বৃহস্পতিবার, ১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৫:৫৩ পি.এম
দীর্ঘকাল ধরে নীরবভাবে দ্বিপক্ষীয় সংঘাত এড়ানোর পর, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নীতির বিরুদ্ধে এবার প্রকাশ্যে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করছে ভারতের নরেন্দ্র মোদী সরকার। বাণিজ্য শুল্ক, সন্ত্রাসবাদ সম্পর্কিত পাকিস্তানপ্রীতি এবং ভিসা বিধিনিষেধ নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের 'একপেশে' সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর সরব হয়েছেন।
সম্প্রতি নিউ ইয়র্কে এশিয়া সোসাইটির একটি অনুষ্ঠানে, ভারতীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ট্রাম্প প্রশাসনের নীতিকে চরম 'স্বার্থপর' হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, "সন্ত্রাসবাদের বিষয়ে ওয়াশিংটন ভারতের সংবেদনশীলতা বুঝতে ব্যর্থ হয়েছে। অন্যদিকে পাকিস্তান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র যে নমনীয়তা দেখাচ্ছে এবং বৈশ্বিক বাণিজ্যে যেসব একক সিদ্ধান্ত নিচ্ছে, তা গ্লোবাল সাউথের দেশগুলোর জন্য বড় সংকট তৈরি করছে।"
কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এতদিন দুই দেশের মধ্যে মতভেদের বিষয়গুলো নিয়ে পর্দার আড়ালে আলোচনা হলেও, মোদী সরকারের ওপর অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক চাপ বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে এবার প্রকাশ্যে বার্তা দিচ্ছে দিল্লি। বিশেষ করে ভারতের অভ্যন্তরীণ বাজারে ট্রাম্পের ১০ শতাংশ বৈশ্বিক শুল্ক আরোপের হুমকি এবং সম্প্রতি রুশ তেল কেনার অপরাধে ভারতের ওপর ১০০ শতাংশ পর্যন্ত অতিরিক্ত শুল্ক বসানোর বিলে স্বাক্ষর করায় দুদেশের সম্পর্কে বড় ধরণের চিড় ধরেছে।
এছাড়া ভারত-পাকিস্তান গত বছরের চার দিনের সীমান্ত সংঘর্ষের পর ট্রাম্প বারংবার যুদ্ধবিরতির মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নিজেকে দাবি করায় দিল্লি অসন্তুষ্ট হয়েছে। ভারত কাশ্মীর ইস্যুকে কেবলই দ্বিপক্ষীয় বিষয় হিসেবে দেখলেও, ট্রাম্পের ইসলামাবাদঘেঁষা নীতি এবং মার্কিন ভিসা (H-1B) ফি বৃদ্ধি সাধারণ ভারতীয়দের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ তৈরি করেছে।
কূটনীতিকদের মতে, ট্রাম্পের এই অননুমেয় পররাষ্ট্রনীতির কারণে মোদী সরকার এখন 'ধৈর্য ধরে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ' (Waiting out Trump) করার কৌশল গ্রহণ করেছে। সূত্র: আল-জাজিরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সরকারী ডাক বিভাগের ‘স্পিড পোস্ট’ সেবা দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। গত জুলাই মাস থেকে নীলফামারী প্রধান ডাকঘর এবং উপজেলা পর্যায়ের ডাকঘরগুলোতে এই বিশেষ ডাক সেবা কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
সাধারণ ডকুমেন্টস, সঞ্চয় ব্যাংক, জিইপি ও রেজিস্ট্রি সেবার পাশাপাশি নতুন এই সেবা কার্যক্রম ইতোমধ্যে গ্রাহকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।
নীলফামারী প্রধান ডাকঘরের সূত্র জানায়, জুলাই’২৬ থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত স্পিড পোস্টের মাধ্যমে ৩০৯টি পার্সেল দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পাঠানো হয়েছে।
এই সেবার মাধ্যমে সরকারের রাজস্ব আদায় হয়েছে ২২ হাজার ৫৩৬ টাকা। এছাড়া দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ২৯৭টি পার্সেল গ্রাহকদের মধ্যে ডেলিভারি করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুরে নীলফামারী প্রধান ডাকঘরে দ্রব্যাদি পাঠাতে আসা নীলফামারী মেডিক্যাল কলেজের এমবিবিএস সম্পন্নকারী ডা. সুমাইয়া সুলতানা জানান, পড়াশোনা শেষ হওয়ার পর মৌলভীবাজারে প্রয়োজনীয় আসবাব, বইপত্রসহ বিভিন্ন দ্রব্যাদি পাঠাবেন।
তিনি বলেন, "এজন্য এখানে এসেছি। আমার ১৭৩ কেজি দ্রব্যাদি পাঠাতে খরচ হয়েছে মাত্র দেড় হাজার টাকা। কুরিয়ার যোগে পাঠাতে খরচ হতো ৫ হাজার টাকার মত। সেখানে আমি অত্যন্ত কম খরচে নিরাপদে পাঠাতে পারছি।"
চিকিৎসক সুমাইয়া আরও জানান, বন্ধুদের কাছ থেকে খবর নিয়ে তিনি এখানে এসেছেন এবং এই সেবা নিরাপদ মনে হয়েছে। ডাকঘরের সূত্র জানায়, স্পিড পোস্টে প্রথম কেজি ১১ টাকা এবং পরের কেজি ৫ টাকা হারে চার্জ নেয়া হয়। বিকেলে ও রাতে বুকিং হওয়া মালামাল পাবর্তীপুরে প্রেরণ করা হয়। সেখান থেকে রাষ্ট্রীয় ডাকযোগে ঢাকায় পাঠানো হয়। তিতুমীর এক্সপ্রেস ও রুপসা এক্সপ্রেসের মাধ্যমে এসব মালামাল পার্বতীপুরে পাঠানো হয়।
স্পিড পোস্টের সেবা নিয়ে শিক্ষার্থী আব্দুস সাত্তার বলেন, "এটা আমার কাছে অত্যন্ত নিরাপদ মনে হয়েছে কারণ এই সেবা সরকারী। কোন নিরাপত্তার অভাব নেই, যথাসময়ে পৌঁছে যাচ্ছে এবং খরচও কম। কুরিয়ার সার্ভিসের চেয়ে সুবিধা বেশি।"
নীলফামারী প্রধান ডাকঘরের পোস্ট মাস্টার মোঃ শামসুজ্জোহা জানান, তারা সপ্তাহের সাতদিনই সেবা দিয়ে থাকেন। শুক্রবারেও যদি পার্সেল আসে, সেটি তারা ডেলিভারি করে থাকেন। তিনি বলেন, "আমাদের এখানে মূল সমস্যা হলো গাড়ি না থাকা। যদি নিজস্ব গাড়ি থাকতো, তাহলে দুর্ভোগ কমে আসতো।"
তিনি আরও বলেন, "পাবর্তীপুরে গিয়ে আমাদের ডাক দিয়ে আসতে হতো না, পাশাপাশি এখান থেকে সরাসরি বিভিন্ন উপজেলায় পার্সেল ডেলিভারি করা হতো।"
ডাকঘরের সূত্র জানায়, গেল তিন মাসে ১২ হাজার ৮৭টি ডকুমেন্টস বুকিং করা হয়। এতে সরকারের আয় হয় ১ লাখ ৩২ হাজার ২২ টাকা। এর মধ্যে রেজিস্ট্রি চিঠি ছিলো ১১ হাজার ৬০৫টি।
প্রধান ডাকঘর কর্মকর্তা মোঃ শামসুজ্জোহা জানান, এখান থেকে দ্রুত কাঁচা জিনিস পত্র শাক সবজি পাঠানো যাবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১ অক্টোবর, ২০২৬ : ফ্লাইদুবাইয়ের একটি বিমানের সহ-পাইলটকে আটকানোর মাধ্যমে বিমানটির বিধ্বস্ত হওয়া প্রতিরোধে সহায়তা করা চারজন ইসরাইলিকে ‘বীরত্ব’ পদক প্রদান করার কথা জানিয়েছেন ইসরাইলের প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজগ।
তিনি বৃহস্পতিবার বলেন, এই চার যাত্রীকে এই সম্মাননা প্রদান করা হবে।
জেরুজালেম থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এই তথ্য জানিয়েছে।
হারজগ এক বিবৃতিতে উল্লেখ করেন, ‘অন্যদের বাঁচাতে আপনারা নিজেদের জীবন ঝুঁকিতে ফেলেছেন ও ভয়াবহ এক বিপর্যয় ঠেকিয়েছেন। আজ পুরো বিশ্ব ইসরাইলি সমাজের সুন্দর ও সাহসী চেহারা দেখেছে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জম্মু-কাশ্মীরের ডোডা গভর্নমেন্ট মেডিক্যাল কলেজের (জিএমসি) গাইনি বিভাগে ক্লিনিক্যাল ট্রেনিংয়ের সময় এক শিক্ষার্থীকে তার আবায়া (বোরকা) খুলে ফেলার নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক চিকিৎসকের বিরুদ্ধে। এই ঘটনার পর শিক্ষার্থীরা ক্ষোভে ফেটে পড়লে পরিস্থিতি সামাল দিতে কলেজ কর্তৃপক্ষ একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।
শিক্ষার্থীরা বুধবার মেডিক্যাল কলেজ প্রাঙ্গণে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন, দাবি জানিয়ে যে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং অভিযোগ সত্যি প্রমাণিত হলে অপরাধীর বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া উচিত। বিক্ষোভ চলাকালীন শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং ধর্মীয় পোশাক পরা শিক্ষার্থীদের প্রতি সম্মানজনক ও ন্যায্য আচরণের দাবি জানান। আন্দোলনকারী এক শিক্ষার্থী প্রশ্ন তোলেন, "আমাদের বোরকা নিয়ে ওদের এত সমস্যা কেন? এটি আমাদের পরিচয় এবং আমাদের গর্ব।"
কলেজ প্রশাসনের কাছে জমা দেওয়া লিখিত অভিযোগে শিক্ষার্থীরা জানান, গাইনি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ড. মধু ছিব বোরকা পরা শিক্ষার্থীদের লেবার রুমে (প্রসূতি কক্ষ) ঢুকতে বাধা দেন। শিক্ষার্থীদের দাবি, এই ধরনের আচরণ সেখানে নিয়মিত ঘটনায় পরিণত হয়েছে। তাদের প্রশ্ন—কেন তাদের ধর্মীয় পোশাক পরিবর্তনের জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে? তারা আরও অভিযোগ করেন, সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক শিক্ষার্থীদের বোরকার বদলে কেবল অ্যাপ্রন পরতে বাধ্য করতে চেয়েছেন।
এই ধরনের পদক্ষেপকে সরাসরি 'হয়রানি' বলে আখ্যা দিয়ে শিক্ষার্থীরা ঘটনার প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটন এবং ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের জন্য সম্মানজনক পরিবেশ নিশ্চিত করার জোর দাবি জানিয়েছেন। তবে অভিযোগগুলো এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রমাণিত হয়নি; তদন্ত কমিটি পুরো ঘটনাটি খতিয়ে দেখবে।
জিএমসি ডোডা শিক্ষার্থীদের লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পরপরই ৮ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। মেডিক্যাল সুপারিনটেনডেন্ট বিষয়টি খতিয়ে দেখতে একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটির নির্দেশ দেন।
ফিজিওলজি বিভাগের প্রধান ড. গরিমা চারকের নেতৃত্বে ৮ সদস্যের এই তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। মেডিক্যাল সুপারিনটেনডেন্ট কমিটিকে সম্পূর্ণ "নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্ত" পরিচালনা করে আগামী দুই দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। জিএমসি ডোডার একজন ডেপুটি সুপারিনটেনডেন্ট নিশ্চিত করেছেন যে, শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পরেই এই কমিটি গঠন করা হয়েছে। তিনি জানান, কমিটি পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখে যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে রিপোর্ট পেশ করবে।
বিক্ষোভকারী শিক্ষার্থীরা কলেজ ও হাসপাতাল প্রশাসনের কাছে ঘটনার নিরপেক্ষ বিচার দাবি করেছেন। ক্লিনিক্যাল ট্রেনিংয়ের সময় কোনো শিক্ষার্থী যেন কোনো ধরনের বৈষম্য বা হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
বর্তমানে জিএমসি ডোডার অধ্যক্ষের (প্রিন্সিপাল) পদটি খালি রয়েছে। সাবেক অধ্যক্ষ ড. দেব রাজ ডোগরা তাঁর ঐচ্ছিক অবসরের আবেদনের বিষয়ে সরকারি সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় দীর্ঘ বিলম্বের পর প্রতিষ্ঠানটি ছেড়ে চলে যান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
টাঙ্গাইলের মধুপুরে দীর্ঘদিন ভোগদখলে থাকা ক্রয়কৃত জমি বিক্রি ও চাষাবাদে বাধা, গালিগালাজ ও হুমকির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ফজলুল হক মনি।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) মধুপুর প্রেসক্লাবে লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, ১৯৫৯ সালের ৩১ জুলাই তাঁর চাচা দুদু মিয়া সাব-কবলা দলিলের মাধ্যমে তাঁকে ও তাঁর বড় ভাই তোফাজ্জল হোসেনকে ১০৭ দশমিক ৫০ শতাংশ জমি দেন। এতে তার অংশ ৫৩ দশমিক ৭৫ শতাংশ। পরে ১৯৮২ সালের ১০ নভেম্বর তাঁর বাবা কালা মিয়া হেবা দলিলের মাধ্যমে একই দাগে তাঁকে আরও ২২ শতাংশ জমি দেন। দুটি দলিল অনুযায়ী তাঁর মোট জমির পরিমাণ ৭৫ দশমিক ৭৫ শতাংশ।
জমিগুলো মধুপুর উপজেলার পুন্ডুরা মৌজার সিএস খতিয়ান নম্বর ৩৩-এর ৩৫৪ দাগ ও হাল দাগ নম্বর ৫০৪-এ অবস্থিত। তিনি দীর্ঘদিন ধরে জমি ভোগদখল করে আনারস ও সেগুনের বাগান করেছেন বলে দাবি করেন।
ফজলুল হক মনি বলেন, তার ছোট ভাই বকুল মিয়া ১৯৭৯ সালে একই দাগে হেবা দলিলের মাধ্যমে জমি পান। বকুল মিয়ার মৃত্যুর পর তার পরিবারের সঙ্গে জমি নিয়ে বিরোধ শুরু হয়। সম্প্রতি জমির একটি অংশ বিক্রির জন্য সম্ভাব্য ক্রেতাকে নিয়ে পরিমাপ ও আগাছা পরিষ্কার করতে গেলে বকুল মিয়ার ছেলে রিপন, লিটন ও ইদুল তাঁকে, তার ছেলে ও ক্রেতাকে গালিগালাজ ও হুমকি দেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। এতে প্রায় সাত মাস ধরে জমি বিক্রি, চাষাবাদ ও ব্যবহার করতে পারছেন না বলেও জানান।
বিরোধ মীমাংসায় মধুপুর পৌরসভায় শালিস ও জমি পরিমাপের উদ্যোগ নেওয়া হলেও বিবাদী পক্ষ উপস্থিত হয়নি বলে দাবি করেন তিনি। পরে থানায় অভিযোগ দিলে উভয় পক্ষকে ডেকে দলিলপত্র ও বক্তব্য শোনা হয়। গত ২৮ সেপ্টেম্বর পুলিশ দীর্ঘদিনের দখল বজায় রেখে শান্তিপূর্ণভাবে থাকার পরামর্শ দেয় এবং অসন্তুষ্ট হলে আদালতের আশ্রয় নিতে বলে।
জমির বিরোধের সুষ্ঠু সমাধান, বিক্রি ও চাষাবাদে বাধা বন্ধ এবং পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন ফজলুল হক মনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ