ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

রায়পুরায় মাদক কারবারির বাড়ি গুঁড়িয়ে দিল বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী


রায়পুরায় মাদক কারবারির বাড়ি গুঁড়িয়ে দিল বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী

নরসিংদীর রায়পুরায় মাদক ব্যবসায় জড়িত থাকার অভিযোগে দুই ব্যক্তির, জুয়েল মিয়া ও বাদল মিয়া, বাড়িতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেছে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী। এই ঘটনা ঘটে শনিবার (১৩ জুন) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে রায়পুরা পৌর শহরের মহিষমারা এলাকায়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই বিকেলে মহিষমারা এলাকায় একটি মাদকবিরোধী সভার আয়োজন করা হয়েছিল। সভায় অংশ নেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, পুলিশ সদস্য, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ এবং এলাকার নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ। সভা শেষে নেতৃবৃন্দ চলে গেলে, বিপুলসংখ্যক লোকজন জড়ো হয়ে মাদকবিরোধী স্লোগান দিতে দিতে স্থানীয়ভাবে মাদক কারবারি হিসেবে পরিচিত জুয়েল মিয়া ও বাদল মিয়ার বাড়ির দিকে অগ্রসর হয়।

এ সময় উত্তেজিত জনতা প্রথমে জুয়েল মিয়ার একটি চৌচালা টিনের ঘরে ভাঙচুর চালায় এবং পরে সেটাতে আগুন ধরিয়ে দেয়। একইভাবে বাদল মিয়ার একটি দোচালা টিনের ঘরেও ভাঙচুর করা হয়।

আরও পড়ুন: কুয়াকাটায় হোটেলভাড়া চার গুণ, কক্ষ নেই কোথাও!

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, সভা শেষে প্রায় এক হাজার মানুষ জড়ো হয়। তাদের মধ্যে অনেকের হাতে ছিল লাঠি ও দা। এভাবে মাদকবিরোধী স্লোগান দিতে দিতে তারা অভিযুক্তদের বাড়িতে গিয়ে প্রথমে ভাঙচুর চালায় এবং পরে জুয়েল মিয়ার ঘরে অগ্নিসংযোগ করে। তবে জানানো হয়নি, বাড়ি দুটিতে তাদের পরিবারের কেউ ছিল কিনা।

ভাঙচুরে অংশ নেওয়া কয়েকজন ব্যক্তি উল্লেখ করেছেন, জুয়েল ও বাদল দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত আছেন। তাদের কারণে তরুণ সমাজ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং এলাকার চুরি, ছিনতাইসহ নানা অপরাধ বৃদ্ধি পাচ্ছে। তারা বলেন, মাদক কারবারিদের কোনো আস্তানা এলাকায় থাকতে দেওয়া হবে না। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে জুয়েল মিয়া ও বাদল মিয়ার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

রায়পুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুজিবুর রহমান বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তিনি জানান, আমি মাদকের বিরুদ্ধে; কিন্তু কারও সম্পত্তি নষ্ট করার পক্ষে নই। এ বিষয়ে তিনি আরও বলেন, কেউ যদি আইন নিজের হাতে তুলে নেয়, তবে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি বলেন, জনগণ মাদক কারবারিদের বিষয়ে পুলিশকে তথ্য দিতে পারে কিংবা তাদের আটক করে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে তুলে দিতে পারে। কিন্তু কারো সম্পত্তি ধ্বংস করার অধিকার কারো নেই। মাদক কারবারিদের বিষয়ে পুলিশকে অবহিত করলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরও পড়ুন: চকরিয়ায় বাস-ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুই যুবক নিহত

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘ডার্ক হর্স’ মরক্কোর বিপক্ষে কেমন হবে ব্রাজিলের কৌশল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

রবিবার, ১৪ই জুন, ২০২৬ ইং

০১:২১ এম


‘ডার্ক হর্স’ মরক্কোর বিপক্ষে কেমন হবে ব্রাজিলের কৌশল

ঐতিহাসিকভাবে ব্রাজিল বিশ্বমঞ্চে বরাবর সাফল্য পেয়ে আসলেও তাদের সাফল্যের পেছনে ব্যক্তিগত প্রতিভা এবং ‘সাম্বা’ ফুটবলের উজ্জ্বলতা থাকে। তবে ২০২৬ বিশ্বকাপে তারা এক নতুন রূপান্তর প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ক্যানারিনহারা এই প্রথমবারের মতো বিদেশি কোচের অধীনে খেলতে যাচ্ছে। ২৪ বছরের শিরোপাখরা কাটাতে তারা কার্লো আনচেলত্তির মতো মাস্টার ট্যাকটিশিয়ানের ওপর ভরসা রাখছে।

ব্রাজিলের হেক্সা মিশন শুরু হচ্ছে আজ ভোরে (১৪ জুন)। এই ম্যাচে তাদের প্রতিপক্ষ হচ্ছে মরক্কো, যারা গত World Cup এ চমক দেখিয়েছিল। সেমিফাইনালে খেলা অ্যাটলাস লায়নরা গত আসরে স্পেন ও পর্তুগালের মতো শক্তিধর প্রতিপক্ষকে পিছনে ফেলে এগিয়ে গিয়েছিল। বর্তমানে আফ্রিকার চ্যাম্পিয়ন হিসেবে, মরক্কো আজ পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলের কঠিন পরীক্ষা নিতে প্রস্তুত।

গত ১১ জুন বিশ্বকাপ শুরু হলেও, ব্রাজিল-মরক্কো ম্যাচটিকে গ্রুপ পর্বের প্রথম বড় ম্যাচ হিসেবে ধরা হচ্ছে। গ্রুপ ‘সি’র উদ্বোধনী ম্যাচটিকে একটি বহুল প্রতীক্ষিত টপ-লেভেল ট্যাকটিক্যাল লড়াই হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। যেখানে কিংবদন্তি কোচ কার্লো আনচেলত্তির মুখোমুখি হচ্ছেন সদ্য মরক্কোর দায়িত্ব নেয়া কোচ মোহামেদ ওয়াহবি। আজকের ম্যাচটিতে ব্রাজিলের আক্রমণের পরীক্ষায় মরক্কোর সংগঠিত রক্ষণের শক্তি চ্যালেঞ্জ হবে।

বারবার প্রমাণিত হয়েছে ব্রাজিল এখন আর এমন দল নয় যারা শুধুমাত্র মুহূর্তের জাদুর ওপর নির্ভর করে। আনচেলত্তির অধীনে তারা একটি পরিকল্পিত, সুসংগঠিত ইউনিট হিসেবে খেলে থাকে। প্রতিটি ট্রানজিশন, প্রেসিং এবং ওভারল্যাপের জন্য আগে থেকেই নির্ধারিত থাকে। তবে এত সংগঠনের মাঝেও দলের কিছু কাঠামোগত দুর্বলতা রয়েছে।

বিশেষ করে ব্রাজিলের মাঝমাঠ ও আক্রমণের ভারসাম্য রয়েছে নানান প্রশ্ন। শুরুর দিকে মনে করা হচ্ছিল যে, বিশ্বকাপে আনচেলত্তি হয়ত ৪-২-৪ আক্রমণাত্মক সেটআপে খেলার চিন্তা করছেন। কিন্তু শেষ কয়েকটি প্রীতি ম্যাচে তিনি ওই চিন্তা থেকে দূরে সরে গেছেন। বরং বেশি নিয়ন্ত্রিত ৪-৩-৩ ফর্মেশন বেছে নিয়েছেন। আনচেলত্তির অধীনে ব্রাজিল একটি ফ্লেক্সিবল দল, যারা ম্যাচের আবহ এবং প্রতিপক্ষের ওপর ফরমেশন পরিবর্তন করতে পারে। ম্যাচ পরিস্থিতি বুঝে তারা বিভিন্ন কাঠামোর মধ্যে খেলে—যেমন ৪-৩-৩, ৪-২-৪ এবং রক্ষণে ৪-৪-২। আক্রমণাত্মক পর্যায়ে তারা ৩-২-৫ বা আধিপত্যের মুহূর্তে ৩-১-৬ কৌশলে দেখা যায়।

মঙ্গলবারের ম্যাচে মিডফিল্ড কাঠামোও গুরুত্বপূর্ণ হতে যাচ্ছে। ক্যাসেমিরো এবং ব্রুনো গিমারেসের দ্বন্দ্ব আনচেলত্তির দলের মধ্যে মাঝমাঠের ভিত্তি তৈরি করে। ক্যাসেমিরো রক্ষণাত্মক অ্যাঙ্কর হিসেবে কাজ করেন, আর ব্রুনো আধুনিক ‘বক্স-টু-বক্স’ ভূমিকা পালন করেন। লুকাস পাকেতা এই দুইজনের সঙ্গে একটি ত্রিভুজ তৈরি করে। এই কৌশল ব্রাজিলকে বল দখলে আধিপত্য রাখতে এবং মরক্কোর কাউন্টার অ্যাটাক থামাতে সাহায্য করবে।

ব্রাজিলের আক্রমণের প্রধান ভরসা তাদের দুই গতিশীল উইঙ্গার—ভিনিসিউস জুনিয়র ও রাফিনিয়া। তারা মরক্কোর ফুলব্যাকদের বিপক্ষে ১ বনাম ১ পরিস্থিতি তৈরি করতে চেষ্টা করবে। মরক্কোর রক্ষণ কাঠামোও তাদের শক্তির জায়গা, যদিও ইনজুরি তাদের পরিকল্পনায় পরিবর্তন নিয়ে এসেছে। প্রধান সেন্টারব্যাক নায়েফ আগুয়ের্ড এবং আব্দে ইজ্জালজৌলি ইনজুরির কারণে খেলতে পারবে না।

এই ম্যাচে নতুন সেন্টার-ব্যাক জুটি হিসেবে দেখা যেতে পারে ইসা দিওপ এবং ছাদি রিয়াদকে। তাদের সামনে ডিফেন্সিভ ঢাল হিসেবে কাজ করবে সোফিয়ান আমরাবাত। মরক্কোর পরিকল্পনা হলো গভীর লো-ব্লক তৈরি করে ব্রাজিলের আক্রমণকে কেন্দ্র থেকে বের করে দিয়ে বাইরে থেকে ক্রস করতে বাধ্য করা।

মরক্কোর আক্রমণ সম্পূর্ণরূপে দ্রুত কাউন্টার অ্যাটাকের ওপর নির্ভরশীল। আশরাফ হাকিমি এবং ব্রাহিম দিয়াজ এই ট্রানজিশনের মূল কেন্দ্র। মরক্কোর লক্ষ্য বল জিতে দ্রুত দিয়াজের কাছে পৌঁছানো, তারপর ব্রাজিলের ফুলব্যাকদের পেছনের জায়গা কাজে লাগানো।

ম্যাচের ভিতরের টুকরো লড়াইগুলিও গুরুত্বপূর্ণ। যেমন, ভিনিসিউস জুনিয়র বনাম আশরাফ হাকিমি: আজকের ম্যাচের সবচেয়ে আকর্ষণীয় লড়াই যার ফল নির্ধারণী হতে পারে। হাকিমি যদি বেশি আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেন তবে তার পেছনে ফাঁকা জায়গা তৈরি হবে, যা ভিনিসিউস ভয়ঙ্করভাবে কাজে লাগাতে পারবেন। এছাড়া, ক্যাসেমিরো বনাম ব্রাহিম দিয়াজও গুরুত্বপূর্ণ লড়াই। মাঝমাঠে যদি দিয়াজকে পকেট স্পেসে জায়গা দেয়, তবে ব্রাজিল কঠিন অবস্থায় পড়তে পারে।

অবশেষে, মাথেউস কুনিয়া বনাম মরক্কোর সেন্টার ফরোয়ার্ড জুটি। মরক্কো তাদের প্রথম পছন্দের সেন্টারব্যাক জুটিকে পাচ্ছে না বলে নতুন রক্ষণ জুটির স্থিতিশীলতার পরীক্ষা নিবে কুনিয়া।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘সিঙ্গাপুর, কানাডা নয়, বেটার বাংলাদেশ’ গড়তে চাই : প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১৪ই জুন, ২০২৬ ইং

০১:২৬ এম


‘সিঙ্গাপুর, কানাডা নয়, বেটার বাংলাদেশ’ গড়তে চাই : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘আমরা ‘সিঙ্গাপুর, কানাডা নয়, বেটার বাংলাদেশ’ গড়তে চাই।'

তিনি বলেন, ‘আমরা প্রায়শই শুনতাম, বাংলাদেশকে আমরা সিঙ্গাপুর বানিয়ে ফেলবো, বাংলাদেশকে আমরা কানাডা বানিয়ে ফেলবো, বাংলাদেশকে অমুক বানিয়ে ফেলব। আমি বাংলাদেশকে অন্য কিছু বানাতে চাই না।

বাংলাদেশকে আমি একটু বেটার বানাতে চাই।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সেই কাজটি সরকারের একার পক্ষে সম্ভব নয়, আমাদের সবাইকে মিলে করতে হবে।’

আজ শনিবার রাতে কক্সবাজারে স্থানীয় একটি অভিজাত হোটেলে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী এ জন্য সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

কক্সবাজার শহরকে ‘পরিচ্ছন্ন নগরী’ করার প্রয়োজনীয় তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কক্সবাজার শহরে প্রবেশের সময় একটা বিরাট বড় সাইনবোর্ড দেখেছি, ওখানে লেখা আছে ‘বিশ্বের দীর্ঘতম সী বিচ, স্যান্ডি সী বিচ।’

আপনারা সকলে মিলে কক্সবাজারের প্রতিনিধিত্ব করছেন। এই কক্সবাজারকে সঠিকভাবে তুলে ধরতে আপনাদের সবাইকে কিন্তু এগিয়ে আসতে হবে। আপনারা কক্সবাজারকে পরিচ্ছন্ন একটি নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে পারেন।’

তিনি বলেন, ‘শুধু তাই নয়, কক্সবাজারকে আপনারা সুষৃঙ্খল একটি শহর হিসেবে গড়ে তুলতে পারেন, যেখানে সবগুলো যান শৃঙ্খলার মধ্যে থাকবে, সুন্দরভাবে পার্কিং করবে, সুন্দরভাবে চলাচল করবে, ট্রাফিক নিয়ম মেনে চলাচল করবে। যেখানে মানুষ হাঁটার সময় নিরাপদ বোধ করবে।’

বিগত ১৭ বছর কেন কক্সবাজারের কোনো উন্নয়ন হয়নি-প্রশ্ন তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশে ফেরার পর গত সাড়ে চার মাসে আমি দেশের বিভিন্ন জায়গায় গিয়েছি এবং বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে আমার কাছে মনে হয়েছে, যে কাজগুলোর কথা বলা হচ্ছে, এই কাজগুলো ১৭ বছর হওয়া উচিত ছিল। কিন্তু হয়নি।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের অনেক কাজ জমে গেছে। দেশকে পরিবর্তন করতে হলে, দেশকে একটা ভালো জায়গায় নিয়ে যেতে হলে, মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করতে হলে আমাদের অনেকগুলো কাজ করতে হবে।’

কক্সবাজার বিমান বন্দরকে আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে রূপান্তর করা, কক্সবাজারে মেরিন বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করার কথাও বলেন প্রধানমন্ত্রী।

অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমদ, পানি সম্পদ শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মো. হেলাল, বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম, স্থানীয় government প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, সংসদ সদস্যগণ ও বিএনপি নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া, অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী জুবাইদা রহমান, সালাহউদ্দিন আহমদের সহধর্মিণী হাসিনা আহমদও ছিলেন।

পরে, প্রধানমন্ত্রী নিজে গাড়ি চালিয়ে মেরিন ড্রাইভ সড়ক ঘুরে দেখেন। রাত সোয়া ১২ টার দিকে বিমানে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হন প্রধানমন্ত্রী।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় সারাদেশে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে সরকার : মৎস্য প্রতিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৪ই জুন, ২০২৬ ইং

০১:৩০ এম


পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় সারাদেশে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে সরকার : মৎস্য প্রতিমন্ত্রী

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, বাংলাদেশে আমাদের ঐতিহ্য ও সবুজ-শ্যামল প্রকৃতি এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় সরকার দেশব্যাপী ব্যাপকভাবে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।

তিনি উল্লেখ করেন যে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘোষিত পাঁচ বছরের মধ্যে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে টাঙ্গাইল জেলায় প্রায় ৪০ লাখ গাছ শীঘ্রই রোপণ করা হবে।

আজ শনিবার টাঙ্গাইল সদর উপজেলা পরিষদ চত্বরে আয়োজিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করার দেয়ার পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, পরিবেশ সংরক্ষণ, জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় ফলজ, ঔষধি ও বনজসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ রোপণ করা হচ্ছে। এ কর্মসূচির মাধ্যমে দেশের সবুজায়ন বৃদ্ধি এবং পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা আরও শক্তিশালী হবে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসক শরীফা হক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সঞ্জয় কুমার মহন্ত, বিভাগীয় বন কর্মকর্তা আবু নাসের মোহসিন হোসেন, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহিন মিয়া, জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন, সাবেক সদস্যসচিব মাহমুদুল হক সানুসহ স্থানীয় প্রশাসন ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।

এর আগে সকালে টাঙ্গাইল সদর উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য অধিদপ্তরের আয়োজনে সদর উপজেলার গাড়াইল বিলে মাছের পোনা অবমুক্ত করেন প্রতিমন্ত্রী।

অনুষ্ঠানে স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা, মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন শ্রেণি- পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘হাসিনাকে পুশ ইন করুন, দেখি কত সাহস’: গোলটেবিলে বক্তারা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৪ই জুন, ২০২৬ ইং

০১:৪১ এম


‘হাসিনাকে পুশ ইন করুন, দেখি কত সাহস’: গোলটেবিলে বক্তারা

ঢাকায় গোলটেবিল বৈঠকে ভারত থেকে বাংলাদেশে লোক ঠেলে পাঠানো বা পুশ ইন এবং সীমান্ত হত্যার বিরুদ্ধে কঠোর সমালোচনা করা হয়েছে। বক্তারা জানান, ভারতের হিন্দুত্ববাদী সরকার ইসলাম বিদ্বেষের কারণে মুসলমানদের জোর করে বাংলাদেশে পুশ ইন করছে। তারা প্রশ্ন তুলেছেন, 'শেখ হাসিনা তো ভারত আছে, তাহলে তাকে কেন পুশইন করা হচ্ছে না? ভারত আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের পুশইন করে না কেন? দেখি আপনাদের কত সাহস?'

শনিবার রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে আয়োজিত গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা এসব কথা বলেন। নাগরিক ভাবনা শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করে দেশ বাঁচাও মানুষ বাঁচাও আন্দোলন। বক্তাররা ভারতের উদ্দেশ্যে বলেন, 'আপনারা কি মনে করেছেন যে, আপনাদের পারমাণবিক বোমা আছে বলে, আপনারা যা ইচ্ছা তাই করবেন? আমরা পারমাণবিক বোমা ভয় পাই না। আমরা বন্দুকের মুখে স্বাধীনতা দেখি, আপনারা মৃত্যু দেখেন।'

অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন ন্যাশনাল লেবার পার্টির চেয়ারম্যান লায়ন মো. ফারুক রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টির চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল হারুন সোহেল, জাতীয়তাবাদী পেশাজীবী দলের সভাপতি আরিফুল ইসলাম জিয়া, জিয়াউর রহমান সমাজ কল্যাণ পরিষদের সভাপতি গিয়াস উদ্দিন খোকন, ডিভাইন কোডেকের প্রতিষ্ঠাতা সাইফুল্লাহ মানসুর আবির এবং জাতীয়তাবাদী চালক দলের সভাপতি জসিম উদ্দিন কবির। গোলটেবিল বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন দেশ বাঁচাও মানুষ বাঁচাও আন্দোলনের সভাপতি কে এম রকিবুল ইসলাম রিপন।

এ সময়ে ভারতের জনসংখ্যার সঙ্গে বাংলাদেশের জনসংখ্যাকে একত্রিত করার বিষয়ে ভারতের হাই কমিশনার দীনেশ ত্রিবেদের বক্তব্যেরও সমালোচনা করেন বক্তারা। তারা বলেন, 'ভারতের হাইকমিশনার যে বক্তব্য দিয়েছেন তার ব্যাখ্যা তিনি দেননি। আমরা মনে করি তাকে এর ব্যাখ্যা দিতে হবে। আমরা একটি যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছি, কোনো আধিপত্যবাদী বন্ধু আমরা চাই না।'

ন্যাশনাল লেবার পার্টির চেয়ারম্যান লায়ন মো. ফারুক রহমান জানান, ভারত নিজেকে গণতান্ত্রিক দেশ দাবি করলেও তারা মূলত সন্ত্রাসী ও আধিপত্যবাদী রাষ্ট্র। দ্বিপাক্ষিক আলোচনার মাধ্যমে সীমান্তের সমস্যা সমাধান করতে হবে, নইলে জনগণ কিন্তু অস্ত্র হাতে নিয়েছে, রাত জেগে পাহারা দিচ্ছে, সেটি ভালো হবে না। দেশের জনগণ স্বাধীনতার জন্য জীবন দিয়েছে, ভারতকে তাড়িয়ে দিতেও পিছপা হবে না।

ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টির চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল হারুন সোহেল বলেন, 'স্বাধীনতাযুদ্ধে ভারত আমাদের পাশে ছিল, এখন আমরা দেখতে পাচ্ছি, কেন তারা আমাদের পাশে ছিল? স্বাধীনতার পরে আমাদের শোষণ-নির্যাতন করার জন্য তারা আমাদের পাশে ছিল। তারা আমাদের দেশে একটি তাবেদারি সরকার প্রতিষ্ঠা করেছিল।'

জিয়াউর রহমান সমাজ কল্যাণ পরিষদের সভাপতি গিয়াস উদ্দিন খোকন বলেন, 'পুশইন ঠেকাতে হলে দলমত নির্বিশেষ আমাদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। ফ্যাসিবাদবিরোধী লড়াইয়ের মত সবাইকে এক কাতারে আসতে হবে। ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে আমাদের লড়াই চলবে।'

বক্তারা আরও জানান, 'পৃথিবী যখন জ্ঞান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির শিখরে আরোহণ করছে, তখন ভারত গোমূত্র নিয়ে গবেষণা করছে। তারা পশ্চাৎপদ চিন্তার অধিকারী। আমাদের দুর্বল মনে করলে ভুল হবে, আমরা প্রস্তুত আছি। যে কোনো মূল্যে দেশের স্বাধীনতা-সার্বভোৗমত্ব রক্ষা করবো।'

একজন বক্তা দাবি করেন, 'ভারত কোনো দিন বাংলাদেশের ভালো চায়নি, যখন আমাদের পানি প্রয়োজন তখন পানি দেয় না, যখন প্রয়োজন নেই, তখন পানি দিয়ে ফসল তলিয়ে দেয়। বাংলাদেশের মানুষকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য ভারত হাসিনাকে নিয়োজিত করেছিল, বাংলাদেশের মানুষ তা বুঝতে পেরে, তাকে তাড়িয়ে দিয়েছে। ভারত স্বপ্ন দেখছে বাংলাদেশকে অঙ্গরাজ্য বানাবে, সেই স্বপ্ন কোনো দিন সফল হবে না।'

পুশইন ঠেকাতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে জোরালো ভূমিকা রাখতে হবে। বিজিকে আরও শক্তিশালী করতে হবে। ভারত মুসলমানদের মধ্যে শত্রুতার অংশ হিসেবে পুশইন করছে। হিন্দুত্ববাদীদের হাতে সীমান্তে মুসলমানদের রক্ত ঝরছে, মুসলমানদের হত্যা করা হচ্ছে।

সভাপতির বক্তব্যে কে এম রকিবুল ইসলাম রিপন বলেন, 'নরেন্দ্র মোদিকে বলতে চাই বাপের বেটা হয়ে থাকলে বুকের পাটা থাকলে হাসিনা ও তার নেতাকর্মীদের পুশইন করুন। শুভেন্দু অধিকারীর মা নাকি বাংলাদেশি, তাকে পুশইন করুন; তাহলে বুঝবো আপনার বুকের বাটা আছে।' তিনি বলেন, 'সীমান্তে স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কের কারণে বিগত সময়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হয়েছে।'

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%