সোমবার, ৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:৫৪ পি.এম
গুয়াহাটির বেলতলা এলাকার বশিষ্ঠপুরে ঘটে যাওয়া এক ভয়াবহ হত্যাকাণ্ডের পর, ২৫ বছর বয়সী এক নারীর খণ্ড-বিখণ্ড মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বিয়ের মাত্র কয়েক মাস পরেই এই ঘটনা ঘটেছে।এই নারীর নাম রিয়া তালুকদার বলে জানা গেছে। তার স্বামী রামানুজন গোস্বামী, স্ত্রীকে নৃশংসভাবে হত্যার অভিযোগে পুলিশে আত্মসমর্পণ করেছেন।
পুলিশ জানায়, দুর্গন্ধের অভিযোগ পাওয়ার পর তারা ওই অ্যাপার্টমেন্টে পৌঁছায়। বিবাহিত এই দম্পতি কয়েক মাস আগে থেকে সেখানে বসবাস শুরু করেছিল। প্রতিবেশীরা জানান, তারা গত দুই দিন ধরে ওই দম্পতিকে দেখেননি এবং তাদের ফোনও বন্ধ ছিল। পুলিশ অ্যাপার্টমেন্টের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে রিয়ার খণ্ড-বিখণ্ড মৃতদেহ উদ্ধার করে।
রিয়ার আঙুলগুলো অর্ধেক কাটা ছিল এবং দেহটি পচতে শুরু করেছিল। মাথাটি উধাও ছিল। বাড়ির তল্লাশির সময় পুলিশ ফ্রিজের ভেতরে একটি পলিথিন ব্যাগে রিয়ার মাথাটি খুঁজে পায়।
পরে মৃতদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়। ঘটনার পর পুলিশ রিয়ার স্বামীর খোঁজে অভিযান শুরু করে। রবিবার রাতে অভিযুক্ত পুলিশে আত্মসমর্পণ করলে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ এখনও এই হত্যাকাণ্ডের পেছনের উদ্দেশ্য বা অভিযুক্তের সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা নতুন এক মোড় নিয়েছে, কারণ যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক শক্তি ও কঠোর অর্থনৈতিক অবরোধের যৌথ নীতি জোরদার করেছে। মার্কিন চাপ ও ধারাবাহিক হামলার প্রতিক্রিয়ায় ইরান সামরিক পদক্ষেপ শক্তিশালী করার হুঁশিয়ারি দিয়েছে।
শনিবার যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) একটি ভিডিও প্রকাশ করে জানায়, তাদের হামলায় ইরানের তিনটি অপরিশোধিত তেলবাহী ট্যাঙ্কারকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। এর মধ্যে একটি আক্রমণ ইরানের প্রধান তেল রপ্তানি কেন্দ্র ‘খার্গ দ্বীপ’ সংলগ্ন অঞ্চলে, দ্বিতীয়টি জাসকের কাছে এবং তৃতীয়টি ওমান উপসাগরে পরিচালিত হয়।
সেন্টকমের ভাষ্য অনুযায়ী, এর মধ্যে দু’টি ট্যাঙ্কার স্থায়ীভাবে ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়েছে এবং তৃতীয়টি ব্যাপক বোমাবর্ষণের পর সাগরে ডুবে গেছে।
মার্কিন পদক্ষেপের পর ইরানের ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) নিজেদের একটি ভিডিও চিত্র প্রকাশ করে। এতে দেখা যায়, কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে অতিক্রম করা একাধিক জাহাজে বিস্ফোরক ভর্তি ক্ষেপণাস্ত্র বা প্রজেক্টাইল আঘাত হানতে।
রবিবার এক বিবৃতিতে আইআরজিসি জানায়, ‘আক্রমণকারী যুক্তরাষ্ট্রকে বুঝতে হবে যে, এ অঞ্চল ত্যাগ করা এবং নিজের অপকর্ম বন্ধ করা ছাড়া তাদের আর কোনো উপায় নেই।’ একই সাথে ইরানের জলসীমায় প্রবেশের চেষ্টার সময় একটি মার্কিন নির্মিত স্বয়ংক্রিয় সামুদ্রিক ড্রোন ভূপাতিত করার দাবিও করে আইআরজিসি।
উল্লেখ্য, বিশ্বজুড়ে বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহৃত তেল ও গ্যাসের এক-পঞ্চমাংশ এই হরমুজ প্রণালি দিয়েই পরিবাহিত হয়ে থাকে।
পৃথক আরেক বিবৃতিতে আইআরজিসি জানায়, ইরানের দক্ষিণ সমুদ্রবন্দরগুলোতে দীর্ঘ কয়েক মাস ধরে চলা নৌ-অবরোধে যুক্ত একটি মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ও অন্য একটি যুদ্ধজাহাজকে লক্ষ্য করে তারা বেশ কয়েকটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে। আইআরজিসি দাবি করে, উভয় জাহাজই কিছু ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং সেখান থেকে পালিয়ে গেছে।
যদিও তাৎক্ষণিকভাবে এই সফল আঘাতের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি এবং সেন্টকম জানিয়েছে যে তারা আক্রমণটি ‘ব্যর্থ বা এড়াতে’ সক্ষম হয়েছে।
রবিবার আইনপ্রণেতাদের এক রুদ্ধদ্বার বৈঠকে বক্তব্য দেওয়ার সময় স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ বলেন, তেহরান এই অঞ্চলজুড়ে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে ‘উল্লেখযোগ্য আঘাত’ হেনেছে, যা ওয়াশিংটনের নেতাদের ‘হতাশ’ করেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সাথে ইরানের প্রধান আলোচক গালিবাফ বলেন, ‘আমেরিকানরা নিশ্চয়ই বুঝতে পেরেছে যে আনুপাতিক জবাব দেওয়ার দিন শেষ হয়ে গেছে এবং আক্রমণকারীদের ঘাঁটিতে আমাদের সাম্প্রতিক হামলা ছিল কেবল একটি সূচনামাত্র।’
তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, ইরানি স্বার্থের ওপর যেকোনো নতুন আক্রমণ হলে ইরান তার চেয়ে ‘আরও দ্রুত, কঠোর এবং বেদনাদায়ক’ আঘাত হানবে।
সূত্র:
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : জাতীয় ও স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সংবাদ সংগ্রহে সাংবাদিকদের কাজ সহজ, স্বচ্ছ ও গতিশীল করতে ‘ডিজিটাল অ্যাক্রিডিটেশন ও কার্ড ইস্যুয়েন্স সফটওয়্যার’ তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
এই সফটওয়্যারের প্রয়োজনীয় রূপরেখা (এসআরএস) চূড়ান্ত করতে ৯ সদস্যের একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করা হয়েছে।
আজ সোমবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনের সম্মেলন কক্ষে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়, প্রেস ইনফরমেশন ডিপার্টমেন্ট (পিআইডি), বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা , বিটিভি, বাংলাদেশ বেতার, আইএফইএস এবং রিপোর্টার্স ফোরাম ফর ইলেকশন অ্যান্ড ডেমোক্রেসি (আরএফইডি)-এর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় ইসি সচিবালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. সামসুল আলমকে আহ্বায়ক এবং জনসংযোগ শাখার পরিচালক মো. আব্দুল মমিন সরকারকে সদস্য সচিব করে ৯ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়।
বৈঠক শেষে ইসি সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ বলেন, গত ১২ ফেব্রুয়ারির ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের অভিজ্ঞতার আলোকে অনলাইন ও ডিজিটাল অ্যাক্রিডিটেশন ব্যবস্থার যে কারিগরি সীমাবদ্ধতা ছিল, তা দূর করতেই এবার সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনদের নিয়ে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
অনলাইন কার্ড বিতরণ পদ্ধতির বিষয়ে ইসি সচিব আখতার আহমেদ বলেন, আমরা কেন্দ্র থেকে উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত একটি কেন্দ্রীয় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম তৈরি করতে চাই। আমাদের লক্ষ্য কাউকে বাদ দেওয়া বা নিয়ন্ত্রণ করা নয়, বরং কার্ড প্রদানের ব্যবস্থাপনাটি সহজ ও স্বচ্ছ করা, যাতে পেশাদার সাংবাদিকদের কার্ড নেওয়ার সময় কোনো ভোগান্তি পোহাতে না হয়। সেই লক্ষ্যেই গঠিত কমিটি আগামী ২৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে তাদের প্রতিবেদন জমা দেবে। প্রতিবেদনের পর্যালোচনার ভিত্তিতেই আমরা কমিশনের চূড়ান্ত অনুমোদন নিয়ে নতুন সফটওয়্যারের মাধ্যমে কার্ড বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করবো।
এ সময় বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক কাদের গনি চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন একটি স্বাধীন ও গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে সুদৃঢ় রাখতে এবং জনগণের ভোটাধিকারের রক্ষাকবচ হিসেবে এটি কাজ করে।
তিনি বলেন, একটি গণতান্ত্রিক ও সুষ্ঠু নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা সম্পূর্ণ নির্ভর করে স্বাধীন সাংবাদিকতার ওপর। স্বাধীনভাবে সত্য তুলে ধরার জন্য নির্বাচন কমিশনকে সাংবাদিকদের জন্য মুক্ত কাজের পরিবেশ তৈরি করে দিতে হবে।
তিনি আরও বলেন, অতীতে অনেক রাজনৈতিক ক্যাডার ও অপেশাদার লোক সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে কার্ড বানিয়ে কেন্দ্র দখলসহ নানা বিশৃঙ্খলা তৈরি করেছে, যার ফলে প্রকৃত পেশাদার সাংবাদিকরা নিগৃহীত ও বাধাগ্রস্ত হয়েছেন। এবার যেন তেমনটি না হয়, তাই ডিজিটাল পদ্ধতিতে কার্ড ও গাড়ির স্টিকার দেওয়ার এ উদ্যোগকে আমরা স্বাগত জানাই।
এ ধরনের জালিয়াতি বন্ধে নিবন্ধিত ও মূলধারার গণমাধ্যম থেকে কেবল প্রকৃত সাংবাদিকদের যাচাই-বাছাই করে কার্ড দেওয়ার দাবি জানান তিনি।
ইসি সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদের সভাপতিত্বে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন পিআইডি’র প্রধান তথ্য কর্মকর্তা (পিআইও) সৈয়দ আবদাল আহমদ, বাংলাদেশ টেলিভিশনের (বিটিভি) মহাপরিচালক কাজী জেসিন, আরএফইডি’র সভাপতি কাজী এমাদ উদ্দীন জেবেল ও সাধারণ সম্পাদক ইকরাম-উদ-দৌলাসহ তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এবং নির্বাচন কমিশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
উল্লেখ্য, অতীতে নির্বাচনকালীন হাজার হাজার সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষককে ম্যানুয়ালি অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড বা পাস ইস্যু করার প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত সময়সাপেক্ষ, জটিল ও শ্রমসাধ্য ছিল।
এই প্রক্রিয়ায় গতিশীলতা, সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা ও আধুনিকায়ন নিশ্চিত করতেই মূলত ইসি এই সফটওয়্যার তৈরির উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে (বিসিএফসিসি) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আন্তর্জাতিক পর্যটন মেলা ‘বাংলাদেশ ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম ফেয়ার (বিটিটিএফ) ২০২৬’। এই মেলা ২৯ অক্টোবর থেকে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে।
দেশের পর্যটন খাতের সংগঠন ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (টোয়াব) আয়োজিত এই তিন দিনের মেলায় ২০টিরও বেশি দেশ থেকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যটন অংশীজনরা অংশগ্রহণ করবেন।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর ক্রাউন প্লাজা ঢাকা এয়ারপোর্টে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বিটিটিএফের বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন টোয়াবের সভাপতি মোহাম্মদ হানিফ। এবারের মেলাটির টাইটেল স্পন্সর হিসেবে যুক্ত হয়েছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস।
মোহাম্মদ হানিফ মন্তব্য করেন, আন্তর্জাতিক পর্যটন খাতের সংশ্লিষ্টদের অংশগ্রহণ বাংলাদেশের পর্যটন গন্তব্যগুলোর প্রচার, ব্যবসায়িক নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা এবং বৈশ্বিক বাজারের সঙ্গে পর্যটন অংশীদারি সম্প্রসারণে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম তৈরি করবে।
তিনি জানান, চারটি বিষয়ভিত্তিক প্রদর্শনীতে ২০০টির বেশি বুথ ও স্টলের মাধ্যমে এয়ারলাইনস, হোটেল ও ট্যুর অপারেটরসহ ২২০টির বেশি প্রদর্শক তাদের পর্যটন পণ্য ও সেবা তুলে ধরবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
দেশে বিদেশি পর্যটক কাঙ্ক্ষিত হারে না বাড়ার বিষয়ে কিছু জটিলতা রয়েছে বলেও জানান টোয়াব সভাপতি মোহাম্মদ হানিফ। তবে তিনি জটিলতাগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানাননি।
তিনি আরও জানান, টোয়াব সরকারের সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সঙ্গে পর্যটন খাতের বিকাশে আরো সক্রিয়ভাবে কাজ করবে।
আয়োজকরা জানান, টানা ১৩টিরও বেশি সফল আয়োজনের ধারাবাহিকতায় এবারের মেলা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের পর্যটন খাতের বিকাশ, নতুন ব্যবসায়িক ক্ষেত্র তৈরি এবং আঞ্চলিক সহযোগিতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
আন্তর্জাতিক অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে নেপাল, ভারত, সিঙ্গাপুর, মালদ্বীপ ও ফিলিপাইন ইতিমধ্যে মেলায় তাদের উপস্থিতি নিশ্চিত করেছে। এছাড়া তুরস্ক, সংযুক্ত আরব আমিরাত, চীন, শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান, থাইল্যান্ড, ব্রুনাই, সৌদি আরব, মালয়েশিয়া ও আজারবাইজান থেকে পর্যটন সংস্থা ও ট্যুর অপারেটররা অংশ নেবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
মেলার সার্বিক সহযোগিতায় রয়েছে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়, জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (এনএসডিএ), বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন, বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড, বাংলাদেশ ট্যুরিস্ট পুলিশ এবং এফবিসিসিআই।
অনুষ্ঠানে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের মহাব্যবস্থাপক কামরুল ইসলাম বলেন, ভিসা প্রক্রিয়া সহজ হলে দেশে আরো বিদেশি পর্যটক বাড়বে। তিনি উল্লেখ করেন, এই মেলা দেশের এভিয়েশন ও পর্যটন খাতকে এগিয়ে নেবে। ভবিষ্যতে ব্রুনেই, বাহরাইন ও দিল্লিসহ ১৬টি নতুন গন্তব্যে উড়ান চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে।
আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের পরিকল্পনার কথা জানিয়ে কামরুল ইসলাম বলেন, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস শিগগিরই ব্রুনেই, বাহরাইন, কুয়েত, সালালা, পেনাং ও জোহর বাহরুর মতো গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক রুটে ফ্লাইট চালুর পরিকল্পনা করছে।
তিনি জানান, আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে লন্ডন, রোম, নিউইয়র্ক ও টরন্টোর মতো দীর্ঘপথের আন্তর্জাতিক রুটেও ফ্লাইট পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে ইউএস-বাংলার।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইরান দক্ষিণ কোরিয়াকে সতর্ক করেছে হরমুজ ইস্যুতে।
ইরান জানায়, যদি দক্ষিণ কোরিয়া হরমুজ প্রণালিতে সামরিক বাহিনী মোতায়েন করে অথবা যুক্তরাষ্ট্রের কোনো সামরিক অভিযানে অংশ নেয়, তাহলে তাদের গুরুতর পরিণতির সম্মুখীন হতে হবে। সোমবার, ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাকাই দক্ষিণ কোরিয়াকে যুক্তরাষ্ট্রের চাপ ও হুমকির কাছে নতি স্বীকার না করার জন্য আহ্বান জানান।
তিনি মন্তব্য করেন, “পারস্য উপসাগর বা হরমুজ প্রণালিতে কোনো দেশের সামরিক মোতায়েন বা সামরিক অভিযানে অংশগ্রহণকে ইরানের বিরুদ্ধে চলমান আগ্রাসনে সরাসরি সমর্থন হিসেবে বিবেচনা করা হবে।” তিনি এ ধরনের পদক্ষেপের গুরুতর পরিণতি হতে পারে বলেও সতর্ক করেন।
দক্ষিণ কোরিয়া জানিয়েছে, তারা হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা কার্যক্রমে সহায়তা করার বিষয়ে বিবেচনা করছে। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। দক্ষিণ কোরিয়া বলেছে, তাদের নিজস্ব সামরিক প্রস্তুতি ক্ষতিগ্রস্ত না হলে বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।
এদিকে, এপ্রিলের যুদ্ধবিরতিতে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বড় ধরনের বোমাবর্ষণ বন্ধ হলেও, হরমুজ প্রণালি ও এর আশপাশে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ অব্যাহত রয়েছে। হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধের কারণে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আলোচনা কার্যত থমকে গেছে। বিশ্বের মোট তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) রপ্তানির প্রায় এক পঞ্চমাংশ এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ দিয়ে পরিবহন করা হয়।
যুদ্ধ শুরুর পর থেকে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। এতে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। ইরান বর্তমানে হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজগুলোকে অনুমতি নেওয়ার শর্ত দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রসহ কয়েকটি আঞ্চলিক দেশ এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছে। তবে ইরান জানিয়েছে, যুদ্ধের আগে যে অবাধ নৌচলাচল ব্যবস্থা ছিল, সেখানে তারা আর ফিরে যাবে না।
হরমুজ প্রণালিতে সামরিক বাহিনী মোতায়েন বা যুক্তরাষ্ট্রের কোনো সামরিক অভিযানে অংশ নিলে দক্ষিণ কোরিয়াকে গুরুতর পরিণতির মুখে পড়তে হবে বলে সতর্ক করেছে ইরান।
সোমবার, ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাকাই দক্ষিণ কোরিয়াকে যুক্তরাষ্ট্রের চাপ ও হুমকির কাছে নতি স্বীকার না করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, পারস্য উপসাগর বা হরমুজ প্রণালিতে কোনো দেশের সামরিক মোতায়েন বা সামরিক অভিযানে অংশগ্রহণকে ইরানের বিরুদ্ধে চলমান আগ্রাসনে সরাসরি সমর্থন হিসেবে বিবেচনা করা হবে। এ ধরনের পদক্ষেপের গুরুতর পরিণতি হতে পারে বলেও তিনি সতর্ক করেন।
এর আগে শুক্রবার, দক্ষিণ কোরিয়া জানিয়েছিল, তারা হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা কার্যক্রমে সহায়তা করার বিষয়টি বিবেচনা করছে। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। দক্ষিণ কোরিয়া জানিয়েছে, তাদের নিজস্ব সামরিক প্রস্তুতি ক্ষতিগ্রস্ত না হলে বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।
এদিকে, এপ্রিলের যুদ্ধবিরতিতে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বড় ধরনের বোমাবর্ষণ বন্ধ হলেও, হরমুজ প্রণালি ও এর আশপাশে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ অব্যাহত রয়েছে। হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধের কারণে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আলোচনা কার্যত থমকে গেছে। বিশ্বের মোট তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) রপ্তানির প্রায় এক পঞ্চমাংশ এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ দিয়ে পরিবহন করা হয়।
যুদ্ধ শুরুর পর থেকে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। এতে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। ইরান বর্তমানে হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজগুলোকে অনুমতি নেওয়ার শর্ত দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রসহ কয়েকটি আঞ্চলিক দেশ এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছে। তবে ইরান জানিয়েছে, যুদ্ধের আগে যে অবাধ নৌচলাচল ব্যবস্থা ছিল, সেখানে তারা আর ফিরে যাবে না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ