ঢাকা শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

ইরানকে সহায়তার অভিযোগে কানাডার ৮ প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা


ইরানকে সহায়তার অভিযোগে কানাডার ৮ প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা

যুক্তরাষ্ট্র কানাডাভিত্তিক আটটি মানি সার্ভিস প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। ইরান সরকারকে সহায়তা প্রদান এবং ইরানের ভেতরে ও বাইরে সম্পদ স্থানান্তরে সহায়তার অভিযোগে এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা হয়েছে।

শুক্রবার (৬ নভেম্বর) মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয়ের বৈদেশিক সম্পদ নিয়ন্ত্রণ দপ্তর (ওএফএসি) এই নিষেধাজ্ঞার ঘোষণা দেয়। ‘অপারেশন ইকোনমিক আউটকাস্ট’-এর আওতায় নির্বাহী আদেশ ১৩৯০২ অনুসারে এই পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।

মার্কিন কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা প্রতিষ্ঠানগুলো ইরানি রিয়ালসহ বিভিন্ন মুদ্রার বিনিময়ে ডিজিটাল সম্পদ লেনদেন করত। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে কিছু প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ইরানের নিষেধাজ্ঞাভুক্ত এক্সচেঞ্জ এবং দেশটির ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) সঙ্গে অর্থ লেনদেনের অভিযোগও রয়েছে।

আরও পড়ুন: স্বর্ণে মোড়ানো ১২৬ কক্ষের রাজপ্রাসাদ, প্রবেশমূল্য লাখ ডলার—ট্রাম্পের বিলাসী অন্দরমহল

নিষেধাজ্ঞার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলো হলো—মিলিয়ন এক্সচেঞ্জ, আমিন এক্সচেঞ্জ, টপ পিসি টেকনিশিয়ান, এনআইএ নেশনস কারেন্সি, ফারাহ এক্সচেঞ্জ, সিসিসি ইনকরপোরেটেড, ক্রিপ্টয়াল এবং দারভিশ এক্সচেঞ্জ।

মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয়ের দাবি, এসব প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে আইআরজিসি-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ঠিকানায় বিপুল পরিমাণ অর্থ পাঠানো হয়েছে। এছাড়া, ফারাহ এক্সচেঞ্জের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ঠিকানা থেকে কয়েক মিলিয়ন ডলারের ডিজিটাল সম্পদ কানাডার নিষেধাজ্ঞাভুক্ত মাদক পাচারকারী রায়ান ওয়েডিং-সংশ্লিষ্ট ঠিকানায় পাঠানো হয়েছে।

মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট মন্তব্য করেন, "ইরান সরকার ও তাদের সহযোগীদের নিষেধাজ্ঞা এড়াতে সহায়তাকারীদের জন্য কানাডা নিরাপদ আশ্রয় হতে পারে না।" তিনি আরও বলেন, "বিশ্বের যেকোনো স্থানে ইরানের অবৈধ আর্থিক লেনদেনের পথ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্র কাজ করবে।"

সূত্র: রয়টার্স

আরও পড়ুন: নিউজিল্যান্ডের নির্বাচনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই, এগিয়ে ক্ষমতাসীন ন্যাশনাল পার্টি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঈশ্বরদীতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:০৫ পি.এম


ঈশ্বরদীতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন

পাবনার ঈশ্বরদীতে যথাযোগ্য মর্যাদায় ৭ নভেম্বর (শনিবার) জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন করা হয়েছে। সকাল বেলায় জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে জাতীয় পতাকা এবং দলীয় সংগীতের মাধ্যমে দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়।

আজ শনিবার (৭ নভেম্বর) সকাল ১০ ঘটিকার সময় শহরের পোস্ট অফিস মোড়ে বিএনপি অস্থায়ী কার্যালয়ে পতাকা উত্তোলন অনুষ্ঠানে পৌর বিএনপির আহবায়ক মাহবুবুর রহমান পলাশের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পাবনা জেলা বিএনপির আহবায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব।

প্রধান অতিথি বক্তব্যে বলেন, ১৯৭৫ সালের এই দিনে সমগ্র জাতি যখন অনিশ্চয়তার সম্মুখীন ছিল, তখন সিপাহি-জনতার মিলিত বিপ্লব জাতীয় স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে সকল ষড়যন্ত্রকে নস্যাৎ করে দেশপ্রেমের এক অনন্য নজির সৃষ্টি করে। শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে বন্দিদশা থেকে মুক্ত করে এনে সিপাহি-জনতা তাকে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত করে। তিনি সেই ক্রান্তিময় অবস্থা থেকে উত্তরণ ঘটিয়ে দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তন করেন। উন্নয়ন ও উৎপাদনের নবধারার রাজনীতির সূচনা করেন।

হাবিব আরও বলেন, ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর আমাদের জাতীয় জীবনের জন্য একটি অনন্য ঐতিহাসিক ভাতৃপর্যমণ্ডিত দিন। সিপাহি-জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে আধিপত্যবাদ, একনায়কতন্ত্র, একদলীয় শাসন, জনজীবনে বিশৃঙ্খলাসহ তখনকার বিরাজমান নৈরাজ্যের অবসান ঘটে। একটি অস্থিতিশীল পরিবেশ থেকে দেশ একটি সুশৃঙ্খল পরিবেশে ফিরে আসে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির আহবায়ক জিয়াউল হক সন্টু সরদার, যুগ্ন আহবায়ক আজমল হোসেন সুজন, সদস্য সচিব শরিফুল ইসলাম তুহিন, ঈশ্বরদী পৌর বিএনপির আহবায়ক ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রনেতা মাহবুবুর রহমান পলাশ, যুগ্ন আহবায়ক আজমল হোসেন ডাবলু, আতাউর রহমান পাতা, আব্দুল্লাহ আল ওমর খান সুমার, ঈশ্বরদী সরকারি কলেজের সাবেক ভিপি রেজাউল করিম শাহিন, উপজেলা শ্রমিক দলের সভাপতি ভাষা প্রামানিক ও সাধারণ সম্পাদক ছবি মন্ডল, পৌর যুবদলের সাবেক সভাপতি মোস্তফা নুরে আলম শ্যামল, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সাজেদুজ্জামান জিতু, মিজানুর রহমান মিজান, পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মামুনুর রশিদ নান্টু, বিএনপি নেতা এনামুল হক, আব্দুস সামাদ সুলভ মালিথা, শাহরিয়ার আহমেদ শহীদ সরদার, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ন আহবায়ক শাহানুজ্জামান সেনা, সাধারণ সম্পাদক তানবীর হাসান সুমন, পৌর মহিলা দল সভানেত্রী রোকেয়া সুলতানা, সিনিয়র সহ-সভাপতি শাহিনা আক্তার, সাধারণ সম্পাদিকা আফরোজা খাতুন, সাংগঠনিক সম্পাদক ইয়াসমিন আক্তার নিপা প্রমুখ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিশ্বব্যাংক প্রাক্‌-প্রাথমিক ও প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে ৩০ কোটি ডলার দিচ্ছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:০৫ পি.এম


বিশ্বব্যাংক প্রাক্‌-প্রাথমিক ও প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে ৩০ কোটি ডলার দিচ্ছে

বাংলাদেশের প্রাক-প্রাথমিক থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত ২ কোটি ৬০ লাখ শিশুর শিক্ষার মান উন্নয়নে ৩০ কোটি (৩০০ মিলিয়ন) ডলারের অর্থায়ন অনুমোদন করেছে বিশ্বব্যাংক গ্রুপের নির্বাহী পরিচালক পর্ষদ।

শুক্রবার (৬ নভেম্বর) বিশ্বব্যাংক এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানায়।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ‘লার্নিং এনহ্যান্সমেন্ট অ্যান্ড অ্যাক্সিলারেশন ইন প্রাইমারি এডুকেশন’ বা প্রাথমিক শিক্ষায় শিক্ষার মানোন্নয়ন ও ত্বরান্বিতকরণ কর্মসূচির মাধ্যমে দেশের প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে সহায়তা প্রদান করা হবে। এই কর্মসূচির লক্ষ্য হলো, শিশুদের শ্রেণি অনুযায়ী পড়া, লেখা ও গণিতে প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জনে সহায়তা করা। সরকার কর্তৃক বাস্তবায়িত ‘পঞ্চম প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি’তেও অর্থায়নটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

বাংলাদেশে প্রাথমিক শিক্ষায় প্রায় সর্বজনীন প্রবেশাধিকার নিশ্চিত হলেও শিক্ষার গুণগত মান এখনো একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়ে গেছে। বিশ্বব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, দেশের ১০ বছর বয়সী শিশুদের প্রায় ৫০ শতাংশই বয়স উপযোগী সাধারণ কোনো লেখা পড়তে ও বুঝতে পারে না। তুলনামূলকভাবে উচ্চ-মধ্যম আয়ের দেশ মালয়েশিয়ায় এ হার ৪২ শতাংশ এবং ব্রাজিলে ৪৭ শতাংশ।

বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ ও ভুটানবিষয়ক ডিভিশন ডিরেক্টর জ্যঁ পেসম মন্তব্য করেন, ‘বিশ্বপর্যায়ে প্রতিযোগিতামূলক কর্মশক্তি গড়ে তোলার অন্যতম ভিত্তি হলো মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা। গত দুই দশক ধরে বিশ্বব্যাংক গ্রুপ বাংলাদেশকে প্রায় সব শিশুকে বিদ্যালয়ে নিয়ে আসতে সহায়তা করেছে। এই অর্থায়ন শিশুদের আরও ভালোভাবে শিখতে এবং বিদ্যালয়ে টিকে থাকতে সাহায্য করবে। এর মাধ্যমে তাদের ভবিষ্যতে ভালো চাকরি পাওয়ার ভিত্তি তৈরি হবে।’

বিশ্বব্যাংক জানায়, বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থা বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ। সরকারি বিদ্যালয়, এনজিও পরিচালিত বিদ্যালয়, কিন্ডারগার্টেন ও মাদ্রাসায় ২ কোটিরও বেশি শিশু পড়াশোনা করছে।

নতুন কর্মসূচির আওতায় সাক্ষরতা ও গণিতের মৌলিক দক্ষতা অর্জনের জন্য একটি প্যাকেজ চালু করা হবে। এতে থাকবে পাঠদানের উপকরণ, পরিকল্পিত পাঠক্রম এবং শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ। দেশের ৯০ শতাংশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের নেতৃত্ববিষয়ক প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে। একই সঙ্গে বিদ্যালয় পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করা হবে।

বিশ্বব্যাংকের সিনিয়র এডুকেশন স্পেশালিস্ট ও কর্মসূচির টিম লিডার তাশমিনা রহমান বলেন, ‘ভালো চাকরির জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জনের ক্ষেত্রে শক্তিশালী মৌলিক শিক্ষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কোনো শিশু যেন পিছিয়ে না পড়ে, তা নিশ্চিত করতে এই কর্মসূচিতে পিছিয়ে থাকা শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ পাঠদানের ব্যবস্থা বা রেমিডিয়াল লার্নিং চালু করা হবে। বিশেষ করে সবচেয়ে পিছিয়ে থাকা জেলাগুলোতে এ বিষয়ে বেশি গুরুত্ব দেয়া হবে।’

তিনি আরও বলেন, শিক্ষকদের দক্ষতা ও বিদ্যালয় পর্যায়ে নেতৃত্বের উন্নয়ন, বাজেট ব্যবহারে জবাবদিহি বাড়ানো এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণে তথ্যের কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করতেও সহায়তা করবে এই কর্মসূচি।

কর্মসূচির আওতায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ ও প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করা হবে, যাতে তারা শ্রেণিকক্ষে পড়া, লেখা ও গণিতের মৌলিক বিষয়গুলো আরও কার্যকরভাবে শেখাতে পারেন। এর ফলে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষার মানও উন্নত হবে বলে আশা করছে বিশ্বব্যাংক। এতে শিশুদের শিক্ষাজীবনের শুরুটা আরও শক্তিশালী হবে এবং বিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার আগে তাদের প্রস্তুতি বাড়বে।

বিশ্বব্যাংকের ধারণা, এই কর্মসূচির ফলে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে ৮ লাখ ৪৩ হাজার নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে, যেখানে তুলনামূলক ভালো বেতন পাওয়া যাবে।

কর্মসূচিটির অর্থায়ন করছে ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট অ্যাসোসিয়েশন (আইডিএ)। এটি বিশ্বব্যাংক গ্রুপের একটি অংশ, যা নিম্ন আয়ের দেশগুলোকে সহায়তা দিয়ে থাকে। কর্মসূচিটির মেয়াদ ২৫ বছর। এর মধ্যে প্রথম পাঁচ বছর ঋণ পরিশোধে অব্যাহতিকাল বা গ্রেস পিরিয়ড হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মহেশপুর সীমান্তে অবৈধভাবে ভারতে যাওয়ার সময় ৬ বাংলাদেশি আটক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:০৭ পি.এম


মহেশপুর সীমান্তে অবৈধভাবে ভারতে যাওয়ার সময় ৬ বাংলাদেশি আটক

ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার শ্রীনাথপুর সীমান্ত থেকে ছয় বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। গতকাল শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার চাপাতলা গ্রামের একটি কলাবাগান থেকে তাদের আটক করা হয়।

মহেশপুর ব্যাটালিয়ন (৫৮ বিজিবি) এর সূত্রে জানা গেছে, শ্রীনাথপুর সীমান্ত ফাঁড়ির (বিওপি) একটি টহল দল গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে। সীমান্ত পিলার ৬১/৯-আর থেকে আনুমানিক ৯০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে চাপাতলা গ্রামের রুহান মিয়ার কলাবাগানে অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে ভারতে যাওয়ার প্রাক্কালে ওই ছয়জনকে আটক করা হয়।

আটক ব্যক্তিরা হলেন—সাতক্ষীরার তালা উপজেলার মিঠাবাড়ী গ্রামের ইয়াকুব হোসেন (৩৮) ও ইমামুল হোসেন (৩৫), গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার বিধি বাসুরিয়া গ্রামের হরপ্রসাদ মণ্ডল (৫৫) ও তাড়াইল গ্রামের অসীম মণ্ডল (৪২), পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার সকারিকাটি গ্রামের শিব কুমার মণ্ডল (৩২) এবং যশোরের শার্শা উপজেলার কন্যাদহ গ্রামের ওলিয়ার রহমান (৩২)।

৫৮ বিজিবির সহকারী পরিচালক মুন্সি ইমদাদুর রহমান ছয় বাংলাদেশি নাগরিককে আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বিজিবি জানিয়েছে, অবৈধভাবে সীমান্ত পারাপারের অভিযোগে আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মহেশপুর থানায় নিয়মিত মামলা দায়ের করে তাদের পুলিশের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গাজায় ভারি বৃষ্টি ও ঝোড়ো বাতাসে শত শত তাঁবু প্লাবিত, দুর্ভোগ চরমে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:০৭ পি.এম


গাজায় ভারি বৃষ্টি ও ঝোড়ো বাতাসে শত শত তাঁবু প্লাবিত, দুর্ভোগ চরমে

গাজা উপত্যকাজুড়ে ভারী বৃষ্টির ফলে বাস্তুচ্যুত মানুষের শত শত তাঁবু প্লাবিত হয়েছে। ঝোড়ো বাতাসের কারণে বহু তাঁবু ধ্বংস হয়ে গেছে।

এই দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার প্রভাবে অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রগুলোর ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এখানে আশ্রয় নিয়েছিলেন সেই পরিবারগুলো, যারা ইসরাইলি হামলার কারণে তাদের ঘরবাড়ি ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন।

প্রতি বছর শীতকালে গাজায় বৃষ্টি ও বন্যার ঘটনা ঘটে। এর ফলে তাঁবুতে বসবাসকারী ফিলিস্তিনিরা অবর্ণনীয় দুর্ভোগের মধ্যে পড়েন।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে গাজায় হামলা শুরু করে দখলদার ইসরাইল। এই হামলার পর থেকে ৫ নভেম্বর পর্যন্ত ইসরাইলি গণহত্যায় ৭৪ হাজার ৬১৮ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। একই সময়ে অন্তত ১ লাখ ৭৫ হাজার ৯২৫ জন আহত হয়েছেন।

গাজায় ইসরাইলের সামরিক অভিযানে প্রাণহানি ও ধ্বংসযজ্ঞ অব্যাহত রয়েছে। ২০২৫ সালের ১০ অক্টোবর থেকে কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতির পরেও গাজায় ১ হাজার ৬০২ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এ সময় আহত হয়েছেন ৫ হাজার ৭৯৯ জন।

সূত্র: আলজাজিরা

আরএ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫০
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%