ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বোতাম চাপলেই ইলেকট্রিক শক! ২ কোটি ডলারে ভয়ংকর গ্লাভস কিনছে মার্কিন পুলিশ


বোতাম চাপলেই ইলেকট্রিক শক! ২ কোটি ডলারে ভয়ংকর গ্লাভস কিনছে মার্কিন পুলিশ

যুক্তরাষ্ট্রের ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই) বা অভিবাসন পুলিশের হাতে এবার উঠতে যাচ্ছে একটি ভয়ংকর হাতিয়ার। এটি অবাধ্য ও মারমুখী ব্যক্তিদের দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনতে যন্ত্রণা দেওয়ার ক্ষমতা সম্পন্ন বৈদ্যুতিক শক দিতে সক্ষম বিশেষ গ্লাভস বা দস্তানা ব্যবহারের উদ্দেশ্যে।

ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটির (ডিএইচএস) সোমবারের এক বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, আগামী মার্চের মধ্যে প্রায় ২ কোটি ডলার খরচ করে আইসিই হাজার হাজার ‘জি.এল.ও.ভি.ই’ (জেনারেটেড লো আউটপুট ভোল্টেজ এমিটার) কেনার পরিকল্পনা করেছে। এই গ্লাভসগুলো যাদের তৈরি করেছে তারা হলেন কেন্টাকির ‘কমপ্লায়েন্ট টেকনোলজিস’। দেখতে এটি সাধারণ হাতমোজার মতোই। কিন্তু এর মধ্যে লুকানো একটি বোতাম চাপলে এটি বৈদ্যুতিক মোডে চলে যায়। যখন এটি সরাসরি ত্বকে স্পর্শ করে, তখন এটি তাৎক্ষণিকভাবে তীব্র যন্ত্রণার সৃষ্টি করে, যা মাত্র কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে অপরাধীকে কাবু করে ফেলতে সক্ষম।

গবেষক জন পিটার্স এই বৈদ্যুতিক শকটিকে ‘মৌমাছির হুলের’ সঙ্গে তুলনা করেছেন। তার ধারণা, অপেক্ষাকৃত দুর্বল বা বয়স্ক কর্মকর্তাদের জন্য এই প্রযুক্তি গাড়ি বা বন্দিশালা থেকে অবাধ্য ব্যক্তিদের বের করার ক্ষেত্রে দারুণ কার্যকর হবে। প্রস্তুতকারক কোম্পানি জানাচ্ছে, এই গ্লাভস ব্যবহারের জন্য কর্মকর্তাদের বিশেষ প্রশিক্ষণের প্রয়োজন হবে। তবে শিশু, অন্তঃসত্ত্বা, বৃদ্ধ বা কেবল মৌখিকভাবে প্রতিবাদকারীদের ওপর এর প্রয়োগ পুরোপুরি নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। এ নিয়ে ডিএইচএস বা প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।

আরও পড়ুন: কক্সবাজারে নলকূপ খননের স্থান থেকে গ্যাসের আগুন, বাপেক্সের বিশেষজ্ঞ দল ঘটনাস্থলে

এমন উদ্যোগে মানবাধিকার কর্মীরা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। আমেরিকান সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়নের (এসিএলইউ) কর্মকর্তা জেন রলনিক বোরচেটা মন্তব্য করেছেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কঠোর অভিবাসন নীতি কার্যকর করতে আইসিই ইতিমধ্যেই মাত্রাতিরিক্ত বলপ্রয়োগে অভিযুক্ত। এখন নতুন এই প্রযুক্তির মাধ্যমে বিশেষত সামান্য একটি বোতাম চেপে তারা সাধারণ মানুষকে নিঃশব্দে বৈদ্যুতিক শক দিতে সক্ষম হবে, যার পরিণতি হতে পারে অত্যন্ত ভয়াবহ। যদিও কিছু সমর্থকদের মতে, রাস্তায় সাধারণ টহলের বদলে মূলত জেলখানা ও সহিংস বন্দিদের স্থানান্তরের মতো নির্দিষ্ট কাজেই এই প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সিলেটে হামে আরও ২ শিশুর মৃত্যু, একদিনে হাসপাতালে ভর্তি ৯৯ জন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:৩৩ পি.এম


সিলেটে হামে আরও ২ শিশুর মৃত্যু, একদিনে হাসপাতালে ভর্তি ৯৯ জন

সিলেট বিভাগে হামের পরিস্থিতি উদ্ভূত উদ্বেগজনক রূপে পৌঁছেছে। বিগত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হামে আক্রান্ত দুটি শিশুর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। একই সময়ে নতুন করে ৯৯ জন সন্দেহভাজন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর ফলশ্রুতিতে চলতি বছরে বিভাগে সন্দেহজনক ও নিশ্চিত হামে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩০ জনে।

বুধবার (১২ আগস্ট) সিলেট বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয় থেকে প্রকাশিত হামের প্রতিবেদনে এসব তথ্য স্পষ্ট করা হয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ২৫ জনের শরীরের মধ্যে হামে আক্রান্ত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। এই প্রেক্ষিতে চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ১২ আগস্ট পর্যন্ত বিভাগে নিশ্চিত হামে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ৯০১ জনে পৌঁছেছে।

জেলা ভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, সিলেটে ২৯৮ জন, হবিগঞ্জে ১২৩ জন, মৌলভীবাজারে ১২৭ জন এবং সুনামগঞ্জে ৩৫৩ জনের হামে আক্রান্ত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। নিশ্চিত আক্রান্তদের মধ্যে হবিগঞ্জের দুজনের রুবেলাও রয়েছে।

এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে নতুন ৯৯ জন সন্দেহভাজন হামে আক্রান্ত রোগী ভর্তি হয়েছেন। এদের মধ্যে শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে ৫০ জন, সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৩৯ জন, নর্থ ইস্ট মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দুজন, মাউন্ট এডোরা হাসপাতালে একজন, মৌলভীবাজার জেলা সদর হাসপাতালে দুজন এবং সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে পাঁচজন ভর্তি হয়েছেন।

সব মিলিয়ে বর্তমানে সিলেট বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে ২৮৬ জন সন্দেহভাজন হামে আক্রান্ত রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাদের মধ্যে শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে ১৪৮ জন, ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৭০ জন এবং রাগীব-রাবেয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১৪ জন রয়েছেন। এছাড়া সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে ২৯ জন, মৌলভীবাজার জেলা সদর হাসপাতালে ১১ জনসহ অন্যান্য হাসপাতাল ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেও রোগীরা চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন।

জেলা ভিত্তিক মৃত্যুর হিসাব থেকে দেখা যাচ্ছে, হামের প্রাদুর্ভাবের ভয়াবহ চিত্র সামনে এসেছে। এ পর্যন্ত সন্দেহজনক হামে সিলেটে ৪৩ জন, হবিগঞ্জে ১৬ জন, মৌলভীবাজারে ১২ জন এবং সুনামগঞ্জে ৫৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।

অন্যদিকে নিশ্চিত হামে মৃত্যুর সংখ্যা সিলেটে চারজন, মৌলভীবাজারে একজন এবং সুনামগঞ্জে একজন। সন্দেহজনক ও নিশ্চিত—দুই হিসাব মিলিয়ে সিলেটে মোট ৪৭ জন, হবিগঞ্জে ১৬, মৌলভীবাজারে ১৩ এবং সুনামগঞ্জে ৫৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। সব মিলিয়ে বিভাগে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৩০ জনে।

স্বাস্থ্য বিভাগের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া দুই শিশুর একজন সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার পাঁচ মাস বয়সী এবং অন্যজন সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলার ছয় মাস বয়সী। জানা গেছে, দুজন চিকিৎসাধীন ছিলেন সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সিলেটের একটি বাসা থেকে উদ্ধার ৩ জনের মরদেহ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:৩৪ পি.এম


সিলেটের একটি বাসা থেকে উদ্ধার ৩ জনের মরদেহ

সিলেট মহানগরের রায়নগর আবাসিক এলাকায় অবস্থিত একটি বাসা থেকে তিনটি মরদেহ উদ্ধার করার ঘটনা ঘটেছে। বুধবার সকালে রায়নগর মিতালি আবাসিক এলাকার ১১১ নম্বর বাসা থেকে উদ্ধার করা হয় মরদেহ তিনটি। মরদেহগুলো হলো স্বামী, স্ত্রী এবং একটি গৃহপরিচারিকার।

নিহত ব্যক্তিরা হলেন রায়নগর মিতালি ১১১ নম্বর বাসার আব্দুস সত্তার মিয়া (৮২), তার স্ত্রী (৭২) এবং গৃহপরিচারিকা (২৫)।

সিলেট কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খান মো. মঈনুল জাকির এই তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, স্থানীয় লোকজনের কাছ থেকে পাওয়া ট্রিপল মার্ডারের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। পুলিশ লাশ উদ্ধারের পাশাপাশি হত্যা রহস্যের উদঘাটনের জন্য চেষ্টা চালাচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ম্যারাডোনার মৃত্যু নিয়ে আদালতে উঠে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বুধবার, ১২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:৩৬ পি.এম


ম্যারাডোনার মৃত্যু নিয়ে আদালতে উঠে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য

২০২০ সালে মৃত্যুর আগে বাড়িতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আর্জেন্টাইন ফুটবল কিংবদন্তি দিয়েগো ম্যারাডোনার শরীরে একাধিক 'সতর্কতামূলক সংকেত' দেখা দিয়েছিল। তবে এসব লক্ষণ যথাযথভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি বলে আদালতে জানান এক ফরেনসিক চিকিৎসক।

ম্যারাডোনার মৃত্যুর ঘটনায় আর্জেন্টিনায় চলমান মামলায় মঙ্গলবার সাক্ষ্য দেন ফরেনসিক চিকিৎসক কার্লোস ক্যাসিনেলি। সাতজন পেশাদার স্বাস্থ্যকর্মীর বিরুদ্ধে চলমান এই মামলায় তাদের চিকিৎসায় সম্ভাব্য অবহেলার অভিযোগ উঠেছে।

২০২০ সালের ২৫ নভেম্বর, মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণের অস্ত্রোপচারের প্রায় দুই সপ্তাহ পরে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা যান ম্যারাডোনা। মৃত্যুর আগে তিনি অ্যাকিউট পালমোনারি এডিমায়ও আক্রান্ত ছিলেন।

বুয়েনস আয়ার্সের উত্তরের সান সিড্রো আদালতে ক্যাসিনেলি জানান, ম্যারাডোনার শরীরে নিচের অঙ্গে পানি জমা, আঙুল ফুলে যাওয়া, শ্বাসকষ্ট, উচ্চ রক্তচাপের লক্ষণ এবং অস্বাভাবিক দ্রুত হৃদস্পন্দনের মতো উপসর্গ দেখা গিয়েছিল।

তার দাবি, এসব লক্ষণ থাকা সত্ত্বেও ম্যারাডোনার ফোলা বা শারীরিক অবস্থার অবনতির কারণ অনুসন্ধানে যথাযথ উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। চিকিৎসকদের পদ্ধতিতেও এসব সতর্কতামূলক সংকেতের পর কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি বলেও আদালতকে জানান তিনি।

ক্যাসিনেলি আরও বলেন, হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পাওয়ার পর ম্যারাডোনার শারীরিক অবস্থার ক্রমাগত অবনতি হচ্ছিল। তার ভাষ্য অনুযায়ী, এমন পরিস্থিতিতে একটি সতর্কবার্তা দেওয়া এবং চিকিৎসা পরিকল্পনায় পরিবর্তন আনা প্রয়োজন ছিল। বরং তাকে বাড়িতে রেখে চিকিৎসা দেওয়াটিই ভুল সিদ্ধান্ত ছিল বলে মনে করেন তিনি।

মেডিকেল বোর্ডের সদস্য ক্যাসিনেলি জানান, মৃত্যুর আগে প্রায় ১২ ঘণ্টা তীব্র যন্ত্রণার মধ্যে ছিলেন ম্যারাডোনা।

তবে মামলায় অভিযুক্ত চিকিৎসাকর্মীরা তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাদের দাবি, দীর্ঘদিনের কোকেন ও অ্যালকোহল আসক্তির সঙ্গে লড়াই করা ম্যারাডোনা স্বাভাবিক শারীরিক জটিলতার কারণেই মারা গেছেন।

ম্যারাডোনার মৃত্যুর ঘটনায় চলমান এই বিচার আগস্টের পরও গড়াতে পারে বলে জানা গেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শুটিং সেট থেকে অভিনেত্রী শেহনাজ গিলের ভিডিও ফাঁস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

বুধবার, ১২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:৩৭ পি.এম


শুটিং সেট থেকে অভিনেত্রী শেহনাজ গিলের ভিডিও ফাঁস

শুটিং সেটের পরিবেশে হঠাৎ একটি বিপত্তিতে পড়েন বলিউডের অভিনেত্রী শেহনাজ গিল। শুটিংয়ের সময় আচমকাই তার নাকের নথ খুলে মুখের ভেতর ঢুকে যায়। বিষয়টি বোঝার আগেই অভিনেত্রী নথটি গিলে ফেলেন। ফলস্বরূপ, মুহূর্তের মধ্যে সেটে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়।

ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করেছেন শেহনাজ নিজেই। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, দৌড়ে একটি শট দিতে যাওয়ার সময় আচমকাই তার নাকের নথ খুলে মুখের ভেতর চলে যায়। এরপর তাকে অস্বস্তিতে ভুগতে দেখা গেছে।

পরিস্থিতি বুঝতে পেরে দ্রুত শেহনাজের কাছে ছুটে আসেন তার সহ-অভিনেতা সৌরভ সচদেবা। সেটে উপস্থিত অন্য সদস্যরাও তাকে সহযোগিতা করতে এগিয়ে আসেন। সৌরভকে শেহনাজের পিঠে চাপড় দিতে দেখা যায়।

হঠাৎ ঘটে যাওয়া ঘটনায় শেহনাজ ভয় পেয়ে যান। একইসঙ্গে তিনি অস্বস্তিও অনুভব করছেন। তবে, এমন পরিস্থিতিতে শুটিং বন্ধ করেননি অভিনেত্রী। কষ্ট ও অস্বস্তি সামলে তিনি কাজ চালিয়ে যান।

ভিডিওটি প্রকাশিত হওয়ার পর শেহনাজের পেশাদারিত্বের প্রশংসা করেছেন তার অনুরাগীরা। অনেকেই তার কাজের প্রতি নিষ্ঠার প্রশংসা করেছেন। তবে, কয়েকজন এমন পরিস্থিতিতে শুটিং চালিয়ে যাওয়ার কারণে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাদের মতে, কাজে মনোযোগ দেওয়ার চেয়ে নিজের নিরাপত্তার দিকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া উচিত।

শেহনাজ গিলকে সর্বশেষ দেখা গেছে ‘ইশকনামা’ ছবিতে। ছবিটি গত ২৪ জুলাই মুক্তি পেয়েছে। বর্তমানে তিনি ‘সিং ভার্সেস কৌর ২’ ও ‘সব ফার্স্ট ক্লাস’ ছবির শুটিং নিয়ে ব্যস্ত আছেন।

সূত্র: এনডিটিভি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%