ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সালমান এফ রহমানের পক্ষে লড়তে বিদেশি আইনজীবীর আবেদন


সালমান এফ রহমানের পক্ষে লড়তে বিদেশি আইনজীবীর আবেদন

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানের পক্ষে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে লড়াই করার জন্য বাংলাদেশ বার কাউন্সিলে আবেদন করেছেন লন্ডনের ডাউটি স্ট্রিট চেম্বারের কাউন্সেল গ্রায়েম এল. হল।

এই তথ্য রবিবার (৩০ আগস্ট) জানিয়েছেন সালমান এফ রহমানের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মুনসুরুল হক চৌধুরী।

 

আরও পড়ুন: কক্সবাজারে নলকূপ খননের স্থান থেকে গ্যাসের আগুন, বাপেক্সের বিশেষজ্ঞ দল ঘটনাস্থলে

তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ বার কাউন্সিলে কাজ করার জন্য এ আবেদনটি করা হয়েছে।

চলতি বছরের ১২ জানুয়ারি সালমান এফ রহমানের বিরুদ্ধে মামলায় অভিযোগ গঠন করা হয়। প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে মোট পাঁচটি অভিযোগ উত্থাপন করা হয়েছে। অভিযোগগুলোর মধ্যে রয়েছে কারফিউ জারির মাধ্যমে মারণাস্ত্র ব্যবহারে উসকানি, প্ররোচনা ও ষড়যন্ত্র।

 

অভিযোগ অনুযায়ী, তাদের ধারাবাহিক নির্দেশনা ও কর্মকাণ্ডের ফলে মিরপুর–১, ২, ১০ ও ১৩ নম্বর এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং আওয়ামী লীগের সশস্ত্র হামলায় বহু ছাত্র-জনতা নিহত হয়েছেন। এসব নির্যাতন বন্ধে তারা কার্যকর কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করেননি বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: কুমিল্লায় রাজস্ব কর্মকর্তা বুলেট বৈরাগী হত্যা মামলায় পাঁচজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট

এছাড়া ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলন দমনে নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় সালমান ও অপর আসামি আনিসুল হক সরাসরি জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ আনা হয়েছে। এর ধারাবাহিকতায় ১৯ জুলাই তাদের মধ্যে ফোনালাপ অনুষ্ঠিত হয়।

 

এ মামলায় সালমান এফ রহমানের পক্ষে রয়েছেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মুনসুরুল চৌধুরী। বর্তমানে তার সঙ্গে লড়াই করার জন্য আবেদন করেছেন ব্রিটিশ চেম্বারের আইনজীবী গ্রায়েম এল. হল। তিনি বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সচিব বরাবর এ আবেদনটি করেছেন। গত ২৪ আগস্ট আবেদনটি বার কাউন্সিল রিসিভ করে।

আরও পড়ুন: সেনাপ্রধানের সঙ্গে মার্কিন প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎ, এলএফটি-২০২৬ সফলভাবে সম্পন্ন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

১৩ বছর বয়সে এআই দিয়ে অ্যাপ বানিয়ে ৩ দিনে আয় সাড়ে তিন লাখ টাকা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ৩১শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:৫৭ এম


১৩ বছর বয়সে এআই দিয়ে অ্যাপ বানিয়ে ৩ দিনে আয় সাড়ে তিন লাখ টাকা

চীনের এক কিশোরী ১৩ বছর বয়সে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ব্যবহার করে একটি অ্যাপ তৈরি করেছে। এই অ্যাপটি অভিভাবকদের সন্তানদের পড়াশোনার সময় মনোযোগ ধরে রাখতে এবং তাদের পড়ার অভ্যাস নজরে রাখতে সহায়তা করে।

 

অ্যাপটি তৈরি করে ওই কিশোরী মাত্র তিন দিনে ১৮ হাজার ইউয়ান (প্রায় সাড়ে তিন লাখ টাকা) আয় করেছে। কিশোরীর নাম ঝু শুহান। সে সাংহাইয়ের একটি নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী। তার পূর্বে কোনো প্রোগ্রামিংয়ের অভিজ্ঞতা ছিল না।

 

সাংহাই মর্নিং পোস্টের প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, গত বছর থেকে সে এআই ব্যবহার শুরু করে। গত ২১ থেকে ২৩ আগস্ট হাংজৌতে জাতীয় পর্যায়ের একটি এআই পণ্য বিপণন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। এতে ৫০ জনের বেশি প্রতিযোগী অংশগ্রহণ করে। শুহানও এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়।

 

তার তৈরি অ্যাপটি ৯০টি অর্ডার পায়। তিন দিনে অ্যাপটি থেকে মোট ১৮ হাজার ইউয়ান বিক্রি হয়। এই আয় তাকে প্রতিযোগিতায় তৃতীয় স্থান অর্জন করতে সহায়তা করে। পুরস্কার হিসেবে সে ৫ হাজার ইউয়ান পায়। এই প্রতিযোগিতায় প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের দ্বারা অ্যাপের মান বিচার করা হয়নি।

 

বরং তিন দিনের মধ্যে প্রতিযোগীদের এআই দিয়ে তৈরি অ্যাপ কত আয় করেছে, সেই ভিত্তিতে বিজয়ী নির্বাচন করা হয়।

শুহানের তৈরি অ্যাপটির নাম ‘জাই চ্যাং’। ইংরেজিতে যার অর্থ ‘অন সাইট’। অ্যাপটি মূলত একটি ভার্চুয়াল অভিভাবকের মতো কাজ করে। কোনো অভিভাবক অ্যাপটিতে নিজের একটি ছবি আপলোড করলে সেটি সেই ছবিকে ব্যবহার করে ভার্চুয়াল অভিভাবক তৈরি করে। এরপর শিশু বাড়ির কাজ করার সময় অ্যাপটি ক্যামেরার মাধ্যমে তার কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করে। শিশু পড়াশোনার বদলে মোবাইল ফোনে খেললে বা পড়ার জায়গা ছেড়ে উঠে গেলে অ্যাপের পর্দায় থাকা ভার্চুয়াল অভিভাবক তাকে কণ্ঠস্বরের মাধ্যমে সতর্ক করে। শিশু বাড়ির কাজ শেষ করার পর অ্যাপটি তার মনোযোগের ওপর একটি প্রতিবেদন তৈরি করে। এতে অভিভাবকরা বুঝতে পারেন, পড়ার সময় শিশু কতটা মনোযোগী ছিল।

শুহান জানিয়েছেন, নিজের জীবনের অভিজ্ঞতা থেকেই এই অ্যাপ তৈরির ধারণা তার মাথায় আসে। তিনি বলেছেন, তার বাবা-মা কাজের কারণে ব্যস্ত থাকতেন। তাই তিনি পড়ার সময় তাদের পাশে পেতেন না। বাড়ির কাজ করার সময় প্রায়ই তার মনোযোগ অন্যদিকে চলে যেত। কখনো কখনো তিনি লুকিয়ে মোবাইল ফোনও ব্যবহার করতেন। শুহান জানিয়েছেন, তার অনেক সহপাঠীরও একই সমস্যা রয়েছে। তারা পড়ার সময় নিজেদের মনোযোগ ধরে রাখতে পারে না। এই অভিজ্ঞতা থেকেই তিনি এমন একটি ডিজিটাল অভিভাবক তৈরি করতে চেয়েছেন, যে পড়াশোনার সময় শিশুদের পাশে থাকবে এবং তাদের মনোযোগ ধরে রাখতে সাহায্য করবে।

প্রোগ্রামিং সম্পর্কে শুহানের জ্ঞান খুব কম। তবে গত বছর থেকে তিনি এআই নিয়ে শেখা শুরু করেন। অ্যাপটি তৈরির সময় তিনি নিজের ভাষায় এআইকে তার ধারণা বোঝান। এরপর এআই তাকে প্রয়োজনীয় কোড তৈরি করতে সহায়তা করে। অ্যাপটির নকশা তৈরি থেকে শুরু করে বিভিন্ন ফিচার চালু করা পর্যন্ত পুরো কাজ সম্পন্ন করতে তার মাত্র তিন থেকে চার দিন সময় লাগে। কাজের সময় নির্দিষ্ট কিছু প্রযুক্তিগত সমস্যার সমাধান করতেও তিনি এআইভিত্তিক প্রোগ্রামিং সরঞ্জাম ব্যবহার করেন। শুহানের মতে, ভালো একটি ধারণা থাকলে এআই সেটিকে বাস্তব পণ্যে রূপ দিতে সহায়তা করতে পারে।

অ্যাপটির প্রথম নকশায় ‘মা রেগে যাচ্ছে’ নামে একটি সুবিধা রাখা হয়েছিল। কোনো শিশু বারবার পড়াশোনায় মনোযোগ হারালে এই সুবিধার মাধ্যমে তার অভিভাবককে সতর্ক করার কথা ছিল। পরে শুহান এই সুবিধাটি বাদ দেন। এর কারণ হিসেবে তিনি জানান, তিনি নালিশ বা অভিযোগের ধরনের বিষয় পছন্দ করেন না। তার লক্ষ্য ছিল শিশুদের ওপর চাপ তৈরি না করে তাদের পড়াশোনায় সাহায্য করা। শুহান বলেছেন, তিনি চান অ্যাপটি কোমলভাবে শিশুদের সঙ্গে কাজ করুক। শিশুদের নিজেদের ভুল বুঝে উন্নতি করার সুযোগ থাকা উচিত।

শুহানের ছোট ভাই প্রথম শ্রেণিতে পড়ে। অ্যাপটির প্রথম দিকের ব্যবহারকারীদের একজন সে। শুহান জানিয়েছেন, অ্যাপটি দিয়ে নজরদারি শুরু করার পর তার ভাই পড়াশোনায় আরো বেশি মনোযোগ দিতে শুরু করেছে। তার মতে, নিজের ভাইয়ের ওপর অ্যাপটির ব্যবহার থেকে পাওয়া ফল তাকে আরও উৎসাহিত করেছে। শুহান এখন অ্যাপটি আরো উন্নত করতে চান। একই সঙ্গে বেশি মানুষের কাছে কম দামে অ্যাপটি পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে তার। তিনি জানিয়েছেন, অনেক মানুষ যদি এই অ্যাপ ব্যবহারের জন্য টাকা দিতে আগ্রহী হন, তাহলে তিনি অ্যাপটির উন্নয়নে আরো কাজ করবেন। তার লক্ষ্য শুধু প্রতিযোগিতায় পুরস্কার পাওয়া নয়। বরং বাস্তবে অভিভাবকদের কাজে লাগবে- এমন একটি পণ্য তৈরি করা।

শুহানের এই উদ্যোগ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও প্রশংসা অর্জন করেছে। একজন মন্তব্য করেছেন, সৃজনশীল একটি ধারণা এবং এআই ব্যবহারের দক্ষতার মাধ্যমে শুহান অসাধারণ কিছু করেছে। আরেকজন তার ব্যবসায়িক বুদ্ধির প্রশংসা করেছেন। তার মতে, শুহানের তৈরি অ্যাপটি অভিভাবকদের একটি বাস্তব চাহিদা পূরণ করেছে। মাত্র ১৩ বছর বয়সে কোনো প্রোগ্রামিং অভিজ্ঞতা ছাড়াই এআইয়ের সাহায্যে একটি ব্যবহারযোগ্য অ্যাপ তৈরি এবং তা থেকে আয় করার ঘটনা চীনে এআইভিত্তিক নতুন প্রজন্মের উদ্যোগের একটি উদাহরণ হিসেবে সামনে এসেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়ন হবে যেভাবে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ৩১শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:৫৯ এম


নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়ন হবে যেভাবে

সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটতে চলেছে। নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া বর্তমানে চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে।

 

সোমবার (৩০ আগস্ট) মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এই বিষয়ে আলোচনা করা হতে পারে। যদি মন্ত্রিসভা অনুমোদন দেয়, তবে আগামী বৃহস্পতিবারের মধ্যে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে নতুন পে স্কেলের চূড়ান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হতে পারে। এরপর প্রথম বছরে মূল বেতন এবং দ্বিতীয় বছরে বাড়িভাড়া ও অন্যান্য ভাতা কার্যকর করার পরিকল্পনা রয়েছে।

পে স্কেল বাস্তাবায়ন হবে যেভাবে

নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সরকারের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে অর্থসংস্থান।

 

নবম বেতন কমিশনের হিসাব অনুযায়ী, তাদের সুপারিশ বাস্তবায়নের জন্য বছরে প্রায় ১ লাখ ৬ হাজার কোটি টাকা অতিরিক্ত প্রয়োজন হতে পারে। পরবর্তী সময়ে অর্থ বিভাগের হিসাবেও বেতন, ভাতা ও পেনশনসহ অতিরিক্ত ব্যয়ের বড় অঙ্ক উঠে এসেছে। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতার জন্য ৮৯ হাজার ৮৩৬ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এর মধ্যে কর্মকর্তাদের বেতন ১৪ হাজার ৪ কোটি, কর্মচারীদের বেতন ৩০ হাজার ৭০৬ কোটি এবং বিভিন্ন ভাতা বাবদ ৪৫ হাজার ১২৬ কোটি টাকা বরাদ্দ রয়েছে।

 

পেনশন ও গ্র্যাচুইটিসহ এ খাতে মোট বরাদ্দ ১ লাখ ৪১ হাজার ৪৩৪ কোটি টাকা।

সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, নতুন পে স্কেল বাস্তবায়ন দুই ধাপে হবে। প্রথম ধাপে নতুন মূল বেতন কার্যকর করা হবে। পরবর্তী ধাপে বাড়ি ভাড়া, চিকিৎসা, শিক্ষা, যাতায়াতসহ অন্যান্য ভাতা ও সুযোগ-সুবিধা কার্যকর করা হবে। এর আগে তিন ধাপে বাস্তবায়নের একটি পরিকল্পনা সামনে এসেছিল।

 

কিন্তু তাতে অনেক কর্মচারীর বেতন বৃদ্ধির ক্ষেত্রে জটিলতা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়। বিশেষ করে বিদ্যমান কাঠামোর কারণে বার্ষিক ইনক্রিমেন্টের ফলে কারও কারও বর্তমান মূল বেতন এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে, যে নতুন বেতনের ৫০ শতাংশ কার্যকর হলে প্রকৃত সুবিধা খুব কম হতে পারে। পরে সরকার পরিকল্পনা পরিবর্তন করে দুই ধাপে বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

গত ১১ জুন জাতীয় সংসদে বাজেট উপস্থাপনের সময় অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ঘোষণা করেন, ১ জুলাই থেকে সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন বেতন কাঠামো ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে। এরপর থেকেই চাকরিজীবীরা গেজেট প্রকাশের অপেক্ষায় রয়েছেন। তবে এটি বাস্তবায়নের সঙ্গে সঙ্গে সরকারের রাজস্ব, মূল্যস্ফীতি, বাজেট ব্যবস্থাপনা ও সামগ্রিক অর্থনীতিও জড়িত।

সরকারের বর্তমান লক্ষ্য হচ্ছে সেপ্টেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহের মধ্যে নবম পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ করা। সবকিছু ঠিক থাকলে অক্টোবর থেকে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নতুন কাঠামো অনুযায়ী বেতন পেতে পারেন। তবে নতুন কাঠামো কার্যকর হবে চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে। ফলে জুলাই, আগস্ট ও সেপ্টেম্বর-এই তিন মাসের বেতন পুনর্নির্ধারণ করে বকেয়া অর্থ পরবর্তী সময়ে সমন্বয়ের সুযোগ রাখা হচ্ছে। অর্থাৎ গেজেট প্রকাশে দেরি হলেও বেতন বৃদ্ধির কার্যকর তারিখ পিছিয়ে যাচ্ছে না। অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ সূত্রে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নজরুল বর্ষের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হচ্ছে আজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ৩১শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:০০ পি.এম


নজরুল বর্ষের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হচ্ছে আজ

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জীবন, সাহিত্য, দর্শন, আদর্শ ও বিপুল সৃষ্টিসম্ভারকে নতুনভাবে জাতীয় পর্যায়ে তুলে ধরার জন্য সরকার ঘোষিত ‘নজরুল বর্ষ’-এর আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম আজ সোমবার শুরু হচ্ছে। এই বছরব্যাপী আয়োজনে কবির সৃষ্টিকর্ম ও জীবনদর্শন নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য দেশজুড়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হবে।

 

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ২০২৬ সালের ২৫ মে থেকে ২০২৭ সালের ২৫ মে পর্যন্ত সময়কে ‘নজরুল বর্ষ’ হিসেবে ঘোষণা করেছেন।

সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, নজরুল বর্ষ উপলক্ষে আজ থেকে দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে বছরব্যাপী কর্মসূচির আনুষ্ঠানিকতা শুরু হচ্ছে। ইতোমধ্যে ‘নজরুল বর্ষ’-এর নির্ধারিত লোগো সরকারি দপ্তরের দাপ্তরিক কাজে ব্যবহারের জন্য অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এর মাধ্যমে সরকারি পর্যায়ে বছরব্যাপী আয়োজনের প্রচার ও সম্পৃক্ততা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

 

নজরুল বর্ষের প্রথম কর্মসূচি হিসেবে আজ থেকে দেশব্যাপী একযোগে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা শুরু হচ্ছে। জাতীয় কবির জীবন, সাহিত্য, দর্শন ও সৃষ্টিকর্মের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেওয়া এবং তাঁর সৃষ্টির প্রতি নতুন প্রজন্মের আগ্রহ তৈরি করাই এই আয়োজনের অন্যতম লক্ষ্য।

সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত এই প্রতিযোগিতা আগামী ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে। প্রাথমিক, কারিগরি ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এতে অংশ নিতে পারবে।

 

প্রতিযোগিতায় নজরুলসংগীত, কবিতা আবৃত্তি, চিত্রাঙ্কন, একক অভিনয় এবং নজরুলসংগীতভিত্তিক একক নৃত্য অন্তর্ভুক্ত থাকবে। আবৃত্তি বিভাগে শিক্ষার্থীদের জন্য জাতীয় কবির নির্বাচিত কবিতা নির্ধারণ করা হয়েছে।

নির্দেশনা অনুযায়ী, আজ সকাল ১০টায় সারা দেশের জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে একযোগে প্রতিযোগিতার উদ্বোধন হবে। জেলা পর্যায়ের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, সংসদ সদস্য অথবা জেলা প্রশাসক এবং উপজেলা পর্যায়ে সংসদ সদস্য অথবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। স্থানীয় সংস্কৃতিজন, শিক্ষানুরাগী, বিশিষ্ট ব্যক্তি ও গণমাধ্যমকর্মীদেরও এসব অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

 

প্রতিযোগিতায় ধাপে ধাপে বাছাই করে শিক্ষার্থীদের জাতীয় পর্যায়ে নেওয়া হবে। প্রতিটি বিদ্যালয়ের প্রতিটি বিষয়ের প্রথম স্থান অধিকারী উপজেলা পর্যায়ে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবে। উপজেলা পর্যায়ের প্রথম স্থান অধিকারীরা জেলা পর্যায়ে এবং জেলা পর্যায় থেকে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অধিকারীরা বিভাগীয় পর্যায়ে অংশ নেবে। বিভাগীয় পর্যায়েও প্রতিটি বিষয়ের প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অধিকারীরা জাতীয় পর্যায়ের চূড়ান্ত প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করবে।

সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘শুধু সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতাই নয়, নজরুল বর্ষজুড়ে জাতীয় কবির সাহিত্য ও সংগীত নিয়ে আলোচনা, গবেষণা, পাঠচর্চা এবং সাংস্কৃতিক আয়োজনের মধ্য দিয়ে তাঁর বহুমাত্রিক সৃষ্টিকে নতুন করে মানুষের সামনে তুলে ধরার উদ্যোগ নেওয়া হবে। বিশেষ করে নজরুলের সাম্য, মানবতা, অসাম্প্রদায়িকতা, শোষণ-বঞ্চনার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ এবং চেতনাকে সমকালীন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে বছরব্যাপী থাকবে নানা আয়োজন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী

তিন জেলায় আইনশৃঙ্খলা কার্যক্রমে মাঠ প্রশাসনের সমন্বয় বাড়ানোর নির্দেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ৩১শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:২০ পি.এম


তিন জেলায় আইনশৃঙ্খলা কার্যক্রমে মাঠ প্রশাসনের সমন্বয় বাড়ানোর নির্দেশ

কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা ও রংপুর জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, দুর্নীতি ও মাদক নিয়ন্ত্রণ, সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণসহ জনকল্যাণমূলক ও উন্নয়ন কার্যক্রমে মাঠ প্রশাসনের সমন্বয় আরো জোরদারের নির্দেশনা প্রদান করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

সোমবার (৩১ আগস্ট) সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার সভাকক্ষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের মাঠ প্রশাসন সংযোগ অধিশাখার ২৭ আগস্ট ২০২৬ তারিখের প্রজ্ঞাপনের আলোকে আয়োজিত এক সভায় তিনি এই নির্দেশনা দেন।

 

সভায় তিন জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, মাদক ও জুয়া নিয়ন্ত্রণ, নদীভাঙন, বিদ্যুৎ, স্বাস্থ্য, খাদ্য ও সার সরবরাহসহ বিভিন্ন জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে সার্বিক চিত্র তুলে ধরা হয়।

প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম সভায় অংশগ্রহণকারী কর্মকর্তাদের বক্তব্য মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং বিভিন্ন বিষয়ে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। তিনি উল্লেখ করেন, জেলার সার্বিক উন্নয়ন ও জনকল্যাণ নিশ্চিত করতে মাঠ প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের মধ্যে সমন্বয় আরো বাড়াতে হবে। জরুরি ও জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট যেকোনো বিষয় তাকে তাৎক্ষণিকভাবে অবহিত করার নির্দেশ দেন।

 

তিনি জেলা প্রশাসকদের নিয়মিতভাবে সব উপজেলা পরিদর্শনের পরামর্শ দেন এবং কুড়িগ্রামের আইনশৃঙ্খলা সভায় সমন্বয় আরো জোরদারে পার্শ্ববর্তী জামালপুর ও লালমনিরহাট জেলার প্রতিনিধিদেরও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেন।

সভায় জানানো হয়, মাদক নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত অভিযানের পাশাপাশি কমিউনিটি পুলিশিং এবং মসজিদ, মন্দির, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সম্পৃক্ত করে সামাজিক সচেতনতা কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। নতুন জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬-এর আওতায় নিয়মিত মামলা করা ও প্রয়োজনে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং এ ক্ষেত্রে পুলিশ বিভাগ সক্রিয়ভাবে কাজ করছে বলে সভায় উল্লেখ করা হয়। পাশাপাশি গুজব দ্রুত ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে জনসচেতনতা বৃদ্ধি ও সঠিক তথ্য দ্রুত প্রচারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলেও জানানো হয়।

 

এছাড়া নদীভাঙনসহ স্থানীয় সমস্যা দ্রুত চিহ্নিত করে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং খাল খনন কার্যক্রম আরো কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়।

সার সরবরাহ পরিস্থিতি নিয়েও সভায় বিস্তারিত আলোচনা হয়। কৃত্রিম সংকট এড়িয়ে কৃষকরা যেন সময়মতো সার পান, সে বিষয়ে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়। সার ডিলার নিয়োগ ও বিতরণ সংক্রান্ত সমন্বিত নীতিমালা-২০২৬ অনুযায়ী শূন্য পদে দ্রুত ডিলার নিয়োগের জন্য জেলা ও উপজেলা কমিটিগুলোকে কার্যকরভাবে সম্পৃক্ত করার পরামর্শ দেওয়া হয়।

মীর শাহে আলম জেলার পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার পরামর্শ দেন।

 

ময়লা-আবর্জনা ব্যবস্থাপনা ও পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে আরো দায়িত্বশীল ও সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমি বিশ্বাস করি, আমরা সবাই সমন্বিতভাবে কাজ করলে জেলার উন্নয়ন কার্যক্রম আরো বেগবান করা সম্ভব হবে।

তৃণমূল পর্যায়ের মানুষের সমস্যা ও সম্ভাবনা সরেজমিনে দেখার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী জানান, তিনি সংশ্লিষ্ট জেলাগুলো সফর করে বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রম ও জনসেবার বাস্তব পরিস্থিতি সরেজমিনে পরিদর্শন করবেন।

জুম প্ল্যাটফর্মে অনুষ্ঠিত সভায় অংশ নেন–কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ, গাইবান্ধার জেলা প্রশাসক ড. মো. মনিরুজ্জামান, রংপুরের জেলা প্রশাসক ইসরাত জাহানসহ সংশ্লিষ্ট জেলাগুলোর পুলিশ সুপারের কার্যালয় এবং রংপুর বিভাগের উপ-মহাপুলিশ পরিদর্শকের কার্যালয়ের প্রতিনিধিরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%