বুধবার, ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৮:৩৯ পি.এম
বাংলাদেশের বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থা আধুনিক ও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে ২০ কোটি ডলারের ঋণ অনুমোদন করেছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। বাংলাদেশি মুদ্রায় এই ঋণের পরিমাণ দাঁড়ায় দুই হাজার ৪৬০ কোটি টাকা, প্রতি ডলার ১২৩ টাকা ধরে।
এই ঋণের মাধ্যমে ঢাকার আশপাশের উপশহর এলাকায় বিদ্যুৎ বিতরণ নেটওয়ার্কের নির্ভরযোগ্যতা, দক্ষতা ও সহনশীলতা বৃদ্ধি করা হবে। এর ফলে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও গৃহস্থালিতে বিদ্যুৎ সরবরাহের উন্নতি সাধিত হবে।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) এডিবির ঢাকা অফিস থেকে প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
‘পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়ার্ক এনহান্সমেন্ট প্রজেক্ট’ বা বিদ্যুৎ বিতরণ নেটওয়ার্ক উন্নয়ন প্রকল্পটি বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডকে (বিআরইবি) সহায়তা প্রদান করবে। প্রকল্পের আওতায় ঢাকার আশপাশের দ্রুত বর্ধনশীল শিল্প ও শহরাঞ্চলে সেবা প্রদানকারী ১৩টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির (পিবিএস) বিদ্যুৎ বিতরণ অবকাঠামো উন্নত করা হবে।
এডিবির সহায়তায় বাস্তবায়নাধীন ‘ইন্টিগ্রেটেড গ্রোথ নেটওয়ার্ক ডেভেলপমেন্ট’ উদ্যোগের অংশ হিসেবে প্রকল্পটি গ্রহণ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে বিদ্যুৎ সেবা প্রদানে বাধা সৃষ্টি করা বিভিন্ন সমস্যা, যেমন সাবস্টেশনে অতিরিক্ত লোড, পুরোনো অবকাঠামো, বিদ্যুৎ অপচয় এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের ক্রমবর্ধমান ঝুঁকি মোকাবিলায় সহায়তা করা হবে।
বাংলাদেশে নিযুক্ত এডিবির কান্ট্রি ডিরেক্টর চিংফেং ঝাং মন্তব্য করেন, "বাংলাদেশ যখন একটি অধিকতর সমৃদ্ধ, সহনশীল এবং বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতামূলক অর্থনীতি গড়ে তোলার লক্ষ্যে এগিয়ে যাচ্ছে, তখন প্রবৃদ্ধি বজায় রাখা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং বিনিয়োগ আকর্ষণের জন্য আধুনিক বিদ্যুৎ বিতরণব্যবস্থা অপরিহার্য হয়ে উঠবে।"
তিনি আরও বলেন, "এ প্রকল্পটি উন্নত প্রযুক্তি, শক্তিশালী অবকাঠামো এবং দুর্যোগ-সহনশীলতা বৃদ্ধির পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে ঢাকার আশপাশের গুরুত্বপূর্ণ প্রবৃদ্ধি-কেন্দ্রিক এলাকাগুলোর বিদ্যুৎ ব্যবস্থাকে ভবিষ্যতের উপযোগী করে গড়ে তুলবে। এর ফলে ব্যবসা-প্রতিষ্ঠান ও স্থানীয় জনগোষ্ঠী তাদের অগ্রগতির জন্য প্রয়োজনীয় নির্ভরযোগ্য বিদ্যুৎ সুবিধা পাবে।"
প্রকল্পটির আওতায় ৫২টি সাবস্টেশনে এক হাজার ১৫০ মেগাভোল্ট-অ্যাম্পিয়ার ক্ষমতার নতুন ট্রান্সফরমার স্থাপন করা হবে এবং বিদ্যমান ১২টি সাবস্টেশনের সক্ষমতা ১১৫ মেগাভোল্ট-অ্যাম্পিয়ার বাড়ানো হবে।
এছাড়া, নেটওয়ার্কের নির্ভরযোগ্যতা, দক্ষতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দুই হাজার ৬০০ কিলোমিটারেরও বেশি ওভারহেড (উপরিভাগের) ও আন্ডারগ্রাউন্ড (ভূগর্ভস্থ) বিতরণ লাইন নির্মাণ বা উন্নয়ন এবং ইনসুলেটেড কন্ডাক্টর স্থাপন করা হবে।
সিস্টেম পরিচালনার আধুনিকায়নের লক্ষ্যে প্রকল্পটি নদী-পারাপারের উপযোগী সঞ্চালন কাঠামো ও সুইচিং স্টেশন নির্মাণ করবে এবং দ্রুত ত্রুটি শনাক্তকরণ ও সেবা পুনরুদ্ধারের জন্য ৯০০টি ‘ফল্ট লোকেটর সেট’ (ত্রুটি শনাক্তকারী যন্ত্র) স্থাপন করবে।
২০২২ সালে বাংলাদেশ শতভাগ বিদ্যুতায়ন অর্জনে সক্ষম হলেও, দ্রুত নগরায়ণ ও শিল্পায়নের ফলে বিদ্যুতের ক্রমবর্ধমান চাহিদা বিদ্যুৎ নেটওয়ার্কের ওপর ক্রমাগত চাপ সৃষ্টি করছে। এই প্রকল্পটি ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে বিতরণ ব্যবস্থার সক্ষমতা জোরদার করার পাশাপাশি প্রাকৃতিক দুর্যোগ-সহনশীল ও স্বল্প-কার্বন নিঃসরণকারী উন্নয়নের লক্ষ্যে সহায়তা করবে।
এই প্রকল্পের জন্য এডিবির বিশেষ ‘রেজিলিয়েন্স ফাইন্যান্সিং’ বা দুর্যোগ-সহনশীলতা বিষয়ক অর্থায়নের পরিমাণ ১৪ দশমিক ৬৫ কোটি ডলার।
এর আওতায় পরিবেশবান্ধব ‘গ্যাস-ইনসুলেটেড সুইচগিয়ার’ প্রযুক্তির মতো অভিযোজন-সহায়ক ব্যবস্থার জন্য সহায়তা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে; যা উন্নত বিতরণ দক্ষতা ও কারিগরি অপচয় হ্রাসের মাধ্যমে বার্ষিক গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ প্রায় ২০৩৭৫১ টন (কার্বন-ডাই-অক্সাইড সমতুল্য) কমাতে সহায়তা করবে।
প্রকল্পটি ডিজিটাল সিস্টেম ইন্টিগ্রেশন, সাইবার নিরাপত্তা, প্রাকৃতিক দুর্যোগ-সহনশীল কার্যক্রম পরিচালনা, পরিবেশগত ও সামাজিক সুরক্ষা এবং আর্থিক ব্যবস্থাপনার বিষয়ে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে বিআরইবি ও পিবিএস-গুলোর প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি করবে। পিবিএস-গুলোর আর্থিক স্থায়িত্ব জোরদার করার মাধ্যমে এটি বেসরকারি খাতের অধিকতর অংশগ্রহণ ও বিনিয়োগ আকর্ষণে সহায়তা করবে।
এছাড়া প্রকল্পটি নারী ও মেয়েদের চাহিদার প্রতি সংবেদনশীল বিভিন্ন কার্যক্রমকে উৎসাহিত করবে, যার মধ্যে রয়েছে বিদ্যুৎ খাতে নারীদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি এবং কর্মক্ষেত্রের পরিবেশের উন্নয়ন।
এডিবি-র এই সহায়তার পাশাপাশি বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে ১০৭.৯৫ মিলিয়ন ডলার এবং বিআরইবি-র পক্ষ থেকে ১৪১.৩৯ মিলিয়ন ডলারের সহ-অর্থায়ন যুক্ত রয়েছে। এছাড়া, এডিবির ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত ‘রিপাবলিক অফ কোরিয়া ই-এশিয়া অ্যান্ড নলেজ পার্টনারশিপ ফান্ড’ থেকে প্রাপ্ত ১ মিলিয়ন ডলারের কারিগরি সহায়তা অনুদান প্রাতিষ্ঠানিক উন্নয়ন, আর্থিক স্থায়িত্ব বিষয়ক পরিকল্পনা প্রণয়ন এবং উদ্ভাবনী প্রযুক্তির বাস্তবায়নে সহায়তা করবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শ্রীলঙ্কার পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশের নার্পিটিমুনাই অঞ্চলের বাসিন্দা সিভারাসা আনোজান নামের এক তামিল যুবক হযরত মুহাম্মদ (সা.)-কে নিয়ে ফেসবুকে দেওয়া একটি পোস্টের জন্য সৌদি আরবে মৃত্যুদণ্ডের মুখোমুখি হয়েছেন। আনোজান জীবিকার তাগিদে প্রায় নয় মাস আগে সেখানে গিয়েছিলেন।
ঘটনাটি শ্রীলঙ্কায় অনলাইনে ঘটে যাওয়া একটি ধর্মীয় বিতর্কের সূত্রপাত। আনোজানের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে যে, তিনি পবিত্র কাবা শরিফকে একটি মন্দিরের রূপে উপস্থাপন করে একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দ্বারা তৈরি ছবি শেয়ার করেছিলেন এবং মহানবী (সা.)-কে নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্য করেছেন। পরে পোস্টটি আরবি ভাষায় অনুবাদ করে সৌদি কর্তৃপক্ষের কাছে রিপোর্ট করা হয়। জানা গেছে, কাতারগামায় একটি হিন্দু তীর্থযাত্রার সময় তীর্থযাত্রীদের সঙ্গে আসা একটি কুকুরকে কেন্দ্র করে হিন্দু ও মুসলিম ব্যবহারকারীদের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় শুরু হয়, যার ফলস্বরূপ এই তর্কের উদ্ভব ঘটে।
আল-আহসা ক্রিমিনাল কোর্টে আনোজান জানান যে, তিনি পোস্ট করার প্রায় ১০ মিনিটের মধ্যেই তা মুছে ফেলেন। আত্মপক্ষ সমর্থনে তিনি যুক্তি দেন যে, তর্কের উত্তেজনার কারণে ওই মন্তব্যটি করেছিলেন এবং ইসলাম বা মহানবী (সা.)-কে অপমান করার উদ্দেশ্য তার ছিল না।
সাইবার অপরাধ দমন আইনের আওতায় আল-আহসা ক্রিমিনাল কোর্ট প্রথমে তাকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড এবং তিন মিলিয়ন (৩০ লাখ) সৌদি রিয়াল জরিমানা করেছিল। আনোজান এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেন। অন্যদিকে, প্রসিকিউশন শরিয়াহ আইনের অধীনে আরও কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়ে আপিল দায়ের করে। পরবর্তী সময়ে প্রসিকিউশনের আপিলটি গৃহীত হয় এবং তার শাস্তি বৃদ্ধি করে মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা করা হয়।
শ্রীলঙ্কার পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিজিত হেরাথ সংসদে জানিয়েছেন যে, প্রেসিডেন্টের আপিল নিয়ে ডেপুটি স্পিকারের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল সৌদি আরব সফর করবে। শ্রীলঙ্কা সরকার সৌদি আরবে আনোজানের আইনি খরচের ব্যয়ভার বহন করবে এবং ইতোমধ্যে তার পরিবার যে অর্থ প্রদান করেছে তা ফেরত দেবে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, রিয়াদে শ্রীলঙ্কান দূতাবাসের মাধ্যমে তারা বিষয়টি ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং সৌদি কর্তৃপক্ষের সাথে কূটনৈতিক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে।
শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট অনুরা কুমার দিশানায়েকে প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ে আনোজানের বাবা-মায়ের সাথে সাক্ষাৎ করেছেন এবং তাদের আশ্বাস দিয়েছেন যে, আনোজানের ক্ষমা নিশ্চিত করতে সরকার সম্ভাব্য সব আইনি ও কূটনৈতিক পথ বেছে নিচ্ছে। সৌদি আরবের বাদশাহর কাছে একটি আনুষ্ঠানিক লিখিত আবেদন জমা দেওয়া হবে। শ্রীলঙ্কার জ্যেষ্ঠ আইনজীবী (প্রেসিডেন্টস কাউন্সিল) উপুল কুমারাপেরুমা এবং ফাইজজার মুস্তফা এই মামলায় সহায়তা করতে সম্মত হয়েছেন।
শ্রীলঙ্কার পাঁচটি গণমাধ্যম সংস্থা—ফ্রি মিডিয়া মুভমেন্ট, সাউথ এশিয়ান উইমেন ইন মিডিয়া, শ্রীলঙ্কা ওয়ার্কিং জার্নালিস্টস অ্যাসোসিয়েশন, তামিল মিডিয়া অ্যালায়েন্স এবং শ্রীলঙ্কা মুসলিম মিডিয়া ফোরাম—এক যৌথ আবেদনে সৌদি বিচার প্রক্রিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা রেখে মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে আনোজানকে ক্ষমা করার জন্য সৌদি নেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ত্রিদেশীয় টি-টোয়েন্টি সিরিজের সূচি প্রকাশ করা হয়েছে, যা বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার অনূর্ধ্ব-১৯ নারী দল নিয়ে অনুষ্ঠিত হবে। এই সিরিজটি আগামী ২ থেকে ১৬ অক্টোবর পাকিস্তানের ফয়সালাবাদের ইকবাল স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে।
পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় এই সূচি প্রকাশ করে।
ত্রিদেশীয় সিরিজে অংশগ্রহণকারী তিনটি দল একে অপরের বিপক্ষে তিনটি করে ম্যাচ খেলবে। অর্থাৎ, লিগ পর্বে প্রতিটি দলের জন্য মোট ছয়টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। লিগ পর্ব শেষে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষ দুই দল ফাইনালে মুখোমুখি হবে।
বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কা অনূর্ধ্ব-১৯ দল ২৯ সেপ্টেম্বর পাকিস্তানে পৌঁছাবে। সিরিজের আগে ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে ১ অক্টোবর পর্যন্ত ফয়সালাবাদের ইকবাল স্টেডিয়ামে তিনটি দলই অনুশীলন করবে।
ফয়সালাবাদের ইকবাল স্টেডিয়ামে এটি মেয়েদের জন্য প্রথম বহুজাতিক সিরিজ। ২০২৫ সালের নভেম্বরে দীর্ঘ ১৭ বছর পর দক্ষিণ আফ্রিকা-পাকিস্তান ওয়ানডে সিরিজের মাধ্যমে এই ভেন্যুতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ফিরেছিল।
এটি উল্লেখযোগ্য যে, এসিসি অনূর্ধ্ব-১৯ প্রমীলা এশিয়া কাপ ও আইসিসি অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে এই সিরিজটি তিন দলের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিটি ম্যাচ স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় শুরু হবে।
একনজরে বাংলাদেশের ম্যাচের সূচি
২ অক্টোবর - পাকিস্তান বনাম বাংলাদেশ
৫ অক্টোবর - শ্রীলঙ্কা বনাম বাংলাদেশ
৬ অক্টোবর - পাকিস্তান বনাম বাংলাদেশ
৮ অক্টোবর - বাংলাদেশ বনাম শ্রীলঙ্কা
১১ অক্টোবর - পাকিস্তান বনাম বাংলাদেশ
১৪ অক্টোবর - শ্রীলঙ্কা বনাম বাংলাদেশ
ফাইনাল- ১৬ অক্টোবর।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : বাংলাদেশ ব্যাংক নির্দেশনা দিয়েছে যে, ২০২৭ সালের হজ নিবন্ধনের টাকা জমা দেওয়ার সুবিধার্থে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের শাখাগুলো আগামী ২৫ ও ২৬ সেপ্টেম্বর খোলা থাকবে।
আজ কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে এক সার্কুলারে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
সার্কুলারে উল্লেখ করা হয়েছে, স্বাভাবিক ব্যাংকিং সময়ের বাইরে থাকা সত্ত্বেও শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) ও শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) হজ নিবন্ধনকারীদের কাছ থেকে টাকা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের শাখাগুলো খোলা থাকবে।
নিবন্ধনকারীদের টাকা জমা দেওয়ার জন্য যতক্ষণ প্রয়োজন, ততক্ষণ নিরাপদে নিবন্ধনের টাকা গ্রহণের জন্য শাখাগুলোকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে ২০২৭ সালের হজের নিবন্ধনের টাকা জমা দেওয়ার ব্যবস্থা সংক্রান্ত ২০ সেপ্টেম্বরের স্মারকের আলোকে এই নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সুপারভিশন ডাটা ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড অ্যানালিটিক্স বিভাগ থেকে একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে দেশের সকল তফসিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের কাছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক আরও জানিয়েছে, ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ৪৫ ধারার অধীনে জনস্বার্থে এই নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশের উদ্যোক্তারা তৈরি পোশাক খাতের ঝুঁকি কমাতে এবং নির্দিষ্ট কিছু বাজারের ওপর নির্ভরশীলতা হ্রাস করে নতুন বাজার হিসেবে জাপানে রপ্তানি বৃদ্ধি করতে আগ্রহী। তবে, এই প্রক্রিয়ায় প্রধান চ্যালেঞ্জ হিসেবে দাঁড়িয়ে রয়েছে দীর্ঘ ‘লিড টাইম’ বা পণ্য পৌঁছানোর অতিরিক্ত সময়।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর উত্তরাস্থ বিজিএমইএ ভবনে অনুষ্ঠিত একটি বিশেষ ‘জাপান ডেস্ক’ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদুল হাসান এসব তথ্য তুলে ধরেন।
তিনি জানান, জাপান থেকে ভৌগোলিক দূরত্বের কারণে বাংলাদেশের পণ্য চীন, ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া ও ইন্দোনেশিয়ার তুলনায় বেশি সময় নিয়ে পৌঁছায়। আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার জন্য পরিবহন সময় ও ব্যয় কমানো একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই সংকট মোকাবেলায় তিনি পরিবহন ব্যয় হ্রাস এবং ডিরেক্ট শিপিং ও লজিস্টিকস সুবিধা জোরদারের জন্য জাপান সরকারের সরাসরি সহযোগিতা কামনা করেছেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাপানের রাষ্ট্রদূত। তিনি আশ্বাস দেন যে, দুই দেশের ব্যবসায়িক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং বাণিজ্যিক যোগাযোগকে সুগম করতে জাপান সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করে যাবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ