০৪:৩৩ পি.এম
শেরপুর প্রতিনিধির রিপোর্ট অনুযায়ী, সোমেশ্বরী নদীর পানি বেড়ে যাওয়ার ফলে ঝিনাইগাতী সদর বাজার প্লাবিত হয়ে গেছে। খাদ্য ও অন্যান্য সামগ্রীতে খাদ্যদ্রব্যসহ কৃষি পণ্য বিক্রি করা ব্যবসায়ীরা এ পরিস্থিতিতে দুর্ভোগের শিকার হয়েছেন।
শুক্রবার তোলা ছবিতে দেখা যায়, অঞ্চলটিতে ভারী বৃষ্টি ও উজান থেকে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে শেরপুরের সীমান্ত এলাকায় অবস্থিত নদ-নদীতে পানি বাড়ছে। মহারশি নদীর তীর উপচে পড়া পানিতে সাত দিনের মধ্যে ঝিনাইগাতী উপজেলা সদর বাজার প্লাবিত হয়ে গেছে। স্থানীয় সূত্র জানায়, কোমর থেকে উপর পর্যন্ত পানিতে ভাসছে বাজারের সমস্ত প্রান্ত।
নালিতাবাড়ীতে চেল্লাখালি নদীর পানি বিপৎসীমার উপরে প্রবাহিত হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে। শেরপুর জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের দ্বারা পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, আজ শনিবার (১৩ জুন) সকাল ৯টা পর্যন্ত ১২ ঘণ্টায় জেলার নালিতাবাড়ীতে ৩৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। সীমান্তবর্তী নাকুগাঁও পয়েন্টে সর্বোচ্চ ১৮০ মিলিমিটার ও শেরপুর সদরে ২৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: ৩নং বড়দল দক্ষিণ ইউনিয়নবাসীর আমৃত্যু সেবক হয়ে কাজ করতে চান,চেয়ারম্যান প্রার্থী মোঃ নাসির মিয়া
এ সময় দেখা গেছে, চেল্লাখালি নদীর বাতকুচি পয়েন্টে বিপৎসীমার দুই মিটার উপরে ২৩ দশমিক ৯৪ মিটার উচ্চতায় প্রবাহিত হচ্ছিল। একই সময়ে ঝিনাইগাতীতে মহারশি নদীতে পানি ২১ দশমিক ৫০ মিটার ও শ্রীবরদীতে সোমেশ্বরী নদীতে ২৩ দশমিক ৬৫ মিটার উচ্চতায় বয়ে যাচ্ছে। শেরপুর জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোসা. জিয়াসমীন খাতুন রুনা জানিয়েছেন, ‘উজান থেকে আসা আকস্মিক পাহাড়ি ঢলে নদ-নদীগুলোতে পানি বেড়েছে। আমরা মাঠপর্যায়ে সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করছি। যদি বৃষ্টিপাতের হার কমে যায়, তাহলে ঢলের পানি দ্রুত নেমে যাবে বলে আশা করছি।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন