ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বরগুনা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি গঠনে ফের স্থবিরতা, ২ লাখ ২৪ হাজার গ্রাহকের সেবা এখনও পটুয়াখালীনির্ভর


বরগুনা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি গঠনে ফের স্থবিরতা, ২ লাখ ২৪ হাজার গ্রাহকের সেবা এখনও পটুয়াখালীনির্ভর

বরগুনায় পূর্ণাঙ্গ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি গঠনের উদ্যোগে আবারও স্থবিরতা দেখা দিয়েছে। গত জুন মাসে নতুন ‘বরগুনা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি’ গঠনের প্রক্রিয়া দৃশ্যমানভাবে এগোতে শুরু করলেও বর্তমানে অজ্ঞাত কারণে তা অনেকটাই থমকে রয়েছে। প্রস্তাবিত কাঠামো অনুযায়ী, নতুন এই সমিতির আওতায় আসার কথা জেলার ২ লাখ ২৩ হাজার ৯০৫ গ্রাহক। বরগুনার বিদ্যুৎ বিতরণ ও প্রশাসনিক কার্যক্রম বর্তমানে পটুয়াখালী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আওতাধীন রয়েছে, ফলে স্থানীয় পর্যায়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও বিভিন্ন সেবা পেতে গ্রাহকদের ভোগান্তির অভিযোগ দীর্ঘদিনের।

গ্রাহকদের অভিযোগ, বিদ্যুৎ লাইনের খুঁটি স্থানান্তর, ত্রুটি মেরামত, নতুন সংযোগ, লাইন সম্প্রসারণ কিংবা দুর্যোগের পর দ্রুত বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করার মতো স্থানীয় পর্যায়ের বিভিন্ন কাজের জন্য পটুয়াখালী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত ও অনুমোদনের ওপর নির্ভর করতে হয়। এতে অনেক ক্ষেত্রে সময়ক্ষেপণ ঘটে এবং গ্রাহকসেবায় এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে।

বরগুনা উপকূলীয় ও দুর্যোগপ্রবণ জেলা হিসেবে পরিচিত। ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস ও বৈরী আবহাওয়ার কারণে এ অঞ্চলে বিদ্যুৎ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি তুলনামূলকভাবে বেশি। তাই দুর্যোগের পর দ্রুত বিদ্যুৎ সরবরাহ পুনঃস্থাপনে স্থানীয় পর্যায়ে শক্তিশালী প্রশাসনিক ও কারিগরি সক্ষমতা থাকা প্রয়োজন বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। তাদের মতে, বরগুনার জন্য পৃথক ও পূর্ণাঙ্গ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি গঠন হলে সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে প্রশাসনিক দূরত্ব কমবে এবং গ্রাহকসেবায় গতি আসবে।

আরও পড়ুন: তাহিরপুরে প্রবাসীর স্ত্রী ও পাঁচ লাখ টাকা নিয়ে উধাও নাজমুল, পরিবার উদ্বিগ্ন

সম্প্রতি পটুয়াখালী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির একটি তুলনামূলক পর্যালোচনা প্রতিবেদনে প্রস্তাবিত বিভাজনের বিস্তারিত চিত্র উঠে এসেছে। নথির তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে পটুয়াখালী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আওতায় রয়েছে ৪ হাজার ৯৪৩ বর্গকিলোমিটার এলাকা এবং সংযোগপ্রাপ্ত গ্রাহক সংখ্যা ৭ লাখ ৩৪ হাজার ১৯১ জন। বিভাজনের পর পটুয়াখালী অংশের আয়তন দাঁড়াবে ৩ হাজার ৯৯ বর্গকিলোমিটার এবং গ্রাহক সংখ্যা থাকবে ৫ লাখ ১০ হাজার ২৮৬ জন।

অন্যদিকে, প্রস্তাবিত বরগুনা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আওতায় থাকবে ১ হাজার ৮৪৪ বর্গকিলোমিটার এলাকা। গ্রাহক সংখ্যা হবে ২ লাখ ২৩ হাজার ৯০৫ জন। অর্থাৎ, জেলার বিপুলসংখ্যক গ্রাহককে একটি পৃথক প্রশাসনিক ও কারিগরি কাঠামোর আওতায় আনার পরিকল্পনা ইতোমধ্যে নথিতে স্থান পেয়েছে।

প্রস্তাবিত সমিতির সেবাব্যবস্থা পরিচালনার জন্য ৩টি জোনাল অফিস, ৩টি সাব-জোনাল অফিস, ১২টি অভিযোগ কেন্দ্র ও ৪টি উপকেন্দ্র স্থাপনের প্রস্তাব রয়েছে। কর্মকর্তা-কর্মচারীর জন্যও পৃথক জনবল কাঠামো প্রস্তাব করা হয়েছে। এতে ৯ জন কর্মকর্তা ও ২১৬ জন নিয়মিত কর্মচারী থাকার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

বিভাজনের পর বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থার দক্ষতা ও সিস্টেম লস নিয়েও প্রস্তাবে হিসাব দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে পটুয়াখালী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সিস্টেম লসের হার ১১ দশমিক ১৬ শতাংশ। বিভাজনের পর পটুয়াখালী অংশে তা ১০ দশমিক ৯২ শতাংশে নেমে আসার প্রাক্কলন করা হয়েছে। অপরদিকে, প্রস্তাবিত বরগুনা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সিস্টেম লস ধরা হয়েছে ১২ দশমিক ৭১ শতাংশ। ফলে নতুন সমিতি গঠনের পাশাপাশি সিস্টেম লস নিয়ন্ত্রণ ও বিতরণ ব্যবস্থার দক্ষতা বাড়ানোও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।

আরও পড়ুন: সুন্দরবনে কোস্ট গার্ডের সঙ্গে ‘দাদা ভাই বাহিনী’র বন্দুকযুদ্ধে ৫ জেলে উদ্ধার

প্রতিবেদনে আর্থিক বিষয়ও উঠে এসেছে। এতে বর্তমানে পটুয়াখালী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির বার্ষিক নিট লোকসান ৭২ কোটি ২ লাখ টাকা উল্লেখ করা হয়েছে। প্রস্তাবিত বরগুনা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির দীর্ঘমেয়াদি ঋণের পরিমাণ ধরা হয়েছে প্রায় ১১২ কোটি ৪৮ লাখ টাকা। নতুন সদর দপ্তর ভবন, আবাসিক ভবন ও রেস্ট হাউস নির্মাণে সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে ২ কোটি টাকা।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নতুন একটি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি গঠনের ক্ষেত্রে আর্থিক সক্ষমতা, জনবল, অবকাঠামো, প্রশাসনিক কাঠামো ও পরিচালন ব্যয়সহ বিভিন্ন বিষয় পর্যালোচনা করা স্বাভাবিক। তবে এসব বিষয় পর্যালোচনার নামে প্রক্রিয়াটি অনির্দিষ্টকাল ঝুলিয়ে রাখা হলে বরগুনার গ্রাহকদের কাঙ্ক্ষিত সেবা নিশ্চিত করা কঠিন হবে। দ্রুত সিদ্ধান্ত নিয়ে বাস্তবায়নের দিকে এগোনো প্রয়োজন।

বরগুনা জোনাল অফিসের ডিজিএম মোহাম্মদ নাজমুল হাসান বলেন, নতুন সমিতি গঠিত হলে বরগুনা অঞ্চলের গ্রাহকসেবায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। প্রশাসনিক দূরত্ব কমার পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগ বাড়বে। বিদ্যুৎ সরবরাহে কারিগরি ত্রুটি দেখা দিলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া এবং নতুন সংযোগ প্রদানের প্রক্রিয়াও সহজ হবে। আলাদা সমিতি বরগুনার বিদ্যুৎ সেবার মান উন্নয়নের পাশাপাশি জেলার অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নেও ভূমিকা রাখতে পারে বলে তিনি মনে করেন।

এদিকে, বরগুনার সচেতন মহলের প্রশ্ন, ২ লাখ ২৩ হাজার ৯০৫ গ্রাহককে নিয়ে পৃথক সমিতি গঠনের প্রস্তাব যখন নথিতে রয়েছে, তখন বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে বাধা কোথায়? জুন মাসে যে প্রক্রিয়ায় গতি এসেছিল, সেটি বর্তমানে কোন পর্যায়ে রয়েছে এবং কেন স্থবির হয়ে পড়েছে, তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে স্পষ্ট করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন তারা।

আরও পড়ুন: কুমিল্লার আদালতে মহিলা আ.লীগ নেত্রীর বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ, আটক

স্থানীয়দের কেউ কেউ দাবি করছেন, একটি বিশেষ মহল বরগুনা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি গঠনের প্রক্রিয়া বিলম্বিত করার চেষ্টা করছে। তবে এ দাবির পক্ষে সুনির্দিষ্ট কোনো প্রমাণ প্রকাশ্যে পাওয়া যায়নি। ফলে বিভাজন প্রক্রিয়াটি বর্তমানে কোন কর্তৃপক্ষের অনুমোদন বা সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছে এবং এর সম্ভাব্য সময়সীমা কী তা আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো জরুরি।

বরগুনার গ্রাহকদের মতে, বিদ্যুৎ সেবা মানুষের দৈনন্দিন জীবন ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত। কোনো এলাকায় বিদ্যুৎ বিভ্রাট, নতুন সংযোগ, লাইন সম্প্রসারণ কিংবা দুর্যোগের পর সরবরাহ পুনঃস্থাপনের ক্ষেত্রে দ্রুত সিদ্ধান্ত ও তাৎক্ষণিক কারিগরি ব্যবস্থা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ কারণে স্থানীয় পর্যায়ে কার্যকর প্রশাসনিক কাঠামো থাকা জরুরি।

তাদের দাবি, বরগুনার জন্য প্রস্তাবিত পৃথক পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির প্রক্রিয়া আর দীর্ঘায়িত না করে দ্রুত চূড়ান্ত করতে হবে। একই সঙ্গে নতুন সমিতির জন্য প্রয়োজনীয় জনবল, অবকাঠামো ও আর্থিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করে একটি কার্যকর ও টেকসই বিদ্যুৎ সেবা কাঠামো গড়ে তুলতে হবে।

বরগুনাবাসীর প্রত্যাশা, প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণের মাধ্যমে জেলার ২ লাখ ২৩ হাজার ৯০৫ গ্রাহকের বিদ্যুৎ সেবা আরও সহজ, দ্রুত ও জবাবদিহিমূলক করতে প্রস্তাবিত ‘বরগুনা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি’ গঠনের উদ্যোগ দ্রুত বাস্তবায়িত হবে।

আরও পড়ুন: কালীগঞ্জে ডোপ টেস্টে মাদক সেবনের প্রমাণ, ৫ জনের কারাদণ্ড

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নোবেল পুরস্কার সপ্তাহ শুরু, ওজন কমানোর গবেষণায় পুরস্কারের সম্ভাবনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:১৩ পি.এম


নোবেল পুরস্কার সপ্তাহ শুরু, ওজন কমানোর গবেষণায় পুরস্কারের সম্ভাবনা

ঢাকা, ৫ অক্টোবর, ২০২৬ : ক্ষুধা ও পরিতৃপ্তি নিয়ন্ত্রণকারী হরমোনের উপর গবেষণা এ বছরের নোবেল চিকিৎসাবিজ্ঞান পুরস্কার পাওয়ার ক্ষেত্রে অন্যতম আলোচ্য বিষয় হয়ে উঠেছে। সোমবার এই পুরস্কার ঘোষণার মাধ্যমে ২০২৬ সালের নোবেল পুরস্কার ঘোষণার সপ্তাহ শুরু হচ্ছে।

চিকিৎসাবিজ্ঞান, পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, সাহিত্য, শান্তি ও অর্থনীতির জন্য এ বছরের নোবেল পুরস্কার ৫ থেকে ১২ অক্টোবর পর্যন্ত প্রতিদিন ঘোষণা করা হবে।

খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

আজ সকাল ১১টা ৩০ মিনিটে (গ্রিনিচ সময় ০৯টা ৩০ মিনিট) চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার ঘোষণা করা হবে। নোবেল পর্যবেক্ষকদের মতে, ওজেম্পিক ও মাউঞ্জারোর মতো ওজন কমানোর ওষুধ তৈরির গবেষণা এবারের পুরস্কারের জন্য সম্ভাব্য।

এই গবেষণার মধ্যে রয়েছে মানবদেহের মাইক্রোবায়োম, ক্ষুধা ও পেট ভরা অনুভূতি নিয়ন্ত্রণকারী লেপটিন ও ঘ্রেলিন হরমোনের আবিষ্কার এবং খাবার খাওয়ার পর অন্ত্র থেকে নিঃসৃত গ্লুকাগন-লাইক পেপটাইড-১ (জিএলপি-১) নামের হরমোন নিয়ে গবেষণা। ওজেম্পিকের মতো ওষুধ এই হরমোনের কার্যপ্রক্রিয়াকে অনুকরণ করে।

নোবেল পুরস্কারের সম্ভাব্য বিজয়ীদের নিয়ে গবেষণা করে ডেটা বিশ্লেষণ প্রতিষ্ঠান ক্ল্যারিভেট। প্রতিষ্ঠানটির গবেষণা বিশ্লেষণ বিভাগের প্রধান ডেভিড পেন্ডেলবুরি মন্তব্য করেন, এসব গবেষণার যেকোনো একটির স্বীকৃতি হিসেবে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হতে পারে।

তার মতে, জিএলপি-১ গবেষণাই সবচেয়ে এগিয়ে, কারণ এর চিকিৎসাগত প্রভাব বিশ্বজুড়ে অত্যন্ত বড়।

এ ক্ষেত্রে অনেক বিজ্ঞানীর গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। তবে নোবেলের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে নিয়মিতভাবে তিনজনের নাম আলোচনায় আসে—কানাডার হরমোন বিশেষজ্ঞ ড্যানিয়েল ড্রাকার, ডেনমার্কের চিকিৎসক ইয়েন্স জুল হলস্ট এবং যুগোস্লাভিয়ায় জন্ম নেওয়া মার্কিন রসায়নবিদ স্বেতলানা মোইসভ।

ত্বকের পুনর্গঠন বা রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা?

নোবেল কমিটি যদি অন্য কোনো দিকে নজর দেয়, তাহলে ত্বক কীভাবে নিজেকে পুনর্গঠন করে এবং ক্ষত সারিয়ে তোলে—এ নিয়ে স্টেম সেল গবেষণা পুরস্কার পেতে পারে।

সুইডিশ সরকারি সম্প্রচারমাধ্যম এসআরের বিজ্ঞানবিষয়ক প্রতিবেদক আনিকা ওস্টম্যান জানান, যুক্তরাষ্ট্রের কোষবিজ্ঞানী এলাইন ফুকস এবং ব্রিটিশ বিজ্ঞানী ফিওনা ওয়াট এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ গবেষক।

চিকিৎসাবিজ্ঞানে নতুন একটি ইমেজিং প্রযুক্তি—অপটিক্যাল কোহেরেন্স টমোগ্রাফি নিয়েও পুরস্কার দেওয়া হতে পারে।

এই অ-আক্রমণাত্মক প্রযুক্তি প্রতিফলিত আলো ব্যবহার করে শরীরের বিভিন্ন টিস্যুর উচ্চ-রেজোলিউশনের ক্রস-সেকশনাল ছবি তৈরি করে।

বিশেষ করে চোখের রেটিনা ও অপটিক নার্ভের বিস্তারিত ছবি পাওয়ার মাধ্যমে চিকিৎসকেরা বিভিন্ন রোগ শনাক্ত ও পর্যবেক্ষণ করতে সক্ষম হন।

আরও একটি ক্ষেত্র যা সম্ভবত মেডিসিন কমিটির দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে, তা হলো রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার অ্যাডহেশন রিসেপ্টর, যা মার্কিন ইমিউনোলজিস্ট টিমোথি স্প্রিংগার শনাক্ত করেছেন।

এসব রিসেপ্টর রোগ প্রতিরোধকারী কোষকে রক্তনালির সঙ্গে যুক্ত হতে, টিস্যুর ভেতরে প্রবেশ করতে এবং সংক্রমণের স্থানে পৌঁছাতে সাহায্য করে। প্রদাহজনিত ও অটোইমিউন রোগের চিকিৎসা নিয়ে গবেষণাতেও এগুলো গুরুত্বপূর্ণ।

এ ছাড়া স্তন ক্যানসার গবেষণা কিংবা করোনাভাইরাস মোকাবিলায় সহায়ক ডিএনএ সিকোয়েন্সিং প্রযুক্তির গবেষণাও পুরস্কারের জন্য বিবেচনায় আসতে পারে।

চিকিৎসাবিজ্ঞানের পুরস্কারের পর মঙ্গলবার পদার্থবিজ্ঞানের নোবেল ঘোষণা করা হবে এবং বুধবার রসায়নের নোবেল ঘোষণা করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাগুরায় আওয়ামী লীগ নেতা সোহেল রানা গ্রেফতার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:১৩ পি.এম


মাগুরায় আওয়ামী লীগ নেতা সোহেল রানা গ্রেফতার

মাগুরা সদর উপজেলার গোপালগ্রাম ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-দফতর সম্পাদক সোহেল রানাকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী গ্রেপ্তার করেছে। সোমবার (৫ অক্টোবর) দুপুর ১টার দিকে সদর উপজেলার সংকোচখালি এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সূত্র অনুযায়ী, সোমবার দুপুরে সংকোচখালি এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি স্থানীয়ভাবে যুবলীগ নেতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন বলে জানা যায়।

শত্রুজিৎপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ শুভঙ্কর রায় জানিয়েছেন, দুপুর ১টার সময় সংকোচখালি এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ রয়েছে। বিষয়টি যাচাই-বাছাই করে তাকে মাগুরা সদর থানায় হস্তান্তর করা হবে এবং পরবর্তীতে থানার পক্ষ থেকে তাঁর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোহেল রানা দীর্ঘ সময় ধরে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং বিভিন্ন সময়ে দলীয় কর্মকাণ্ডে তাঁর সক্রিয় ভূমিকা ছিল। তবে, তাঁর বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কী অভিযোগ বা কোন মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত তথ্য প্রদান করেনি।

এদিকে, সোহেল রানার গ্রেপ্তারের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কর্ণফুলী টানেলের লোকসান কমাতে ৩৩৬ কোটির নতুন সড়ক প্রকল্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:১৪ পি.এম


কর্ণফুলী টানেলের লোকসান কমাতে ৩৩৬ কোটির নতুন সড়ক প্রকল্প

চট্টগ্রাম, ৫ অক্টোবর, ২০২৬ : কর্ণফুলী নদীর তলদেশে নির্মিত ১০ হাজার কোটি টাকার টানেলটিতে সরকার প্রতি মাসে গড়ে ৩ কোটি ৫৮ লাখ থেকে ৪ কোটি টাকা লোকসান গুণছে। টানেলটি উদ্বোধনের তিন বছর পরেও কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় যানবাহন চলাচল না করায় এই লোকসান হচ্ছে।

দেশের একমাত্র এই টানেলটি বিপুল বিনিয়োগের পরেও ক্রমাগত লোকসানের কারণে সংশ্লিষ্টরা এটিকে ‘শ্বেতহস্তী’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। এই পরিস্থিতিতে ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে এবং অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক হতে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর (সওজ) নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। কর্ণফুলী টানেল ব্যবহার করে চট্টগ্রাম থেকে সরাসরি কক্সবাজারে যাতায়াতের নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে আনোয়ারা-চন্দনাইশ হয়ে বিদ্যমান সড়কটি প্রশস্ত করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। ১৭ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সড়কটির জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৩৬ কোটি টাকা। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে টানেল হয়ে কক্সবাজারগামী যানবাহনের জন্য অপেক্ষাকৃত সহজ ও সরাসরি পথ তৈরি হবে। এতে দূরত্ব, সময় ও জ্বালানি খরচ কমবে, ফলে টানেলের আয় বৃদ্ধি পাবে।

সওজ সূত্র জানায়, ২০২৩ সালের ২৯ অক্টোবর কর্ণফুলী টানেলটি যানবাহন চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হয়। কিন্তু গত তিন বছরেও টানেলটি দিয়ে কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় যানবাহন চলাচল করছে না। উল্টো টোল থেকে যে আয় হচ্ছে, তার প্রায় দ্বিগুণ অর্থ খরচ হচ্ছে পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণে। সর্বশেষ হিসাবে মাসে গড়ে টোল আদায় হচ্ছে ৩ কোটি ৩৭ লাখ টাকা, কিন্তু পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণে ব্যয় হচ্ছে ৬ কোটি ৯৫ লাখ টাকা। অর্থাৎ প্রতি মাসে গড়ে ঘাটতি থাকছে প্রায় ৩ থেকে ৪ কোটি টাকা।

কর্ণফুলী টানেলের মূল দৈর্ঘ্য ৩ দশমিক ৩২ কিলোমিটার। চীনা ঋণ ও বাংলাদেশ সরকারের অর্থায়নে এই টানেল নির্মিত হয়েছে। বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে। প্রকল্পের ব্যয় শুরুতে ৮ হাজার ৪৪৭ কোটি টাকা ধরা হলেও পরে তা বেড়ে ১০ হাজার ৬৮৯ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে ৬ হাজার ৭০ কোটি টাকা চীনের এক্সিম ব্যাংক থেকে ঋণ হিসেবে নেওয়া হয়েছে।

সওজ কর্মকর্তারা জানান, এই অবস্থায় টানেলটির অধিকতর ব্যবহার নিশ্চিত করতে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে। কর্মকর্তাদের পর্যবেক্ষণ হলো, টানেলের সাথে সংযুক্ত সড়কগুলোতে দূরপাল্লার যানবাহন চলাচলের সক্ষমতা নেই। বিকল্প সড়ক নেটওয়ার্ক তৈরি হলে টানেলের ব্যবহার বাড়তে পারে। এ কারণে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের চন্দনাইশের গাছবাড়িয়া কলেজ গেইট থেকে আনোয়ারার কালাবিবির দীঘির মোড় পর্যন্ত বিকল্প সড়কটি প্রশস্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ‘টানেল কানেক্টিং টু গাছবাড়িয়া সড়ক উন্নয়ন প্রকল্প’ নামে ইতোমধ্যে প্রকল্পটি একনেকের সভায় অনুমোদন পেয়েছে।

সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর (সওজ), চট্টগ্রাম দক্ষিণের নির্বাহী প্রকৌশলী পিন্টু চাকমা বাসসকে বলেন, ‘বর্তমানে টানেল দিয়ে যে গাড়িগুলো কক্সবাজারের উদ্দেশে রওনা দেয়, সেগুলোকে আনোয়ারা থেকে উল্টো দিকে পটিয়া ক্রসিংয়ে এসে মহাসড়কে উঠতে হয় অথবা পেকুয়া হয়ে যেতে হয়। এই ঘোরাঘুরির কারণে যানবাহনগুলো এদিকে আসেনা। আনোয়ারা থেকে সরাসরি এই সড়কটি চন্দনাইশের গাছবাড়িয়া কলেজ এলাকায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের সাথে যুক্ত হবে। এতে কক্সবাজারে যেতে ৩০ মিনিট কমে যাবে। এই সড়কটির কাজ শেষ হলে টানেল দিয়ে যানবাহন চলাচল অনেক বাড়বে বলে আমরা আশাবাদী।’

তিনি জানান, ‘প্রকল্পের আওতায় আনোয়ারা-কালাবিবির দীঘি থেকে বরকল ব্রিজ পর্যন্ত অংশে ব্যয় ধরা হয়েছে ১৮২ কোটি টাকা। আর চন্দনাইশের বরকল ব্রিজ থেকে গাছবাড়িয়া কলেজ গেইট পর্যন্ত অংশে ১৪৪ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে দুই অংশের কাজের টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। ওয়ার্ক অর্ডার দেওয়ার পর কাজ শুরু হবে।’

সওজ সূত্র জানায়, বরকল ব্রিজ থেকে গাছবাড়িয়া কলেজ গেইট পর্যন্ত অংশের দৈর্ঘ্য প্রায় ১০ দশমিক ২ কিলোমিটার। এ অংশের সড়কের প্রস্থ হবে ১০ দশমিক ৩ মিটার। পুরো সড়কটি বর্তমানে ১৮ ফুট প্রশস্ত। যানবাহনের চাপ ও ভবিষ্যৎ যোগাযোগের প্রয়োজন বিবেচনায় সেটি বাড়িয়ে ৩৪ ফুট করা হবে। এই প্রকল্পের আওতায় সড়কের যেসব অংশে বেশি বাঁক রয়েছে, সেগুলোও সরল করা হবে। এ জন্য কিছু জায়গা নতুন করে অধিগ্রহণের প্রয়োজন রয়েছে। সড়কের চন্দনাইশ অংশেও থাকছে বেশ কিছু অবকাঠামোগত উন্নয়ন। প্রতিটি বাজার এলাকায় নির্মাণ করা হবে আরসিসি রিজিড পেভমেন্ট, থাকবে ড্রেনেজ ব্যবস্থা। পাশাপাশি নির্মাণ করা হবে ৯টি ব্রিজ-কালভার্ট। ফলে সড়কটি শুধু প্রশস্তই হবে না, ভবিষ্যতে বাড়তি যানবাহনের চাপ সামলানোর উপযোগী করেও গড়ে তোলা হবে।

শুধু যাত্রী পরিবহন নয়, দক্ষিণ চট্টগ্রামের অর্থনীতিতেও এই সড়ক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। কক্সবাজার পর্যন্ত ব্যবসা-বাণিজ্য ও শিল্পের সম্ভাবনা বেগবান করা এবং যানজট নিরসনেও ভূমিকা রাখবে এই সড়কটি।

সওজের চট্টগ্রাম দক্ষিণের নির্বাহী প্রকৌশলী পিন্টু চাকমা আরও বলেন, ‘সবকিছু হচ্ছে টানেল কার্যকর করার প্রয়োজন এবং বাস্তবতাকে গুরুত্ব দিয়ে। ঠিকাদার কাজ শুরু করার দুই বছরের মধ্যে সড়ক প্রশস্তকরণের কাজ শেষ করার কথা রয়েছে।’

সড়কটি সম্পর্কে জানতে চাইলে চন্দনাইশ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এম এ হাশেম রাজু বাসসকে বলেন, ‘শ্বেতহস্তী হিসেবে পরিচিতি পাওয়া, সরকারের জন্য বোঝা হয়ে দাঁড়ানো কর্ণফুলী টানেল কার্যকর বা লাভজনক করার ক্ষেত্রে এই সড়কটি নিয়ামক ভূমিকা পালন করবে বলে আমার ধারণা। আর এটার প্রভাব শুধু টানেলেই সীমাবদ্ধ থাকবে না; আনোয়ারা ও চন্দনাইশের মানুষের কর্মমুখী ও বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ড বৃদ্ধির সম্ভাবনাও রয়েছে। এতে সড়কের দুই পাশে নতুন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, পরিবহনসেবা ও বিভিন্ন ধরনের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড গড়ে উঠতে পারে। সৃষ্টি হতে পারে নতুন কর্মসংস্থান। শিল্প ও ব্যবসা-বাণিজ্যের বিস্তৃতির মাধ্যমে দক্ষিণ চট্টগ্রামের অর্থনীতিতেও পরিবর্তন আসতে পারে।’

তিনি বলেন, ‘বিকল্প সড়কটি বাস্তবায়িত হলে আনোয়ারা ও চন্দনাইশের মানুষজন নিজের বাড়িতে থেকেই বাস্তবায়নাধীন চীনা অর্থনৈতিক জোনে কাজ করার সুযোগও পাবে। একই সাথে কর্ণফুলী টানেল, ছয় লেনের সংযোগ সড়ক এবং কক্সবাজারমুখী এই নতুন নেটওয়ার্ক পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত হলে দক্ষিণ চট্টগ্রামে শিল্প ও বাণিজ্য সম্প্রসারণের নতুন পথ উন্মোচিত হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জ্বালানি তেলের বাজারে অস্থিরতা, ব্রেন্ট ক্রুড ১০২ ডলার ছাড়াল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:১৪ পি.এম


জ্বালানি তেলের বাজারে অস্থিরতা, ব্রেন্ট ক্রুড ১০২ ডলার ছাড়াল

আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। মধ্যপ্রাচ্যে বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থার সংকট এবং হরমুজ প্রণালীতে নৌপথের নিরাপত্তা নিয়ে অনিশ্চয়তার কারণে অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশ্ববাজারে ব্র্যান্ডভেদে তেলের দামে বড় ধরনের পার্থক্য লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

সোমবার (৫ অক্টোবর, ২০২৪/২০২৬) টোকিও ট্রেডিংয়ে ব্যারেলে ব্র্যান্ডভিত্তিক দামে ভিন্ন চিত্র দেখা যায়। আন্তর্জাতিক বেঞ্চমার্ক ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেল প্রতি ১০২ ডলার অতিক্রম করে ১০২.৩১ ডলারে পৌঁছায়।

অন্যদিকে, মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম প্রধান সূচক মুরবান ক্রুডের দাম ব্যারেলে ১১০ ডলারে উঠে যায়। তবে আমেরিকান বেঞ্চমার্ক ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) এবং প্রাকৃতিক গ্যাসের দামে সামান্য নিম্নমুখী প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক বেঞ্চমার্ক ব্রেন্ট এবং মার্কিন ডব্লিউটিআই-এর মধ্যে বর্তমান ব্যবধান ব্যারেল প্রতি প্রায় ১১ ডলারের বেশি। বিশেষ করে, হরমুজ প্রণালী দিয়ে এশীয় দেশগুলোতে অপরিশোধিত তেল পরিবহনে ঝুঁকি বৃদ্ধি, ট্যাংকার সংকট, অতিরিক্ত বীমা মাশুল এবং দীর্ঘ সমুদ্রপথ পাড়ি দেওয়ার বাধ্যবাধকতার কারণে বিশ্ববাজারে আন্তর্জাতিক তেলের দামে এই বাড়তি 'রিস্ক প্রিমিয়াম' যুক্ত হয়েছে।

সুপারট্যাংকারের (VLCC) ভাড়াও রেকর্ড পরিমাণে বৃদ্ধি পাওয়ায় আমদানিকারক শোধনাগারগুলোর ওপর চাপ তীব্র হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%