ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ইরান যুদ্ধের প্রভাবে স্থায়ীভাবে বদলাচ্ছে বিশ্ব অর্থনীতি


ইরান যুদ্ধের প্রভাবে স্থায়ীভাবে বদলাচ্ছে বিশ্ব অর্থনীতি

ইরানকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সামরিক অভিযানের ফলে বিশ্ব অর্থনীতি এক নতুন বাস্তবতায় প্রবেশ করেছে। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি কাঠামোগত সমঝোতা চুক্তি যুদ্ধ পরিস্থিতির অবসানের সম্ভাবনা তৈরি করলেও অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, যুদ্ধ শুরুর আগে যে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক কাঠামো ছিল, সেখানে সহজে ফিরে যাওয়া সম্ভব হবে না।

বিশ্লেষকদের মতে, এই সংঘাত শুধু মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতিকেই নয়, বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার, বাণিজ্যিক সরবরাহব্যবস্থা এবং আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক ভারসাম্যকেও দীর্ঘমেয়াদে পরিবর্তনের পথে ঠেলে দিয়েছে।

যুদ্ধের সময় মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল ও গ্যাস সরবরাহ প্রায় স্থবির হয়ে পড়ায় বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম হঠাৎ বেড়ে যায়। এতে জ্বালানি আমদানিনির্ভর দেশগুলো নতুন বিকল্প উৎস খুঁজতে বাধ্য হয়েছে।

আরও পড়ুন: শেখ হাসিনার দেশে ফেরার মাইকিং, পুলিশ দুইজনকে আটক করেছে

স্বল্পমেয়াদে জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার মতো দেশগুলো কয়লার ব্যবহার বাড়ালেও দীর্ঘমেয়াদে নবায়নযোগ্য জ্বালানি, বিশেষ করে সৌর ও বায়ুশক্তির দিকে ঝুঁকছে বিশ্ব। পাশাপাশি পারমাণবিক শক্তির ব্যবহার বৃদ্ধির সম্ভাবনাও জোরালো হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বৈদ্যুতিক ব্যাটারি প্রযুক্তির উন্নয়ন এবং বৈদ্যুতিক যানবাহনের সহজলভ্যতা এই রূপান্তরকে আরও ত্বরান্বিত করছে। ইতোমধ্যে বিশ্বব্যাপী বিদ্যুৎ উৎপাদনে বায়ু ও সৌরশক্তি প্রথমবারের মতো গ্যাসকে ছাড়িয়ে গেছে।

বিশ্ববাজারে তেলের দাম ৩ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন, ব্যারেল ৮০ ডলার।

ইরান যুদ্ধের প্রভাব উপসাগরীয় অঞ্চলের প্রধান তেল উৎপাদক দেশগুলোর সম্পর্কেও টানাপোড়েন সৃষ্টি করেছে। সংযুক্ত আরব আমিরাত ও সৌদি আরবের মধ্যে মতপার্থক্য বাড়ার পর আমিরাত ওপেক প্লাস জোট থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়, যা ভবিষ্যতে তেলের বাজারে আরও অস্থিরতা তৈরি করতে পারে।

আরও পড়ুন: ভারত থেকে আসা ১৩৫ টন চালে আফলাটক্সিনের উপস্থিতি

একই সঙ্গে সৌদি আরবের সঙ্গে রাশিয়ার সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ হয়েছে। যুদ্ধের সময় রাশিয়ার ওপর আরোপিত কিছু নিষেধাজ্ঞা শিথিল হওয়ার ফলে দেশটি তেল রপ্তানি থেকে অতিরিক্ত মুনাফা অর্জনের সুযোগ পেয়েছে।

অন্যদিকে ব্রাজিল, ভেনেজুয়েলা, কলম্বিয়া, আর্জেন্টিনা ও গায়ানাও তেল উৎপাদন বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে, যাতে মধ্যপ্রাচ্যের বিকল্প সরবরাহকারী হিসেবে নিজেদের অবস্থান শক্তিশালী করা যায়।

বিশ্বব্যাপী নবায়নযোগ্য জ্বালানির সম্প্রসারণে সবচেয়ে বেশি লাভবান হওয়ার অবস্থানে রয়েছে চীন। সৌর প্যানেল, বায়ু টারবাইন, ব্যাটারি, ট্রান্সফরমার ও বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনা সফটওয়্যার উৎপাদনে দেশটি ইতোমধ্যে বিশ্বে শীর্ষস্থান দখল করেছে। বিশ্লেষকদের মতে, বিভিন্ন দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চীনের ভূমিকা বাড়লে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বেইজিংয়ের কৌশলগত প্রভাব আরও বৃদ্ধি পাবে।

বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক নৌপথ হরমুজ প্রণালিতে নিরাপত্তা নিয়ে নতুন উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ইরান একাধিকবার এই নৌপথে চলাচলকারী জাহাজের ওপর চাপ সৃষ্টি করেছে, যা ভবিষ্যতেও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য ঝুঁকি হিসেবে থেকে যেতে পারে।

আরও পড়ুন: যুবদল নেতা সাকের হত্যার বিচার দাবি করে সংবাদ সম্মেলন

অর্থনীতিবিদদের আশঙ্কা, যুদ্ধ শেষ হলেও এই নৌপথে আগের মতো নিরবচ্ছিন্ন ও নিশ্চিন্ত বাণিজ্যিক চলাচল আর ফিরে নাও আসতে পারে। ফলে পরিবহন ব্যয় ও বীমা খরচ দীর্ঘমেয়াদে বৃদ্ধি পেতে পারে।

যুদ্ধের সময় কাতারের গ্যাসক্ষেত্র, সৌদি আরবের পেট্রোকেমিক্যাল স্থাপনা এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো হামলার শিকার হয়। এতে উপসাগরীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা ও বিনিয়োগ পরিবেশ নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।

বিশেষ করে পর্যটন ও আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক কেন্দ্র হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে চাওয়া দেশগুলো বিনিয়োগকারীদের আস্থা ধরে রাখতে নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে।

বিশ্বব্যাংকের সাম্প্রতিক মূল্যায়ন অনুযায়ী, ইরান যুদ্ধের প্রভাব বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধির গতি কমিয়ে দিয়েছে। সংস্থাটি চলতি বছরের বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস ২ দশমিক ৯ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২ দশমিক ৫ শতাংশে নামিয়েছে।

আরও পড়ুন: মন্ত্রিপরিষদ সচিব জ্ঞানেশের কাছে দুই কমিশনারের চিঠি ফেরত পাঠালেন

একই সঙ্গে মূল্যস্ফীতির চাপও বাড়ছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপে সুদের হার বৃদ্ধির প্রবণতা আবারও দেখা দিয়েছে। এতে সরকারি ঋণের বোঝা বাড়বে এবং উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য অর্থনৈতিক চাপ আরও তীব্র হতে পারে। এশিয়ার অনেক দেশ ইতোমধ্যে জরুরি আর্থিক সহায়তার জন্য আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থাগুলোর দ্বারস্থ হয়েছে।

অর্থনীতিবিদদের মতে, ইরান যুদ্ধ বিশ্ব অর্থনীতিকে এমন এক পথে ঠেলে দিয়েছে যেখানে প্রবৃদ্ধি হবে তুলনামূলক ধীর, মূল্যস্ফীতি থাকবে বেশি এবং বিনিয়োগকারীদের মধ্যে অনিশ্চয়তা বাড়বে। যুদ্ধ শেষ হলেও এর অর্থনৈতিক অভিঘাত বহু বছর ধরে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি, বাণিজ্য ও ভূরাজনৈতিক সম্পর্ককে প্রভাবিত করবে।

সূত্র: নিউইয়র্ক টাইমস

আরও পড়ুন: বোদায় দেড় লাখ টাকাসহ এলজিইডির উপসহকারী প্রকৌশলী আটক, পরে মুক্তি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
২০২৬ বিশ্বকাপ ফাইনাল

ট্রফি তুলে দিতে পারেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৩:১০ এম


ট্রফি তুলে দিতে পারেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের ফাইনালে পুরস্কার বিতরণী মঞ্চে দেখা যেতে পারে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে।

ট্রাম্পের হাত ধরে বিশ্বকাপের ফাইনাল মঞ্চে এক বর্ণিল আবহ তৈরি হতে যাচ্ছে বলে আভাস পাওয়া গেছে।

যৌথ আয়োজক দেশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে এ মহোৎসবের সমাপনী দিনে ট্রাম্পের উপস্থিতি নিয়ে ফুটবল বিশ্বে এখন দারুণ আলোচনা চলছে। যুক্তরাষ্ট্রের একটি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে জানা গেছে, যদি ডোনাল্ড ট্রাম্প আগ্রহ প্রকাশ করেন, তবে ফাইনালে চ্যাম্পিয়ন দলের হাতে সোনালি ট্রফিটি তুলে দেওয়ার মূল দায়িত্বে তাকে দেখা যেতে পারে।

বিশ্বফুটবলের নিয়ামক সংস্থা ফিফা এতে কোনো আপত্তি করবে না। ফিফার নিয়মানুযায়ী কেবল বিশ্বকাপজয়ী ফুটবলার এবং রাষ্ট্রপ্রধানদেরই সরাসরি বিশ্বকাপ ট্রফি স্পর্শ করার অধিকার রয়েছে। ফলে ট্রাম্প চাইলে এই বিশেষ সুযোগটি অনায়াসেই লুফে নিতে পারেন।

অনেকেই মনে করছেন যে রাষ্ট্রপ্রধানদের ট্রফি তুলে দেওয়া ফুটবল বিশ্বকাপের দীর্ঘদিনের প্রথার পরিপন্থী। তবে ফুটবল ইতিহাস বলছে ভিন্ন কথা। বিশ্বকাপের ইতিহাসে ফাইনাল শেষে ট্রফি তুলে দেওয়ার মঞ্চে ফিফা সভাপতির পাশাপাশি আয়োজক দেশের রাষ্ট্রপ্রধান বা সরকারপ্রধানের উপস্থিতি অত্যন্ত নিয়মিত একটি ঘটনা।

বিগত ২০২২ বিশ্বকাপে কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি, ২০১৮ বিশ্বকাপে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং ২০১৪ সালে ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট দিলমা রুসেফ—সবাই নিজ দেশের মাটিতে হওয়া ফাইনালে ট্রফি হস্তান্তরের মূল ভূমিকায় ছিলেন।

ফলে ডোনাল্ড ট্রাম্প ট্রফি তুলে দিলে তা কোনো শতবর্ষের পুরোনো রীতি ভাঙবে না, বরং বিশ্বকাপের দীর্ঘদিনের চেনা ঐতিহ্যকেই পুনরুজ্জীবিত করবে।

ফাইনালের রাজকীয় এই আসরে কেবল ডোনাল্ড ট্রাম্পই নন, ফিফার পক্ষ থেকে যৌথ আয়োজক বাকি দুই দেশ কানাডা ও মেক্সিকোর রাষ্ট্রপ্রধান, শীর্ষ প্রশাসনিক কর্মকর্তা এবং ফুটবল কর্তাদেরও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

তবে যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে ফাইনাল অনুষ্ঠিত হওয়ার কারণে আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকবেন ট্রাম্পই।

ফাইনাল মঞ্চে ট্রাম্পের উপস্থিতি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়নি। কিন্তু ফিফা সূত্রের দাবি, তিনি আগ্রহী হলে বাধা দেওয়ার কোনো কারণ নেই। ঘরের মাঠে বিশ্বকাপের কিছু গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে গ্যালারিতে বসে যুক্তরাষ্ট্রের ফুটবল দলকে উৎসাহ দিতেও দেখা যেতে পারে মার্কিন প্রেসিডেন্টকে।

বিশ্বকাপের শতবর্ষ ছুঁইছুঁই ইতিহাসে ডোনাল্ড ট্রাম্পের হাত ধরে ফাইনালের মঞ্চ নতুন এক মাত্রা পাবেÑএমনটাই প্রত্যাশা ফুটবলপ্রেমীদের।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পুঠিয়া রাজবাড়ীর ঐতিহ্যে মুগ্ধ মার্কিন রাষ্ট্রদূত, সংরক্ষণে সহযোগিতার আশ্বাস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৩:১১ এম


পুঠিয়া রাজবাড়ীর ঐতিহ্যে মুগ্ধ মার্কিন রাষ্ট্রদূত, সংরক্ষণে সহযোগিতার আশ্বাস

রাজশাহীর পুঠিয়া রাজবাড়ী ইতিহাস আর ঐতিহ্যের সাক্ষী হিসেবে পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত। রাষ্ট্রদূত প্রাচীন জমিদারি স্থাপত্য ও ঐতিহাসিক নিদর্শনগুলো ঘুরে দেখে তাঁর মুগ্ধতা প্রকাশ করেন এবং ঐতিহ্য সংরক্ষণে সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

মঙ্গলবার দুপুর সোয়া ২টার দিকে একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে তিনি পুঠিয়া রাজবাড়ীতে পৌঁছান। সেই সময়ে তিনি রাজবাড়ী প্রাঙ্গণে অবস্থিত জাদুঘর, রানীরঘাট, গোবিন্দ মন্দির, আন্নিক মন্দির, শিবমন্দিরসহ বিভিন্ন ঐতিহাসিক স্থাপনা ঘুরে দেখেন। এসব স্থাপনার নির্মাণশৈলী, ইতিহাস এবং বর্তমান সংরক্ষণ কার্যক্রম সম্পর্কে সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে বিস্তারিত তথ্য নেন।

পরিদর্শনের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, “পুঠিয়া রাজবাড়ী বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য। এটি আরও উন্নয়ন ও সংরক্ষণ প্রয়োজন। ভবিষ্যতে মার্কিন দূতাবাসের পক্ষ থেকে সহযোগিতার বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।”

রাষ্ট্রদূতের সফরকে কেন্দ্র করে রাজবাড়ী এলাকায় কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। এ সময় স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়। বহু মানুষ তাকে একনজর দেখতে ভিড় করেন। পরিদর্শনকালে রাষ্ট্রদূতের মুখে ঐতিহ্যবাহী স্থাপনাগুলোর প্রতি আগ্রহ ও উচ্ছ্বাসের ছাপ ছিল।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাঈমুল হাছান, পুঠিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লিয়াকত সালমান, পুঠিয়া থানার ওসি ফরিদুল ইসলাম, হাইওয়ে থানার ওসি মোজাম্মেল হকসহ রাজবাড়ী রক্ষণাবেক্ষণ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

স্থানীয়দের মতে, মার্কিন রাষ্ট্রদূতের এই সফর আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পুঠিয়া রাজবাড়ীর পরিচিতি আরও বাড়াবে। পাশাপাশি ঐতিহাসিক এই স্থাপনার সংরক্ষণ ও পর্যটন বিকাশে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন হতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিশ্ববাজারে তেলের দাম ৩ মাসের সর্বনিম্ন, ব্যারেল ৮০ ডলার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৩:১২ এম


বিশ্ববাজারে তেলের দাম ৩ মাসের সর্বনিম্ন, ব্যারেল ৮০ ডলার

আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম তিন মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে প্রাথমিক সমঝোতা এবং গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি পুনরায় স্বাভাবিকভাবে চালুর আশাবাদে তেলের দাম বাজারে উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে।

মঙ্গলবার লেনদেনে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ২ দশমিক ০২ ডলার বা ২ দশমিক ৪ শতাংশ কমে ৮১ দশমিক ১৫ ডলারে নেমে আসে। একপর্যায়ে এর দাম ব্যারেলপ্রতি ৮০ দশমিক ৮৯ ডলারে নেমে যায়, যা গত ৪ মার্চের পর সর্বনিম্ন।

অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের মানদণ্ড ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ক্রুডের দাম ২ দশমিক ২২ ডলার বা ২ দশমিক ৮ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৭৮ দশমিক ৫৩ ডলারে দাঁড়ায়। লেনদেনের সময় একপর্যায়ে এর দাম ৭৮ দশমিক ২৭ ডলারে নেমে আসে, যা গত ১০ মার্চের পর সর্বনিম্ন।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে প্রাথমিক সমঝোতার ফলে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল এবং তেল সরবরাহ স্বাভাবিক থাকার সম্ভাবনা বেড়েছে। এতে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ কমে যাওয়ায় তেলের দামে নিম্নমুখী চাপ সৃষ্টি হয়েছে।

এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল ও ইরানকে ঘিরে চলমান উত্তেজনা প্রশমনে একটি অন্তর্বর্তী সমঝোতার ঘোষণা দেওয়ার পর থেকেই তেলের বাজারে বড় ধরনের পতন দেখা যায়। ঘোষণার পরদিনই আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম প্রায় ৫ শতাংশ কমে যায়।

সূত্র: আল জাজিরা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হেলিকপ্টার দিয়ে আকাশ থেকে বীজ ছিটিয়ে লাগানো হবে গাছ: আইএসপিআর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৩:১৩ এম


হেলিকপ্টার দিয়ে আকাশ থেকে বীজ ছিটিয়ে লাগানো হবে গাছ: আইএসপিআর

বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি-২০২৬ কর্মসূচির আওতায় দেশের বিভিন্ন স্থানে, বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর হেলিকপ্টারের সাহায্যে আকাশ থেকে সিডবল (বীজ সমৃদ্ধ মাটির বল) নিক্ষেপের মাধ্যমে বীজ ছিটানো কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

এ বিষয়টি মঙ্গলবার আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

আইএসপিআর জানাচ্ছে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের জন্য ‘৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ’ মহাকর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করেন গত ১৩ জুন। দেশের বৃক্ষসম্পদ বৃদ্ধি এবং পরিবেশের ভারসাম্য সংরক্ষণের জন্য প্রধানমন্ত্রী এই মহৎ উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। এর ধারাবাহিকতায় বিমানবাহিনী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি-২০২৬ আয়োজন করতে যাচ্ছে।

এই উপলক্ষে, বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন মঙ্গলবার ঢাকা সেনানিবাসস্থ বিমানবাহিনী সদর দপ্তর প্রাঙ্গণে গাছের চারা রোপণের মাধ্যমে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করেন।

এই কর্মসূচির আওতায় বিমানবাহিনী বিভিন্ন ধরনের ফলজ, বনজ ও ঔষধি গুণাগুণসম্পন্ন গাছের চারা রোপণ করবে। বিমানবাহিনী প্রধানের সার্বিক দিকনির্দেশনায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আওতায় বনায়নের লক্ষ্যে দেশের উপকূলীয় অঞ্চল এবং পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্গম অঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে, বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর হেলিকপ্টারের সাহায্যে আকাশ থেকে সিডবল (বীজ সমৃদ্ধ মাটির বল) নিক্ষেপের মাধ্যমে বীজ ছিটানো কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। এর আগে দেশের বিভিন্ন প্রত্যন্ত উপকূলীয় অঞ্চলে, বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর হেলিকপ্টারের মাধ্যমে সিডবল নিক্ষেপের কার্যক্রম করা হয়েছিল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%