বৃহস্পতিবার, ৫ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:০৭ পি.এম
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের নিরাপত্তা, পরিবেশ সুরক্ষা এবং দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে এই প্রকল্পের ভূমিকা সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং স্থানীয় জনগণের সম্পৃক্ততা জোরদার করার লক্ষ্যে পাকশী ও সাহাপুর ইউনিয়নের ইমামদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। কর্মকর্তারা জানান, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র সম্পর্কে সঠিক ও বিজ্ঞানভিত্তিক তথ্য প্রচার, প্রচলিত ভুল ধারণা দূরীকরণ এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে ইমামগণ একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারেন।
বৃহস্পতিবার (০৫ নভেম্বর) রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের নিরাপত্তা, পরিবেশ সুরক্ষা এবং দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে এই প্রকল্পের ভূমিকা সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি ও স্থানীয় জনগণের সম্পৃক্ততা জোরদার করতে পাকশী ও সাহাপুর ইউনিয়নের ইমামদের অংশগ্রহণে ‘কমিউনিটি লিডার রাউন্ড টেবিল’ শীর্ষক মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।
এ সভায় নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেডের (এনপিসিবিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ড. মো. জাহেদুল হাছান বলেন, "দেশের ক্রমবর্ধমান বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণ এবং দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।" তিনি আরও জানান, "এ বিদ্যুৎকেন্দ্রটির দুটি ইউনিট থেকে মোট ২,৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা রয়েছে।"
আজকের সভায় পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রক্রিয়া, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের আধুনিক নিরাপত্তাব্যবস্থা, বিকিরণ নিয়ন্ত্রণ ও পর্যবেক্ষণ, পরিবেশ সুরক্ষা এবং স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ে এই প্রকল্পের আর্থসামাজিক অবদান সম্পর্কে সহজ ও তথ্যভিত্তিক আলোচনা করা হয়।
সভাপতির বক্তব্যে প্রকল্প পরিচালক ড. মো. কবীর হোসেন বলেন, "স্থানীয় জনগণের কাছে ইমামগণ অত্যন্ত শ্রদ্ধাভাজন ও বিশ্বস্ত ব্যক্তিত্ব। সমাজে তাদের গ্রহণযোগ্যতা ও প্রভাব রয়েছে। তাই রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র সম্পর্কে সঠিক ও বিজ্ঞানভিত্তিক তথ্য প্রচার, প্রচলিত ভুল ধারণা দূরীকরণ এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে ইমামগণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারেন।" তিনি আরও বলেন, "এ ধরনের উদ্যোগে তাদের সক্রিয় অংশগ্রহণ প্রকল্প ও স্থানীয় জনগণের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ ও আস্থা আরও সুদৃঢ় করবে।"
মতবিনিময় পর্বে অংশগ্রহণকারী ইমামগণ পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদন, কেন্দ্রের নিরাপত্তা, বিকিরণের প্রভাব, পরিবেশ সুরক্ষা এবং স্থানীয় জনগণের কল্যাণে প্রকল্পটির ভূমিকা সম্পর্কে বিভিন্ন প্রশ্ন ও মতামত তুলে ধরেন। সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ ও কর্মকর্তাগণ তাদের প্রশ্নের উত্তর দেন এবং প্রয়োজনীয় তথ্য ও ব্যাখ্যা প্রদান করেন।
আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেন, "সমাজের গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় ও সামাজিক নেতৃত্বের সঙ্গে এ ধরনের সরাসরি মতবিনিময় পারমাণবিক শক্তির শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ ব্যবহার সম্পর্কে সঠিক তথ্যের প্রসার ঘটাবে।" একই সঙ্গে স্থানীয় জনগণের মধ্যে সচেতনতা, ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি ও আস্থা বৃদ্ধিতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের পাওয়ার স্টার্ট-আপ পর্যায়ের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। সব কিছু স্বাভাবিক নিয়মে অগ্রসর হলে স্বল্প সময়ের মধ্যেই জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব হবে মর্মে আশা করা যায়।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন, পাবনা এবং পারমাণবিক তথ্যকেন্দ্র, ঈশ্বরদীর সহযোগিতায় পারমাণবিক তথ্যকেন্দ্র, ঈশ্বরদীতে এ সভার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেডের (এনপিসিবিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ড. মো. জাহেদুল হাছান। সভায় সভাপতিত্ব করেন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ড. মো. কবীর হোসেন। অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রধান, মানবসম্পদ বিভাগ ও মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. আলিউজজামান।
এছাড়া এনপিসিবিএল-এর ব্যবস্থাপক ও প্রকল্পের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা গোলাম শাহীনুর ইসলাম এবং রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পের পাবলিক কমিউনিকেশন কার্যক্রমের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) ব্যবহার করে অপতথ্য বা বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে না দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
তিনি বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে আয়োজিত এআই বিজনেস সামিটে এ আহ্বান জানান।
প্রতিমন্ত্রী মন্তব্য করেন, ‘আমরা এআই যুগে প্রবেশ করেছি। কীভাবে এই প্রযুক্তিকে মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কাজে লাগানো যায়, তা নিয়ে সরকার কাজ করছে। এ ক্ষেত্রে সরকারের নীতি সবার আগে বাংলাদেশ।’
তিনি আরও বলেন, ‘কৃষক, ব্যবসায়ী ও শিক্ষার্থীসহ সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে প্রযুক্তির সুফল পেতে হলে এআই নিয়ে কাজ করতে হবে। কৃষকরা এআই ব্যবহার করে ফসল উৎপাদনে সুফল পেতে পারেন। একই সঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায়ও এ প্রযুক্তি কাজে লাগানো সম্ভব। এসব লক্ষ্য সামনে রেখেই সরকার কাজ করছে।’
গার্মেন্টস শিল্পেও এআইয়ের প্রয়োজনীয়তা তৈরি হয়েছে উল্লেখ করে শামা ওবায়েদ বলেন, ‘ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ে তুলতে বদ্ধপরিকর সরকার। বিভিন্ন খাতে দক্ষতা উন্নয়নে এআইয়ের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।’
তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য সরকার বিভিন্ন ধরনের আর্থিক প্রণোদনা দিচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘নিজস্ব দক্ষতা ও এআইয়ের সমন্বিত ব্যবহার কৃষক, শ্রমিক ও শিক্ষার্থীসহ সবার দৈনন্দিন জীবন আরও সহজ করে তুলবে।’
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এআইয়ের অপব্যবহার নিয়ে সতর্ক করে বলেন, ‘এআই ব্যবহার করে অপতথ্য ছড়ানো হচ্ছে। তাই এই প্রযুক্তির অপব্যবহার যেন না হয়, সেদিকে সবাইকে খেয়াল রাখতে হবে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরগুনা ৫ নভেম্বর ২০২৬ : বরগুনায় যুব সম্প্রীতি মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে, যা সামাজিক সম্প্রীতি, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, এবং শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের বার্তা ছড়িয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যে আয়োজন করা হয়।
আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টায় বেসরকারি সংগঠন নজরুল স্মৃতি সংসদ (এনএসএস) এর উদ্যোগে জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে এই মেলার উদ্বোধন করা হয়।
মেলায় অংশগ্রহণকারী ৫টি স্টলে পরিবেশ বান্ধব পাট দিয়ে তৈরি শপিং ব্যাগ, বাঁশ ও সুপারির খোল দিয়ে নির্মিত বিভিন্ন পণ্য প্রদর্শিত হচ্ছে। মেলা সকাল ১০ টা থেকে বিকেল ৫ টা পর্যন্ত চলবে।
প্রধান অতিথি হিসেবে জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. নজরুল ইসলাম মোল্লা উদ্বোধন করেন এ মেলার।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) অনিমেষ বিশ্বাস এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মুকিত হাসান খান, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব হুমায়ুন হাসান শাহিন, বরগুনা প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. হাফিজুর রহমান, বিএনপি নেতা এজেডএম সালেহ ফারুক, এবং জেলা কালচারাল অফিসার তানজিলা তমা। শুভেচ্ছা বক্তব্যে এনএসএস এর প্রকল্প সমন্বয়কারী মনিরুজ্জামান উপস্থিত ছিলেন।
সভা শেষে শিল্পকলা একাডেমি চত্বরে অতিথিরা মেলার স্টল পরিদর্শন করেন।
মেলাকে কেন্দ্র করে এর আগে একটি র্যালি বের হয়ে প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে শিল্পকলা একাডেমিতে এসে শেষ হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী মন্তব্য করেছেন, ‘আমরা প্রবাসীদের রেমিট্যান্স যোদ্ধা বলি, কিন্তু বাস্তবে তাদের মতো অত্যাচারিত ও অপমানিত মানুষ আর নেই।’
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) দুপুরে কুমিল্লা আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস পরিদর্শনকালে, সেবা নিতে আসা প্রবাসীদের ভোগান্তি দেখে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
তিনি উল্লেখ করেন, ‘দেশের প্রতিটি সেক্টরে তারা হয়রানির শিকার হচ্ছেন। পাসপোর্ট অফিস, এনআইডি অফিস, জন্মনিবন্ধন থেকে শুরু করে বিমানবন্দর- এমন কোনো জায়গা নেই, যেখানে তারা ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন না।’
মনিরুল হক চৌধুরী আরও বলেন, ‘সবই সরকারি দফতর। তাহলে প্রবাসীদের কেন সেবা নিতে এক দফতর থেকে অন্য দফতরে ঘুরে হয়রানির শিকার হতে হবে? কেন তারা এক জায়গা থেকে প্রয়োজনীয় সেবা পাবেন না? প্রতিনিয়ত প্রবাসীরা দেশে এসে পাসপোর্ট নবায়ন ও সংশোধন করতে গিয়ে নানা ভোগান্তিতে পড়ছেন। যাদের আমরা রেমিট্যান্স যোদ্ধা বলি, তাদের মতো অপমানিত আর কেউ হচ্ছেন না।’
তিনি জানান, রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের অবদানে দেশের অর্থনীতি গতিশীল হচ্ছে। বর্তমান সরকার গণমানুষের সরকার। প্রবাসীদের কল্যাণে সরকার ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নিচ্ছে। বিমানবন্দরে হয়রানি আগের তুলনায় কমে আসছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, একসময় তা শূন্যের কোঠায় নেমে আসবে।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, পাসপোর্ট-সংক্রান্ত ভোগান্তি নিরসনে ইতিমধ্যে পাসপোর্ট অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মো. নুরুল হাফিজের সঙ্গে তিনি আলোচনা করেছেন। বিষয়গুলো নিয়ে তিনি অত্যন্ত আন্তরিক। আগামী রোববার থেকে হয়রানি প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে আশ্বস্ত করা হয়েছে।
মনিরুল হক চৌধুরী জানান, কুমিল্লা বড় জেলা হওয়ায় পাসপোর্ট সেবা সহজ করতে জেলার উত্তর ও দক্ষিণ অংশে অন্তত দুটি সাব-অফিস স্থাপনের অনুরোধ জানিয়েছেন। পাশাপাশি একটি বিভাগীয় কার্যালয় প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনাও রয়েছে। উপযুক্ত স্থান নির্ধারণ করে সেখানে বিভাগীয় কার্যালয় স্থাপন করা হবে।
তিনি পাসপোর্ট অফিসকে দালালমুক্ত করার পাশাপাশি সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ মোতায়েনের জন্য পুলিশ সুপারের সঙ্গেও কথা বলেছেন। এ বিষয়ে পুলিশ সুপার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।
পরিদর্শন শেষে সংসদ সদস্য কুমিল্লা পাসপোর্ট অফিসের সম্মেলনকক্ষে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৫ নভেম্বর, ২০২৬ : সারা দেশে হাম উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও তিনজনের মৃত্যু ঘটেছে। একই সময়ে, হাম উপসর্গ এবং নিশ্চিত হামে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ৩৯৬ জনে পৌঁছেছে।
আজ বৃহষ্পতিবার (৫ নভেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ৩২৭ জন। ১৫ মার্চ থেকে ৫ নভেম্বর পর্যন্ত মোট হামরোগীর সংখ্যা ২ লাখ ৩৫ হাজার ৪৭৫ জন হয়েছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা ৬৯ জন। ১৫ মার্চ থেকে ৫ নভেম্বর পর্যন্ত নিশ্চিত হামরোগীর মোট সংখ্যা ২৪ হাজার ২১৯ জন।
এছাড়া, গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হাম উপসর্গে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২ লাখ ৯ হাজার ৮৫৪ জন। একই সময়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ২ লাখ ২০১ হাজার ১৫৩ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে এবং ১৫ মার্চ থেকে ৫ নভেম্বর পর্যন্ত হাম উপসর্গে মোট ১ হাজার ১৬৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।
এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে কারও মৃত্যু হয়নি এবং ১৫ মার্চ থেকে ৫ নভেম্বর পর্যন্ত নিশ্চিত হামে ১০৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ