিয়ে রাখা যাবে না। ব্যবসায়ীরা সকলেই ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।"

তিনি উল্লেখ করেন, নারায়ণগঞ্জে বর্তমানে পাঁচ শতাধিক গার্মেন্টস কার্যক্রম চালাচ্ছে। এর মধ্যে ১২ থেকে ১৩ গার্মেন্টসে সমস্যা দেখা দিয়েছে। তবে আন্দোলনে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে প্রায় ৯০ শতাংশ লোক গার্মেন্টসের শ্রমিক নয়। তারা বিভিন্ন উপায়ে নারায়ণগঞ্জের গার্মেন্টসে সমস্যা সৃষ্টি করার চেষ্টা করেছে। নারায়ণগঞ্জে কোথাও কোনো সমস্যা হয়নি; শুধুমাত্র একটি জায়গায় তারা আগে থেকেই পরিকল্পনা করে সড়ক অবরোধের জন্য এই অসন্তোষ সৃষ্টি করেছে। তবে নারায়ণগঞ্জবাসী একত্রে থাকার কারণে কোনো সমস্যা করতে পারেনি।

বিরোধী দলের উদ্দেশ্যে মুস্তাফিজুর রহমান ভূইয়া দিপু বলেন, "বিরোধী দলে যারা আছেন তাদের বলবো; আমরা যেন সকলে মিলে একসাথে বাংলাদেশ আমাদের। বাংলাদেশের ক্ষতি করা যাবে না। দেশকে আর অন্ধকারে নিয়ে যাইয়েন না। আমাদেরকে সময় দেন।"

এদিকে, নারায়ণগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সাবেক সভাপতি এবং মডেল গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুদুজ্জামান মাসুদ মন্তব্য করেন, "অনেকে অনেক বড় বড় কথা বলেন। আপনাদের টাকা না দিলে শ্রমিকদের বেতন ৩০ হাজার নয় শুধু ৪০ হাজার টাকা দিতে পারবো। আমাদের ওয়ান স্টপ সার্ভিস দেন; শ্রমিকের কত টাকা বেতন দিতে হয় আমরা দিবো। আমরা অমুকের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী; অমুকের জন্মদিন; কাস্টমের অমুক টাকা; এমবিএআরের অমুক টাকা; যেখানেই কাগজ লাগে সেখানেই টাকা দিতে হয়। এত টাকা দিতে দিতে মালিকদের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে। যে কারণে আমরা দিতে পারি না। আমাদের কোথায় টাকা দিতে না হয়। বছরে কোটি কোটি টাকা দিতে হয়। এই টাকা আমার শ্রমিকদের দিতে পারতাম।"

তিনি বিজিএমইএ এবং বিকেএমইএ’ কে উদ্দেশ্য করে বলেন, "বিজিএমইএ এবং বিকেএমইএ শত শত কোটি টাকা এফডিআর করে রাখবে; আর ক্রাইসিসে ভূমিকা রাখতে পারবে না। এটা হতে পারে না; শ্রমিক মালিকদের সহযোগিতা করেন। আপনারা কেন শ্রমিকদের জন্য কাজ করতে পারেন না?"

মাসুদুজ্জামান বিরোধীদলকে উদ্দেশ্য করে বলেন, "দুঃখজনক হলেও সত্য; বিরোধীদলে যে ভূমিকা এনসিপি এবং জামায়াতে ইসলামীর ভূমিকা আমাদের কাছে প্রশ্নবিদ্ধ রহস্যজনক এবং হতাশাজনক মনে হলো। এই দেশ আমাদের; আমাদেরই সমস্যা সমাধান করতে হবে। আপনারা আমরা সবাই মিলে সমস্যা সমাধান করতে হবে।"

এসময় উপস্থিত ছিলেন, নারায়ণগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির ও বিকেএমইএ’র সহ সভাপতি মোর্শেদ সারোয়ার সোহলে, চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সহ সভাপতি আবু জাফর, পরিচালক রিয়াদ মোহাম্মদ চৌধূরী, সোহেল আক্তার, গোলাম সারোয়ার সাঈদ, আহমেদুর রহমান তনু ও মজিবুর রহমান সহ বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতারা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মিসিসিপি ও আলাস্কায় কেন ঝুলে আছে নির্বাচনের ফলাফল?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৫ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:১২ পি.এম


মিসিসিপি ও আলাস্কায় কেন ঝুলে আছে নির্বাচনের ফলাফল?

২০২৬ সালের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মধ্যবর্তী নির্বাচনে কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ ডেমোক্র্যাটদের হাতে চলে গেলেও, দুটি অঙ্গরাজ্য—মিসিসিপি এবং আলাস্কায় সিনেট পদের চূড়ান্ত ফলাফল নিয়ে তৈরি হয়েছে চরম অনিশ্চয়তা। ভোট গণনা এখনও শেষ না হওয়ার কারণে মিসিসিপি এবং দূরবর্তী আলাস্কায় চূড়ান্ত কোনো ঘোষণা আসেনি।

ডিপলি কনজারভেটিভ বা রক্ষণশীল হিসেবে পরিচিত মিসিসিপিতে ভোট ব্যবধান অত্যন্ত কম হওয়া এবং জটিল নির্বাচন ব্যবস্থার কারণে এই বিলম্ব ঘটছে।

মিসিসিপির হাড্ডাহাড্ডি লড়াই

মিসিসিপিতে রিপাবলিকান পার্টির বর্তমান সিনেটর সিন্ডি হাইড-স্মিথের বিরুদ্ধে লড়ছেন ডেমোক্র্যাট প্রার্থী স্কট কোলম। ১৯৮২ সালের পর রাজ্যটিতে কোনো ডেমোক্র্যাট প্রার্থী সিনেটে জয় পাননি। তবে এবারের নির্বাচনে ৯৬ শতাংশ ভোট গণনা শেষে দেখা গেছে, দুই প্রার্থীর মধ্যে ব্যবধান মাত্র কয়েক ডজন ভোটের! এই হাড্ডাহাড্ডি ও রুদ্ধশ্বাস প্রতিযোগিতার কারণে নির্বাচন বিশেষজ্ঞরা ফলাফল ঘোষণা থেকে বিরত রয়েছেন।

আলাস্কার জটিল ভোট পদ্ধতি

অন্যদিকে, আলাস্কা অঙ্গরাজ্যের ভৌগোলিক অবস্থান এবং এর জটিল ভোটগ্রহণ ব্যবস্থার কারণে ফলাফল পেতে কয়েক দিন সময় লাগতে পারে। রাজ্যটিতে ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে বেশ দেরিতে। এছাড়া আলাস্কার 'র‌্যাংকড-চয়েস ভোটিং' (Ranked-choice voting) পদ্ধতির কারণে একাধিক ধাপে ভোট পুনর্বিন্যাস ও গণনা করতে হয়, যা চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণাকে দীর্ঘায়িত করছে।

বিশ্লেষকদের মতে, সামগ্রিক নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটরা বড় ধরনের সাফল্য পেলেও মিসিসিপি ও আলাস্কার এই ঝুলন্ত আসনগুলোর দিকে এখন গোটা দেশের নজর তাকিয়ে রয়েছে। সোর্স: আল জাজিরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সন্দ্বীপে তরুণদের স্বেচ্ছাশ্রমে সচল নিরাপদ নৌযাতায়াত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আমিনুল ইসলাম রিয়াদ সন্দ্বীপ (চট্টগ্রাম)

বৃহস্পতিবার, ৫ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:১৩ পি.এম


সন্দ্বীপে তরুণদের স্বেচ্ছাশ্রমে সচল নিরাপদ নৌযাতায়াত

জোয়ার-ভাটার ওপর নির্ভরশীল চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ নৌপথে কখন নৌযান ছাড়বে আর কখন বন্ধ থাকবে, তা জানার কোনো দাপ্তরিক বা আনুষ্ঠানিক উপায় নেই। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি) যাত্রী পরিবহনের দায়িত্বে থাকলেও সময়সূচি জানানোর কোনো উদ্যোগ তাদের নেই। তথ্যের এই ঘাটতির কারণে যাত্রীরা সময়মতো ঘাটে পৌঁছাতে পারেন না এবং অনেক সময় জাহাজও খালি ফিরে যায়।

আর এই সুযোগ কাজে লাগায় মুনাফালোভী একটি অসাধু চক্র। বিআইডব্লিউটিসির কতিপয় কর্মকর্তার যোগসাজশে ‘যাত্রী সংকট’-এর অজুহাত দেখিয়ে সরকারি নৌযান প্রত্যাহার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ সন্দ্বীপের অধিবাসীদের।

তবে কর্তৃপক্ষের তৈরি করা এই কৃত্রিম সংকট রুখে দিতে জন্মস্থানের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকে এগিয়ে এসেছেন দ্বীপটির একঝাঁক তরুণ স্বেচ্ছাসেবী।

গুপ্তছড়া-কুমিরা ও বাঁশবাড়িয়া-গুপ্তছড়া রুটে বর্তমানে বিআইডব্লিউটিসির সি-ট্রাক ‘খিজির’ ও ফেরি ‘কপোতাক্ষ’ চলাচল করছে। কিন্তু প্রতিদিনের সময়সূচির সরকারি প্রচার না থাকায় যাত্রীদের ভোগান্তি চরম আকার ধারণ করে। তথ্যের অভাবে ঘাটে এসে সি-ট্রাক বা ফেরি না পেয়ে অনেককে ফিরে যেতে হয়, নয়তো বাধ্য হয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে উত্তাল সাগরে ফিটনেসবিহীন স্পিডবোট কিংবা ট্রলারে যাতায়াত করতে হয়। ঠিক এই ‘যাত্রী না হওয়ার’ খোঁড়া যুক্তি দেখিয়েই গত অক্টোবরের শেষ সপ্তাহে সন্দ্বীপ রুট থেকে আধুনিক সি-ট্রাক ‘এসটি নিঝুম দ্বীপ’ প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়।

জোয়ার-ভাটার কারণে কখন জাহাজ ছাড়বে, তা ঘাট থেকে কেউ নির্দিষ্ট করে বলতে পারেনা। অনেক সময় ঘাটে পৌঁছানোর আগেই জাহাজ ছেড়ে যাই। তখন বাধ্য হয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে স্পিডবোটে উঠতে হয়। কিন্তু এখন আর সেই ভোগান্তি নেই। সন্দ্বীপের ফেসবুক পেজগুলো থেকে আগের রাতেই জাহাজের সঠিক সময়সূচি জেনে যাই। এখন শিডিউল দেখেই বাড়ি থেকে বের হতে পারি। এতে আমাদের সময় ও ভোগান্তি—দুটোই বাঁচছে।

দাপ্তরিক এই চরম গাফিলতির বিপরীতে বিকল্প তথ্যকেন্দ্র হিসেবে দাঁড়িয়েছে সন্দ্বীপভিত্তিক একাধিক ফেসবুক পেজ। সরেজমিনে দেখা যায়, জন্মস্থানের প্রতি তীব্র দায়বদ্ধতা থেকে দ্বীপের একঝাঁক তরুণ প্রতিদিন নিজ উদ্যোগে ঘাটে ছুটে যাচ্ছেন। তারা পরবর্তী দিনের ফেরি ও সি-ট্রাকের সময়সূচি সংগ্রহ করে জোয়ার-ভাটার তথ্যের সঙ্গে মিলিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার করছেন।

তরুণদের এই উদ্যোগের সুফলও মিলছে হাতেনাতে। মানুষ ঘরে বসেই জানতে পারছেন কখন জাহাজ ছাড়বে। ফলে নির্দিষ্ট সময়ে ঘাটে পৌঁছে যাত্রীরা নিরাপদে জাহাজে উঠছেন এবং প্রতিটি নৌযানই পর্যাপ্ত যাত্রী পাচ্ছে।

সি-ট্রাক এসটি নিঝুম দ্বীপের ক্যাপ্টেন একরামুজ্জামান জানান, এই নৌরুটে যুক্ত হওয়ার পর এসটি নিঝুম দ্বীপ রেকর্ডসংখ্যক যাত্রী পরিবহন করেছে।

ঘটনার কালানুক্রম ও দাপ্তরিক তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত ১২ অক্টোবর থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত এসটি নিঝুম দ্বীপ এই নৌরুটে সর্বমোট ৪ হাজার ৬৬২ জন যাত্রী পরিবহন করেছে। তবুও বিআইডব্লিউটিসির সেই মুখস্থ বুলি—‘যাত্রী সংকট’।

নৌযান চলাচলের সময়সূচি ও জোয়ার-ভাটার সময় প্রচারকারী একাধিক সন্দ্বীপভিত্তিক ফেসবুক পেজের অ্যাডমিনরা আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেন, জাহাজের সময় জানানো সরকারের দায়িত্ব, অথচ সেই দায়িত্ব পালন করছি আমরা। আমাদের স্বেচ্ছাশ্রমে বিপুল পরিমাণ আর্থিক লোকসান থেকে রক্ষা পেয়েও কৃতজ্ঞতা নেই বিআইডব্লিউটিসির।

সন্দ্বীপ নৌরুটে কোনো ‘যাত্রী সংকট’ নেই; সময়সূচি না জানিয়ে বিআইডব্লিউটিসি মূলত কৃত্রিম সংকটের নাটক সাজিয়ে একটি চক্রান্তকারী চক্রের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে।

সন্দ্বীপের নিরাপদ নৌ-যাতায়াত আন্দোলনে দীর্ঘদিন ধরে সম্পৃক্ত খাদেমুল ইসলাম জানান, জন্মস্থানের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকেই তরুণরা এই উদ্যোগ নিয়েছেন। নিজেদের কার্যক্রমের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, সন্দ্বীপের মানুষের ভোগান্তি দেখে আমরা আর চুপ থাকতে পারিনি। প্রতিদিন নিজ উদ্যোগে ঘাটে গিয়ে বা খোঁজ নিয়ে ফেরি ও সি-ট্রাকের সময়সূচি সংগ্রহ করি এবং জোয়ার-ভাটার সঙ্গে মিলিয়ে তা পেজে প্রচার করি। এখন আমাদের আপডেট দেখে প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে শত শত যাত্রী ঘাটে আসছেন।

সন্দ্বীপের নৌ-যাতায়াত ও জোয়ার-ভাটার আপডেট দেওয়া জনপ্রিয় ফেসবুক পেজ ‘ট্রাভেলার্স আইস’-এর অ্যাডমিন মাকসুদুর রহমান নিজের তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা স্মরণ করে বলেন, বছর দুয়েক আগে ঘাটে গিয়ে জাহাজের জন্য পাঁচ ঘণ্টা বসে ছিলাম। জোয়ার-ভাটার সঠিক সময়সূচি না জানার কারণে সেদিন হাঁটু পানি মাড়িয়ে যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছিল। তখনই অনুভব করি, যাত্রীদের যদি আগে থেকে সময়সূচি জানানো যায়, তবে তারা কোনো ভোগান্তি ছাড়াই নির্বিঘ্নে যাতায়াত করতে পারবেন। সেই তাগিদ থেকেই অনলাইনে তথ্য দেওয়া শুরু করি।

RPLTV2 পেজের অ্যাডমিন আমিনুল ইসলাম রিয়াদ বলেন, সন্দ্বীপের প্রতি দায়বদ্ধতা ও ভালোবাসা থেকেই কাজটা করছি। আমাদের উদ্দেশ্য শুধু নৌযান চলাচলের সময়সূচি জানানো নয়, বরং সন্দ্বীপের মানুষের কাছে নিরাপদ নৌযানের গুরুত্বও তুলে ধরছি আমরা।

খাদেমুল, মাকসুদ ও রিয়াদের মতো সন্দ্বীপের আরও একঝাঁক স্বেচ্ছাসেবী তরুণ এই তথ্যের শূন্যতা পূরণে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। সন্দ্বীপ টিভি, সন্দ্বীপের কণ্ঠস্বর, সন্দ্বীপ সংযোগ, চারু মিল্লাত, সন্দ্বীপ টেলিভিশন, দ্বীপের চোখ, ডিডব্লিউ সন্দ্বীপ, সন্দ্বীপ সোর্স,RPLTV2 , সন্দ্বীপ ইনসাইডার, সন্দ্বীপ স্পোর্টস টিভি, আজকের সন্দ্বীপ, সন্দ্বীপ টুডে ও সন্দ্বীপ টুয়েন্টি ফোর সহ বিভিন্ন ফেসবুক আইডি, পেজ ও গ্রুপ প্রতিদিন জোয়ার-ভাটার তথ্যের সঙ্গে মিলিয়ে ফেরি ও সি-ট্রাকের শিডিউল যাত্রীদের জানিয়ে দিচ্ছে।

এ বিষয়ে বিআইডব্লিউটিসির সহ-মহাব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) কে এম এমরান বলেন, সন্দ্বীপ রুটে জাহাজের শিডিউল সম্পূর্ণ জোয়ার-ভাটার ওপর নির্ভরশীল, যা প্রতিদিন বদলায়। তাই কেন্দ্রীয় বা দাপ্তরিকভাবে আগাম সময়সূচি প্রচার করা আমাদের জন্য কঠিন হয়ে পড়ে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফ্যাসিবাদী শাসন দীর্ঘস্থায়ী হয়েছে দাসত্বের সাংবাদিকতার কারণে: কাদের গনি চৌধুরী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৫ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:১৪ পি.এম


ফ্যাসিবাদী শাসন দীর্ঘস্থায়ী হয়েছে দাসত্বের সাংবাদিকতার কারণে: কাদের গনি চৌধুরী

চট্টগ্রাম, ৫ নভেম্বর, ২০২৬ : বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক এবং বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) মহাসচিব মুহাম্মদ কাদের গনি চৌধুরী মন্তব্য করেছেন, দাসত্বের সাংবাদিকতা মানুষের মনে গভীর ঘৃণা সৃষ্টি করে। তিনি উল্লেখ করেছেন, "১৭ বছর আমরা অনেক সাংবাদিককে দাসত্বের সাংবাদিকতা করতে দেখেছি।" এই পরিস্থিতির কারণে ফ্যাসিবাদী শাসন দীর্ঘস্থায়ী হয়েছে এবং সাংবাদিকদের মর্যাদা অনেকাংশে ক্ষুণ্ন হয়েছে।

তিনি আরও বলেছেন, "দলীয় ব্যানারের আড়ালে ক্ষমতার সাথে আঁতাত করে জনগণের স্বার্থ বিসর্জন যারা দিয়েছে, তারা আজকে আস্তাকুঁড়ে নিক্ষিপ্ত হয়েছে।" কিছু ব্যক্তি দেশ ছেড়ে পালিয়েছে এবং কেউ লজ্জায় জনসম্মুখে আসতে পারছেন না। তিনি বলেন, "এখান থেকে আমাদের শিক্ষা নিতে হবে। ৫ আগস্ট আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে শিখিয়ে গেছে— সাদাকে সাদা, কালোকে কালো বলতে হবে।" সাংবাদিকদের এই দায়িত্ব পালন করতে হবে।

আজ দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের জুলাই বিপ্লব স্মৃতি হলে সাংবাদিকদের কল্যাণে করণীয় বিষয়ক মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন।

বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট এবং চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন যৌথভাবে এই মতবিনিময় সভার আয়োজন করেছে।

চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা’র সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আবদুল বাছির (বাছির জামাল)।

কাদের গনি চৌধুরী বলেন, সাংবাদিকতা হচ্ছে সত্যের আরাধনা। তিনি উল্লেখ করেন, "সাংবাদিকরা মানুষের পক্ষে দাঁড়ায় একেবারে নিজ থেকে, সেজন্য কোনো বিনিময় দেওয়া লাগে না।" আইনজীবী, কৃষিবিদ, ইঞ্জিনিয়ারদের কাছে সেবার বিনিময়ে টাকা দিতে হয়, কিন্তু সাংবাদিকদের ক্ষেত্রে তা প্রযোজ্য নয়। যদিও বর্তমানে কিছু ক্ষেত্রে পেশাদারিত্বের অবনমন ঘটেছে। তিনি সাংবাদিকতাকে একটি পেশা মনে করেন না, বরং এটি একটি মিশন, যার কাজ হচ্ছে ক্ষমতার মুখে সত্য উচ্চারণ করা।

তিনি আরও বলেন, "জনগণের আস্থা হারানো মানেই সাংবাদিকতার মৃত্যু।" সাংবাদিকতা কোনো মুনাফাভিত্তিক ব্যবসা নয়, বরং এটি একটি পবিত্র কাজ। তিনি জানান, "দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য— অপসাংবাদিকতা ও হলুদ সাংবাদিকতা আজকে ছেয়ে গেছে।"

বাসস এমডি বলেন, সাংবাদিকের কাজ হচ্ছে সত্য খুঁজে বের করা এবং সেই সত্যকে রক্ষা করা। তিনি বলেন, "সত্য না থাকলে আস্থা থাকে না।" আস্থা না থাকলে গ্রহণযোগ্যতাও থাকে না। তাই সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে মিথ্যা বা অর্ধ সত্যের কোনো স্থান নেই। তিনি মনে করিয়ে দেন, "দেশের জনগণ ছাড়া কোনো দল-মতের কাছে সংবাদ মাধ্যমের দায়বদ্ধতা নেই।" গত ১৭ বছর সত্যনিষ্ঠ ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা পাওয়া যায়নি, বরং দাসত্বের সাংবাদিকতা দেখা গেছে। গুম ও খুনের সত্য খবরগুলো গণমাধ্যমে আসেনি, এবং আয়নাঘরের খবরও বাংলাদেশের গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়নি।

সাংবাদিকদের জন্য দশম ওয়েজবোর্ডের যৌক্তিকতা তুলে ধরে তিনি বলেন, ইতোমধ্যে সরকারি কর্মকর্তাদের বেতন বৃদ্ধি করা হয়েছে। গার্মেন্টস কর্মীদেরও বেতন বৃদ্ধি হবে। তিনি উল্লেখ করেন, "অতীতে সকল সময়ে যখনই সরকারি কর্মকর্তাদের বেতন বৃদ্ধি করা হয়, একই সময়ের আগে-পরে সাংবাদিকদেরও বেতন বৃদ্ধি করা হয়।" তিনি দৃঢ় বিশ্বাস করেন যে সরকার শিগগিরই দশম ওয়েজবোর্ড ঘোষণা করবে।

ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়ন নিয়ে সংবাদপত্র মালিকরা ভাঁওতাবাজি করছেন বলে বিএফইউজে মহাসচিব মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, "রাষ্ট্র ওয়েজবোর্ড ঘোষণা করে, বড় বড় কয়েকটি পত্রিকা ছাড়া ৯০ শতাংশ পত্রিকা ওয়েজবোর্ড অনুযায়ী বেতন দেয় না।" অথচ তারা দাবি করেন, "আমরা সরকার ঘোষিত ওয়েজবোর্ড অনুযায়ী বেতন দিচ্ছি।" এই মালিকদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে তিনি বলেন, "যারা সাংবাদিকদের ওয়েজবোর্ড অনুযায়ী বেতন দেন না, তারা বিশ্বাসঘাতক এবং দুর্নীতিবাজ।"

সংবাদপত্রের স্বাধীনতাবিরোধী অনেকগুলো কালা কানুন শেখ হাসিনা তৈরি করেছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন। তিনি বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকারের কাছে আহ্বান জানান, "এসব কালা কানুন অবিলম্বে বাতিল করতে হবে।" তিনি বলেন, "আমরা গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের কথা বলি, কিন্তু সবচেয়ে বড় নিপীড়নটা হয় সাংবাদিকদের ওপর।" তিনি দাবি করেন, "মফস্বল সাংবাদিকদের ন্যায্য বেতন দিতে হবে।" ওয়েজবোর্ডে এটি নিশ্চিত করতে হবে।

কাদের গনি চৌধুরী বলেন, ঢাকা ও চট্টগ্রামসহ সাংবাদিকদের আবাসন ও কল্যাণে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও পরবর্তীতে মরহুমা খালেদা জিয়ার সরকার নানা ধরনের সুযোগ-সুবিধা দিয়েছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, "তাঁদের উত্তরসূরি সরকার সাংবাদিকদের পাশে থাকবেন।"

সাংবাদিকদের জন্য সুরক্ষা নীতিমালা দাবি করে তিনি বলেন, "আমাদের একটি আহ্বান থাকবে— শুধু সংবাদ প্রকাশের কারণে আদালতের অনুমতি ছাড়া সাংবাদিকদের গ্রেফতার করা যাবে না।" তবে হলুদ সাংবাদিক বা চাঁদাবাজদের কথা বলছেন না তিনি। সাংবাদিকদের জন্য একটি নিরাপদ পরিবেশ তৈরি করতে হবে, যা বর্তমানে নেই। তিনি বলেন, "এখন সাংবাদিকরা নির্বিঘ্নে লিখতে পারছেন।" তিনি প্রশ্ন করেন, "এমন স্বাধীনতা সাংবাদিকরা অতীতে পেয়েছেন কি না?" তিনি সতর্ক করেন, "আমরা যেন এই স্বাধীনতার অপব্যবহার না করি।"

মতবিনিময় সভাটি চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সালেহ নোমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত হয়। সভায় আরও বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মোহাম্মদ শাহনওয়াজ, চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচি, সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা মুরাদ, কক্সবাজার সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি নুরুল ইসলাম হেলালী, বান্দরবান প্রেস ক্লাবের সভাপতি নাছির উদ্দিন, খাগড়াছড়ি প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এইচ এম প্রফুল্ল, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের সদস্য আমিনুল ইসলাম, চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক মিয়া মোহাম্মদ আরিফ, সাংবাদিক সাইফুল ইসলাম শিল্পী, কামরুল হুদা, ইমরান এমি এবং বাকি বিল্লাহ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%