ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

১৬৫ দিনে ৪৫০টির বেশি উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ শুরু: মীর হেলাল


১৬৫ দিনে ৪৫০টির বেশি উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ শুরু: মীর হেলাল

 

ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন বলেছেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর গত ১৬৫ দিনে চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে ৪৫০টির বেশি উন্নয়নকাজ শুরু হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৩৮০টি কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে বা শেষ পর্যায়ে রয়েছে।

শনিবার (১ আগস্ট) উপজেলার সরকারহাট এলাকার গনি কমিউনিটি সেন্টারে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ‘প্রত্যাশী’ আয়োজিত সংগঠনের সদস্য ও বন্যাদুর্গতদের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আরও পড়ুন: যাত্রাবাড়ীতে ছিনতাই সন্দেহে গণপিটুনিতে আহত যুবক নিশাত মিয়ার মৃত্যু

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও সরকারের মূল লক্ষ্য হলো জনগণের সেবা নিশ্চিত করা এবং দেশের মানুষের মৌলিক অধিকার বাস্তবায়নে কাজ করা। দল-ধর্ম-বর্ণ-গোত্র-নির্বিশেষে সব নাগরিকের উন্নয়ন নিশ্চিত করাই সরকারের অঙ্গীকার।’

তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দায়িত্ব গ্রহণের পর জনগণকে রাষ্ট্রের প্রকৃত মালিক হিসেবে বিবেচনা করে তাদের সেবা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি নির্দেশনা দিয়েছেন।

সেই নির্দেশনা অনুযায়ী সরকার জনগণের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে।’

মীর হেলাল বলেন, বিগত বছরগুলোতে নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও বিএনপির নেতাকর্মীরা মানুষের পাশে থেকেছেন। বর্তমান সরকারও দল-মত-নির্বিশেষে প্রতিটি নাগরিকের পাশে দাঁড়াতে চায়।

আরও পড়ুন: গণভোটের রায় না মানলে তারেক রহমানের ক্ষমতায় থাকার অধিকার নেই: জুনায়েদ

অনুষ্ঠান শেষে প্রতিমন্ত্রী ‘প্রত্যাশী’ সংস্থার সদস্য ও বন্যাদুর্গতদের মধ্যে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেন।

সংস্থার নির্বাহী পরিচালক মনোয়ারা বেগমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মুমিন, স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সবুজের উৎসবে পর্দা নামল: কুড়িগ্রামে ৭ দিনব্যাপী জেলা বৃক্ষ মেলার সমাপনী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

শনিবার, ১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:১১ পি.এম


সবুজের উৎসবে পর্দা নামল: কুড়িগ্রামে ৭ দিনব্যাপী জেলা বৃক্ষ মেলার সমাপনী

‘বৃক্ষরোপনে সাজাই দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে কুড়িগ্রামে ৭ দিনব্যাপী জেলা বৃক্ষ মেলার সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

কুড়িগ্রাম আউটার স্টেডিয়ামে শনিবার (১ আগস্ট) বিকেলে জেলা প্রশাসন ও বন বিভাগের আয়োজনে এ জেলা বৃক্ষ মেলার সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

প্রধান অতিথি হিসেবে সমাপনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সামাজিক বন বিভাগ রংপুর এর উপ-বন সংরক্ষক ও বিভাগীয় বন কর্মকর্তা নুরুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদ প্রশাসক সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) বি.এম কুদরত-এ-খুদা।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন এনডিসি সাইফুদ্দীন, বন বিভাগের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাদিকুর রহমান, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রতিনিধিবৃন্দ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, পরিবেশপ্রেমী এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

বক্তারা অনুষ্ঠানে বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। তারা জানান, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে বেশি বেশি গাছ লাগানোর আহ্বান জানানো হয়।

মেলায় সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন নার্সারি, বনজ, ফলজ, ঔষধি ও শোভাবর্ধনকারী গাছের ২৮টি স্টলে অংশগ্রহণ করে। মেলা চলাকালে বিপুল সংখ্যক দর্শনার্থী বিভিন্ন প্রজাতির চারা সংগ্রহ করেন এবং বৃক্ষরোপণে আগ্রহ প্রকাশ করেন।

সমাপনী অনুষ্ঠানে মেলায় অংশগ্রহণকারী সেরা নির্বাচিত স্টলগুলোকে পুরস্কৃত করা হয় এবং শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ করা হয়।

বন বিভাগের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাদিকুর রহমান জানান, বৃক্ষ মেলার মূল উদ্দেশ্য ছিল সাধারণ মানুষের মধ্যে বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সামাজিক বনায়নকে আরও গতিশীল করা। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, ভবিষ্যতেও পরিবেশ সংরক্ষণে এ ধরনের কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।

এখন এই উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত এ মেলার সমাপ্তির মধ্য দিয়ে কুড়িগ্রামে সবুজায়ন ও পরিবেশ রক্ষায় নতুন উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়েছে, এমনটি মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

টাঙ্গাইলের তাঁতশিল্প বাঁচাতে তাঁতিদের সহজ শর্তে ঋণ দেওয়া হবে: পাট প্রতিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:১২ পি.এম


টাঙ্গাইলের তাঁতশিল্প বাঁচাতে তাঁতিদের সহজ শর্তে ঋণ দেওয়া হবে: পাট প্রতিমন্ত্রী

বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম বলেছেন, টাঙ্গাইলের ঐতিহ্যবাহী তাঁতের শাড়ি জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃত। আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার ও তাঁতিদের উন্নত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে, যাতে টাঙ্গাইল শাড়ির ঐতিহ্য রক্ষা করা যায়। এর সাথে তাঁতিদের জন্য সহজ শর্তে ঋণ ও প্রণোদনা সহায়তা দেয়া হবে।

আজ শনিবার দুপুরে টাঙ্গাইল শহরের বাজিতপুর প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ও বেসিক সেন্টার উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, বিগত সরকার ঐতিহ্যবাহী এই তাঁত শিল্পকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে গেছে। বর্তমান সরকার এই শিল্পকে টিকিয়ে রাখতে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার ও তাঁতিদের উন্নত প্রশিক্ষণ এবং দক্ষতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তরুণ প্রজন্মকে তাঁত শিল্পে আগ্রহী করে তুলতে হবে এই সব প্রশিক্ষণের মাধ্যমে। পাশাপাশি বিগত সরকারের সময় বন্ধ থাকা দেশের যতগুলো টেক্সটাইল আছে, সবগুলো বর্তমানে চালু করবে বর্তমান সরকার।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন, স্থানীয় সংসদ সদস্য ও মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।

বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব শরফ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন, বাংলাদেশ তাঁত বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. জাকির হোসেন, জেলা প্রশাসক শরীফা হক, পুলিশ সুপার মুহাম্মদ শামসুল আলম সরকার প্রমুখ।

এর আগে প্রধান অতিথিসহ সকল অতিথিবৃন্দ টাঙ্গাইল শহরের বাজিতপুরে নবনির্মিত তাঁত প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ও বেসিক সেন্টার উদ্বোধন ও পরিদর্শন করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শুটিং-আরচ্যারিতে বছরব্যাপী প্রশিক্ষণের পরিকল্পনা করা হয়েছে: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:১৭ পি.এম


শুটিং-আরচ্যারিতে বছরব্যাপী প্রশিক্ষণের পরিকল্পনা করা হয়েছে: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

দেশের ক্রীড়াঙ্গনকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে শুটিং ও আরচ্যারীর মতো অত্যন্ত সম্ভাবনাময় ইভেন্টগুলোকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার। এসএ গেমস, এশিয়ান গেমস এবং অলিম্পিকের মতো বৈশ্বিক আসরে পদক জয়ের লক্ষ্য নিয়ে এশিয়ান গেমসের পর থেকেই বছরব্যাপী নিবিড় ট্রেনিং কার্যক্রম শুরু করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

টঙ্গীর আরচ্যারী ট্রেনিং একাডেমি পরিদর্শনকালে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক এসব কথা জানান। এই সময় তিনি একাডেমির পাশে ময়লার ভাগাড় করার প্রক্রিয়া চলার বিষয়ে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন।

ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী টঙ্গীর আরচ্যারী ট্রেনিং একাডেমির পাশে ময়লার ভাগাড় তৈরির উদ্যোগ নিয়ে ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করে পরিষ্কারভাবে জানিয়ে দেন যে, আরচ্যারী দেশের অন্যতম সম্ভাবনাময় একটি খেলা। খেলোয়াড়দের অনুশীলনে বিঘ্ন ঘটে, এমন কিছু হতে দেওয়া হবে না। তিনি উল্লেখ করেন, "আমাকে যদি ফেডারেশনের বর্তমান সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সার্বিকভাবে বিষয়টি অবহিত করেন, তাহলে আমার জায়গা থেকে যা যা করণীয়, আমি সব করার জন্য প্রস্তুত রয়েছি।"

তিনি গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের সাথে কথা বলে দ্রুত এই সমস্যার সমাধানের আশ্বাস দেন। তিনি বলেন, "এটা নিয়ে খুব বেশি সমস্যা হবে না। কারণ আমাদের আরচ্যারী অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং প্রধানমন্ত্রী আরচ্যারীর দিকে তাকিয়ে আছেন। তাই আরচ্যারীর সকল সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করে তাদের খেলায় যাতে কোনো ব্যাঘাত না ঘটে, সেদিকে আমরা নজর রাখব ইনশাআল্লাহ।"

সংবাদমাধ্যমের সাথে আলাপকালে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী দেশের ক্রীড়া খাতের সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা তুলে ধরেন। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রীর দিক-নির্দেশনায় শুটিং ও আরচ্যারীকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে অলিম্পিকের কাঙ্খিত লক্ষ্য অর্জনে একদম 'জিরো' থেকে কাজ শুরু হয়েছে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, খেলোয়াড়দের উদ্বুদ্ধ করতে ইতোমধ্যে ১৫-১৬ জন আরচ্যারকে পেশাগত স্বীকৃতিস্বরূপ ক্রীড়াভাতা ও ক্রীড়াকার্ডের আওতায় আনা হয়েছে।

তৃণমূল পর্যায় থেকে নতুন ক্রীড়াবিদ তুলে আনতে আমিনুল হক দেশজুড়ে 'স্পোর্টস ভিলেজ' গড়ে তোলার এক বিশাল কর্মপরিকল্পনার কথা জানান। চলতি বছরেই ১০টি স্পোর্টস ভিলেজের কার্যক্রম শুরু হবে এবং পর্যায়ক্রমে তা দেশের ৬৪টি জেলায় বাস্তবায়ন করা হবে। প্রতিটি স্পোর্টস ভিলেজে শুটিং ও আরচ্যারীর পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা রাখা হবে, যাতে জেলার তরুণ প্রতিভাবানরা সহজেই জাতীয় পর্যায়ে উঠে আসতে পারেন।

এর আগে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী টঙ্গীর আরচ্যারী ট্রেনিং একাডেমিতে চলমান জয়েন্ট ট্রেনিং প্রোগ্রাম এবং প্রেসিডেন্টস চ্যালেঞ্জ কাপ আরচ্যারী টুর্নামেন্ট পরিদর্শন করেন। সেখানে পৌঁছালে ওয়ার্ল্ড আরচ্যারী এশিয়া ও বাংলাদেশ আরচ্যারী ফেডারেশনের প্রেসিডেন্ট কাজী রাজীব উদ্দীন আহমেদ চপল এবং সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ তানভীর রায়হানসহ কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যরা তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। প্রতিমন্ত্রী সেখানে বিভিন্ন দেশের আরচ্যারদের সাথে কুশল বিনিময় করেন।

ফেডারেশনের বর্তমান অ্যাডহক কমিটির প্রতি আস্থা প্রকাশ করে প্রতিমন্ত্রী জানান, আগামী তিন মাসের মধ্যে নির্বাচনের মাধ্যমে একটি পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হবে, যারা দেশের আরচ্যারীকে আরও আধুনিক ও গতিশীল করে তুলতে কাজ করবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিক্ষার্থীদের রুপচাঁদার নামে নিষিদ্ধ পিরানহা মাছ পরিবেশন আবাসিক হলের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:১৯ পি.এম


শিক্ষার্থীদের রুপচাঁদার নামে নিষিদ্ধ পিরানহা মাছ পরিবেশন আবাসিক হলের

গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (গোবিপ্রবি) বিজয় দিবস হলের ডাইনিংয়ে শিক্ষার্থীদের রুপচাঁদা মাছের নামে অতিরিক্ত মূল্যে নিষিদ্ধ পিরানহা মাছ পরিবেশনের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনা জানাজানি হওয়ার সাথে সাথেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেছেন, শুক্রবার (৩১ জুলাই) রাতে খাবারের সময় রুপচাঁদা মাছের নামে পিরানহা মাছ অতিরিক্ত মূল্যে পরিবেশন করা হয়। খাবার খাওয়ার সময় মাছের ধারাল দাঁত দেখে কয়েকজন শিক্ষার্থী সন্দেহে ডাইনিং কর্তৃপক্ষের কাছে বিষয়টি জানতে চান। প্রথমে দাবি করা হয় যে মাছটি রুপচাঁদা, কিন্তু শিক্ষার্থীদের প্রশ্নের মুখে ডাইনিং পরিচালক মনির ইসলাম পরবর্তীতে সেটিকে পিরানহা মাছ বলে স্বীকার করেন।

বিজয় দিবস হলের আবাসিক শিক্ষার্থী ও বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী মাসুম পারভেজ বলেন, আমাদের হলের ডাইনিংয়ে নিয়মিত পিরানহা মাছ পরিবেশন করা হচ্ছে এবং বিষয়টি একাধিকবার ডাইনিং কর্তৃপক্ষকে জানানোর পরেও কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তিনি আবেদন জানান, শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তার জন্য প্রশাসনের দ্রুত তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন।

ডাইনিং পরিচালক মনির ইসলাম অভিযোগের বিষয়ে বলেন, শিক্ষার্থীরা যদি এই ধরনের মাছ খেতে না চান, তাহলে ভবিষ্যতে ডাইনিংয়ে আর এ ধরনের মাছ রান্না করা হবে না।

এ বিষয়ে বিজয় দিবস হলের প্রভোস্ট সহযোগী অধ্যাপক ড. রবিউল ইসলাম বলেন, আমি আগে বিষয়টি জানতাম না। হল কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া নিষিদ্ধ মাছ ডাইনিংয়ে পরিবেশনের কোনো সুযোগ নেই। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এর আগে একই ডাইনিংয়ের খাবারের মান নিয়ে শিক্ষার্থীদের অভিযোগ উঠেছিল। এক বার পুঁইশাক খোসাসহ রান্না করে পরিবেশন করার ঘটনায়ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছিল।

প্রসঙ্গত, ২০০৮ সালে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের জারি করা প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে দেশে পিরানহা মাছের চাষ, উৎপাদন, পরিবহন, মজুদ, প্রদর্শন, আমদানি ও বাজারজাতকরণ আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে ঘোষণা করা হয়। মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ আইন, ১৯৫০ অনুযায়ী পিরানহা মাছের বিস্তার ও বেচাকেনা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%