প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মাইগ্রেশন অ্যান্ড রিফিউজি প্যাক্ট বা অভিবাসন ও শরণার্থী সংক্রান্ত নতুন চুক্তি ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) সব সদস্য রাষ্ট্রে কার্যকর করেছে। শুক্রবার (১২ জুন) থেকে এই নীতি কার্যকর হয়।
ইইউ কমিশনের মুখপাত্র মার্কাস লামার্ট একটি ব্রিফিংয়ে জানান, দুই বছরের প্রস্তুতির পর নতুন নিয়ম পুরোপুরি বাস্তবায়ন হয়েছে। এটি ইউরোপীয় ইউনিয়নের জন্য একটি বড় অর্জন।
তিনি উল্লেখ করেন, নতুন নীতিমালায় বহির্বিশ্ব সীমান্ত আরো নিরাপদ করা, সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে দায়িত্ব ভাগাভাগি এবং আশ্রয় ও প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া আরো দ্রুত ও কার্যকর করার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
ইইউ কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েনের বক্তব্য উদ্ধৃত করে বলেন, অভিবাসন একটি যৌথ ইউরোপীয় সমস্যা। এ ক্ষেত্রে একটি কার্যকর ও ন্যায়সংগত সমাধান প্রয়োজন।
তবে হাঙ্গেরির মতো কয়েকটি দেশ এই চুক্তির বাধ্যতামূলক ‘সলিডারিটি মেকানিজম’ নিয়ে আপত্তি জানিয়েছে। এ বিষয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে লামার্ট বলেন, হাঙ্গেরির কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বিভিন্ন ইস্যুতে আলোচনা চলছে।
তিনি আরো জানান, হাঙ্গেরিতে সম্প্রতি নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর ব্রাসেলস তাদের সঙ্গে সব বিষয়ে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ বজায় রেখেছে।
তবে চুক্তি বাস্তবায়ন না করলে ইইউ তহবিল বন্ধ করা হবে কি না—এ প্রশ্নের সরাসরি উত্তর দেননি তিনি।
২০১৫ সালের শরণার্থী সংকটের পর তৈরি করা এই প্যাক্টে সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ জোরদার, দ্রুত আশ্রয় প্রক্রিয়া এবং সদস্য দেশগুলোর মধ্যে দায়িত্ব ভাগাভাগির বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। দীর্ঘ আলোচনার পর এটি ২০২৪ সালের মে মাসে গৃহীত হয়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন