বুধবার, ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৮:৪১ পি.এম
বাংলাদেশের উদ্যোক্তারা তৈরি পোশাক খাতের ঝুঁকি কমাতে এবং নির্দিষ্ট কিছু বাজারের ওপর নির্ভরশীলতা হ্রাস করে নতুন বাজার হিসেবে জাপানে রপ্তানি বৃদ্ধি করতে আগ্রহী। তবে, এই প্রক্রিয়ায় প্রধান চ্যালেঞ্জ হিসেবে দাঁড়িয়ে রয়েছে দীর্ঘ ‘লিড টাইম’ বা পণ্য পৌঁছানোর অতিরিক্ত সময়।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর উত্তরাস্থ বিজিএমইএ ভবনে অনুষ্ঠিত একটি বিশেষ ‘জাপান ডেস্ক’ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদুল হাসান এসব তথ্য তুলে ধরেন।
তিনি জানান, জাপান থেকে ভৌগোলিক দূরত্বের কারণে বাংলাদেশের পণ্য চীন, ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া ও ইন্দোনেশিয়ার তুলনায় বেশি সময় নিয়ে পৌঁছায়। আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার জন্য পরিবহন সময় ও ব্যয় কমানো একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই সংকট মোকাবেলায় তিনি পরিবহন ব্যয় হ্রাস এবং ডিরেক্ট শিপিং ও লজিস্টিকস সুবিধা জোরদারের জন্য জাপান সরকারের সরাসরি সহযোগিতা কামনা করেছেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাপানের রাষ্ট্রদূত। তিনি আশ্বাস দেন যে, দুই দেশের ব্যবসায়িক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং বাণিজ্যিক যোগাযোগকে সুগম করতে জাপান সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করে যাবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : জাতীয় সংসদের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির বৈঠকে বিভিন্ন প্রকার টিকার স্টক এর বর্তমান অবস্থা, ডেঙ্গু প্রতিরোধ, পরিবার পরিকল্পনা, গর্ভবতী মায়েদের সেবা, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে করণীয়, স্কুল স্বাস্থ্য শিক্ষা কার্যক্রম, স্যাটেলাইট ক্লিনিক জোরদারকরণ এবং চিকিৎসা ব্যবস্থার মান উন্নয়নের প্রতি অধিক সচেতন থাকার সুপারিশ করা হয়েছে।
বৈঠকে দুর্নীতিমুক্ত ও ফ্যাসিস্টদের কার্যক্রমের প্রতি সজাগ থাকার পাশাপাশি হাসাপাতালের কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের জন্য প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগের কার্যক্রম গ্রহণের পরামর্শও দেয়া হয়।
আজ বুধবার সংসদ ভবনে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। কমিটির সভাপতি এস. এম. রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে কমিটির সদস্য ও মন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন, প্রতিমন্ত্রী এম. এ. মুহিত, মো. আব্দুস সালাম, আবু মনসুর সাখাওয়াত হাসান, ইকরামুল বারী টিপু, মো. আনোয়ারুল হক, শামীম আরা বেগম স্বপ্না, মো. আব্দুল বারী সরদার এবং মাহমুদা আলম মিতু অংশগ্রহণ করেন।
আলোচ্যসূচি অনুযায়ী বৈঠকের শুরুতে কমিটির সভাপতি, সদস্যবৃন্দ এবং সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ পরিচিতি পর্বে অংশগ্রহণ করেন। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন দপ্তর সংস্থাসমূহের জনবল, দপ্তর সংস্থাসমূহের পরিচতি, কার্যাবলী, মন্ত্রণালয়ের উল্লেখযোগ্য অর্জন এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে অবহিত করা হয়।
প্রতিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সেবার পরিধি বৃদ্ধি, জেলা সদর হাসপাতালে আইসিইউ, ডায়ালাইসিস সেন্টার, ক্যান্সার, কিডনি ও হৃদরোগ চিকিৎসা কেন্দ্র স্থাপনের কার্যক্রম অব্যাহত আছে বলে বৈঠকে জানানো হয়।
বৈঠকে আলোচনার সময় জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা, মাদক নিয়ন্ত্রণ, পুষ্টি গবেষণা, হাসপাতাল ও ঔষধালয়ের ব্যবস্থাপনা, শিশুদের সুচিকিৎসার জন্য ‘শিশু স্বর্গ’ নামক স্বাস্থ্যসেবা ও পুনর্বাসনের পাশাপাশি চিকিৎসা বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, সৌরবিদ্যুত ব্যবহার, প্রতিটি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বশস্ত্র আনসার মোতায়েন এবং হেলথ কার্ড প্রদানের কার্যক্রম অব্যাহত আছে বলে অবহিত করা হয়।
বৈঠকে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব, মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন দপ্তর সংস্থাসমূহের প্রধানগণসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সম্পর্কে মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন বলেছেন, শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছে জামায়াত।
তিনি অভিযোগ করেন যে, জামায়াতে ইসলামী আওয়ামী লীগের মতো একটি ফ্যাসিস্ট দল হওয়ার চেষ্টা করছে।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিকালে ঝিনাইদহ জেলা পরিষদ চত্বরে আয়োজিত এক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির পর সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
রাশেদ খাঁন উল্লেখ করেন, জামায়াতে ইসলামী ব্রিটিশ আমল থেকেই মুনাফেকির রাজনীতি করে আসছে। গণঅভ্যুত্থানের পর দলটি মজলুম অবস্থায় থেকে এখন জালিমে পরিণত হয়েছে। তিনি মন্তব্য করেন যে, ভবিষ্যতে যদি জামায়াত ক্ষমতায় আসে, তাহলে তারা আওয়ামী লীগের চেয়েও বড় ফ্যাসিস্ট হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক (ডিসি) নোমান হোসেন, জেলা পরিষদের প্রশাসক আব্দুল মজিদ, পুলিশ সুপার (এসপি) মিয়া মোহাম্মদ আশিস বিন হাছানসহ অন্যান্যরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
উত্তরপ্রদেশের সোনভদ্র জেলার দুদ্ধি তহসিলের বাঘারু গ্রামে ২০০৩ সালে মুসলিম ভোটারের সংখ্যা ছিল ৪৩০ জন। ২০২৬ সালে এই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯০২ জনে, যা আগের তুলনার ভিত্তিতে প্রায় ১১০ শতাংশ বৃদ্ধি নির্দেশ করে। একই সময়ে হিন্দু ভোটারের সংখ্যা ২,৮৬৪ থেকে বেড়ে ৩,৬২১ জনে পৌঁছেছে, অর্থাৎ বৃদ্ধি পেয়েছে প্রায় ২৯ শতাংশ।
বাঘারু গ্রামে ২০০৩ সালে মোট ভোটারের সংখ্যা ছিল ৩,২৯২, যা ২০২৬ সালে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪,৫২৩-এ। জেলা নির্বাচন দপ্তর তাদের ওয়েবসাইটে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) ২০২৬-এর চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করেছে। একই ধরনের পরিবর্তনের খবর পাওয়া গেছে রবার্টসগঞ্জ তহসিলের পানৌরা গ্রাম থেকেও।
ভোটার তালিকার তথ্য অনুযায়ী, ২০০৩ সালে পানৌরায় ৩৫৯ জন মুসলিম এবং ৩৮০ জন হিন্দু ভোটার ছিলেন। ২০২৬ সালে মুসলিম ভোটারের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৯৬ জনে, যা ৩২.৬ শতাংশ বৃদ্ধি নির্দেশ করে। অন্যদিকে, হিন্দু ভোটারের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৪০৩ জন, যা প্রায় ৮ শতাংশ বৃদ্ধি। একই সময়ে ওই গ্রামে মোট নিবন্ধিত ভোটারের সংখ্যা ৭৩৯ থেকে বেড়ে ৮৯৯-এ পৌঁছেছে।
ভোটার সংখ্যা বৃদ্ধির এই পরিবর্তন স্বতঃসিদ্ধভাবে এর কারণ নির্দেশ করে না। নতুন ভোটার নিবন্ধন, অভিবাসন (পরিযায়ন), মৃত্যু, তালিকা থেকে নাম বাদ পড়া এবং ভোটার তালিকা সংশোধনের মতো বিভিন্ন কারণে ভোটার তালিকায় পরিবর্তন আসতে পারে। জেলা কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ভোটার সংখ্যা বৃদ্ধির পেছনের মূল কারণগুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
ভোটার তালিকার এই তুলনামূলক হিসাবের পাশাপাশি উভয় গ্রামে জমি সংক্রান্ত বিরোধও সামনে এসেছে। স্থানীয় একাধিক প্রতিবেদনে অভিযোগ করা হয়েছে যে, গ্রামের বাইরের কিছু লোক বিতর্কিত লেনদেনের মাধ্যমে আদিবাসী ও অন্যান্য সংরক্ষিত জমি নিজেদের নামে হস্তগত করেছে।
বাঘারু গ্রামে তফসিলি উপজাতির জমি হস্তান্তরের একটি মামলায় প্রশাসন ইতিমধ্যেই ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। জেলা শাসক আলোচিত গৌর জানিয়েছেন, বেশ কিছু জমি লেনদেনে অনিয়ম ধরা পড়েছে এবং বিষয়টি এলাহাবাদ হাইকোর্ট পর্যন্ত গড়িয়েছে।
সম্প্রতি এলাহাবাদ হাইকোর্ট দুদ্ধির ডেপুটি কালেক্টরের দেওয়া আদেশের বিরুদ্ধে দায়ের করা একাধিক আবেদন খারিজ করে দিয়েছে। আদালত কিছু জমি হস্তান্তর বাতিল ঘোষণা করে প্রশাসনের দেওয়া সিদ্ধান্তকে বহাল রেখেছে এবং ওই জমি সরকারের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়ার অনুমতি দিয়েছে।
এই মামলায় আদালতের নথিতে ‘নাহকি ওরফে নাইমুন্নিসা’ নামে চিহ্নিত এক নারীর ভূমিকা খতিয়ে দেখা হয়েছে। ওই জমি লেনদেনের সময় তিনি ভুইয়া তফসিলি উপজাতির সাথে নিজের পরিচয় ও সম্পর্ক বজায় রেখেছিলেন কি না, তা পরীক্ষা করে দেখে উচ্চ আদালত।
হাইকোর্ট পর্যবেক্ষণ তুলে ধরে জানায় যে, এই নির্দিষ্ট পরিস্থিতে শুধুমাত্র একটি তফসিলি উপজাতির (এসটি) সনদপত্রই কোনো ব্যক্তির ধারাবাহিক আদিবাসী পরিচয় প্রমাণের জন্য যথেষ্ট নয়। আদালত আদিবাসী সম্প্রদায়ের সাথে ধারাবাহিক সামাজিক যোগাযোগ, তাদের আচার-অনুষ্ঠান ও জীবনযাত্রার মতো বিষয়গুলো বিবেচনা করে।
গত ২২ জানুয়ারি, ২০২৬ তারিখে বিতর্কিত জমি হস্তান্তর সম্পর্কিত ডেপুটি কালেক্টরের দেওয়া নির্দেশ বহাল রাখে হাইকোর্ট।
এদিকে, সোনভদ্র জেলা প্রশাসন জানিয়েছে যে বাঘারু ও পানৌরা গ্রামের জমির রেকর্ড এবং সংশ্লিষ্ট মামলাগুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এর পাশাপাশি ভোটার সংখ্যার এই বড় ধরনের পরিবর্তনের পেছনের কারণগুলোও পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে তদন্ত করা হবে বলে প্রশাসন নিশ্চিত করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) নোমান মাহমুদ মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তির প্রথম মহাসচিব হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন। পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই তথ্য জানিয়েছে, যেখানে উল্লেখ করা হয়েছে যে, মহাসচিব রিয়াদে প্রতিষ্ঠিত হতে যাওয়া জোটের সাধারণ সচিবালয়ের নেতৃত্ব দেবেন।
এটি উল্লেখযোগ্য যে, তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান গত মাসে নিশ্চিত করেছেন যে, তুরস্ক, পাকিস্তান এবং সউদী আরবের মধ্যে স্বাক্ষরিত মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তির মহাসচিব পাকিস্তান থেকেই নিযুক্ত হবেন।
৭ আগস্ট, মক্কায় তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোগান, সউদী যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী মুহাম্মদ শাহবাজ শরীফ মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছেন। এই চুক্তি তুরস্ক, পাকিস্তান এবং সউদী আরবের মধ্যে ক্রমবর্ধমান অস্থিতিশীলতার প্রেক্ষাপটে স্বাক্ষরিত হয়েছে, যেখানে যৌথ দায়িত্ব এবং ভূখণ্ডের মালিকানার ধারণা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
চুক্তির মূল উদ্দেশ্য হলো আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক পর্যায়ে নিরাপত্তা, শান্তি, স্থিতিশীলতা এবং সমৃদ্ধি বৃদ্ধি করা, পাশাপাশি তিনটি দেশের যৌথ প্রতিরক্ষা প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করা। চুক্তির একটি গুরুত্বপূর্ণ বিধান অনুযায়ী, পক্ষগুলোর মধ্যে কোনো এক পক্ষের ওপর আক্রমণকে সকলের ওপর আক্রমণ হিসেবে গণ্য করা হবে।
এছাড়াও, চুক্তিটি এ অঞ্চলে সহযোগিতার একটি নতুন সংস্কৃতি প্রসারের ওপর জোর দেয়। এতে আন্তর্জাতিক আইনকে সম্মান জানিয়ে শান্তিপূর্ণ সহযোগিতার একটি অভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গিতে বিশ্বাসী অন্যান্য দেশ ও আগ্রহী পক্ষগুলোর অংশগ্রহণের সুযোগ রাখা হয়েছে।
ইস্তাম্বুলে কৌশলগত রাজনৈতিক ও প্রতিরক্ষা কমিটির প্রথম বৈঠকটি চুক্তিটি বাস্তবায়নের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এই বৈঠকের মাধ্যমে তিনটি দেশ যৌথ প্রতিরক্ষা সহযোগিতাকে নিছক একটি রাজনৈতিক ঘোষণা থেকে একটি স্থায়ী প্রাতিষ্ঠানিক ও বাস্তব কাঠামোতে রূপান্তরিত করার প্রক্রিয়া শুরু করেছে। সূত্র: জং নিউজ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ