০৬:২৬ পি.এম
শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছেন, আমার বয়স মাত্র ৬ মাস ৫ দিন হয়েছে। তাই বসে থাকার আর কোনো সুযোগ নেই। এই ৬ মাসে আমি একটি স্ট্রাকচার দাঁড় করিয়েছি।
শনিবার (২২ আগস্ট) সাভারে ব্রাক সিডিএম সেন্টারে 'উচ্চশিক্ষা নিয়ে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর উপাচার্য সংলাপ' অনুষ্ঠান চলাকালীন তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে গবেষণার বাজেট বাড়াতে চাইছেন। তিনি বলেছেন, গবেষণা ছাড়া আমাদের দেশে পড়তে আসবে কে? আমাদের গবেষণা ভুলে যাওয়ার সময় এসেছে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে গবেষণার জন্য যে ফান্ড দিচ্ছি সেটি নিয়ে আমাদের লজ্জিত হতে হয়।
আরও পড়ুন: অরেগনের স্কুলে গুলিতে নিহত ৪, আহত ২; শোকে স্তব্ধ শহর
তিনি বলেছেন, শিক্ষার্থীদের লোন দেয়ার জন্য একটি বিশাল বাজেট ছিল। কিন্তু গিয়ে দেখলাম, সেটি কোটি কোটি টাকার ট্রাঙ্ক আগেই চুরি হয়ে গিয়েছে।
শিক্ষামন্ত্রী এটি উল্লেখ করেছেন যে, কিছু বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে যেগুলো আপ টু দা মার্ক নয়। এগুলো বের করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয় বেড়ে যাচ্ছে, তবে আমরা যদি তাদের লজিস্টিক সাপোর্ট না দিই, তাহলে বাড়ানোর উদ্দেশ্যটা কী? তবে, এই ইউনিভার্সিটিগুলো আমাদের সময়ে দেওয়া হয়নি।
শিক্ষাখাতে বাজেট নিয়ে তিনি বলেন, বাজেটে শুভঙ্করের ফাঁকি ছিল। এবার ১.৩৯% থেকে ৩%-এ বাজেট বৃদ্ধি করা হয়েছে। পরের বছর হয়তো ৩.৫%, তার পরের বছর হয়তো ৪%-এ বাজেট উন্নীত হবে।
তিনি জানিয়েছেন, মেধাবী শিক্ষার্থীরা বিদেশে চলে যাচ্ছে এবং এখনকার ব্রাইট স্টুডেন্টরা শিক্ষক হতে চাচ্ছেন না। তারা বাইরে যেতে আগ্রহী। ইউজিসি থেকে কিছু আকর্ষণীয় পদক্ষেপ আনতে হবে যাতে তারা এদেশে শিক্ষক হতে ইচ্ছুক হয়।
আরও পড়ুন: লালমনিরহাটে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা ব্যর্থ, বিজিবির বাধা
পিএইচডি গবেষণা শুধুমাত্র প্রাইভেট নয়, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়েও করতে হবে। এমন কাঠামো তৈরি করার ব্যাপারে মন্ত্রী গুরুত্বারোপ করেছেন। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো তাদের নিজ নিজ এরিয়ায় কাজ করছে। ইউজিসিকে চিন্তা করতে হবে যে, পিএইচডি গবেষণা শুধু প্রাইভেট নয়, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতেও প্রয়োজন। ওইরকম ফরম্যাট তৈরি করতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন