ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ক্রিকেটার নাঈমকে নির্যাতন : এবার খুলশী থানার ওসি প্রত্যাহার


ক্রিকেটার নাঈমকে নির্যাতন : এবার খুলশী থানার ওসি প্রত্যাহার

বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের স্পিনার নাঈম হাসানকে চট্টগ্রাম বিমানবন্দর থেকে বাসায় ফেরার পথে সিএনজিচালিত অটোরিকশা থেকে নামিয়ে মারধর করা হয় এবং পরে থানায় নিয়ে দুর্ব্যবহারের বিষয়টি নিয়ে দিনভর আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই ঘটনার পর খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আরিফুল ইসলামকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে।

শনিবার (১৩ জুন) রাত ১২টার দিকে চট্টগ্রামের মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী কমিশনার (পিআর) আমিনুর রশিদ এই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এই ঘটনাসংক্রান্ত আরো কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বাকলিয়া থানার ওসি মোহাম্মদ সোলাইমানকে খুলশী থানার জন্য নতুন ওসি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। একই সাথে সিটিএসবির পুলিশ পরিদর্শক মোহাম্মদ জাহিদুল কবীরকে বাকলিয়া থানার নতুন ওসি হিসেবে নিযুক্ত করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: কাঁঠালিয়ায় ৫০ চুল্লিতে কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরি, জনস্বাস্থ্যে ঝুঁকি

শনিবার রাতে সিএমপি কমিশনার হাসান মোহাম্মদ শওকত আলী সই করা এক আদেশের মাধ্যমে এসব তথ্য জানানো হয়।

এর আগে গতকালের ঘটনায় নাঈম হাসানকে নির্যাতনের অভিযোগে পুলিশের একজন উপপরিদর্শকসহ (এসআই) তিনজন সদস্যকে খুলশী থানার থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছিল।

এদিকে, এই ঘটনার প্রেক্ষিতে নাঈমের ভাই কামরুল হাসান সাব্বির বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছেন।

আরও পড়ুন: চাঁপাইনবাবগঞ্জে আমের খোসা থেকে তৈরি হচ্ছে 'ম্যাংগো পিল টি'

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

উখিয়ায় ৫০ হাজার ইয়াবা ও বিদেশি অস্ত্র উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৪ই জুন, ২০২৬ ইং

০১:০২ এম


উখিয়ায় ৫০ হাজার ইয়াবা ও বিদেশি অস্ত্র উদ্ধার

কক্সবাজারের উখিয়ায়, বিজিবি অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার করেছে। এই অভিযানে ৫০ হাজার পিস ইয়াবা, দুটি বিদেশি পিস্তল, ম্যাগাজিন এবং গুলিও উদ্ধার করা হয়। অভিযানের খবর পাওয়ার পর অভিযুক্ত মাদক কারবারি পালিয়ে যায়।

শনিবার (১৩ জুন) দুপুরে উখিয়া ব্যাটালিয়নের (৬৪ বিজিবি) বালুখালী বিওপির নিকট রহমতের বিল এলাকায় এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। বিজিবি জানাচ্ছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বালুখালী বিওপির একটি টহল দল রহমতের বিল গ্রামের কথিত ইয়াবা ব্যবসায়ী মো. ফয়সালের বাড়িতে অভিযানের কাজ করে। বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে ফয়সাল ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে তার বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়।

এই তল্লাশির সময় ফয়সালের বাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয় ৫০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, দুটি বিদেশি পিস্তল, দুটি ম্যাগাজিন, ৫ রাউন্ড গুলি, ৪ বোতল বিয়ার, দুটি সামুরাই ব্যাটন, একটি চাইনিজ কুড়াল এবং একটি মোবাইল ফোন।

উখিয়া ব্যাটালিয়নের (৬৪ বিজিবি) অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম এই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, শনাক্ত মাদক চোরাকারবারিকে গ্রেপ্তারের জন্য গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবি কঠোর অবস্থানে রয়েছে, এবং আগামীতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি মাদক ও অবৈধ চোরাচালান দমনে বিজিবি নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্কোয়াশের উন্নয়নে প্রয়োজনীয় সব সহায়তা দেবে সরকার: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

রবিবার, ১৪ই জুন, ২০২৬ ইং

০১:০৭ এম


স্কোয়াশের উন্নয়নে প্রয়োজনীয় সব সহায়তা দেবে সরকার: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক জানিয়েছেন, স্কোয়াশ খেলার উন্নয়ন এবং প্রসারে সরকার প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা দিতে প্রস্তুত। তিনি উল্লেখ করেন, স্কোয়াশ কমপ্লেক্স নির্মাণের জন্য যদি সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা দেওয়া হয়, তাহলে সরকার তা বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করবে।

প্রতিমন্ত্রী আরও মন্তব্য করেন, তরুণদের মাদক ও অতিরিক্ত ডিভাইস-নির্ভরতা থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার বিকল্প নেই।

শনিবার (১৩ জুন) রাজধানীর আর্মি স্কোয়াশ কমপ্লেক্সে ‘টুরাগ অ্যাক্টিভ ৬ষ্ঠ জাতীয় স্কোয়াশ চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২৬’-এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন।

বাংলাদেশ স্কোয়াশ ফেডারেশনের আয়োজনে এবং উর্মী গ্রুপের প্রতিষ্ঠান টুরাগ অ্যাক্টিভের পৃষ্ঠপোষকতায় আয়োজিত চার দিনব্যাপী এই প্রতিযোগিতায় দেশের ২৮ জেলার ৩০টি ক্লাব ও প্রতিষ্ঠানের শতাধিক খেলোয়াড় অংশ নেন। তাদের মধ্যে ৭৯ জন পুরুষ ও ২৪ জন নারী খেলোয়াড় ছিলেন।

এ প্রতিযোগিতা উন্মুক্ত পুরুষ ও মহিলা, সৌখিন, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী এবং অনূর্ধ্ব-১১, অনূর্ধ্ব-১৩ ও অনূর্ধ্ব-১৫ বছর বয়সী ছেলে-মেয়েদের পৃথক বিভাগসহ মোট nine টি বিভাগে অনুষ্ঠিত হয়।

আমিনুল হক বলেন, ধারাবাহিক জাতীয় প্রতিযোগিতা, তৃণমূল পর্যায়ে খেলোয়াড় তৈরির উদ্যোগ এবং বেসরকারি পৃষ্ঠপোষকতার কারণে দেশে স্কোয়াশের নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। তিনি জানান, সরকার সব খেলাকেই সমান গুরুত্ব দিচ্ছে। এর অংশ হিসেবে ক্রীড়া ভাতা ও ক্রীড়া কার্ড চালু করা হয়েছে।

পর্যায়ক্রমে একটি ক্রীড়াবান্ধব সমাজ গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে উর্মী গ্রুপের পরিচালক ফাইয়াজ রহমান বলেন, দেশে স্কোয়াশের সম্ভাবনা অনেক এবং তরুণদের মধ্যে এ খেলার প্রতি আগ্রহ দ্রুত বাড়ছে। তিনি উল্লেখ করেন, নিয়মিত জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতা নতুন প্রতিভা বিকাশের সুযোগ তৈরি করছে এবং ভবিষ্যতেও স্কোয়াশসহ দেশের ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়নে উর্মী গ্রুপ সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে।

বাংলাদেশ স্কোয়াশ ফেডারেশনের সভাপতি মেজর জেনারেল মো. হাসান উজ জামান বলেন, সীমিত অবকাঠামো এবং নিজস্ব কোর্টের অভাব সত্ত্বেও গত কয়েক বছরে দেশের স্কোয়াশে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে।

তিনি জানান, আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সাফল্য অর্জন, নারী খেলোয়াড়দের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি এবং দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে স্কোয়াশ সম্প্রসারণে ফেডারেশন কাজ করে যাচ্ছে।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) জি এম কামরুল ইসলাম, উন্নয়ন কমিটির প্রধান মেজর শফিউল্লাহ মাস্তান, উর্মী গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের উপদেষ্টা এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) বদরুল আমিন এবং টুরাগ অ্যাক্টিভের সিওও আহম্মদ মনসুর রউফসহ ফেডারেশন ও পৃষ্ঠপোষক প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা।

আয়োজকদের মতে, রেকর্ডসংখ্যক খেলোয়াড়ের অংশগ্রহণ এবং প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচের মধ্য দিয়ে শেষ হওয়া এবারের জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপ দেশের স্কোয়াশ অঙ্গনের অন্যতম সফল আয়োজন হিসেবে বিবেচিত হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রায়পুরায় মাদক কারবারির বাড়ি গুঁড়িয়ে দিল বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৪ই জুন, ২০২৬ ইং

০১:১৬ এম


রায়পুরায় মাদক কারবারির বাড়ি গুঁড়িয়ে দিল বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী

নরসিংদীর রায়পুরায় মাদক ব্যবসায় জড়িত থাকার অভিযোগে দুই ব্যক্তির, জুয়েল মিয়া ও বাদল মিয়া, বাড়িতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেছে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী। এই ঘটনা ঘটে শনিবার (১৩ জুন) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে রায়পুরা পৌর শহরের মহিষমারা এলাকায়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই বিকেলে মহিষমারা এলাকায় একটি মাদকবিরোধী সভার আয়োজন করা হয়েছিল। সভায় অংশ নেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, পুলিশ সদস্য, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ এবং এলাকার নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ। সভা শেষে নেতৃবৃন্দ চলে গেলে, বিপুলসংখ্যক লোকজন জড়ো হয়ে মাদকবিরোধী স্লোগান দিতে দিতে স্থানীয়ভাবে মাদক কারবারি হিসেবে পরিচিত জুয়েল মিয়া ও বাদল মিয়ার বাড়ির দিকে অগ্রসর হয়।

এ সময় উত্তেজিত জনতা প্রথমে জুয়েল মিয়ার একটি চৌচালা টিনের ঘরে ভাঙচুর চালায় এবং পরে সেটাতে আগুন ধরিয়ে দেয়। একইভাবে বাদল মিয়ার একটি দোচালা টিনের ঘরেও ভাঙচুর করা হয়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, সভা শেষে প্রায় এক হাজার মানুষ জড়ো হয়। তাদের মধ্যে অনেকের হাতে ছিল লাঠি ও দা। এভাবে মাদকবিরোধী স্লোগান দিতে দিতে তারা অভিযুক্তদের বাড়িতে গিয়ে প্রথমে ভাঙচুর চালায় এবং পরে জুয়েল মিয়ার ঘরে অগ্নিসংযোগ করে। তবে জানানো হয়নি, বাড়ি দুটিতে তাদের পরিবারের কেউ ছিল কিনা।

ভাঙচুরে অংশ নেওয়া কয়েকজন ব্যক্তি উল্লেখ করেছেন, জুয়েল ও বাদল দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত আছেন। তাদের কারণে তরুণ সমাজ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং এলাকার চুরি, ছিনতাইসহ নানা অপরাধ বৃদ্ধি পাচ্ছে। তারা বলেন, মাদক কারবারিদের কোনো আস্তানা এলাকায় থাকতে দেওয়া হবে না। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে জুয়েল মিয়া ও বাদল মিয়ার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

রায়পুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুজিবুর রহমান বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তিনি জানান, আমি মাদকের বিরুদ্ধে; কিন্তু কারও সম্পত্তি নষ্ট করার পক্ষে নই। এ বিষয়ে তিনি আরও বলেন, কেউ যদি আইন নিজের হাতে তুলে নেয়, তবে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি বলেন, জনগণ মাদক কারবারিদের বিষয়ে পুলিশকে তথ্য দিতে পারে কিংবা তাদের আটক করে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে তুলে দিতে পারে। কিন্তু কারো সম্পত্তি ধ্বংস করার অধিকার কারো নেই। মাদক কারবারিদের বিষয়ে পুলিশকে অবহিত করলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘ডার্ক হর্স’ মরক্কোর বিপক্ষে কেমন হবে ব্রাজিলের কৌশল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

রবিবার, ১৪ই জুন, ২০২৬ ইং

০১:২১ এম


‘ডার্ক হর্স’ মরক্কোর বিপক্ষে কেমন হবে ব্রাজিলের কৌশল

ঐতিহাসিকভাবে ব্রাজিল বিশ্বমঞ্চে বরাবর সাফল্য পেয়ে আসলেও তাদের সাফল্যের পেছনে ব্যক্তিগত প্রতিভা এবং ‘সাম্বা’ ফুটবলের উজ্জ্বলতা থাকে। তবে ২০২৬ বিশ্বকাপে তারা এক নতুন রূপান্তর প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ক্যানারিনহারা এই প্রথমবারের মতো বিদেশি কোচের অধীনে খেলতে যাচ্ছে। ২৪ বছরের শিরোপাখরা কাটাতে তারা কার্লো আনচেলত্তির মতো মাস্টার ট্যাকটিশিয়ানের ওপর ভরসা রাখছে।

ব্রাজিলের হেক্সা মিশন শুরু হচ্ছে আজ ভোরে (১৪ জুন)। এই ম্যাচে তাদের প্রতিপক্ষ হচ্ছে মরক্কো, যারা গত World Cup এ চমক দেখিয়েছিল। সেমিফাইনালে খেলা অ্যাটলাস লায়নরা গত আসরে স্পেন ও পর্তুগালের মতো শক্তিধর প্রতিপক্ষকে পিছনে ফেলে এগিয়ে গিয়েছিল। বর্তমানে আফ্রিকার চ্যাম্পিয়ন হিসেবে, মরক্কো আজ পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলের কঠিন পরীক্ষা নিতে প্রস্তুত।

গত ১১ জুন বিশ্বকাপ শুরু হলেও, ব্রাজিল-মরক্কো ম্যাচটিকে গ্রুপ পর্বের প্রথম বড় ম্যাচ হিসেবে ধরা হচ্ছে। গ্রুপ ‘সি’র উদ্বোধনী ম্যাচটিকে একটি বহুল প্রতীক্ষিত টপ-লেভেল ট্যাকটিক্যাল লড়াই হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। যেখানে কিংবদন্তি কোচ কার্লো আনচেলত্তির মুখোমুখি হচ্ছেন সদ্য মরক্কোর দায়িত্ব নেয়া কোচ মোহামেদ ওয়াহবি। আজকের ম্যাচটিতে ব্রাজিলের আক্রমণের পরীক্ষায় মরক্কোর সংগঠিত রক্ষণের শক্তি চ্যালেঞ্জ হবে।

বারবার প্রমাণিত হয়েছে ব্রাজিল এখন আর এমন দল নয় যারা শুধুমাত্র মুহূর্তের জাদুর ওপর নির্ভর করে। আনচেলত্তির অধীনে তারা একটি পরিকল্পিত, সুসংগঠিত ইউনিট হিসেবে খেলে থাকে। প্রতিটি ট্রানজিশন, প্রেসিং এবং ওভারল্যাপের জন্য আগে থেকেই নির্ধারিত থাকে। তবে এত সংগঠনের মাঝেও দলের কিছু কাঠামোগত দুর্বলতা রয়েছে।

বিশেষ করে ব্রাজিলের মাঝমাঠ ও আক্রমণের ভারসাম্য রয়েছে নানান প্রশ্ন। শুরুর দিকে মনে করা হচ্ছিল যে, বিশ্বকাপে আনচেলত্তি হয়ত ৪-২-৪ আক্রমণাত্মক সেটআপে খেলার চিন্তা করছেন। কিন্তু শেষ কয়েকটি প্রীতি ম্যাচে তিনি ওই চিন্তা থেকে দূরে সরে গেছেন। বরং বেশি নিয়ন্ত্রিত ৪-৩-৩ ফর্মেশন বেছে নিয়েছেন। আনচেলত্তির অধীনে ব্রাজিল একটি ফ্লেক্সিবল দল, যারা ম্যাচের আবহ এবং প্রতিপক্ষের ওপর ফরমেশন পরিবর্তন করতে পারে। ম্যাচ পরিস্থিতি বুঝে তারা বিভিন্ন কাঠামোর মধ্যে খেলে—যেমন ৪-৩-৩, ৪-২-৪ এবং রক্ষণে ৪-৪-২। আক্রমণাত্মক পর্যায়ে তারা ৩-২-৫ বা আধিপত্যের মুহূর্তে ৩-১-৬ কৌশলে দেখা যায়।

মঙ্গলবারের ম্যাচে মিডফিল্ড কাঠামোও গুরুত্বপূর্ণ হতে যাচ্ছে। ক্যাসেমিরো এবং ব্রুনো গিমারেসের দ্বন্দ্ব আনচেলত্তির দলের মধ্যে মাঝমাঠের ভিত্তি তৈরি করে। ক্যাসেমিরো রক্ষণাত্মক অ্যাঙ্কর হিসেবে কাজ করেন, আর ব্রুনো আধুনিক ‘বক্স-টু-বক্স’ ভূমিকা পালন করেন। লুকাস পাকেতা এই দুইজনের সঙ্গে একটি ত্রিভুজ তৈরি করে। এই কৌশল ব্রাজিলকে বল দখলে আধিপত্য রাখতে এবং মরক্কোর কাউন্টার অ্যাটাক থামাতে সাহায্য করবে।

ব্রাজিলের আক্রমণের প্রধান ভরসা তাদের দুই গতিশীল উইঙ্গার—ভিনিসিউস জুনিয়র ও রাফিনিয়া। তারা মরক্কোর ফুলব্যাকদের বিপক্ষে ১ বনাম ১ পরিস্থিতি তৈরি করতে চেষ্টা করবে। মরক্কোর রক্ষণ কাঠামোও তাদের শক্তির জায়গা, যদিও ইনজুরি তাদের পরিকল্পনায় পরিবর্তন নিয়ে এসেছে। প্রধান সেন্টারব্যাক নায়েফ আগুয়ের্ড এবং আব্দে ইজ্জালজৌলি ইনজুরির কারণে খেলতে পারবে না।

এই ম্যাচে নতুন সেন্টার-ব্যাক জুটি হিসেবে দেখা যেতে পারে ইসা দিওপ এবং ছাদি রিয়াদকে। তাদের সামনে ডিফেন্সিভ ঢাল হিসেবে কাজ করবে সোফিয়ান আমরাবাত। মরক্কোর পরিকল্পনা হলো গভীর লো-ব্লক তৈরি করে ব্রাজিলের আক্রমণকে কেন্দ্র থেকে বের করে দিয়ে বাইরে থেকে ক্রস করতে বাধ্য করা।

মরক্কোর আক্রমণ সম্পূর্ণরূপে দ্রুত কাউন্টার অ্যাটাকের ওপর নির্ভরশীল। আশরাফ হাকিমি এবং ব্রাহিম দিয়াজ এই ট্রানজিশনের মূল কেন্দ্র। মরক্কোর লক্ষ্য বল জিতে দ্রুত দিয়াজের কাছে পৌঁছানো, তারপর ব্রাজিলের ফুলব্যাকদের পেছনের জায়গা কাজে লাগানো।

ম্যাচের ভিতরের টুকরো লড়াইগুলিও গুরুত্বপূর্ণ। যেমন, ভিনিসিউস জুনিয়র বনাম আশরাফ হাকিমি: আজকের ম্যাচের সবচেয়ে আকর্ষণীয় লড়াই যার ফল নির্ধারণী হতে পারে। হাকিমি যদি বেশি আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেন তবে তার পেছনে ফাঁকা জায়গা তৈরি হবে, যা ভিনিসিউস ভয়ঙ্করভাবে কাজে লাগাতে পারবেন। এছাড়া, ক্যাসেমিরো বনাম ব্রাহিম দিয়াজও গুরুত্বপূর্ণ লড়াই। মাঝমাঠে যদি দিয়াজকে পকেট স্পেসে জায়গা দেয়, তবে ব্রাজিল কঠিন অবস্থায় পড়তে পারে।

অবশেষে, মাথেউস কুনিয়া বনাম মরক্কোর সেন্টার ফরোয়ার্ড জুটি। মরক্কো তাদের প্রথম পছন্দের সেন্টারব্যাক জুটিকে পাচ্ছে না বলে নতুন রক্ষণ জুটির স্থিতিশীলতার পরীক্ষা নিবে কুনিয়া।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%